Powered By Blogger

Monday, February 9, 2026

বিচিত্রাঃ ২৩৯

ভালো কাজ আর মন্দ কাজ; 
কোন কাজের পৃষ্ঠপোষকতা বেশী হয়?
মন্দ কাজ তো মন্দ লোকে করে 
তবে ভালো কাজ সমর্থনে কেন 
ভালো লোকে পায় ভয়?

ভালো কাজের পিছনে হিংসা, নিন্দা, 
সমালোচনা, কটুক্তি শোনা যায় 
ভালো লোকের মুখে!
আর
মন্দ কাজের পৃষ্ঠপোষকতা
বেড়ে চলে মহাসুখে!
(১০ই ফেব্রুয়ারী'২০১৮)

ভাঙার জন্য ছেনি হাতুড়ি নিয়ে রাত থাকতে 
উৎসাহ নিয়ে উঠে পড়ি;
কিন্তু গড়ার জন্য সিমেন্ট সাথে কর্ণিক
কেউ ধরি না। 
আর যারা কর্ণিক ধরি তারাও ভাঙার কাজেই 
কর্ণিককে কাজে লাগাই।
(১০ই ফেব্রুয়ারী'২০২২)



শ্রীশ্রীঅবিনদাদার উদ্দেশ্যে।

ক্ষমা করো প্রভু, ক্ষমা করো মোরে--
আমি জীবাত্মা,
মোর আত্মায় নাই মহাশক্তি।
তোমারে বুঝিতে পারি হেন মহান প্রাণের
আমি নহি অধিকারী,
আমি জীবাত্মা।
( লেখা ৯ই ফেব্রুয়ারি'২০২৪)



বিচিত্রাঃ ২৩৮

জানলাম অনেক, দেখলাম অনেক, 
বুঝলাম অনেক কিন্তু করলাম না! 
সময় হারিয়ে গেলো, স্রোতে ভাসিয়ে নিলো,
তাই অন্ধকার ঘুচলো না!!

চলন ধরিতে দিয়ো গো আমারে 
দিয়ো না, দিয়ো না ভুলায়ে;
জনম জনম সুখ দুঃখ দিয়ে 
তোমারে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে।

অতল ভূতল অজ্ঞতার ভার
বহিয়া বহিয়া ফিরি কত আর.....
তব চলনের ফুলে গেঁথে নেবো হার
দিয়ো না আমারে ফিরায়ে।।.
( লেখা ৯ই ফেব্রুয়ারী'২০১৮)

কি যে লিখি, কি যে বলি, ভাবি কি
আর করি কি কিছু বুঝি না!
মনের ঘরে ঢুকে নিয়ে গেল সব লুটে
কে সে? তাই জানি না!
( লেখা ৯ই ফেব্রুয়ারী'২০১৯)










Friday, February 6, 2026

বিচিত্রাঃ২৩৭

আপনি কোন বাঙালি? 
হিন্দু ? মুসলিম? নাকি খ্রীষ্টান বাঙালি? 
ঘটি বাঙালি নাকি বাঙাল বাঙালি? 
বাঙালি সব হারিয়ে শুধুই কাঙালি!

বাঙালির মহানতা কিসে? 
বেইমানী আর অকৃতজ্ঞতার বিষে।

এমন কেউ কি আছেন প্রথিতযশা বাঙালি, 
যার সাথে কাঙালি বাঙালি করেনি ছেনালি! 
বলতে পারেন?

যেদিকেই যাই শুধু দেখি তাই,
যাকে বলে মন্দ কাজের সায়! অবাক! বন্ধু অবাক!!
ভালো কাজের পৃষ্ঠপোষক নাই!!!

বাঙালি করে শালা খালি আংলি মুরোদ নেই রক্তে, 
জল মেশানো তাতে! পরনির্ভরশীল জাত, 
খায় মাছভাত; চায় থাকতে দুধেভাতে!!

