Powered By Blogger

Monday, December 1, 2025

প্রসঙ্গঃ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের নির্দেশে বাংলাদেশে উৎসব অনুষ্ঠান বন্ধ।

সাম্প্রতিক বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনুধাবন ক'রে যদি শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের নির্দেশে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৭তম জন্ম মহোৎসব অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে থাকে তাহ'লে "সব মাটি হয়ে গেল, আমরা দুঃখিত" ভাবার কোনও কারণ নেই। শ্রীশ্রীআচার্যদেবের নির্দেশ, নিদেশ আর আদেশ মানেই শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দেশ, নিদেশ ও আদেশ। তাই শ্রীশ্রীআচার্যদেব যদি কিছু ব'লে থাকেন তাহ'লে তা' মাটি হবার হাত থেকে আগাম রক্ষা পাওয়ার জন্যেই বলে থাকেন; ফলে আমরা ভবিষ্যৎ বিপদ থেকে আগাম রক্ষা পেয়ে হ'ই আনন্দিত। শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আশীর্বাদে যদি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়ে থাকে আবার তাঁর নির্দেশেই যদি পরিস্থিতি ও পরিবেশ অনুযায়ী অনুষ্ঠান বন্ধ হ'য়ে থাকে তাহ'লে তার মধ্যে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ মঙ্গল নিহিত আছে। যদি ভবিষ্যৎ অকল্যাণ থেকে বাঁচতে হয় ও বাঁচাতে হয় পরিবার পরিজন সমাজ ও দেশকে তাহ'লে শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আশীর্বাদ ও আদেশ সৎসঙ্গীদের কাছে শেষ কথা। শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আশীর্বাদ, আদেশ, র্নিদেশ ও নিদেশ ছাড়া এই ভয়ংকর পৃথিবীতে এক পা-ও আগে চলার উপায় নেই সৎসঙ্গীদের। সৎসঙ্গীদের মহাভাগ্য তাদের সামনে শ্রীশ্রীঠাকুর শ্রীশ্রীআচার্যদেব রূপে সৎসঙ্গীদের সামনে জীবন্ত আছেন। এই ভয়ংকর অন্ধকার পরিবেশে হাত ধরে সঠিক পথে নিখুঁতভাবে চালিত করার আমাদের সামনে শ্রীশ্রীআচার্যদেব ছাড়া আর কেউ নেই। এই সুযোগ অবহেলা করবেন না। যে অক্ষরে অক্ষরে অন্ধের মত মেনে চলবেন শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আদেশ, নির্দেশ ও নিদেশ দিনের শেষে সে রক্ষা পাবে নতুবা পরিণতি হবে ভয়াবহ, হবে ভয়ংকর। কারণ শয়তান সবসময় অপেক্ষায় আছে, ব্রহ্মতালুতে ছোবল মারার, যেখানে তাগা বাঁধার আর কোনও উপায় থাকবে না। তাই, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও অবস্থায়ই কারও কথায় প্ররোচিত হবেন না ও শ্রীশ্রীআচার্যদেবের নির্দেশ ছাড়া এক পা-ও ফেলবেন না। যে কোনও পরিস্থিতিতে যে কোনও মূল্যে যে কোনও কষ্ট সহ্য ক'রে শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আদেশ ও নির্দেশ রক্ষা করবেন।
আমার সৎসঙ্গী গুরুভাইবোন সাবধান!
আর, একটা কথা, শ্রীশ্রীআচার্যদেবের কাছে যখনই কেউ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা সমাধানের জন্য যাবেন কিংবা কেন্দ্র মন্দিরের কোনও সাংগঠনিক কাজের জন্য, উৎসব অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি নিতে যাবেন বা কি করণীয় তা' জানতে যাবেন তখন সিরিয়াসলি মনোযোগ সহকারে শুনবেন, খেয়াল রাখবেন শ্রীশ্রীআচার্যদেব ঠিক কি বলছেন। বুঝতে না পারলে আবার জিজ্ঞেস করবেন। তাঁর প্রতিটি শব্দ ও বাক্যের ওপর ধ্যান দেবেন, প্রয়োজনে লিখে রাখবেন, পরে বারবার পড়বেন, সবাই মিলে ত্রুটিহীন বোঝার চেষ্টা করবেন তিনি ঠিক কি বলতে চেয়েছেন, তাহ'লে দেখবেন দুর্ভোগে পড়বেন না কিছুতেই।
আমার দীর্ঘ বহু বছরের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি শেয়ার করলাম। জয়গুরু। ( লেখা ২রা ডিসেম্বর'২০২৪)

No comments:

Post a Comment