Powered By Blogger

Saturday, March 21, 2026

বিচিত্রাঃ ২৫১

কারো সাহায্য ছাড়া কিছু করা কঠিন, 
শারিরিক-মানসিক কষ্টের, যন্ত্রণার 
এ কথা সত্য কিন্তু কোনও কিছুই অসম্ভব নয়।

ইষ্টকাজে কাউকে বাধা দিয়ে 
আটকে রাখা যায় কিছুদিন 
কিন্তু চিরদিন নয়। 
কিন্তু চিরদিনের জন্য ইষ্টের কাছে 
তুমি হ'য়ে গেলে অপরাধী।
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২১)

দয়াল তোমায় আমি ভালোবাসি। 
এ জীবন দিলাম তোমায়।
তুমি যা বলবে তাই করবো আমি।
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২৪)























বিচিত্রাঃ ২৫০

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (১)
ভয় কি তোর ভাইরাসে করোনার!
করোনা নামক দৈত্যটিকে নাম আগুনে জ্বালিয়ে মার, পুড়িয়ে মার।

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (২)
মহাশক্তি ঘুমায় তোর হৃদয়ে তুই কেনরে ভয়ে মরিস! 
করোনা নামক মৃত্যুদূতে নাম আগুনে পুড়িয়ে মারিস।

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৩)
রাস্বা নামে জয়গুরু ব'লে দে না ঝাঁপ!
করোনার মরণ দুয়ারে পড়বে ঝাঁপ!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৪)
যে যা বলে বলুক, যে যা করে করুক!
তার সাথে বুকের মাঝে আছে যে নাম, 
মহানাম সেই নামের তাপে করোনা পুড়ে মরুক!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৫)
করোনার ঔষধ সদাচার আর মহৌষধ তাঁর বীজনাম! 
নামামৃতে করো করোনা ভাইরাসকে খানখান!

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৬)
নাম করো, নাম করো, নাম করো ভাই!
নাম আগুনে করোনা ভাইরাস হবে পুড়ে ছাই!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৭)
দিয়েছিলে কথা হ'য়োনা কথার খেলাপি;
করোনা ভীতি শুধু নয়, 
নাম থেরাপিতে কাটবে মহাভীতি, যমভীতি! 
নিঃশ্বাসে-প্রশ্বাসে করো নাম, গাও নাম, করো নাম আবৃত্তি!

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৮)
করোনা-য় ক'রো না ভয়, হ'য়ো না আত্মঘাতী!
দয়ালের নাম অমৃত করো পান কাটবে অকাল যমভীতি!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৯)
করোনা নিয়ে ক'রো না হেলাফেলা, ক'রো না অবহেলা; 
করোনার চ্যালেঞ্জ জেনো মন্ত্র 'ক'রো না' আর 
বীজনাম মহানাম নহেলে পে দহেলা!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (১০)
চীন থেকে এলো ভারতে মৃত্যুদূত করোনা আর 
চীনের প্রতি ভারতের আছে করুণা! 
কারণ পরম করুণাময় পুরুষোত্তম শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দেশ ভারত! 
তাই তাঁর কাছে আসুন প্রার্থনা করি তাঁর সৎনামে বাঁচুক জগৎ!
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২০)





























Tuesday, March 17, 2026

বিচিত্রা" ২৪৯

টি ভি খুললেই চ্যানেলে চ্যানেলে বিশেষজ্ঞের দল!
বসে পড়ে দল বেঁধে করতে কোলাহল!!

কে আগে কত বলিবে কথা বিশেষজ্ঞ মাঝে চলে তার প্রতিযোগিতা!
বোকা বাক্সে বুঁদ হ'য়ে বসে জনতা, দেখে কার কত ক্ষমতা!!

সব বিষয়ে পারদর্শী টিভি মাঝে বিশেষজ্ঞের দল!
সর্ব ঘটে কাঁটালি কলা করে কোলাহল!!

কাউকে কিছু বলতে যেও না, সবাই স্বাধীন।
নিজের দিকে চেয়ে দেখো প্রকাশ তুমি কতটা পরাধীন!?

