Powered By Blogger

Sunday, March 1, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৪

 Think positive, do positive, be positive & have positive. 

Do not spread negative thinking.
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২০)

দিনের প্রার্থনা ২
হে দয়াল, 
যারা বোকা সরল ঠকে যায় প্রতিমুহুর্তে বিশ্বাস ক'রে 
তাদের তুমি রক্ষা ক'রো, তাদের তুমি আশ্রয় দিও। 
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)।

এ কিসের ইঙ্গিত!?
পরিবারের সবাই মিলে দয়ালের দরবারে শয়তানি!!!!

দয়ালের দরবারে বসে দয়ালের সঙ্গে চালাকি!?
সেদিন আর দূর নয়, নিয়তির ভয়ংকর হাসি সাথে 
থাকতে হবে একাকি! সাবধান।

এতবড় মানুষ গিরগিটি!?
যা দেখে ভয় পায় স্বয়ং গিরগিটি!?

ভালোবাসাকে দুর্বল মনে করো?
মনে করো, যে ভালোবাসে সেটা তার দায়?
তোমার অহঙ্কার আর ঔদ্ধত্বের সীমা নাই! হায়!!


দয়ালের দরবারে বসে যারা বেঈমানি, নেমকহারামি, অকৃতজ্ঞতার চাষ করে তাদের রক্তের দোষ না থাকলে সম্ভব নয়। 
জৈবী সংস্থিতিতে ত্রুটি।

এখনও সময় আছে বাঁচতে যদি চাও, 
পরিবার বাঁচাতে যদি চাও 
তবে দয়ালের দরবারে কপটতা ও মিথ্যার আশ্রয় ত্যাগ করো।
য়ার, দয়ালের কাছে ক্ষমা চাও।

কাকে করবো বিশ্বাস? কার প্রতি রাখবো আস্থা? 
কোথায় নেবো নিশ্বাস? কার উপর ভরসা?
( লেখা ১লা মার্চ'২০২১)

শয়তান অত্যাচারীর প্রধান পৃষ্টপোষক সাধারণ জনগণ। 
তাই Vox populi vox dei কথাটা ভুল। 
কারণ, জনগণের বাণী ঈশ্বরের বাণী হ'তে পারে না।

গুরুর জয় নিশ্চিত হ'ক এই শপথ নিয়েই 
আমরা যেন একে অপরকে 'জয়গুরু' বলি সৎসঙ্গীরা; 
নতুবা নয়।
( লেখা ১লা মার্চ'২০২৪)

দিনের প্রার্থনা ৩
ভাঙাচোরা সৎসঙ্গীদের তুমি ক্ষমা ক'রো, 
দয়া ক'রো দয়াল। তুমি ছাড়া এই পৃথিবী ভয়াল!
( লেখা ১লা মার্চ'২০২৫)


































কবিতাঃ জীবন যদি হত এমন--------

উফ! দুর্দান্ত!!!!!! আরামে চোখ বুঝে এলো!! 
আর মন বলল, জীবন যদি হত এমন রঙ্গিন !!!!!!! 
বিবেক বলল, জীবন এমনই রঙ্গিন, শুধু খুঁজে নিতে হয়। 
জীবন বলল, আনন্দধারা বহিছে ভুবনে! 
গাছে গাছে, পাতায় পাতায়, বনে বনে!! 
হৃদয় বলল, হৃদয় মাঝে মেলে দিয়ে আমায়, 
আঁচল ভরে তুলে নিতে হয় সে আনন্দধারা!!!!!! 
বিলিয়ে দিতে হয় জনে জনে প্রাণে প্রাণে!!!!
আমি বললাম, ছবি তো নয়, রঙিন স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা 
আমার শুধু সে আমার দেশ!! 
জলে স্থলে অন্তরিক্ষে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সে বেশ!!! 
আমার আমি বলল, ফিরে এসো, ওগো ধরা দাও! 
আমার সেই নানা রঙের দিনগুলি!!! 
মুছে দিয়ে যত ক্লেশ উড়িয়ে হাওয়া ফাল্গুনী!!!!!!!
( লেখা ১লা মার্চ'২০১৪)




Saturday, February 28, 2026

বিচিত্রঃ ২৪৪

Think positive, do positive, be positive & have positive. 
Do not spread negative thinking.
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২০)

দিনের প্রার্থনা ২
হে দয়াল, 
যারা বোকা সরল ঠকে যায় প্রতিমুহুর্তে বিশ্বাস ক'রে 
তাদের তুমি রক্ষা ক'রো, তাদের তুমি আশ্রয় দিও। 
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)

Thursday, February 26, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৩

বন্ধ হ'ক ঈশ্বরের চরণ বন্দনা;
শুরু হ'ক পালন তাঁর জীবন চলনা!

