Powered By Blogger

Monday, April 6, 2026

প্রবন্ধঃ কি বিচিত্র এই পৃথিবী! পৃথিবীর মানুষ!!

কখনো জিন্দাবাদ, কখনো বা মুর্দাবাদ! বালখিল্য দেশ আর বালখিল্য সব দেশের জ্ঞানী, গুণী, পন্ডিতের দল।কখন যে কে কি বলছে, কেন বলছে, কাদের বলছে, কাদের পক্ষে বলছে, জনগণ না ব্যবসায়ী কাদের হ'য়ে বলছে সব ঘেঁটে ঘঁ হ'য়ে যাচ্ছে শালা! বন বন ক'রে ঘুরছে মাথা। তেলা মাথায় তেল দিচ্ছে না শুকনো মাথায় তেল দিচ্ছে এরা তা' বুঝতেই হিমশিম খাচ্ছে মানুষ।

ছোটোবেলায় সরিষার তেল খেয়ে খেয়ে, গায়ে মাথায় মেখে বড় হয়েছি। পূর্বপুরুষ সর্ষের তেল খেয়ে এসেছে। শরীর তাগড়া হয়েছে, চামড়া মসৃণ হয়েছে, চুল হয়েছিল মজবুত। আজ যেমনভাবে প্রচার করা হচ্ছে তেমন কোনোদিন হার্ট, লিভার খারাপ হ'তে শুনিনি, শুনিনি হাঁটুর ব্যথা।

তারপর বড় হ'য়ে হঠাৎ শুনলাম ডাক্তাররা বলছেন, সরিষার তেল হার্টের পক্ষে, পেটের পক্ষে ক্ষতিকর। বাতের পরম বন্ধু। তাই আর সরিষার তেল খাওয়া নিরাপদ নয়। তাই চালু হ'লো সাদা তেল। সূর্যমুখী তেল, রাইস বান তেল অর্থাৎ চালের তুষ থেকে তেল, বাদাম তেল, জলপাই তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি নানা রকমের তেলে তেলে তেলাপিয়ার বংশবৃদ্ধির মত ভরে গেল বাজার।

ছোটোবেলায় ডালডা দিয়ে বানানো ম' ম' সুগন্ধে ভরা বাতাসে সুস্বাদু গরম গরম লুচি খেয়েছি, কখনো বা ঘিয়ে ভাজা লুচি খেয়েছি, সর্ষের তেল দিয়ে ভাজা ডগা সহ লম্বা লম্বা বেগুন ভাজা দিয়ে লুচি খেয়েছি, সর্ষের তেল দিয়ে জম্পেশ ক'রে কষানো আর ঘি দিয়ে তৈরী মাংস দিয়ে, আলুর দম দিয়ে গরম ফুলকো ময়দার লুচি খেয়েছি।
তারপর শুনলাম ডালডা আর ঘি খেলে অবধারিত স্ট্রোক, লিভার ড্যামেজ। তাই সেটাও হ'লো খাওয়া বন্ধ। বাজার থেকে উধাও হ'লো বিখ্যাত সুস্বাদু ডালডা, ঘি-এর বাজার হ'লো মন্দা।

মাখন খেতাম পাউরুটিতে লাগিয়ে, কি তার স্বাদ! পরে শুনলাম মাখন খেলে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই মাখনের পরিবর্তে বাজারে এলো মার্জারিন। তাই পাউরুটিতে লাগিয়ে খেয়েছি কিন্তু স্বাদহীন।
একটা সময় সস্তায় পাম তেলেও বাজার চেয়ে গেছিল। সরকারীভাবে রেশনেও পাল তেল সরবরাহ হ'তো। তারপর তাও বন্ধ হয়ে গেল। কেন বন্ধ হ'য়ে গেল গরীবের ঘরের ঘি পাম তেল? কেন বন্ধ হ'য়ে গেল ডালডা, ঘিয়ের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত পাম তেল?

তাই মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা ক'রে বুদ্ধিমান মানুষ বিকল্প হিসেবে বাজারে নিয়ে এলো ১০০% স্বাস্থ্যকর উদ্ভিজ তেল। তেলাপিয়ার বংশবৃদ্ধির মত বাজার ছেয়ে ফেলল নানারকম উদ্ভিজ তেল যাকে আমরা চলতি কথায় বলি সাদা তেল। সূর্যমুখী তেল, রাইস বান তেল অর্থাৎ চালের তুষ থেকে তেল, বাদাম তেল, জলপাই তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি নানা রকমের তেলে ভরে গেল বাজার।

এই উদ্ভিজ তেল অর্থাৎ সাদা তেল দিয়ে রান্না ক'রে খাও তরিতরকারি।মাছ, মাংস, ডিম রান্না করো সাদা তেল দিয়ে, লুচি, পরোটা, বেগুন ভাজা, আলু ভাজা, চপ, বেগুনি ইত্যাদি সব খাও সাদা তেলে। সাদা তেল জিন্দাবাদ। সর্ষের তেল, ঘি, ডালডা, মাখন মুর্দাবাদ।

এইভাবে বেশ কিছুদিন গেল। অনেক বছর ধ'রে চললো সাদা তেলের বাজার। তারপর আবার বহুদিন পর একদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় শুনলাম ডাক্তাররা বলছেন, বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা ক'রে জেনেছেন সর্ষের তেল শরীরের পক্ষে উত্তম তেল, হার্টের পক্ষে উপকারী, স্বাস্থ্যকর। আবার চালু হ'লো ঘরে ঘরে সর্ষের তেলের ব্যবহার। শুরু হ'লো সর্ষের তেলের জয়ধ্বনি। ততদিনে মানুষ অভ্যস্থ হ'য়ে গেছে উদ্ভিজ তেলে অর্থাৎ সাদা তেলে। তবুও আবার মানুষ খাওয়া শুরু করলো সর্ষের তেল ডাক্তারের আশ্বাস বাণী শুনে।

কিন্তু আজ আবার শুনছি উল্টো কথা। কি বলছেন সব জ্ঞানী, পন্ডিতরা? তাঁরা বলছেন, "অতিরিক্ত সরিষার তেল খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতির কারণ। ইউরোপের সব দেশ, USA, কানাডায় নিষিদ্ধ হয়েছে সর্ষের তেল। ভিডিওতে বলা হচ্ছে যেহেতু ক্যানাডা, ইউ এস এ নিষিদ্ধ করেছে তাই ওরাই একমাত্র জ্ঞানী পন্ডিত দেশ আর আমরা বালখিল্য ঋষির দেশ। তাই খাওয়া বন্ধ করো সর্ষের তেল।
তাহ'লে কোনটা ঠিক? কারা ঠিক? আগে যারা বলেছিল সর্ষের তেল শরীরের জন্য ভালো, উপকারী তাঁরা ঠিক নাকি যারা পরে বললো সর্ষের তেল শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর, তাঁরা ঠিক? এর কিছুদিন পরে সর্ষের তেল সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনের দৌলতে তার সুনাম ফিরে পেলেও আবার তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে ইউরোপের সব দেশ, USA, কানাডা। এখন সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? কোথায় যাবো আমরা?

সাধারণ মানুষ বলছে, শালা বাঁচবোই তো গড় আয়ু অনুযায়ী ৬৪ বছর। জানি না এখন গড় আয়ু বেড়েছে নাকি আরও কমেছে। জানার ইচ্ছাও নেই। আর কলিযুগে মানুষের আয়ু নাকি নির্ধারিত হয়েছে ১০০বছর। কে নির্ধারণ করেছে জানি না, জানার ইচ্ছাও নেই। শুধু এটুকু বুঝি সব শালা আধা জ্ঞানী পোঙ্গা পন্ডিতের দল। জ্ঞানী পন্ডিতদের আজ এক কথা, কাল আর এক কথা শুনতে শুনতে চার অক্ষর মানুষ শালা puzzled হ'য়ে যাচ্ছে, সবাই আজ confused.
শালা চারপাশের ভেজাল মেশানো মারাত্মক বিষ খেতে খেতে সেটাই মানুষ হজম ক'রে নিয়ে গড় আয়ু ৬৪ বছর পার ক'রে দিচ্ছে এমনকি অনেকেই ৮০ বছর এমনকি ৯০ পার ক'রে দিব্যি বেঁচে আছে এই জ্ঞানী পন্ডিতদের দ্বারা কখনো স্বীকৃত ও ঘোষিত অমৃত আবার কখনো বা স্বীকৃত ও ঘোষিত বিষাক্ত তেল খেয়ে। আর অতীতে সর্ষের তেল খেয়ে টানটান মেদহীন চকচকে শরীরে, বিনা চশমায়, বিনা কানের মেশিনে গটগট ক'রে হেঁটে চলে ফিরে বেড়াতো ৯০ উত্তীর্ণ প্রায় সবাই।

এখন প্রশ্ন জাগে মনে তাহ'লে আর কি প্রয়োজন এত বিষ খোঁজার? তাঁর থেকে বরং খুঁজুন না সমস্ত খাদ্যদ্রব্য, প্রসাধনী দ্রব্য ইত্যাদি সবেতেই রমরম ক'রে চলা ভেজাল কারবারীদের। সেদিকে নজর দেওয়ার কেউ নেই, নজর দেবার দরকার নেই। শুধু গোড়া কেটে আগায় জল ঢেলে গাছ বাঁচাবার মত বাজার জুড়ে কৃত্রিম বিষাক্ত নকল জিনিস প্রস্তুত কারবারীদের ছেড়ে বা তাদের বাঁচাবার জন্য প্রকৃতির দেওয়া দান অরিজিনাল জিনিসে কত বিষ লুকিয়ে আছে তাই খুঁজতেই ব্যস্ত বুদ্ধিমান মানুষ মানুষকে সাবধান করতে, সতর্ক করতে, বাঁচাতে!!!! তাদের কাছে প্রশ্ন, সর্ষের তেল কি উদ্ভিজ তেল নয়?

গোড়া কেটে আগায় বালতি বালতি জল ঢাললে গাছ বাঁচবে? ঠিক তেমনি ভেজাল তেলে, খাদ্যদ্রব্যে মারণ বিষ না খুঁজে প্রকৃতির দেওয়া জিনিসে কতটা বিষ আছে সেটা খুঁজলে ভেজাল বিষাক্ত তেলে, খাদ্যদ্রব্যের মারণ বিষে তৈরী খাবার খেয়ে মারণ রোগে আক্রান্ত মানুষ বাঁচবে????