বৃত্তির অধীন তুমি পড়াচ্ছো মানবতার পাঠ!
জীবন জুড়ে চলছে বিকিকিনি, বসেছে রিপুর হাট!!

যদি সত্যি সত্যিই অনুভব ক'রে থাকো ঈশ্বরের অস্তিত্ব
আর, ঈশ্বরের সাথে কপট ভক্তের বেঈমানি ও অকৃত্জ্ঞতা
দেখে ভেঙে যায় হৃদয় তোমার তবুও ঐ হৃদয় নিয়ে 
জোয়াল টেনে চলো আমৃত্যু তাঁর মিশন রথের,
নিয়ে অকপট হৃদয়।
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০১৮)

ঠাকুরকে তোমার ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র মনে করিও না! 
নচেৎ দুর্দশার অন্ত থাকবে না।

ঠাকুরের ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র তুমি হও,
তোমার ইচ্ছা পূরণ হবে।

তোমার ইচ্ছাটা তোমার জন্য মঙ্গল কি অমঙ্গল তুমি জানো না, 
ঠাকুর জানেন তাই ঠাকুরের ইচ্ছাপূরণে যত্নবান হও 
তোমার ইচ্ছা পূরণ হবেই হবে।

মনে রেখো তোমার ইচ্ছাপূরণের জন্য তিনি এই ধরণীতে আসেননি; 
তাঁর ইচ্ছাপূরণের সাথী হও তোমার বৈধ ইচ্ছা পূরণ হবেই।

ঠাকুরও আছে আবার হাতে আংটি আছে, মাদুলি আছে, আছে লাল-নীল-কালো সুতো;
কোমরে পাথর আছে, আছে শেকড়-কাঠির জঙ্গল! কে করবে মঙ্গল!?

ঠাকুর ধরেই ভেবেছো তুমি যা ভুল করছো বা ভুল ক'রে রেখেছো 
তা' থেকে মুক্তি পাবে?

আগে সঁপে দাও তাঁর চরণে স্বার্থহীন, ধান্দাহীন অকপট জীবন
তারপর দেখো কি হয়!
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০১৯)

হে ঈশ্বর! তোমায় নিয়ে খিল্লি আজ ঔদ্ধত্বের শেষ সীমায়! 
তোমার সৃষ্টি মানুষ ধ্বংস করার আগে তুমি নিজে শেষ ক'রে দাও তোমার সৃষ্টি।

হে ঈশ্বর! অবিশ্বাসী নাস্তিককে তুমি ক্ষমা করো, ভালোবাসো জানি 
কিন্তু ভন্ড কপট বিশ্বাসী ভক্তকে কি ক্ষমা করো? ভালোবাসো?

বাংলার রাজনীতিতে শিক্ষিত মানুষ আসুক। 
শিক্ষিত মানে শিক্ষিত, লেখাপড়াজানাওয়ালা মানুষ নয়।

বাংলা জাগলে ভারত জাগবে, ভারত জাগলে বিশ্ব জাগবে 
তাই বাংলার মসনদে শিক্ষিত ভদ্র সংস্কৃতি মনস্ক মানুষ আসুক।

বাংলা আছে "বাংলা আজ যা ভাবে কাল ভাবে তা গোটা ভারত" সেই বাংলাতেই! 
গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হ'য়ে আছে এই যা। ভাঙ্গার প্রহর গুনছি।

বাহ!!! নতুন পার্টির জন্ম!
'ভূমি পুত্র অধিকার পার্টি''!
স্বাগতম নতুন পার্টি!! স্বাগতম!!!