বন্ধ হ'ক ঈশ্বরের চরণ বন্দনা;
শুরু হ'ক পালন তাঁর জীবন চলনা!

ঘরে ঘরে হ'ক শুরু দয়ালের
চলন পূজা;
বন্ধ হ'ক চরণ পূজে মুক্তির স্বর্গ খোঁজা।

ঘরে ঘরে হ'ক শুরু দয়ালের চলন পূজা;
বন্ধ হ'ক চরণ পূজে মুক্তির স্বর্গ খোঁজা।
( লেখা ২৭শে ফেব্রুয়ারী'২০২১)

শ্রীশ্রীঠাকুর ও 'সৎসঙ্গ' বিরোধীরা সক্রিয়। 
বিরোধীদের মধ্যে কোটি গুণ সক্রিয় ও ক্ষতিকর 
ঘর শ্ত্রু দূর্যোধনেরা।

ঠাকুরকে মাথায় নিয়ে চলা মানে ঠাকুরের মতো হওয়া। 
ঠাকুরের মতো হও। নতুবা সব ফাঁকিবাজি ও ঠগবাজি চলন। 
প্রাপ্তি সীমাহীন যন্ত্রণা।
( লেখা ২৭শে ফেব্রুয়ারী'২০২৪)

দিনের প্রার্থনা। ১
হে দয়াল, তোমার উজ্জ্বল আলো প্রবেশ করুক সবার অন্তরে, 
সবার ঘরে, ধুয়ে যাক সব মলিনতা, ঘুচে যাক সব অন্ধকার।
( লেখা ২৭শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)






Tuesday, February 24, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪২

দয়াল তোমার আছেন চেয়ে তোমার মুখপানে,
তুমি বন্ধু আছো মেতে রিপুর মত্ত টানে; 
বৃত্তি সুখের উল্লাসে প্রাণ তোমার 
উঠছে মেতে গানে।
( ২৫শে ফেব্রুয়ারী'২০১৮)

হে প্রিয়, 
শয়তানকে তোমাকে ও তোমার প্রিয়জনদের 
ছোবল মারার সুযোগ দিও না। 
দয়ালকে ঘরে প্রতিষ্ঠা করো। 
প্রিয়জন তোমার মুখ চেয়ে রয়েছে।

চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়। ঠিক কথা। 
কিন্তু দয়াল যদি থাকে ঘরে প্রাণে প্রাণে 
তাহ'লে চিরদিন সুখে শান্তিতে ভরে যায় ঘর,
এ হক কথা।

হে আমার গুরুভাইবোন,
তোমার ছোট্ট সন্তানকে দয়ালের কোল থেকে সরিয়ে দিও না, 
তোমার চারপাশ ভয়ংকর। সন্তানকে বাঁচতে দাও। 

দয়াল যদি থাকে তোমার অন্তরে 
শয়নে-স্বপনে-জাগরণে ও ভোজনে 
তাহ'লে শয়তানের বাপের ক্ষমতা নেই 
তোমায় স্পর্শ করে, তুমি থাকবে তাঁর নয়নে।

গ্রহদোষ মানে গ্রহণদোষ। 
গ্রহগুণ মানে গ্রহগুণ।
তুমি ভালো মন্দ যা গ্রহণ করবে  
তুমি জীবনে তাই পাবে। 
ভালো গ্রহণে ভালো, মন্দ গ্রহণে মন্দ,
মন্দ গ্রহণে যতই কাঁদো দয়ালের কিছুই করার থাকে না।
তুমি পাবেই মন্দ।

শনি-রাহু-কেতু ব'লে যদি খারাপ কিছু থাকে 
তাহ'লে তা' হ'লো তোমার বদ স্বভাব, তোমার চরিত্র। 
দয়ালের পরশে নিজেকে পালটাও।

যারা ঠাকুরকে ব্যাথা দিচ্ছে, কষ্ট দিচ্ছে তারা সাবধান। 
তাদের অন্তর, তাদের জীবন ব্যাথা আর কষ্টে ভরে যাবে, 
ধ্বংস অনিবার্য, শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর।

শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণ কি বলেছিলেন, 'ব্রহ্ম সত্য জগত মিথ্যা?' শ্রীশ্রীঠাকুরের এক ভক্তের মুখে ভিডিওতে শুনলাম এই কথা।

শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণের আর এক ভক্তের মুখে শুনলাম, শ্রীশ্রীঠাকুর নাকি বলেছিলেন, তিনি বাউল রূপে আবার আসবেন? সত্যি?