কি বিচিত্র এই পৃথিবী! পথিবীর মানুষ!!
এই জন্যেই নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের (D.L. Roy) লেখা 'চন্দ্রগুপ্ত' নাটকের  
বলেছিলেন গ্রীক বীর আলেকজান্ডার, '
"সত্য সেলুকাশ কি বিচিত্র এই দেশ!!!!!"
( লেখা ৬ই এপ্রিল'২০২৫)।


Friday, April 3, 2026

বিচিত্রাঃ ২৫৮

চার অক্ষর বাঙালি সবেতেই মজা খুঁজে পায়।!!!!! 
এই জন্যেই শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছিলেন, আমার সৎসঙ্গের আন্দোলন বাংলা থেকে উঠবে না। বাংলার বাইরে থেকে উঠবে। 
অভিশপ্ত বাংলা ও বাঙালি সৎসঙ্গী।
( লেখা ১লা এপ্রিল' ২০২৫)




আমার ঠাকুরও আছে সাথে আছে বৃত্তি-প্রবৃত্তি। 
বৃত্তি-প্রবৃত্তির ইশারায় উঠি, বসি আর চলি 
আর প্রতিমুহূর্তে বলছি ঠাকুর আমার সাথী!!

ঠাকুরও আছে বৃত্তি-প্রবৃত্তিও আছে 
সাথে আছে স্বাধীনতা।
যার যেমন লাগে ভালো,
যার প্রতি যার অধীনতা।

বিচিত্রাঃ ২৫৭

আবার বুদ্ধিজীবীদের হবে মিছিল! 
বিবেকের বন্ধ দরজার খুলে যাবে খিল! 
চিল চীৎকারে ভেসে যাবে শহর, 
ভেসে যাবে যত অজ্ঞতার ফসিল!
( লেখা ৩রা এপ্রিল'২০১৮)

মিলনের আকুলতা যার নেই সে ঈশ্বরপ্রেমী, 
মানবপ্রেমী বা দেশপ্রেমী হ'ক আর যাই হ'ক 
তার কাছে থেকো না, সে শয়তানের প্রতিভু।

















কবিতাঃ ভারসাম্য

কবিতা মানেই প্রেম?
প্রেম মানেই কি নারী?
কবিতা মানেই প্রতিবাদ?
বাদ মানেই ষাঁড়াষাঁড়ি?

কবিতা মানেই প্রেম?
আর প্রেম মানেই কি নারী?
কবি আনাড়ির নারী প্রেম 
এত কোথায় রাখি!!

কবিতা মানেই কি নারী?
আর নারী মানেই শরীরী?
কবি আনাড়ির নারী শরীরী
উপত্যকায় বিচরণ অকারণ!
কেমনে ভারসাম্য রাখি!?
( লেখা ২০শে জুন'২০১৭)




Wednesday, April 1, 2026

কবিতাঃ ডুবে যাও, মিশে যাও।

ধনী হও আর গরিব হও,
ক্ষমতাবান কিম্বা ক্ষমতাহীন;
কর্মফল ভোগ তোমাকে করতেই হবে
আর তা এখানেই এই পৃথিবীতেই
এই জন্মেই; তা এখন হ'ক
আর পরেই হ'ক বা মৃত্যুর আগেই।
এ সত্য, সত্য, সত্য; 
জেনো এ সত্য তিন।

তাই, চলে এসো, ছুটে এসো
এসো হরি নামে মাতাল হ'য়ে।
রাম নামে, কৃষ্ণ নামে পাগল হ'য়ে এসো
এসো এসো রাধাস্বামী রাধাস্বামী ব'লে।
ডুবে যাও, মিশে যাও নাম সাগরে।
( লেখা ১০ই ডিসেম্বর'২০২০)

কবিতাঃ আমি কার?

আমি কার?
আমি প্রভুর, প্রভু আমার প্রাণ।
আমি না হিন্দু, না মুসলিম, না জৈন, না বৌদ্ধ,
না কোনও সম্প্রদায়ের, না আমি খৃষ্টান।
আমি শক্তির তনয়, পরমপিতার সন্তান।
আমি শ্রীশ্রীরাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, যীশু, মহম্মদ, মহাপ্রভু,
রামকৃষ্ণ ও শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সন্তান।
আমি সমস্ত অস্তিত্বের সঙ্গী, অস্তিত্বের অস্তিত্ব
পরম অস্তিত্বের সঙ্গী, আমি সৎসঙ্গী।
আমার ভিতর ও বাহিরে অন্তরে অন্তরে
আছো প্রভু তুমি আমার সমস্ত হৃদয় জুড়ে।
( লেখা ১০ই ডিসেম্বর'২০১৭/১৮)

কবিতাঃ আমার প্রিয় গুরুভাইবোন।

দয়াল যার নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে
বিপদ কি তার কাছে আসে?
দয়াল যার দিনে রাতে প্রতি কথাতে
রোগ, শোক, গ্রহদোষ, বুদ্ধি বিপর্যয়,
দরিদ্রতা কি তাঁর জীবনে থাকে?
জীবন জুড়ে যার সকাল সন্ধ্যে রাত
থাকে শুধু ঠাকুর আর ঠাকুর,
শয়তান থাকে তার জীবন থেকে
শত হাত দূর। তাই এসো বন্ধু,
ঠাকুর নিয়ে থাকি শুধু সবাই মেতে
সৎসঙ্গ, দীক্ষা আর ইষ্টভৃতি মহাযজ্ঞে।
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০২৬)

কবিতাঃ ডর কিস বাত কি?

ভয় কি তোর? আমি আছি তো তোর সাথে।
যত দুর্যোগ, যত আপদ বিপদ আসুক তোর মাথে।
ডর কিস বাত কি? ম্যাঁয় হুঁ না।
তেরে সাথ সাথ, তেরে দিল মে
হাম হ্যাঁয় না। ডরো মত।

ভয় কি তোর? আসবে নোতুন ভোর।
আজ কিংবা কাল, কাল কিংবা পরশু
একদিন না একদিন আসবেই আসবে
নোতুন সকাল, যদি আমি থাকি মাথায় তোর।
ডর কিস বাত কি? ডরো মত! ম্যাঁয় হুঁ না।
ম্যাঁয় তেরে সিনে মে হুঁ, প্রাণ স্বরূপ হুঁ।
হাম হ্যাঁয় না! ডরো মত।

ভয় কি তোর? তুই নাম পেয়েছিস।
তুই থাক নামময় হ'য়ে শয়নে স্বপনে
জাগরণে ভোজনে। আর, দিনের শুরুতেই
যেখানেই থাক, যেমনই থাক
ইষ্টভৃতি করবি তুই সযতনে।
কেটে যাবে সব তাফাল,
তাফালিং যাবে সব ভেগে, আমারে যে ডাকে
শয়তান পারবে না তাকে ছুঁতে,
আসবে তার জীবনে সুন্দর মনোময় এক সকাল।
ডর কিস বাত? ম্যাঁয় হুঁ না।
ডরো মত, মেরে তরফ দেখ
আউর জোরসে বোল, হাঁ দয়াল! তুম হ্যাঁয় না।

ভয় কি তোর? এই পৃথিবী কার?
তুই কার? কার ঘরে আছিস তুই?
এই পৃথিবী আমার! যে ঘরে আছিস তুই
সে ঘর আমার! তুই আমার, আমার!
ডরো মৎ! ম্যাঁয় হুঁ না!
একবার বিশোয়াসকে সাথ জোরসে বোল,
রাধাস্বামী দয়াল! তুমি আমার, তুমি আমার।

ভয় কি তোর? কিসের ভয়?
কেটে যাবে সব দুর্যোগ, হবে জয় দুর্জয়।
একবার শুধু বল চোখের জলে সব ভাসিয়ে
থাকবো না গো আর কোনোদিন তোমায় ভুলে ঘোর আঁধারে।
ডরো মাত্! ম্যাঁয় হুঁ না।
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০২৬)।


কবিতাঃ কেটে যাবে ভয়াল রাত।

অলোক! জ্বালাও আলোক!!
নামের আগুনে উদ্ভাসিত হ'ক তোমার অন্তরলোক!
আর, নাম আগুনের তেজে জ্বলে পুড়ে খাক হ'য়ে যাক
রোগজীবাণু, প্রতি কোষে কোষে অনু পরমাণুতে
অনুভূত হ'ক দয়ালের দয়ার ঝলক।

অলোক! জ্বালাও ইষ্টের আলোক, আর
তুলে ধরো দয়ালের আলোকবর্তিকা!
ডরো মত, Move forward, ইষ্টের প্রদপ হাতে
অজ্ঞানতার ঘোর অন্ধকার ভেদ ক'রে ঘরে ঘরে
পৌঁছে দাও দয়াল প্রভুর দয়ার বার্তা।
অলোক! ডরো মাত্, প্রভু হ্যাঁয় না তুমারে সাথ।
বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে নাম আগুনে
জ্বালাও ভূ-লোক, অলোক, জ্বালাও আলোক
আর বুক ফাটিয়ে বলো, দিগন্ত কাঁপিয়ে বলো
দয়ালের দয়ার কথা, কেটে যাবে নিশ্চিত ভয়াল রাত।
অলোক, দয়াল প্রভু আমার, হ্যাঁয় না তুমারে সাথ।

অলোক! রেখে হাতে হাত নেবো শপথ দেখাবো বাঁচার পথ
আর্ত, অর্থার্থী,জ্ঞানী ও জিজ্ঞাসুদের, আর বলবো হেঁকে
নয় রেখেঢেকে বুক ফাটিয়ে, ঐ দেখা যায় দয়ালের রথ!
বাঁচতে যদি চাও, বাড়তে যদি চাও চারপাশের ঘোর
কন্টক ও দুর্যোগময় অন্ধকার গহীন নরক পরিবেশে,
পেতে চাও যদি দয়ালের অন্তহীন দয়ার পরশ
তবে এসো, ছুটে এসো, চলে এসো,
বুক ফাটো ফাটো ক'রে এসো
চলো উঠে পড়ি, চড়ে পড়ি দয়ালের ঐ বাঁচা-বাড়ার রথে
যেথা ইচ্ছা যায় যাক দয়াল রথ নরকে কিংবা স্বর্গে।।
( লেখা ১৮ই মার্চ'২০২৬)

কবিতাঃ নামের আলো জ্বালাও।

জীবন একটা যুদ্ধক্ষেত্র। এই যুদ্ধক্ষেত্রে তুমি একা।
এই যুদ্ধে তোমার নেই কোনও সাথী, চারপাশ ফাঁকা।
তোমার নিজের সঙ্গে তোমার যুদ্ধ, নেই কোনও প্রতিপক্ষ;
তুমিই তোমার পক্ষ, তোমার তুমিই বিপক্ষ।
যুদ্ধ তোমার ভুলের বিরুদ্ধে, তোমার অজ্ঞানতার বিরুদ্ধে,
তোমার যুদ্ধ তোমার কুসংস্কারের বিরুদ্ধে, ভয়, দুর্বলতার বিরুদ্ধে।
এই যুদ্ধে নেই কোনও হারজিৎ, নেই কোনও অভিযোগ,
আছে শুধু শয়তানকে খতম করার দক্ষযজ্ঞ।