ভালো কাজ করেছো কি মরেছো বন্ধু! 
ধরেছো সাপের ল্যাজ!
অবাক হ'য়ে দেখবে শালা
কপালে ঘাম বিন্দু বিন্দু
ঢোঁড়া সাপেরও কি ত্যাজ!!

অকারণ লেগে যায় ফোন
দিনে রাতে যার তার সাথে।
অতি প্রগতিই দুর্গতি
আর লোকে ভাবে দুর্মতি! 
কি যে করি আসে না কিছু মাথে।
 
কে তুমি? 
যে স্বর্গ ও পৃথিবীকে ভীত ক'রে তুলছো?
শয়তান কিলবিস?
জেনো হবেই হবে তুমি ফিনিশ
আজ নয়তো কাল;
মনে রেখো এসেছে মহাকাল
তোমারে বধিবে ব'লে,
আর দু'দিনের তরে তুমি শ্বাস নিচ্ছো।
( লেখা ৭ই জানুয়ারী'২০১৮)























Monday, February 2, 2026

গানঃ প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র।

প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল হরি ওম।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল নারায়ণ।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল হরি ওম।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল নারায়ণ।

অনুকুল প্রভু অবতারি
অকুল দরিয়ার কান্ডারী
প্রেম ডোরে মন, চরণে রাখি
প্রেমী অনুকূল স্বামীর।
এসো রে, গাও রে, অনুকূল কে প্যারে
এসো রে, গাও রে, মেরে সৎসঙ্গী প্যারে
এসো রে, নাচো রে, আনন্দ করো রে।
গাও রে, নাচো রে, আনন্দ করো রে।

প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল হরি ওম।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল নারায়ণ।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল হরি ওম।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল নারায়ণ।

হে মোর অনুকূল প্যারী
রাঙা চরণ তোমারি
বুকে ধ'রে নাম জপি অবিরাম
দয়াল রাধা স্বামী।
এসো রে, গাও রে, অনুকূল কে প্যারে
এসো রে, গাও রে, মেরে সৎসঙ্গী প্যারে
এসো রে, নাচো রে, আনন্দ করো রে।
গাও রে, নাচো রে, আনন্দ করো রে।

প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল হরি ওম।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল নারায়ণ।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল হরি ওম।
প্রভু সুন্দর অনুকূল চন্দ্র
প্রভু অনুকূল নারায়ণ।

( লেখা ১৩ই জানুয়ারী'২০২৬)
( 'হরি সুন্দর নন্দ মুকুন্দ' গানের সুরে)

Sunday, February 1, 2026

শয়তানের ভয়ংকর বিষাক্ত ছোবল বনাম দয়ালের অজচ্ছল দয়া।

ডায়মন্ড হারবার রোডে অন্ধকার ফাঁকা রাস্তায় রাত ১২টায় আচমকা প্রচন্ড দ্রুতগতিতে ওভারলোডেড ট্রাকের পিছন থেকে পাশ দিয়ে যাবার সময় সংঘর্ষে ক্ষতবিক্ষত XL6 গাড়ির অবস্থা ছবিতে দৃশ্যমান। গাড়ীতে আরোহী ছিল শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দীক্ষিত ১ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। 
শ্রীশিবাশীষ চ্যাটার্জী ও শ্রীমতি প্রজ্ঞা চ্যাটার্জী ( সাইকো-স্পিরিচুয়াল হিলার) এবং শ্রীমতি সোনাই ঢালি ( শ্রীশ্রীঠাকুরের সক্রিয় একনিষ্ঠ কর্মী)। 
অন্ধকার রাতে শয়তানের ভয়ংকর অতর্কিত ছোবলে গাড়ি ধ্বংস হ'লেও দয়াল ঠাকুরের অপার দয়ায় গাড়ির তিনজন আরোহীর শরীরে বিন্দুমাত্র আঁচড় লাগেনি, ওভারলোডেড ট্রাকের ধাক্কায় অলৌকিক রহস্যজনকভাবে রাস্তার পাশে খাদে গড়িয়ে পড়ে যায়নি আরোহী সহ গাড়ি। ঘটনার সময়কাল ২রা ডিসেম্বর'২০২৩, রাত ১২.৩০মিঃ। দয়ালের দয়ায় তাঁরা পুরোপুরি সুরক্ষিত ছিল। আর, এই ঘটনার দু-মাস পরে সেই ধ্বংসপ্রাপ্ত গাড়ির বর্তমান রূপও ছবিতে দৃশ্যমান। পাশাপাশি দু'টো গাড়ির ছবি দেওয়া হয়েছে। শ্রীশ্রীঠাকুরের দয়ায় গাড়ি আবার স্বমহিমায় অবতীর্ণ। আজও রহস্যময় ঘটনা ঘটে যার কোনও ব্যাখ্যা নেই।

এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেল দয়াল ঠাকুর শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের প্রিয় কোটেশান, " There are many things in heaven and earth, Horatio, than are dreamt of in your philosophy." (যার ভাবার্থ হ'লো স্বর্গ ও পৃথিবীর মাঝখানে আরও বহু জিনিস আছে, হোরাশিও, যা তোমার দর্শনের পাল্লার বাইরে ও স্বপ্নের অতীত।")

শ্রীশ্রীঠাকুর মাঝেমাঝেই নাট্যকার, সাহিত্যিক শেক্সপিয়ারের 'হ্যামলেট' নাটকের এই সংলাপ আপনমনে আউড়াতেন।

গাড়ির ধংসাত্মক রুপ ও দয়ালের দয়ায় পুনরায় ফিরে পাওয়া গাড়ির নোতুন রূপের সঙ্গে দয়াল ঠাকুরের অপার দয়ায় পুনরায় নোতুন জীবন ফিরে পাওয়া, শ্রীশ্রীঠাকুরের আশীর্বাদ প্রাপ্ত তিন সৎসঙ্গীর ছবি ( শ্রী শিবাশীষ চ্যাটার্জী ও প্রজ্ঞা চ্যাটার্জী; সোনাই ঢালি) সব এখানে সংযুক্ত করা হ'লো।


বাল্মিকি রামায়ণ ও বালখিল্য রামায়ণ।

সীতা নাকি জনক কন্যা নন, রাবণ কন্যা। নিজের ভাইয়ের বৌ রম্ভার সঙ্গে বলপূর্বক মিলনের ফসল সীতা। আবার পূর্বজন্মে সীতা নাকি বেদবতী নামক ঋষিকন্যা ছিলেন। রাবণ তাঁকে ধর্ষণ করতে চাইলে সীতা যজ্ঞের আগুনে প্রাণত্যাগ করেন এবং অভিশাপ দেন রাবণকে পরের জন্মে তাঁর কন্যা হ'য়ে জন্মগ্রহণ করবেন এবং মৃত্যুর কারণ হবেন। পরের জন্মে সীতা জন্ম নিলে স্বামীর প্রাণ সংশয়ের কারণে মাতা মন্দোদরী ভয়ে সমুদ্রে সীতাকে ভাসিয়ে দেন এবং ধরিত্রী মাকে দান করেন। জনক রাজা সীতাকে পান এবং পালন করেন। বিভিন্ন রামায়ণে সীতাকে বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।
বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টির সৃষ্টিকর্তা পুরুষোত্তম পরমপিতা শ্রীশ্রীরামচন্দ্রের ঘরণী মা লক্ষ্মী সীতার এমন অদ্ভুত অদ্ভুত কাহিনী হিন্দুধর্মের ধর্মগ্রন্থে।
এইজন্যেই বোধহয় আজ হিন্দু ধর্মের এই করুণ অবস্থা। তাই বলা হয় বাল্মিকি রামায়ণ বাদে বাকীগুলি বালখিল্য রামায়ণ। 
( লেখা ২রা ফেব্রুয়ারী'২০২৫)।