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের এক ভক্ত বললেন, ঠাকুরকে এক শব্দে বলতে বলা হয়েছিল তাঁর জীবন দর্শন। তিনি বলেছিলেন, ব্রহ্ম সত্য জগত মিথ্যা।
এ কথা সত্যি!?
( ২৫শে ফেব্রুয়ারী'২০২৪)

অনৈতিক জীবন নৈতিকতার পাঠ শেখায় ছাত্র- জনতাকে!!!!!
ছাত্র-জনতা কি বেকুব!?
( ২৫শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)













































Tuesday, February 17, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪১

কেউ নেই পাশে তুমি আছো সাথে 
এই মোর শক্তি।
তোমার সেবার দিও অধিকার,
দিও মোরে ভক্তি।

তোমার কাজের মাঝে আসে বাধা, 
আসে শত বিপত্তি!
কি যে করি বুঝিতে না পারি! 
তোমার প্রতি রাখিতে গভীর বিশ্বাস 
দিও প্রভু মোরে শক্তি।

ঘরে অশান্তি, বাইরে অশান্তি, 
অশান্তি বোকা বাক্সের বুকে! 
অশান্তির কালো ছায়া পড়েছে আজ 
প্রতি জীবনে মরণে ঢুকে!!

দিয়েছো যে মহান দায়িত্ব
পায় যেন তা' স্থায়িত্ব।
পারি যেন রাখিতে প্রভু তব মান
ইষ্টপ্রতিষ্ঠার তরে ঘেরে যত বাধা মোরে
হয় যেন তা' খানখান।
( লেখা ১৭ই ফেব্রুয়ারী'২০১৮)
















জিজ্ঞাস্যঃ প্রিয় বন্ধু,

PF, DA ইত্যাদি নিয়ে মাঝে মাঝেই লেখা চোখে পড়ে। লেখাগুলি পড়তে পড়তে Pension সংক্রান্ত একটা বিষয় মনে এলো। রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের পেনশন ছাড়া সারা ভারতে কলে-কারখানায় বা ছোটোবড় অনেক বেসরকারী কর্মস্থলে কাজ করা কর্মচারীদেরও পেনশন আছে। কিন্তু তাদের পেনশন অত্যন্ত সামান্য। আর রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী, ব্যাংক কর্মীদের পেনশন চোখ ধাঁধানো। নতুন চাকরীতে জয়েন্ট করলে যে মাহিনা পাওয়া যায় সরকারী কর্মচারীদের পেনশনও প্রায় তাই শুধু নয় কখনও কখনও তার চেয়েও অনেক গুণ বেশী। সরকারী কর্মচারীদের ডি.এ বাড়লে পেনশনভোগীদেরও সেই অনুযায়ী পেনশন বাড়ে। কিন্তু সারা ভারতের বেসরকারী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পেনশন যেন বিধবার খুদ কুঁড়ো!? কেন? বেসরকারী পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে পেনশনের পরিমাণ কি বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী বাড়ানো যায় না? ভারতবর্ষে বেসরকারী ক্ষেত্রে সম্মিলিত পেনশনারদের সরকারী কোষাগারে জমা টাকার পরিমাণ কত কোটি এই তথ্য কি জানা যেতে পারে? সেই সম্মিলিত টাকা কোথায় খাটানো হয়? সেই খাটানো টাকার আয়ের পরিমাণের সম্পূর্ণটাই কি বেসরকারী পেনশনরদের ক্ষেত্রেই খরচ হয়? বেসরকারী পেনশনারদের ক্ষেত্রে সরকারী পেনশনারদের নীতি কি প্রযোজ্য? এই ব্যাপারে কি বিস্তারিত আলোচনার মধ্যে দিয়ে আলোকপাত করা যেতে পারে? কেউ কি এই বিষয়ে কোনও তথ্য দিতে পারেন? অপেক্ষায় রইলাম।
( লেখা ১৭ই ফেব্রুয়ারী'২০১৭)