বন্ধু, খোলো চোখ, তেসরা তিলে মন নিবদ্ধ করো।
দেখো, তমসার পার অচ্ছেদ্যবর্ণ মহান পুরুষ ইষ্টপ্রতীকে আবির্ভুত।
ওঠো, জাগো, নাম রথে বসো চড়ে,
নামের নিশান উড়িয়ে দিয়ে নামের বিষাণ বাজাও জোরে।
এই জীবন যুদ্ধে জিততে তোমাকে হবেই,
পিছন ফিরে দেখতে যেও না তোমার সাথে এই যুদ্ধে
কে আছে আর কে নেই।
বন্ধু, যুদ্ধটা তোমার, তোমার একার,
যুদ্ধে নেই সাথে তোমার পিতামাতা,
নেই স্ত্রী, পুত্রকন্যা, ভাই বোন আত্মীয়স্বজন, পুত্রবধু, জামাতা।
আছে শুধু পুরুষোত্তম পরমপ্রেময় প্রভু পরমপিতা।
সময় নষ্ট ক’রো না, সময় নষ্ট ক'রো না বন্ধু,
নাম বাণে খতম ক’রে দাও
তোমার হতাশা, অবসাদ, অবিশ্বাস আর ভয়ংকর
মারণ রোগের জীবাণু, দিয়ে শেষ রক্তবিন্দু।

শোনো! শোনো বন্ধু! ঐ ধ্বনি শোনো,
মহাসিন্ধুর ওপার থেকে ঐ ধ্বনি ভেসে আসছে,
'মাভৈ! আমি আছি তো, আমি আছি তোর সঙ্গে, তোর পাশে।
ভয় কি তোর? তুই নাম পেয়েছিস, তোর আর কিসের চিন্তা?
তুই যে নাম পেয়েছিস, আমিই তো ঐ ‘রাধাস্বামী’ নাম,
যে নামে জীব, জগত, জীবন কারণের ধাম।
আমিই তো নামস্বরূপ তোর মধ্যে আছি।
ঐ নামের আলো জ্বালাও তোমার অন্ধকার বুকে।
যতবার নাম করবি ততবার আমি জীবন্ত হ’য়ে উঠবো তোর মধ্যে,
আর জীবন্ত হ’য়ে, আলো হ’য়ে, আলোর তেজে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে
শেষ ক’রে দেবো তোর শরীরের সব রোগজীবাণু,
তা’ সে যত ভয়ংকর হ’ক না কেন।
আমার তেজে সব ধ্বংস হ’য়ে যায়।
কেউ আমার তেজের সামনে দাঁড়াতে পারে না,
রোগজীবাণু সাথে হতাশা, অবসাদ সরে গিয়ে
অন্ধকার ভেদ ক’রে জ্বলে ওঠে 
আমার নামের তেজে বিচ্ছুরিত আলো।
সেই আলোয় উদ্ভাসিত হবে নোতুন ভোর, আর
নোতুন ভোরের আলোয় আলোকিত হবে তোর জীবন।
আর, তখন নোতুন জীবন নিয়ে ছুটে যাবি দিক থেকে দিগন্তে
সবাইকে বলবি, বুক ফাটো ফাটো ক'রে বলবি,
"মরো না, মেরো না, পার তো মৃত্যুকে অবলুপ্ত করো।''

Tuesday, March 31, 2026

কবিতাঃ কি করি!?

যেদিকে যাই চেয়ে দেখি তাই
স্বপনে গেল যা ব'লে আমায়।
কে যে গেল বলে আর কেনই বা গেল চলে
খোঁচা দিয়ে চোখে কিছু না ব'লে মুখে
রাতের আঁধারে ভরিয়ে সোহাগে আদরে
দেখিয়ে দিল দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি
যেন 'ঠ' সাজে সব পুরুষ নারী আনাড়ি
সে সাজে যেন আমি নিজেকে না সাজায়।
অবাক আমি! অবাক করলে তুমি!!
এখন কি করি!? নিজেকে কি বোঝায়!?
( লেখা ১লা এপ্রিল'২০২৪)

বিচিত্রাঃ ২৫৬

করোনা আক্রমণে দেশ যখন বিব্রত, দেশের সরকার ও প্রশাসন যখন দেশ জুড়ে করোনা মোকাবিলায় তাদের গৃহীত ব্যবস্থার কারণে তীব্র সমালোচিত ও নিন্দিত হচ্ছে অন্য মতবাদে বিশ্বাসী ভক্তদের কাছে তখন তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাস্য:আপনাদের মতবাদে, আপনাদের আদর্শে বিশ্বাসী ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত মহান মানুষের দ্বারা গৃহীত ও প্রয়োগিত ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ও মানবতাপূর্ণ!?
উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।

এখনও কি সৎসঙ্গীদের ঘুম ভেঙে সবরকম আলসেমী ঝেড়ে জেগে ওঠার সময় হয়নি!?
এখনও কি সৎসঙ্গীরা স্বচ্ছ দৃষ্টির অধিকারী হ'য়ে ত্রিনয়নকে জাগিয়ে তুলবে না!?
এখনও কি সৎসঙ্গীরা আংটি, পাথর, তাবিজ, মাদুলি, লাল সুতো-নীল সুতো-কালো সুতো, তুকতাক-ঝাড়ফুঁক ইত্যাদি নির্ভর সৎসঙ্গী হবে!?

হে সৎসঙ্গী ভাইবোন! মহাশক্তি ঘুমায় তোর হৃদয়ে তুই কেন রে মরার মত! রাধা নামে ধ্বনি দিয়ে শক্তিটাকে জাগিয়ে দে তোর!!

হে সৎসঙ্গী! মহাশক্তি ঘুমায় তোর হৃদয়ে তুই কেন রে মরার মত!? রাধা নামের ধ্বনি দিয়ে শক্তিটাকে জাগিয়ে দে তোর!
কারণ,
সৎসঙ্গী জাগলে দেশ জাগবে, দেশ জাগলে বিশ্ব বাঁচবে! আগামী পৃথিবী ডুবে যাবে ঘোর ঘুটঘুটে অন্ধকারে! সেদিন যারা থাকবে তাদের জন্য ভয়ঙ্কর হ'য়ে উঠবে সেদিনের অন্ধকার পৃথিবী! আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে মেনে নিতে হবে এই কঠিন নির্মম ধ্রুবসত্য!

করোনার আক্রমণে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশের শক্তিমান নেতা আজ অসহায়! কিন্তু আগামীতে যে দিন আসছে সেদিন কোনও শক্তিমান দেশের শক্তিমান নেতার বাপের ক্ষমতা হবে না, কোনও বাদের বাহাদুরী-ই খাটবে না বিশ্বকে বাঁচায়! বাঁচায় মানবজাতিকে! ইষ্টহীন যমের দালালের হাতে চলে যাবে গোটা বিশ্বের নেতৃত্ব! আর সেদিন মনুষ্যত্বের মূল বুনিয়াদটাই যাবে ধ্বংস হ'য়ে!
(লেখা ৩১শে মার্চ'২০২০)

উপলব্ধিই জ্ঞানের শেষ কথা। ঠাকুর ধরার সার্থকতা এইখানেই। নতুবা সবটাই কথার স্রোতে ভাসা। দিনের শেষে প্রাপ্তি O.
(লেখা ৩১শে মার্চ'২০২৪)।








Monday, March 30, 2026

বিচিত্রা" ২৫৫

শুধু ভুল ধরালেই বন্ধুদায়িত্ব শেষ হয় না;
ঠিকটা দেখিয়ে দিয়ে ভুলকে বলতে হবে ভুল এবার যা।
( লেখা ৩০শে মার্চ'২০১৮)

নেগেটিভ কথা, নেগেটিভ চিন্তা-ভাবনা, আলোচনা, লেখা 
সর্বোপরি নেগেটিভ সংগ শরীর ও মনকে বিষাক্ত ক'রে তোলে। সাবধান! এই সমস্ত বিষাক্ত ছোয়াছে রোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখো।

ভাবছি বাঙালি কয় প্রকার?
১) হিন্দু বাঙালি, ২) মুসলিম বাঙালি, ৩) খ্রিস্টান বাঙালি ইত্যাদি নানা ধর্মের (?) বাঙালি। আবার ১) ঘটি বাঙালি ও ২) বাঙাল বাঙালি। নতুন প্রজাতির এক বাঙালির সন্ধান পাওয়া গেছে যা সুপ্তভাবে ফল্গুধারার মত ব'য়ে চলেছে বাঙালির মননে ও চিন্তনে! তা হ'লো বহিরাগত বাঙালি!

শয়তান ভগবানের চেয়েও দেখতে সুন্দর আর শয়তানের হাসি ভগবানের চেয়েও মিষ্টি আর কথা তার বড়ই মধুর মেয়েলী! সেই অলীক মোহিনি মায়ায় ফেসে জীবন ধ্বংস ক'রো না। সাবধান!
(লেখা ৩০শে মার্চ'২০২১)

যেমন চলছে চলুক; স্রোত যেদিকে বইছে বইতে দাও। স্রোতের বিপরীতে যেও না। গেলেই বই পড়ে বই হ'য়ে যাওয়া লোকেরাই তোমার বিরুদ্ধে যাবে।

আমি স্রোতের বিরুদ্ধে সাঁতার কাটবো নাকি স্রোতের অনুকূলে 
গা ভাসিয়ে দেবো? নাকি নিরাপদ দূরত্বে নিরপেক্ষ সেজে দাঁড়িয়ে থাকবো?

আমরা সৎসঙ্গীরা ঠাকুরের বাণীকে হাতিয়ার ক'রে নিয়ে 'আমার গায়ে আঁচ না লাগে ফুরিয়ে যাবে মামলা' মানসিকতায় চালাকির আশ্রয় নিয়েছি।

নিজেও কিছু করিনি অন্যকেও করতে দিইনি। বিচারের ভার আপন হাতে তুলে নিও না ব'লে ঘাই মেরে বিন্দাস গাছেরও খেয়েছি তলারও কুড়িয়েছি।

শ্রীশ্রীঠাকুরের দয়াল রূপ দেখে অনেকেই তাঁকে Taken for granted ক'রে নিয়েছে। তাঁর ভয়াল রূপ যে কি ভয়ংকর তা' তারা জানে না।
 লেখা ৩০শে মার্চ'২০২৪)


 

Thursday, March 26, 2026

উপলব্ধি।

 


বিচিত্রাঃ ২৫৪

 "৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"

বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
তৃণমূলের মুসলিম ভাইবোন বন্ধুরা কি বলেন?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
শেখ আলমের মত লোকেরা কি সত্যি সত্যিই দলের সম্পদ নাকি মারণ বিষ!?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
এরাই কি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের মূল পান্ডা নয়?
তৃণমূলের মুসলিম ভাইবোন বন্ধুরা কি বলেন?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
পাকিস্তান কেন!? আরও একটা বাংলাদেশ কেন নয়!?

৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
তৃণমূলের স্লোগান জয় বাংলা!
তাহ'লে পাকিস্তান কেন!?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
এই ধরণের বক্তব্য মুসলমানদের জন্য কি মংগলজনক!?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
বাংলার কম্যুনিস্ট পার্টি কি বলে?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
জাতীয় কংগ্রেস কি বলেন?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
তৃণমূলের অন্য মুসলিম নেতারা কি শেখ আলমকে সমর্থন করেন?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
বাংলার বুদ্ধিজীবীরা কি বলেন!?

 "৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
শেখ আলম কি ভারতীয় নাকি ভারত ভাগের পাকিস্তানি চর!?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার কি বলেন!?
( লেখা ২৬শে মার্চ'২০২১)

























বিচিত্রাঃ ২৫৩

গরীবদের জন্য প্রাণ কাঁদা মানুষদের কাছে জিজ্ঞাস্য: 
সাহায্য সত্যি সত্যি প্রান্তিক গরিব মানুষদের কাছে পৌঁছবে? 
মাঝখানে বাঁ হাতের মাদারী খেল হবে না তো? 
সরকার গ্যারান্টি দিতে পারবে? 
মাদারী খেল খেলা খেলোয়াড়দের মায়ের ভোগের খাদ্য ক'রে পাঠাতে পারবে তো?

ইষ্টভৃতি ও নামধ্যান পরায়ণ সক্রিয় সৎসঙ্গীদের করোনা ভাইরাসের আক্রমণে কোনও ভয় নেই! সৎসঙ্গী ভাইবোন নিশ্চিন্ত থাকো। গ্যারান্টি। সময় প্রমাণ করবে।

ইষ্টভৃতি ও নামধ্যান পরায়ণ সক্রিয় সৎসঙ্গীদের করোনা ভাইরাসের আক্রমণে কোনও ভয় নেই! সৎসঙ্গী ভাইবোন নিশ্চিন্ত থাকো। গ্যারান্টি। সময় প্রমাণ করবে।

হে ঈশ্বর! কেন হয় না এমন সবসময়!?
মৃত্যুভয়-ই কি মানুষকে মানবতাবাদী ক'রে তোলার একমাত্র সমাধান!? মৃত্যুভয়-ই কি সরকার, প্রশাসন ও নাগরিককে সদাচারী ও শৃঙ্খলিত ক'রে তোলে!?

হে ঈশ্বর! এমন কেন হয়না সবসময়!?
মৃত্যুভয়-ই কি অহংকারী, ক্ষমতাধর, ধনী ইত্যাদি সমস্যা ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের জন্য বিধি ও বিধাতার কাছে আত্মসমর্পণের এক ও একমাত্র বিধান!?

হে ঈশ্বর! কেন হয় না এমন সবসময়!?
শয়তানের শয়তানী কখন বন্ধ হয়!?
মৃত্যুভয়!?
মৃত্যুভয়-ই কি শয়তানের শয়তানী বুদ্ধি ও ক্রিয়াকলাপ বন্ধের এক ও একমাত্র খতমের হাতিয়ার!?

হে ঈশ্বর! কেন হয় না এমন সবসময়!?
মৃত্যুভয়! মৃত্যুভয়! মৃত্যুভয়!
মানবজাতির মাথার উপর মৃত্যুভয়ের মেঘ করোনার মত সবসময় ভেসে বেড়ানো-ই কি সুখ-শান্তির একমাত্র উপায়!

হে ঈশ্বর! কেন হয় না এমন সবসময়!?
মৃত্যুভয়ের মহামারী কি অহংকারী ধনীদের মানব দরদী ক'রে তোলে!? দয়ার গুফার জানালা-দরজা খুলে যায়!? বাঁধ ভাঙা বন্যার মত দানের বন্যা ব'য়ে যায়!?

পৃথিবী জুড়ে কোটি কোটি সৎসঙ্গীদের কাছে আবেদন:
আসুন সবাই এই করোনা মহাসঙ্কটের সময় দয়ালের কাছে প্রার্থনা করি:
হে দয়াল! তুমি ছাড়া কেউ নেই আমাদের বাঁচায়! তুমি ভয়াল হ'য়ে করোনার ভয়ঙ্কর থাবা থেকে আমাদের সবাইকে বাঁচাও! তোমার রুদ্ররোষের কাছে করোনা জ্বলে পুড়ে খাক হ'য়ে যাক দয়াল!
( লেখা ২৬শে মার্চ' ২০২০)


Saturday, March 21, 2026

উপলব্ধিঃ না বোঝার ফল।

দই তো কপালে জোটেনি তাই দইয়ের সাধ ঘোলে মিটিয়ে আনন্দ নিতে চেয়েছি।

"মন্দিরের আশেপাশে কুৎসিত লোকের আনাগোনা বেশি সাবধানে থেকো তা থেকে।"

সাবধান থাকিনি। মন্দিরের আশেপাশের সবাইকে সুন্দর মনের ভেবেছি আর ঠকে গেছি ভয়ংকর ভাবে।

"ছোটোকে বড় করো, বড়কে আরো বড় করো, দেখবে কবে কবে তুমি নিজের অজান্তে বড় হ'য়ে গেছো।"

ছোটোকে হাতে ধ'রে বড় করেছি, বড়কে করেছি আরও বড়; কিন্তু দিনশেষে নিজে ছোটো হয়ে গেছি। ছোটো বড় হ'য়ে এবং বড় আরও বড় হ'য়ে মেরী বিল্লি মুঝে ম্যাও ক'রে মাথার ওপর চড়ে ব'সে আমাকে লাথি মেরে পিছনে ঠেলে দিয়েছে আর পাতালে ঢুকিয়ে দিতে চেয়েছে প্রতিমুহুর্তে।

"মানুষ আপন টাকা পর যত পারিস মানুষ ধর।"

মানুষকে আপন ক'রে নিতে টাকা ফেলে মানুষের পিছনে ছুটেছি, কিন্তু মানুষ মেওয়া খেয়ে ছিবড়ে ক'রে ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে একলা ক'রে দিয়ে।

এরকম অনেক বাণী আছে যার সঠিক অর্থ বুঝিনি।
( লেখা ২২শে মার্চ'২০২৫)।

বিচিত্রাঃ ২৫২

তুমি আছো সব আছে। তুমি নেই কিচছু নেই। 
ব্রহ্ম সত্য জগত সত্য। ব্রহ্ম নেই জগৎ নেই। 
অর্থাৎ তুমি সত্য জগত সত্য। তুমি নেই জগত নেই।

পিতামাতা ছাড়া সন্তান অসম্ভব। 
ঠিক তেমনি ইশ্বর ছাড়া সৃষ্টি অসম্ভব। 
পিতামাতার অস্তিত্ব বাস্তব, 
তেমনি ইশ্বরের অস্তিত্বও বাস্তব।

শ্রীশ্রীঅবিনদাদা সূর্যকে বগলদাবা ক'রে কর্মসমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছেন। সৎসঙ্গী তোমরাও সূর্যকে বগলদাবা ক'রে তাঁর সঙ্গে ঝাঁপ দাও।
(লেখা ২২শে মার্চ'২০২৪)।













বিচিত্রাঃ ২৫১

কারো সাহায্য ছাড়া কিছু করা কঠিন, 
শারিরিক-মানসিক কষ্টের, যন্ত্রণার 
এ কথা সত্য কিন্তু কোনও কিছুই অসম্ভব নয়।

ইষ্টকাজে কাউকে বাধা দিয়ে 
আটকে রাখা যায় কিছুদিন 
কিন্তু চিরদিন নয়। 
কিন্তু চিরদিনের জন্য ইষ্টের কাছে 
তুমি হ'য়ে গেলে অপরাধী।
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২১)

দয়াল তোমায় আমি ভালোবাসি। 
এ জীবন দিলাম তোমায়।
তুমি যা বলবে তাই করবো আমি।
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২৪)























বিচিত্রাঃ ২৫০

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (১)
ভয় কি তোর ভাইরাসে করোনার!
করোনা নামক দৈত্যটিকে নাম আগুনে জ্বালিয়ে মার, পুড়িয়ে মার।

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (২)
মহাশক্তি ঘুমায় তোর হৃদয়ে তুই কেনরে ভয়ে মরিস! 
করোনা নামক মৃত্যুদূতে নাম আগুনে পুড়িয়ে মারিস।

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৩)
রাস্বা নামে জয়গুরু ব'লে দে না ঝাঁপ!
করোনার মরণ দুয়ারে পড়বে ঝাঁপ!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৪)
যে যা বলে বলুক, যে যা করে করুক!
তার সাথে বুকের মাঝে আছে যে নাম, 
মহানাম সেই নামের তাপে করোনা পুড়ে মরুক!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৫)
করোনার ঔষধ সদাচার আর মহৌষধ তাঁর বীজনাম! 
নামামৃতে করো করোনা ভাইরাসকে খানখান!

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৬)
নাম করো, নাম করো, নাম করো ভাই!
নাম আগুনে করোনা ভাইরাস হবে পুড়ে ছাই!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৭)
দিয়েছিলে কথা হ'য়োনা কথার খেলাপি;
করোনা ভীতি শুধু নয়, 
নাম থেরাপিতে কাটবে মহাভীতি, যমভীতি! 
নিঃশ্বাসে-প্রশ্বাসে করো নাম, গাও নাম, করো নাম আবৃত্তি!

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৮)
করোনা-য় ক'রো না ভয়, হ'য়ো না আত্মঘাতী!
দয়ালের নাম অমৃত করো পান কাটবে অকাল যমভীতি!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৯)
করোনা নিয়ে ক'রো না হেলাফেলা, ক'রো না অবহেলা; 
করোনার চ্যালেঞ্জ জেনো মন্ত্র 'ক'রো না' আর 
বীজনাম মহানাম নহেলে পে দহেলা!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (১০)
চীন থেকে এলো ভারতে মৃত্যুদূত করোনা আর 
চীনের প্রতি ভারতের আছে করুণা! 
কারণ পরম করুণাময় পুরুষোত্তম শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দেশ ভারত! 
তাই তাঁর কাছে আসুন প্রার্থনা করি তাঁর সৎনামে বাঁচুক জগৎ!
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২০)

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(১১)
সৎসঙ্গীদের করোনা থেকে নেই কোনও ভয় নিশ্চয়ই। 
কপটতা ক'রে ত্যাগ অকপট হৃদয়ে করো নাম জপ; 
মাথার উপর আছেন দয়াল, আছে দয়ালের হস্ত অভয়!