বাংলার রাজনীতিতে বাবা-মাকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করেন 
এমন মানুষরা আসুন ও নির্বাচিত হ'ক।

বাংলার রাজনীতিতে ভারতবর্ষের কৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধাশীল 
এমন মানুষ আসুক ও নির্বাচিত হ'ক।

'সব মানুষের কল্যান হ'ক, সবাই সুখে থাক' 
এমন পবিত্র মানসিকতায় সমৃদ্ধ মানুষ 
বাংলার রাজনীতির ময়দানে আসুক ও নির্বাচিত হ'ক।
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০২১)















































Monday, March 16, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৮

অন্যের দর্শন বা মতকে নিজের দর্শন বা মত হিসাবে প্রচারে বাহাদুরি!
এ এক সাংঘাতিক ব্যাধি যা বৃত্তি চুরির মত ঘৃণ্য মেধা চুরি!!

একটা সময় আসে যখন নিজেকে মনে হয় ভীষণ অসহায়!
সেই সময় প্রভু তুমি থেকো পাশে, থেকো সহায়।

কেন যে মাঝে মাঝে
অবিশ্বাস, সন্দেহ আসে!
মাথার ওপরে তুমি আছো প্রভু জানি আমি;
এ বিশ্বাস আমার আছে। তবুও.........।

তুমি আছো আর আমি আছি; দুজনার মাঝে আর কেউ নেই, কিছু নেই। 
তোমার চরণ ছুঁয়ে যেন আমি তোমার চলন পূজার পূজারী হই!!

আকাশের ভগবান বা অমূর্ত ভগবান বা দেবদেবীর মূর্তি
আমার লাগে ভালো।
কারণ বেসামাল বৃত্তি-প্রবৃত্তি বা চরিত্রে ফেলতে হয় না আলো!

জীবন্ত ঈশ্বর বা মূর্ত ভগবান পূজন করে যেই জন 
সেইজন পূজিছে ঈশ্বর।

মূর্তি পূজা আর আকাশের ভগবানের পূজায় করো বৃথা কালক্ষেপ!
শেষের সেদিনে থেকে যাবে শুধু অন্তরে ব্যর্থতার আক্ষেপ!!

সংক্ষিপ্ত জীবন মাঝে বৃথা মূর্তি পূজায় কেন কর সময় অপচয়?
যদি করতেই হয় কর জীবন্ত ঈশ্বরে নয়তো রিপুর টানে
হ'য়ে মত্ত নাস্তিকের মত চুটিয়ে কর জীবন এঞ্জয়।

দিন শেষে মন বলে,
ফিরে চলো মন সেই নিকেতন! 
যেথায় আছে বাঁধা 
শৈশব আর কৈশোরের হৃদস্পন্দন!!
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০১৮)

ঠাকুর অপমানিত হন, ঠাকুরকে নিয়ে লোকে হাসাহাসি করে 
এমন কাজ করছো আবার বুক বাজিয়ে আমি গুরুভাই, 
একথা বলছো!!

ঠাকুর তোমার হাতের পুতুল 
তাই ইচ্ছেমতো করছো মাতামাতি;
আর
ভক্তির হাতিয়ার তোমার ঐ 'হাতাহাতি'!!
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০১৯)

ঠাকুর আমার আয়ের উপকরণ, স্বর্ণপুকুর। ঠাকুরের কথা ফললেই ভালো,
তখন ঠাকুর ঠাকুর, নইলে কুকুর।
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০২৫)
















Tuesday, March 10, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৭

ঈশ্বর মানে ভালোবাসা। শত্রুমিত্র, ধনী গরীব, শিক্ষিত অশিক্ষিত এককথায় তাঁর সৃষ্ট মানুষ সহ সৃষ্টির সমস্ত কিছুকে ভালোবাসা।

শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র বলেন, ভালোবাসা মানে ভালোতে বাস করা অর্থাৎ ভালো মানে ঈশ্বর, ইশ্বরে বাস করা।

ভালোবাসা মানে ভালো বাসা। ঈশ্বরের শ্রীচরণ এক ও একমাত্র ভালো বাসা। সেই ভালো বাসাতে বাস করা। সেই বাসা অর্থাৎ তাঁর শ্রীচরণে বাস ক'রে তাঁর চলন আয়ত্ত করা, তাঁর চলন নিজের চলন ক'রে তোলা।--প্রবি।







বিচিত্রা" ২৪৬

বিষবৃক্ষ বপন ক’রে ফল পেতে চাও অমৃত!?‘
গোড়া কেটে আগায় জল’
বন্ধু! এই সংস্কৃতি চলবে আর কত!?

