Powered By Blogger

Friday, April 3, 2026

বিচিত্রাঃ ২৫৮

চার অক্ষর বাঙালি সবেতেই মজা খুঁজে পায়।!!!!! 
এই জন্যেই শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছিলেন, আমার সৎসঙ্গের আন্দোলন বাংলা থেকে উঠবে না। বাংলার বাইরে থেকে উঠবে। 
অভিশপ্ত বাংলা ও বাঙালি সৎসঙ্গী।
( লেখা ১লা এপ্রিল' ২০২৫)




আমার ঠাকুরও আছে সাথে আছে বৃত্তি-প্রবৃত্তি। 
বৃত্তি-প্রবৃত্তির ইশারায় উঠি, বসি আর চলি 
আর প্রতিমুহূর্তে বলছি ঠাকুর আমার সাথী!!

ঠাকুরও আছে বৃত্তি-প্রবৃত্তিও আছে 
সাথে আছে স্বাধীনতা।
যার যেমন লাগে ভালো,
যার প্রতি যার অধীনতা।

বিচিত্রাঃ ২৫৭

আবার বুদ্ধিজীবীদের হবে মিছিল! 
বিবেকের বন্ধ দরজার খুলে যাবে খিল! 
চিল চীৎকারে ভেসে যাবে শহর, 
ভেসে যাবে যত অজ্ঞতার ফসিল!
( লেখা ৩রা এপ্রিল'২০১৮)

মিলনের আকুলতা যার নেই সে ঈশ্বরপ্রেমী, 
মানবপ্রেমী বা দেশপ্রেমী হ'ক আর যাই হ'ক 
তার কাছে থেকো না, সে শয়তানের প্রতিভু।

















কবিতাঃ ভারসাম্য

কবিতা মানেই প্রেম?
প্রেম মানেই কি নারী?
কবিতা মানেই প্রতিবাদ?
বাদ মানেই ষাঁড়াষাঁড়ি?

কবিতা মানেই প্রেম?
আর প্রেম মানেই কি নারী?
কবি আনাড়ির নারী প্রেম 
এত কোথায় রাখি!!

কবিতা মানেই কি নারী?
আর নারী মানেই শরীরী?
কবি আনাড়ির নারী শরীরী
উপত্যকায় বিচরণ অকারণ!
কেমনে ভারসাম্য রাখি!?
( লেখা ২০শে জুন'২০১৭)




Wednesday, April 1, 2026

কবিতাঃ ডুবে যাও, মিশে যাও।

ধনী হও আর গরিব হও,
ক্ষমতাবান কিম্বা ক্ষমতাহীন;
কর্মফল ভোগ তোমাকে করতেই হবে
আর তা এখানেই এই পৃথিবীতেই
এই জন্মেই; তা এখন হ'ক
আর পরেই হ'ক বা মৃত্যুর আগেই।
এ সত্য, সত্য, সত্য; 
জেনো এ সত্য তিন।

তাই, চলে এসো, ছুটে এসো
এসো হরি নামে মাতাল হ'য়ে।
রাম নামে, কৃষ্ণ নামে পাগল হ'য়ে এসো
এসো এসো রাধাস্বামী রাধাস্বামী ব'লে।
ডুবে যাও, মিশে যাও নাম সাগরে।
( লেখা ১০ই ডিসেম্বর'২০২০)

কবিতাঃ আমি কার?

আমি কার?
আমি প্রভুর, প্রভু আমার প্রাণ।
আমি না হিন্দু, না মুসলিম, না জৈন, না বৌদ্ধ,
না কোনও সম্প্রদায়ের, না আমি খৃষ্টান।
আমি শক্তির তনয়, পরমপিতার সন্তান।
আমি শ্রীশ্রীরাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, যীশু, মহম্মদ, মহাপ্রভু,
রামকৃষ্ণ ও শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সন্তান।
আমি সমস্ত অস্তিত্বের সঙ্গী, অস্তিত্বের অস্তিত্ব
পরম অস্তিত্বের সঙ্গী, আমি সৎসঙ্গী।
আমার ভিতর ও বাহিরে অন্তরে অন্তরে
আছো প্রভু তুমি আমার সমস্ত হৃদয় জুড়ে।
( লেখা ১০ই ডিসেম্বর'২০১৭/১৮)

কবিতাঃ আমার প্রিয় গুরুভাইবোন।

দয়াল যার নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে
বিপদ কি তার কাছে আসে?
দয়াল যার দিনে রাতে প্রতি কথাতে
রোগ, শোক, গ্রহদোষ, বুদ্ধি বিপর্যয়,
দরিদ্রতা কি তাঁর জীবনে থাকে?
জীবন জুড়ে যার সকাল সন্ধ্যে রাত
থাকে শুধু ঠাকুর আর ঠাকুর,
শয়তান থাকে তার জীবন থেকে
শত হাত দূর। তাই এসো বন্ধু,
ঠাকুর নিয়ে থাকি শুধু সবাই মেতে
সৎসঙ্গ, দীক্ষা আর ইষ্টভৃতি মহাযজ্ঞে।
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০২৬)

কবিতাঃ ডর কিস বাত কি?

ভয় কি তোর? আমি আছি তো তোর সাথে।
যত দুর্যোগ, যত আপদ বিপদ আসুক তোর মাথে।
ডর কিস বাত কি? ম্যাঁয় হুঁ না।
তেরে সাথ সাথ, তেরে দিল মে
হাম হ্যাঁয় না। ডরো মত।

ভয় কি তোর? আসবে নোতুন ভোর।
আজ কিংবা কাল, কাল কিংবা পরশু
একদিন না একদিন আসবেই আসবে
নোতুন সকাল, যদি আমি থাকি মাথায় তোর।
ডর কিস বাত কি? ডরো মত! ম্যাঁয় হুঁ না।
ম্যাঁয় তেরে সিনে মে হুঁ, প্রাণ স্বরূপ হুঁ।
হাম হ্যাঁয় না! ডরো মত।

ভয় কি তোর? তুই নাম পেয়েছিস।
তুই থাক নামময় হ'য়ে শয়নে স্বপনে
জাগরণে ভোজনে। আর, দিনের শুরুতেই
যেখানেই থাক, যেমনই থাক
ইষ্টভৃতি করবি তুই সযতনে।
কেটে যাবে সব তাফাল,
তাফালিং যাবে সব ভেগে, আমারে যে ডাকে
শয়তান পারবে না তাকে ছুঁতে,
আসবে তার জীবনে সুন্দর মনোময় এক সকাল।
ডর কিস বাত? ম্যাঁয় হুঁ না।
ডরো মত, মেরে তরফ দেখ
আউর জোরসে বোল, হাঁ দয়াল! তুম হ্যাঁয় না।

ভয় কি তোর? এই পৃথিবী কার?
তুই কার? কার ঘরে আছিস তুই?
এই পৃথিবী আমার! যে ঘরে আছিস তুই
সে ঘর আমার! তুই আমার, আমার!
ডরো মৎ! ম্যাঁয় হুঁ না!
একবার বিশোয়াসকে সাথ জোরসে বোল,
রাধাস্বামী দয়াল! তুমি আমার, তুমি আমার।

ভয় কি তোর? কিসের ভয়?
কেটে যাবে সব দুর্যোগ, হবে জয় দুর্জয়।
একবার শুধু বল চোখের জলে সব ভাসিয়ে
থাকবো না গো আর কোনোদিন তোমায় ভুলে ঘোর আঁধারে।
ডরো মাত্! ম্যাঁয় হুঁ না।
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০২৬)।