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(১২)
নিষ্ঠা সহ অকপট হৃদয়ে 
প্রত্যহ অতি প্রত্যুষে করো ইষ্টভৃতি 
আর জপ নাম অবিরাম!
করোনার ভয় থেকে পাবে মুক্তি,
পাবে নিশ্চিত আরাম!!
( লেখা ২২শে মার্চ'২০২০)











Tuesday, March 17, 2026

বিচিত্রা" ২৪৯

টি ভি খুললেই চ্যানেলে চ্যানেলে বিশেষজ্ঞের দল!
বসে পড়ে দল বেঁধে করতে কোলাহল!!

কে আগে কত বলিবে কথা বিশেষজ্ঞ মাঝে চলে তার প্রতিযোগিতা!
বোকা বাক্সে বুঁদ হ'য়ে বসে জনতা, দেখে কার কত ক্ষমতা!!

সব বিষয়ে পারদর্শী টিভি মাঝে বিশেষজ্ঞের দল!
সর্ব ঘটে কাঁটালি কলা করে কোলাহল!!

কাউকে কিছু বলতে যেও না, সবাই স্বাধীন।
নিজের দিকে চেয়ে দেখো প্রকাশ তুমি কতটা পরাধীন!?

বৃত্তির অধীন তুমি পড়াচ্ছো মানবতার পাঠ!
জীবন জুড়ে চলছে বিকিকিনি, বসেছে রিপুর হাট!!

যদি সত্যি সত্যিই অনুভব ক'রে থাকো ঈশ্বরের অস্তিত্ব
আর, ঈশ্বরের সাথে কপট ভক্তের বেঈমানি ও অকৃত্জ্ঞতা
দেখে ভেঙে যায় হৃদয় তোমার তবুও ঐ হৃদয় নিয়ে 
জোয়াল টেনে চলো আমৃত্যু তাঁর মিশন রথের,
নিয়ে অকপট হৃদয়।
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০১৮)

ঠাকুরকে তোমার ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র মনে করিও না! 
নচেৎ দুর্দশার অন্ত থাকবে না।

ঠাকুরের ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র তুমি হও,
তোমার ইচ্ছা পূরণ হবে।

তোমার ইচ্ছাটা তোমার জন্য মঙ্গল কি অমঙ্গল তুমি জানো না, 
ঠাকুর জানেন তাই ঠাকুরের ইচ্ছাপূরণে যত্নবান হও 
তোমার ইচ্ছা পূরণ হবেই হবে।

মনে রেখো তোমার ইচ্ছাপূরণের জন্য তিনি এই ধরণীতে আসেননি; 
তাঁর ইচ্ছাপূরণের সাথী হও তোমার বৈধ ইচ্ছা পূরণ হবেই।

ঠাকুরও আছে আবার হাতে আংটি আছে, মাদুলি আছে, আছে লাল-নীল-কালো সুতো;
কোমরে পাথর আছে, আছে শেকড়-কাঠির জঙ্গল! কে করবে মঙ্গল!?

ঠাকুর ধরেই ভেবেছো তুমি যা ভুল করছো বা ভুল ক'রে রেখেছো 
তা' থেকে মুক্তি পাবে?

আগে সঁপে দাও তাঁর চরণে স্বার্থহীন, ধান্দাহীন অকপট জীবন
তারপর দেখো কি হয়!
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০১৯)

হে ঈশ্বর! তোমায় নিয়ে খিল্লি আজ ঔদ্ধত্বের শেষ সীমায়! 
তোমার সৃষ্টি মানুষ ধ্বংস করার আগে তুমি নিজে শেষ ক'রে দাও তোমার সৃষ্টি।

হে ঈশ্বর! অবিশ্বাসী নাস্তিককে তুমি ক্ষমা করো, ভালোবাসো জানি 
কিন্তু ভন্ড কপট বিশ্বাসী ভক্তকে কি ক্ষমা করো? ভালোবাসো?

বাংলার রাজনীতিতে শিক্ষিত মানুষ আসুক। 
শিক্ষিত মানে শিক্ষিত, লেখাপড়াজানাওয়ালা মানুষ নয়।

বাংলা জাগলে ভারত জাগবে, ভারত জাগলে বিশ্ব জাগবে 
তাই বাংলার মসনদে শিক্ষিত ভদ্র সংস্কৃতি মনস্ক মানুষ আসুক।

বাংলা আছে "বাংলা আজ যা ভাবে কাল ভাবে তা গোটা ভারত" সেই বাংলাতেই! 
গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হ'য়ে আছে এই যা। ভাঙ্গার প্রহর গুনছি।

বাহ!!! নতুন পার্টির জন্ম!
'ভূমি পুত্র অধিকার পার্টি''!
স্বাগতম নতুন পার্টি!! স্বাগতম!!!

বাংলার রাজনীতিতে বাবা-মাকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করেন 
এমন মানুষরা আসুন ও নির্বাচিত হ'ক।

বাংলার রাজনীতিতে ভারতবর্ষের কৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধাশীল 
এমন মানুষ আসুক ও নির্বাচিত হ'ক।

'সব মানুষের কল্যান হ'ক, সবাই সুখে থাক' 
এমন পবিত্র মানসিকতায় সমৃদ্ধ মানুষ 
বাংলার রাজনীতির ময়দানে আসুক ও নির্বাচিত হ'ক।
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০২১)















































Monday, March 16, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৮

অন্যের দর্শন বা মতকে নিজের দর্শন বা মত হিসাবে প্রচারে বাহাদুরি!
এ এক সাংঘাতিক ব্যাধি যা বৃত্তি চুরির মত ঘৃণ্য মেধা চুরি!!

একটা সময় আসে যখন নিজেকে মনে হয় ভীষণ অসহায়!
সেই সময় প্রভু তুমি থেকো পাশে, থেকো সহায়।

কেন যে মাঝে মাঝে
অবিশ্বাস, সন্দেহ আসে!
মাথার ওপরে তুমি আছো প্রভু জানি আমি;
এ বিশ্বাস আমার আছে। তবুও.........।

তুমি আছো আর আমি আছি; দুজনার মাঝে আর কেউ নেই, কিছু নেই। 
তোমার চরণ ছুঁয়ে যেন আমি তোমার চলন পূজার পূজারী হই!!

আকাশের ভগবান বা অমূর্ত ভগবান বা দেবদেবীর মূর্তি
আমার লাগে ভালো।
কারণ বেসামাল বৃত্তি-প্রবৃত্তি বা চরিত্রে ফেলতে হয় না আলো!

জীবন্ত ঈশ্বর বা মূর্ত ভগবান পূজন করে যেই জন 
সেইজন পূজিছে ঈশ্বর।

মূর্তি পূজা আর আকাশের ভগবানের পূজায় করো বৃথা কালক্ষেপ!
শেষের সেদিনে থেকে যাবে শুধু অন্তরে ব্যর্থতার আক্ষেপ!!

সংক্ষিপ্ত জীবন মাঝে বৃথা মূর্তি পূজায় কেন কর সময় অপচয়?
যদি করতেই হয় কর জীবন্ত ঈশ্বরে নয়তো রিপুর টানে
হ'য়ে মত্ত নাস্তিকের মত চুটিয়ে কর জীবন এঞ্জয়।

দিন শেষে মন বলে,
ফিরে চলো মন সেই নিকেতন! 
যেথায় আছে বাঁধা 
শৈশব আর কৈশোরের হৃদস্পন্দন!!
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০১৮)

ঠাকুর অপমানিত হন, ঠাকুরকে নিয়ে লোকে হাসাহাসি করে 
এমন কাজ করছো আবার বুক বাজিয়ে আমি গুরুভাই, 
একথা বলছো!!

ঠাকুর তোমার হাতের পুতুল 
তাই ইচ্ছেমতো করছো মাতামাতি;
আর
ভক্তির হাতিয়ার তোমার ঐ 'হাতাহাতি'!!
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০১৯)

ঠাকুর আমার আয়ের উপকরণ, স্বর্ণপুকুর। ঠাকুরের কথা ফললেই ভালো,
তখন ঠাকুর ঠাকুর, নইলে কুকুর।
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০২৫)
















Tuesday, March 10, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৭

ঈশ্বর মানে ভালোবাসা। শত্রুমিত্র, ধনী গরীব, শিক্ষিত অশিক্ষিত এককথায় তাঁর সৃষ্ট মানুষ সহ সৃষ্টির সমস্ত কিছুকে ভালোবাসা।

শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র বলেন, ভালোবাসা মানে ভালোতে বাস করা অর্থাৎ ভালো মানে ঈশ্বর, ইশ্বরে বাস করা।

ভালোবাসা মানে ভালো বাসা। ঈশ্বরের শ্রীচরণ এক ও একমাত্র ভালো বাসা। সেই ভালো বাসাতে বাস করা। সেই বাসা অর্থাৎ তাঁর শ্রীচরণে বাস ক'রে তাঁর চলন আয়ত্ত করা, তাঁর চলন নিজের চলন ক'রে তোলা।--প্রবি।







বিচিত্রা" ২৪৬

বিষবৃক্ষ বপন ক’রে ফল পেতে চাও অমৃত!?‘
গোড়া কেটে আগায় জল’
বন্ধু! এই সংস্কৃতি চলবে আর কত!?

উন্নতি আর দুর্নীতি দুই সৎ ভাই! 
বলছে,
হাত ধরাধরি ক'রে চলো যাই!!

ভালো মানুষের মুখোশ পরে
তুমি কাকে দিচ্ছ ফাঁকি?
বুকের মধ্যে তাকিয়ে দেখো, 
সেথায় বসে কে যেন কিসব করছে আঁকিবুঁকি!!

তুমি বলো, ধোয়া তুলসী পাতা কেউ নয়।
আমি বলি, তুলসী পাতা নোংরা হ'লেও
তুলসী পাতা তুলসী পাতাই রয়।
ধুয়ে আবার নারায়ণের পায়ে দেওয়া যায়।
বরং বলতে পারো, বিছুটি পাতা;
যাকে ছুঁলেই পরে হয় ক্ষয়।
( লেখা ১১ই মার্চ' ২০২৬)

সমাজসেবা পয়সার বিনিময়ে হয় না।
আন্তরিকতা সাথে হৃদয়ের স্বচ্ছতা
না থাকলে কেউ তার সুফল পায় না।

হিংসা এমনই জিনিস তাকে বাড়তে দিলে বেড়েই যায়; 
কোনও ভালো কাজ করেও না, করতেও দেয় না; 
শুধুই কথার বিষাক্ত হাই!