উন্নতি আর দুর্নীতি দুই সৎ ভাই! 
বলছে,
হাত ধরাধরি ক'রে চলো যাই!!

ভালো মানুষের মুখোশ পরে
তুমি কাকে দিচ্ছ ফাঁকি?
বুকের মধ্যে তাকিয়ে দেখো, 
সেথায় বসে কে যেন কিসব করছে আঁকিবুঁকি!!

তুমি বলো, ধোয়া তুলসী পাতা কেউ নয়।
আমি বলি, তুলসী পাতা নোংরা হ'লেও
তুলসী পাতা তুলসী পাতাই রয়।
ধুয়ে আবার নারায়ণের পায়ে দেওয়া যায়।
বরং বলতে পারো, বিছুটি পাতা;
যাকে ছুঁলেই পরে হয় ক্ষয়।
( লেখা ১১ই মার্চ' ২০২৬)

সমাজসেবা পয়সার বিনিময়ে হয় না।
আন্তরিকতা সাথে হৃদয়ের স্বচ্ছতা
না থাকলে কেউ তার সুফল পায় না।

হিংসা এমনই জিনিস তাকে বাড়তে দিলে বেড়েই যায়; 
কোনও ভালো কাজ করেও না, করতেও দেয় না; 
শুধুই কথার বিষাক্ত হাই!

কেউ ভালো কাজ করলে দেয় বাধা ,
দেয় না করতে যারা;
ভবিষ্যৎ তাদের ঘোর অন্ধকারে ভরা!

কে করবে ভালো কাজ আর কেনই বা করবে?
কাঁকড়ার চরিত্র নিয়ে মারামারি ক'রে মরবে!

অতীতের সাহায্য ও দিনগুলি ভুলে যাও? 
অনিত্য ঝলমলে নিয়ে বর্তমান
থাকো ব্যস্ত নেশাগ্রস্থের মত! 
ভবিষ্যতে কি করছে অপেক্ষা 
একবার তা' দেখে নাও!

কথায় আছে:
কাজের বেলায় কাজী কাজ ফুরোলে পাজি!
পাজির পাঁজিতে জেনো আছে 
'শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর' 
বলতে পারি এ কথা রেখে বাজি!!

আজ তোমার দিন। 
তাই ভুলে গেছো আর পড়ে না মনে সেইদিন!
কেউ ছিল না তোমার সাথে যেদিন!!
( লেখা ১১ইমার্চ'২০২১৯)










Thursday, March 5, 2026

গানঃ মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল (মে) ভরী নীদ সুকুন।

মাকে ছাড়া বলো বাঁচে কে প্রাণে?
মা ছাড়া আছে কে আর জীবনে?
মায়ের মতন এমন আপন
কে আছে আর এ ভুবনে?
মায়ের মতন এমন আপন
মাকে ছাড়া বাঁচে কে প্রাণে?
মাগো রে রাখো রে ( তোমার ) আঁচলের তলে!
এসো রে রাখো রে মাথা মায়ের কোলে।
মাগো রে রাখো রে (তোমার) আঁচলের তলে!
এসো রে রাখো রে মাথা মায়ের কোলে।

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল (মে) ভরী নীদ সুকুন।

মা যে আমার নয়নের মণি
মায়ের চেয়ে আছে কে আর ধনী?
মায়ের মতন এমন যতন
দয়াল ছাড়া নেয় আর কোন প্রাণী?(২)
মাগো রে রাখো রে তোমার আঁচলের তলে
এসো রে বসো রে মায়ের চরণ তলে
মাগো রে রাখো রে তোমার আঁচলের তলে।
এসো রে বসো রে মায়ের চরণ তলে।

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল ( মে ) ভরী নীদ সুকুন।
( লেখা ২১শে ফেব্রুয়ারী' ২০২৬)
( হরি নন্দ মুকন্দ গানের সুরে)।