কেউ ভালো কাজ করলে দেয় বাধা ,
দেয় না করতে যারা;
ভবিষ্যৎ তাদের ঘোর অন্ধকারে ভরা!

কে করবে ভালো কাজ আর কেনই বা করবে?
কাঁকড়ার চরিত্র নিয়ে মারামারি ক'রে মরবে!

অতীতের সাহায্য ও দিনগুলি ভুলে যাও? 
অনিত্য ঝলমলে নিয়ে বর্তমান
থাকো ব্যস্ত নেশাগ্রস্থের মত! 
ভবিষ্যতে কি করছে অপেক্ষা 
একবার তা' দেখে নাও!

কথায় আছে:
কাজের বেলায় কাজী কাজ ফুরোলে পাজি!
পাজির পাঁজিতে জেনো আছে 
'শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর' 
বলতে পারি এ কথা রেখে বাজি!!

আজ তোমার দিন। 
তাই ভুলে গেছো আর পড়ে না মনে সেইদিন!
কেউ ছিল না তোমার সাথে যেদিন!!
( লেখা ১১ইমার্চ'২০২১৯)










Thursday, March 5, 2026

গানঃ মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল (মে) ভরী নীদ সুকুন।

মাকে ছাড়া বলো বাঁচে কে প্রাণে?
মা ছাড়া আছে কে আর জীবনে?
মায়ের মতন এমন আপন
কে আছে আর এ ভুবনে?
মায়ের মতন এমন আপন
মাকে ছাড়া বাঁচে কে প্রাণে?
মাগো রে রাখো রে ( তোমার ) আঁচলের তলে!
এসো রে রাখো রে মাথা মায়ের কোলে।
মাগো রে রাখো রে (তোমার) আঁচলের তলে!
এসো রে রাখো রে মাথা মায়ের কোলে।

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল (মে) ভরী নীদ সুকুন।

মা যে আমার নয়নের মণি
মায়ের চেয়ে আছে কে আর ধনী?
মায়ের মতন এমন যতন
দয়াল ছাড়া নেয় আর কোন প্রাণী?(২)
মাগো রে রাখো রে তোমার আঁচলের তলে
এসো রে বসো রে মায়ের চরণ তলে
মাগো রে রাখো রে তোমার আঁচলের তলে।
এসো রে বসো রে মায়ের চরণ তলে।

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল ( মে ) ভরী নীদ সুকুন।
( লেখা ২১শে ফেব্রুয়ারী' ২০২৬)
( হরি নন্দ মুকন্দ গানের সুরে)।

গান/কবিতাঃ বসে আছি পথ চেয়ে।

বসে আছি পথ চেয়ে
দয়ালেরও আশা নিয়ে
যত ভাবি চলে যাবো
যাওয়া হয় না, যাওয়া হয় না।

আশারও আগুন জ্বলে মনেরও অতল তলে
দয়ালেরও ধ্যান বিনা মন বাঁচে না,
যত ভাবি চলে যাবো
যাওয়া হয় না, যাওয়া হয় না।

আজও তুমি আছো সাথে
বেঁচে থাকার আশাতে
মনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা।
আসা আর যাওয়ার মাঝে
দয়াল তোমার সুর বাজে
সুরভিত মিলনের আকুলতা।

তুমি ওগো তুমি মোরে
বেঁধেছ যে মায়া ডোরে
সে বাঁধনে দু’নয়নে ঘুম আসেনা।
যত ভাবি চলে যাবো
যাওয়া হয় না, যাওয়া হয় না।।
( লেখা ২৩শে ফেব্রুয়ারী'২০২৬)

Monday, March 2, 2026

আমিও কি--------?

কিসের রাজা? কিসের নীতি?
কিসের সাজসজ্জা? কিসের রীতি?
শুরু থেকে শেষ শুধু উন্নতির নামে দুর্নীতি!
কিসের নেতা? কিসের নেত্রী?
ছদ্ম চরিত্রের সব অন্যায় অসতের ধাত্রী!
কিসের উন্নতি? কিসের পরিবর্তন?
কিসের সভ্যতা? কিসের উদবর্দ্ধন?
চারিদিকে শুধু ভয়! ভয়! আর ভয়!
কিসের সংস্কৃতি? কিসের আন্দোলন?
কিসের সততা? কিসের উত্তোলন?
শরীরে-মনে-চরিত্রে হচ্ছে ক্ষয় অবক্ষয়!
কিসের সকাল? উঠবে কিসের নূতন সূর্য?
কিসের সমাজ? কিসের ব্যবস্থা? কে সেই পুজ্য?
চারিদিকে শুধু ক্ষমতার আস্ফালন!
কিসের কবিতা? কিসের নাটক?
কিসের সাহিত্য? কিসের পাঠক?
শুধু তাত্ত্বিক আমেজে ডুবে থাকা
ফেউদের রাতভর ঘেউ ঘেউ আর ব্যর্থ প্রক্ষালন!
আমিও কি সেই একজন!?
( লেখা ৩রা মার্চ'২০২১)

বিচিত্রাঃ ২৪৫

বন্ধু! ভুলে যেও না তোমার অউকাত।
অউকাত ভুলে দিয়ে লম্ফ মারছো ঝম্প;
কাল কবলের জাঁতাকলে 
হবেই হবে কুপোকাৎ।

গুরুজনে শ্রদ্ধা করে না যে জন করে না সম্মান তাঁরে;
অশ্রদ্ধার বিষ বাষ্পে মরে সে
আর
মারে বংশ উজার ক'রে।

বুকের মধ্যে অশ্রদ্ধার করছো চাষ, 
অনবরত হিংসার ফুল ফোটাচ্ছো মনে! 
হুল ফুটিয়ে ঢালছো তীব্র বিষ আর 
দিচ্ছো জয়ধ্বনি গুরুর নামে?

শব্দ নিয়ে করছো জাগলিং, 
দেখাচ্ছো প্রেম পীরিতের খেলা! 
কবিতায় তুলছো প্রেমের তুফান 
কিন্তু জীবন তোমার বলছে অন্য কথা শেষবেলা!!
( লেখা ৩রা মার্চ'২০১৮)

দিনের প্রার্থনা ৫
নেগেটিভ শক্তিকে প্রতিহত করার অসীম শক্তি দাও দয়াল,
নেগেটিভ শক্তি যেন আমাকে পরাস্ত করতে না পারে।
( লেখা ৩রা মার্চ'২০২৫)














 






















Sunday, March 1, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৪

 Think positive, do positive, be positive & have positive. 

Do not spread negative thinking.
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২০)

দিনের প্রার্থনা ২
হে দয়াল, 
যারা বোকা সরল ঠকে যায় প্রতিমুহুর্তে বিশ্বাস ক'রে 
তাদের তুমি রক্ষা ক'রো, তাদের তুমি আশ্রয় দিও। 
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)।

এ কিসের ইঙ্গিত!?
পরিবারের সবাই মিলে দয়ালের দরবারে শয়তানি!!!!

দয়ালের দরবারে বসে দয়ালের সঙ্গে চালাকি!?
সেদিন আর দূর নয়, নিয়তির ভয়ংকর হাসি সাথে 
থাকতে হবে একাকি! সাবধান।

এতবড় মানুষ গিরগিটি!?
যা দেখে ভয় পায় স্বয়ং গিরগিটি!?

ভালোবাসাকে দুর্বল মনে করো?
মনে করো, যে ভালোবাসে সেটা তার দায়?
তোমার অহঙ্কার আর ঔদ্ধত্বের সীমা নাই! হায়!!


দয়ালের দরবারে বসে যারা বেঈমানি, নেমকহারামি, অকৃতজ্ঞতার চাষ করে তাদের রক্তের দোষ না থাকলে সম্ভব নয়। 
জৈবী সংস্থিতিতে ত্রুটি।

এখনও সময় আছে বাঁচতে যদি চাও, 
পরিবার বাঁচাতে যদি চাও 
তবে দয়ালের দরবারে কপটতা ও মিথ্যার আশ্রয় ত্যাগ করো।
য়ার, দয়ালের কাছে ক্ষমা চাও।

কাকে করবো বিশ্বাস? কার প্রতি রাখবো আস্থা? 
কোথায় নেবো নিশ্বাস? কার উপর ভরসা?
( লেখা ১লা মার্চ'২০২১)

শয়তান অত্যাচারীর প্রধান পৃষ্টপোষক সাধারণ জনগণ। 
তাই Vox populi vox dei কথাটা ভুল। 
কারণ, জনগণের বাণী ঈশ্বরের বাণী হ'তে পারে না।

গুরুর জয় নিশ্চিত হ'ক এই শপথ নিয়েই 
আমরা যেন একে অপরকে 'জয়গুরু' বলি সৎসঙ্গীরা; 
নতুবা নয়।
( লেখা ১লা মার্চ'২০২৪)

দিনের প্রার্থনা ৩
ভাঙাচোরা সৎসঙ্গীদের তুমি ক্ষমা ক'রো, 
দয়া ক'রো দয়াল। তুমি ছাড়া এই পৃথিবী ভয়াল!
( লেখা ১লা মার্চ'২০২৫)


































কবিতাঃ জীবন যদি হত এমন--------

উফ! দুর্দান্ত!!!!!! আরামে চোখ বুঝে এলো!! 
আর মন বলল, জীবন যদি হত এমন রঙ্গিন !!!!!!! 
বিবেক বলল, জীবন এমনই রঙ্গিন, শুধু খুঁজে নিতে হয়। 
জীবন বলল, আনন্দধারা বহিছে ভুবনে! 
গাছে গাছে, পাতায় পাতায়, বনে বনে!! 
হৃদয় বলল, হৃদয় মাঝে মেলে দিয়ে আমায়, 
আঁচল ভরে তুলে নিতে হয় সে আনন্দধারা!!!!!! 
বিলিয়ে দিতে হয় জনে জনে প্রাণে প্রাণে!!!!
আমি বললাম, ছবি তো নয়, রঙিন স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা 
আমার শুধু সে আমার দেশ!! 
জলে স্থলে অন্তরিক্ষে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সে বেশ!!! 
আমার আমি বলল, ফিরে এসো, ওগো ধরা দাও! 
আমার সেই নানা রঙের দিনগুলি!!! 
মুছে দিয়ে যত ক্লেশ উড়িয়ে হাওয়া ফাল্গুনী!!!!!!!
( লেখা ১লা মার্চ'২০১৪)




Saturday, February 28, 2026

বিচিত্রঃ ২৪৪

Think positive, do positive, be positive & have positive. 
Do not spread negative thinking.
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২০)

দিনের প্রার্থনা ২
হে দয়াল, 
যারা বোকা সরল ঠকে যায় প্রতিমুহুর্তে বিশ্বাস ক'রে 
তাদের তুমি রক্ষা ক'রো, তাদের তুমি আশ্রয় দিও। 
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)

Thursday, February 26, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৩

বন্ধ হ'ক ঈশ্বরের চরণ বন্দনা;
শুরু হ'ক পালন তাঁর জীবন চলনা!

বন্ধ হ'ক ঈশ্বরের চরণ বন্দনা;
শুরু হ'ক পালন তাঁর জীবন চলনা!

ঘরে ঘরে হ'ক শুরু দয়ালের
চলন পূজা;
বন্ধ হ'ক চরণ পূজে মুক্তির স্বর্গ খোঁজা।

ঘরে ঘরে হ'ক শুরু দয়ালের চলন পূজা;
বন্ধ হ'ক চরণ পূজে মুক্তির স্বর্গ খোঁজা।
( লেখা ২৭শে ফেব্রুয়ারী'২০২১)

শ্রীশ্রীঠাকুর ও 'সৎসঙ্গ' বিরোধীরা সক্রিয়। 
বিরোধীদের মধ্যে কোটি গুণ সক্রিয় ও ক্ষতিকর 
ঘর শ্ত্রু দূর্যোধনেরা।

ঠাকুরকে মাথায় নিয়ে চলা মানে ঠাকুরের মতো হওয়া। 
ঠাকুরের মতো হও। নতুবা সব ফাঁকিবাজি ও ঠগবাজি চলন। 
প্রাপ্তি সীমাহীন যন্ত্রণা।
( লেখা ২৭শে ফেব্রুয়ারী'২০২৪)

দিনের প্রার্থনা। ১
হে দয়াল, তোমার উজ্জ্বল আলো প্রবেশ করুক সবার অন্তরে, 
সবার ঘরে, ধুয়ে যাক সব মলিনতা, ঘুচে যাক সব অন্ধকার।
( লেখা ২৭শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)






Tuesday, February 24, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪২

দয়াল তোমার আছেন চেয়ে তোমার মুখপানে,
তুমি বন্ধু আছো মেতে রিপুর মত্ত টানে; 
বৃত্তি সুখের উল্লাসে প্রাণ তোমার 
উঠছে মেতে গানে।
( ২৫শে ফেব্রুয়ারী'২০১৮)

হে প্রিয়, 
শয়তানকে তোমাকে ও তোমার প্রিয়জনদের 
ছোবল মারার সুযোগ দিও না। 
দয়ালকে ঘরে প্রতিষ্ঠা করো। 
প্রিয়জন তোমার মুখ চেয়ে রয়েছে।

চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়। ঠিক কথা। 
কিন্তু দয়াল যদি থাকে ঘরে প্রাণে প্রাণে 
তাহ'লে চিরদিন সুখে শান্তিতে ভরে যায় ঘর,
এ হক কথা।

হে আমার গুরুভাইবোন,
তোমার ছোট্ট সন্তানকে দয়ালের কোল থেকে সরিয়ে দিও না, 
তোমার চারপাশ ভয়ংকর। সন্তানকে বাঁচতে দাও। 

দয়াল যদি থাকে তোমার অন্তরে 
শয়নে-স্বপনে-জাগরণে ও ভোজনে 
তাহ'লে শয়তানের বাপের ক্ষমতা নেই 
তোমায় স্পর্শ করে, তুমি থাকবে তাঁর নয়নে।

গ্রহদোষ মানে গ্রহণদোষ। 
গ্রহগুণ মানে গ্রহগুণ।
তুমি ভালো মন্দ যা গ্রহণ করবে  
তুমি জীবনে তাই পাবে। 
ভালো গ্রহণে ভালো, মন্দ গ্রহণে মন্দ,
মন্দ গ্রহণে যতই কাঁদো দয়ালের কিছুই করার থাকে না।
তুমি পাবেই মন্দ।

শনি-রাহু-কেতু ব'লে যদি খারাপ কিছু থাকে 
তাহ'লে তা' হ'লো তোমার বদ স্বভাব, তোমার চরিত্র। 
দয়ালের পরশে নিজেকে পালটাও।

যারা ঠাকুরকে ব্যাথা দিচ্ছে, কষ্ট দিচ্ছে তারা সাবধান। 
তাদের অন্তর, তাদের জীবন ব্যাথা আর কষ্টে ভরে যাবে, 
ধ্বংস অনিবার্য, শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর।

শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণ কি বলেছিলেন, 'ব্রহ্ম সত্য জগত মিথ্যা?' শ্রীশ্রীঠাকুরের এক ভক্তের মুখে ভিডিওতে শুনলাম এই কথা।

শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণের আর এক ভক্তের মুখে শুনলাম, শ্রীশ্রীঠাকুর নাকি বলেছিলেন, তিনি বাউল রূপে আবার আসবেন? সত্যি?

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের এক ভক্ত বললেন, ঠাকুরকে এক শব্দে বলতে বলা হয়েছিল তাঁর জীবন দর্শন। তিনি বলেছিলেন, ব্রহ্ম সত্য জগত মিথ্যা।
এ কথা সত্যি!?
( ২৫শে ফেব্রুয়ারী'২০২৪)

অনৈতিক জীবন নৈতিকতার পাঠ শেখায় ছাত্র- জনতাকে!!!!!
ছাত্র-জনতা কি বেকুব!?
( ২৫শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)













































Tuesday, February 17, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪১

কেউ নেই পাশে তুমি আছো সাথে 
এই মোর শক্তি।
তোমার সেবার দিও অধিকার,
দিও মোরে ভক্তি।

তোমার কাজের মাঝে আসে বাধা, 
আসে শত বিপত্তি!
কি যে করি বুঝিতে না পারি! 
তোমার প্রতি রাখিতে গভীর বিশ্বাস 
দিও প্রভু মোরে শক্তি।

ঘরে অশান্তি, বাইরে অশান্তি, 
অশান্তি বোকা বাক্সের বুকে! 
অশান্তির কালো ছায়া পড়েছে আজ 
প্রতি জীবনে মরণে ঢুকে!!

দিয়েছো যে মহান দায়িত্ব
পায় যেন তা' স্থায়িত্ব।
পারি যেন রাখিতে প্রভু তব মান
ইষ্টপ্রতিষ্ঠার তরে ঘেরে যত বাধা মোরে
হয় যেন তা' খানখান।
( লেখা ১৭ই ফেব্রুয়ারী'২০১৮)
















জিজ্ঞাস্যঃ প্রিয় বন্ধু,

PF, DA ইত্যাদি নিয়ে মাঝে মাঝেই লেখা চোখে পড়ে। লেখাগুলি পড়তে পড়তে Pension সংক্রান্ত একটা বিষয় মনে এলো। রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের পেনশন ছাড়া সারা ভারতে কলে-কারখানায় বা ছোটোবড় অনেক বেসরকারী কর্মস্থলে কাজ করা কর্মচারীদেরও পেনশন আছে। কিন্তু তাদের পেনশন অত্যন্ত সামান্য। আর রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী, ব্যাংক কর্মীদের পেনশন চোখ ধাঁধানো। নতুন চাকরীতে জয়েন্ট করলে যে মাহিনা পাওয়া যায় সরকারী কর্মচারীদের পেনশনও প্রায় তাই শুধু নয় কখনও কখনও তার চেয়েও অনেক গুণ বেশী। সরকারী কর্মচারীদের ডি.এ বাড়লে পেনশনভোগীদেরও সেই অনুযায়ী পেনশন বাড়ে। কিন্তু সারা ভারতের বেসরকারী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পেনশন যেন বিধবার খুদ কুঁড়ো!? কেন? বেসরকারী পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে পেনশনের পরিমাণ কি বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী বাড়ানো যায় না? ভারতবর্ষে বেসরকারী ক্ষেত্রে সম্মিলিত পেনশনারদের সরকারী কোষাগারে জমা টাকার পরিমাণ কত কোটি এই তথ্য কি জানা যেতে পারে? সেই সম্মিলিত টাকা কোথায় খাটানো হয়? সেই খাটানো টাকার আয়ের পরিমাণের সম্পূর্ণটাই কি বেসরকারী পেনশনরদের ক্ষেত্রেই খরচ হয়? বেসরকারী পেনশনারদের ক্ষেত্রে সরকারী পেনশনারদের নীতি কি প্রযোজ্য? এই ব্যাপারে কি বিস্তারিত আলোচনার মধ্যে দিয়ে আলোকপাত করা যেতে পারে? কেউ কি এই বিষয়ে কোনও তথ্য দিতে পারেন? অপেক্ষায় রইলাম।
( লেখা ১৭ই ফেব্রুয়ারী'২০১৭)

Sunday, February 15, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪০

একটাই তো জীবন,
একবারই তো সফর; 
আর
কত রাখবি পুষে তোর বুকে
বন্ধু হিংসা দিনভর!?

এই পৃথিবীতে আগে এসেছিলাম কিনা জানি না, 
আবার আসবো কিনা তাও জানি না, 
শুধু জানি এ জীবনে এসে করলাম 
শুধু ভুল আর ভুল, ভুল আর ভুল!
( লেখা ১৫ই ফেব্রুয়ারী'২০১৮)

আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে ক্ষমতা দখলের জন্য
দেশের নেতানেত্রীদের হুঙ্কার-পাল্টা হুঙ্কারে দেশ ছিল তটস্থ!
কাশ্মীরের পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনায় দেশের নেতৃবৃন্দ
সমস্বরে কেন বদলার জন্যে গর্জে উঠে দেশকে করছে না আস্বস্ত!?

মোদীজি, শোকে বিহ্বল হওয়া নয় রাষ্ট্রধর্ম, 
শোকবার্তায় কাজ শেষ নয়!
ইমরানের বাউন্সারের বিশাল ছক্কা মারার 
এই তো মোক্ষম সময়!

হে ভারত! আর কবে প্রমান হবে, হাম কিসিসে কম নেহি!?
হে জওয়ান! হোক ভয়ংকর মহাপ্রলয়,
বন্ধ হ'ক কথার তানাশাহী!

মোদীজি! 
যে হিংস্র তাকে অহিংসার নামতা পড়ালে কি সে বুঝবে!? 
আর, অহিংসার নামাবলী জড়িয়ে আমেরিকা কি বলবে, 
চীন কি বলবে তা খুঁজবে!?

ঘরে বাঘ আর বাইরে বেরোলেই ছাগ!?
শালা হাগতে হবে না ঘরে
বাইরে গিয়ে হাগ!
ভাগ! শালা ভাগ!!

মোদীজি! সামঞ্জস্যবাদ হ'ক রাষ্ট্রধর্ম!
যার পেট খারাপ তার জন্যে যে পথ্য
সেই পথ্য যার পেট ভালো তাকে দেওয়া নয় সঠিক কর্ম!

'মুখে মারিতং জগৎ' ভারত
জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লভে!
(লেখা ১৫ই ফেব্রুয়ারী'২০১৯)

সত্যকে যাদের ভালো লাগে না 
তারা মিথ্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়। 
সত্য ফ্যাকাশে মিথ্যে রঙিন ঝলমলে! 
তাই নিশ্চিত ক্ষয়!!
(লেখা ১৫ই ফেব্রুয়ারী'২০২০)

ইষ্টভৃতি গ্রহণ মানে জীবন্ত ঈশ্বরের দ্বারা
তোমার জন্মজন্মান্তরের পাপ গ্রহণ।
কোনও মানুষের পক্ষে কোনও মানুষের
পাপ গ্রহণ করা সম্ভব নয়।
(লেখা ১৫ই ফেব্রুয়ারী'২০২৫)


































Saturday, February 14, 2026

বিচিত্রাঃ ২৩৯

ঈশ্বর-ভগবান মানি আর মানি না ব'লে 
যারা করছে চিল চিৎকার!
মানা-না মানা ব্যক্তিগত অনুভূতি-গভীর জ্ঞান! 
চিৎকার মূর্খামি-অহংকার!!

'মা-বাবাকে ভালোবাসি! মা-বাবাই আমার ভগবান!' 
ব'লে মারছো হাঁকডাক!
ভালোবাসা ও ভগবান এত সহজ-সস্তা-ঠুনকো নাকি 
যে পেটাচ্ছো ঢাক!?

যে যে-ভাষা বোঝে তাকে সেই ভাষায় জবাব দেওয়ায় রাষ্ট্রধর্ম।
(১৪ই ফেব্রুয়ারী'২০১৯)

স্থির জলে ঢিল পড়লে যেমন বুদবুদ ওঠে
ঠিক তেমনি দয়ালের কাছে এলে পরে চাপা পড়া 
'আমি-আমি, আমার-আমার' জেগে ওঠে, দুর্গন্ধ ছড়ায়। 
নিজেকে, নিজের স্বভাবকে চেনা যায়, জানা যায়! 
তখন নিজেকে শুধরে নেবার সুযোগ আসে। 
সেই সুযোগ হারালে বৃথা হ'য়ে যায় ইহকাল-পরকাল!!

মনের পিছনে ছুটো না বন্ধু, 
মন তোমায় পাগল কুকুরে পরিণত করবে। 
পাগল যদি হ'তে হয় পাগল হও ঈশ্বর প্রেমে! 
শরীর-মন-আত্মা শুদ্ধ হবে!!

'আমি-আমি, আমার-আমার' ব'লে পাগল হ'লে 
কেউ তোমার কেন্দ্রও নয়, কেন্দ্রও তোমার নয়! 
দিন শেষে ঘেয়ো কুকুরের মত পথে পথে ঘুরে মরতে হয়!!

হিংসা ক'রো না বন্ধু! 
হিংসার আগুনে আর যাই-ই পুরুক না পুরুক 
অন্তর তোমার পুড়ে খাক হ'য়ে যাচ্ছে! 
পোড়া অন্তরে সব পোড়া লাগবে।

সত্যকে অস্বীকার ক'রে মিথ্যাকে আশ্রয় ক'রে 
নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে যেও না! 
শেষের দিনে মিথ্যের পাহাড়ের মাঝে 
দেখবে তুমি একা!!
 (১৪ই ফেব্রুয়ারী'২০২০)












Friday, February 13, 2026

প্রবন্ধঃ আশা ও গভীর বিশ্বাস (২য় পর্ব)।

১ম পর্বে আমি শিল্প ধর্মঘট নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আপনারা যারা পড়ছেন এই আর্টিকেল তাদের অনুরোধ করবো এই আর্টিকেলের ১ম পর্ব পড়ার জন্য। তাহ'লে আপনা্দের লিঙ্কটা ধরতে সুবিধা হবে।
এবার ভর্তুকির প্রসঙ্গে বলি।
ভর্তুকি তুলে দেওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা ও বিরোধীতা করেছিল দেশের বিরোধী দল বাম্ফ্রন্ট। সেই বিষয়ে জনগণকে আগাম সতর্ক করেছিল ব'লে দাবী করা হয়েছে ফেসবুকে একজনের একটা আর্টিকেলে, যে আর্টিকেলের বক্তব্য বিষয় নিয়ে আমার এই লেখা। ভর্তুকি তুলে দিলে জনগণের ওপর ভয়ংকর আর্থিক চাপ নেমে আসবে ব'লে সাবধান ক'রে দিয়েছিল বামপন্থীরা আর বাস্তবে সত্যি সত্যিই তার প্রতিফলন ঘটেছে ব'লে দাবী করছে তারা।

এখন আমার জিজ্ঞাস্যঃ
ভর্তুকি দিয়ে কি সত্যি সত্যিই দেশ চালানো যায়? ভর্তুকি কি কোনও দেশকে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে শক্তিশালী করতে পারে? ভর্তুকি কতদিন দেওয়া যেতে পারে? কি করলে ভর্তুকি চিরকালের জন্য তুলে দেওয়া যায় এবং ভর্তুকির প্রয়োজন না পড়ে তা' ভেবে দেখার কি এখনও সময় আসেনি? দেশ স্বাধীন হয়েছে ৭৮বছর, কোনোদিনই কি দেশ ও দেশের কোনও রাজনৈতিক দল ভাববে না? শুধু 'ধর তক্তা মার পেরেক' মনোভাব নিয়ে ও রাজনৈতিক দর্শনে দল, সরকার ও দেশ চালাবে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। যারা নেতা হবে, যারা দেশ পরিচালনা করবে, দেশ চালানোর জ্ঞান দেবে তারা কি ভাববে না এই বিষয়ে? লাভ তো দূরের কথা উৎপাদন খরচের থেকে কম দামে গ্যাস বা অন্যান্য কিছু জনগণকে সরবরাহ করা হ'লে তা' কতদিন সরকারের পক্ষে বহনযোগ্য? দেশের অগ্রগতির পক্ষে কতটা পজিটিভ পদক্ষেপ? ভর্তুকি তুলে দিয়ে জনসাধারণের ওপর দামের বোঝা বাড়িয়ে দেওয়া কেন হচ্ছে এই ধরণের কথা বলে জনগণকে এখনও কেন সত্যের আলোর মুখোমুখি হওয়া থেকে মিথ্যের অন্ধকারে রাখা হচ্ছে? ভর্তুকি কি কোনও দেশের সার্বিক উন্নতির চাবিকাঠি হ'তে পারে? ভর্তুকি যদি দিতেই হয় তবে তাহ'লে জনগনকে জানিয়ে দেওয়া হ'ক এই ভর্তুকির ফলে দেশের কতটা লাভ বা ক্ষতি হচ্ছে।

আর, ভর্তুকি যদি দিতেই হয় পুরোপুরি দিক। বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা কেন? কোথাও কোথাও কোনও কোনও রাজ্যে জনগণের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে বিদ্যুৎ, জল ইত্যাদি নানারকম ফ্রি ব্যবস্থা আছে। আবার নানারকম ভাতাও আছে বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন প্রকল্পে। বাম্ফ্রন্ট আমলে প্রথম ভাতা চালু হয়। বেকার ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, বন্ধ কল কারখানা এবং বন্ধ চা বাগান শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ইত্যাদি। এখন তা' নানারকম ডালপালা মেলে বিরাট মহীরুহে পরিণত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে বেকারদের ভাতা দেওয়ার ও বন্ধ শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান দেওয়ার পরিবর্তে বেকার ভাতা যাতে দিতে না হয়, কলকারখানা যাতে বন্ধ না হয় তার জন্য কেন মূল সমস্যার সমাধানে যত্নশীল হয়নি তৎকালীন ৩৪ বছরের সরকার?

যাই হ'ক, চটজলদি সস্তা পদক্ষেপ চিরকালীন সমস্যা সমাধান করতে পারে না। গোড়া কেটে আগায় জল ঢালার মানসিকতা দেশের শাসকদের মগজকে ডাস্টবিনে পরিণত করে। ফলে নিজের খোঁড়া গর্তে নিজেরই সলিল সমাধি হয়। আর, অন্তিমে ভয়ঙ্কর ফল ভোগ করবে দেশের ১৪০কোটি জনগণ সস্তার তিন অবস্থার ফর্মূলায়।
কিন্তু এর থেকে বেড়িয়ে আসার জন্য কোনও সদর্থক উদ্যোগ ও মানসিকতা নেই। সততার সঙ্গে অতীতের ভুল স্বীকারের অকপট মানসিকতা ও দীর্ঘমেয়াদী বলিষ্ঠ স্বচ্ছ ও স্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনা প্রয়োজন। নতুবা দিন শেষে হাতির বাতকর্ম হওয়ার ঘোষণার মতন পরিণতি হবে।

আমার আশা ও গভীর বিশ্বাস নোতুন প্রজন্ম শুধু পথেঘাটে, মাঠে-ময়দানে মিছিলে মিটিঙে উদ্দন্ড গলাবাজি আর পর দোষ অন্বেষন ক'রে বৃথা সময় নষ্ট করবে না। কারণ ন্যাড়া বেলতলায় একবারই যায়। মানুষকে বোকা বানিয়ে সাময়িক সামান্য লাভ হ'লেও হ'তে পারে কিন্তু আখেরে নিঃশব্দ গভীর ভয়ঙ্কর পতন অবশ্যম্ভাবী। সাম্প্রতিক বাংলাদেশের বর্তমান ১২ই ফেব্রুয়ারি'২০২৬-এর নির্বাচন জ্বলন্ত প্রমাণ। বাংলাদেশের প্রধান উপাদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের মেটিকুলাস ডিজাইনে অবৈধ ও অগণতান্ত্রিকভাবে পিছনের দরজা দিয়ে বিদেশী শক্তির মদতে ক্ষমতার লোভে সিংহাসনে বসার মাত্র ১৯ মাসের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে তাঁর মিথ্যে রঙ্গীন কথার ফানুস ফেটে গেল। জনগণই যে শেষ কথা আবার প্রমাণ হ'লো।
প্রকাশ বিশ্বাস।
ভদ্রকালী, উত্তরপাড়া।
ক্রমশ ( পরবর্তী ৩য় পর্বে)।