Powered By Blogger

Tuesday, March 31, 2026

কবিতাঃ কি করি!?

যেদিকে যাই চেয়ে দেখি তাই
স্বপনে গেল যা ব'লে আমায়।
কে যে গেল বলে আর কেনই বা গেল চলে
খোঁচা দিয়ে চোখে কিছু না ব'লে মুখে
রাতের আঁধারে ভরিয়ে সোহাগে আদরে
দেখিয়ে দিল দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি
যেন 'ঠ' সাজে সব পুরুষ নারী আনাড়ি
সে সাজে যেন আমি নিজেকে না সাজায়।
অবাক আমি! অবাক করলে তুমি!!
এখন কি করি!? নিজেকে কি বোঝায়!?
( লেখা ১লা এপ্রিল'২০২৪)

বিচিত্রাঃ ২৫৬

করোনা আক্রমণে দেশ যখন বিব্রত, দেশের সরকার ও প্রশাসন যখন দেশ জুড়ে করোনা মোকাবিলায় তাদের গৃহীত ব্যবস্থার কারণে তীব্র সমালোচিত ও নিন্দিত হচ্ছে অন্য মতবাদে বিশ্বাসী ভক্তদের কাছে তখন তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাস্য:আপনাদের মতবাদে, আপনাদের আদর্শে বিশ্বাসী ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত মহান মানুষের দ্বারা গৃহীত ও প্রয়োগিত ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ও মানবতাপূর্ণ!?
উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।

এখনও কি সৎসঙ্গীদের ঘুম ভেঙে সবরকম আলসেমী ঝেড়ে জেগে ওঠার সময় হয়নি!?
এখনও কি সৎসঙ্গীরা স্বচ্ছ দৃষ্টির অধিকারী হ'য়ে ত্রিনয়নকে জাগিয়ে তুলবে না!?
এখনও কি সৎসঙ্গীরা আংটি, পাথর, তাবিজ, মাদুলি, লাল সুতো-নীল সুতো-কালো সুতো, তুকতাক-ঝাড়ফুঁক ইত্যাদি নির্ভর সৎসঙ্গী হবে!?

হে সৎসঙ্গী ভাইবোন! মহাশক্তি ঘুমায় তোর হৃদয়ে তুই কেন রে মরার মত! রাধা নামে ধ্বনি দিয়ে শক্তিটাকে জাগিয়ে দে তোর!!

হে সৎসঙ্গী! মহাশক্তি ঘুমায় তোর হৃদয়ে তুই কেন রে মরার মত!? রাধা নামের ধ্বনি দিয়ে শক্তিটাকে জাগিয়ে দে তোর!
কারণ,
সৎসঙ্গী জাগলে দেশ জাগবে, দেশ জাগলে বিশ্ব বাঁচবে! আগামী পৃথিবী ডুবে যাবে ঘোর ঘুটঘুটে অন্ধকারে! সেদিন যারা থাকবে তাদের জন্য ভয়ঙ্কর হ'য়ে উঠবে সেদিনের অন্ধকার পৃথিবী! আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে মেনে নিতে হবে এই কঠিন নির্মম ধ্রুবসত্য!

করোনার আক্রমণে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশের শক্তিমান নেতা আজ অসহায়! কিন্তু আগামীতে যে দিন আসছে সেদিন কোনও শক্তিমান দেশের শক্তিমান নেতার বাপের ক্ষমতা হবে না, কোনও বাদের বাহাদুরী-ই খাটবে না বিশ্বকে বাঁচায়! বাঁচায় মানবজাতিকে! ইষ্টহীন যমের দালালের হাতে চলে যাবে গোটা বিশ্বের নেতৃত্ব! আর সেদিন মনুষ্যত্বের মূল বুনিয়াদটাই যাবে ধ্বংস হ'য়ে!
(লেখা ৩১শে মার্চ'২০২০)

উপলব্ধিই জ্ঞানের শেষ কথা। ঠাকুর ধরার সার্থকতা এইখানেই। নতুবা সবটাই কথার স্রোতে ভাসা। দিনের শেষে প্রাপ্তি O.
(লেখা ৩১শে মার্চ'২০২৪)।








Monday, March 30, 2026

বিচিত্রা" ২৫৫

শুধু ভুল ধরালেই বন্ধুদায়িত্ব শেষ হয় না;
ঠিকটা দেখিয়ে দিয়ে ভুলকে বলতে হবে ভুল এবার যা।
( লেখা ৩০শে মার্চ'২০১৮)

নেগেটিভ কথা, নেগেটিভ চিন্তা-ভাবনা, আলোচনা, লেখা 
সর্বোপরি নেগেটিভ সংগ শরীর ও মনকে বিষাক্ত ক'রে তোলে। সাবধান! এই সমস্ত বিষাক্ত ছোয়াছে রোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখো।

ভাবছি বাঙালি কয় প্রকার?
১) হিন্দু বাঙালি, ২) মুসলিম বাঙালি, ৩) খ্রিস্টান বাঙালি ইত্যাদি নানা ধর্মের (?) বাঙালি। আবার ১) ঘটি বাঙালি ও ২) বাঙাল বাঙালি। নতুন প্রজাতির এক বাঙালির সন্ধান পাওয়া গেছে যা সুপ্তভাবে ফল্গুধারার মত ব'য়ে চলেছে বাঙালির মননে ও চিন্তনে! তা হ'লো বহিরাগত বাঙালি!

শয়তান ভগবানের চেয়েও দেখতে সুন্দর আর শয়তানের হাসি ভগবানের চেয়েও মিষ্টি আর কথা তার বড়ই মধুর মেয়েলী! সেই অলীক মোহিনি মায়ায় ফেসে জীবন ধ্বংস ক'রো না। সাবধান!
(লেখা ৩০শে মার্চ'২০২১)

যেমন চলছে চলুক; স্রোত যেদিকে বইছে বইতে দাও। স্রোতের বিপরীতে যেও না। গেলেই বই পড়ে বই হ'য়ে যাওয়া লোকেরাই তোমার বিরুদ্ধে যাবে।

আমি স্রোতের বিরুদ্ধে সাঁতার কাটবো নাকি স্রোতের অনুকূলে 
গা ভাসিয়ে দেবো? নাকি নিরাপদ দূরত্বে নিরপেক্ষ সেজে দাঁড়িয়ে থাকবো?

আমরা সৎসঙ্গীরা ঠাকুরের বাণীকে হাতিয়ার ক'রে নিয়ে 'আমার গায়ে আঁচ না লাগে ফুরিয়ে যাবে মামলা' মানসিকতায় চালাকির আশ্রয় নিয়েছি।

নিজেও কিছু করিনি অন্যকেও করতে দিইনি। বিচারের ভার আপন হাতে তুলে নিও না ব'লে ঘাই মেরে বিন্দাস গাছেরও খেয়েছি তলারও কুড়িয়েছি।

শ্রীশ্রীঠাকুরের দয়াল রূপ দেখে অনেকেই তাঁকে Taken for granted ক'রে নিয়েছে। তাঁর ভয়াল রূপ যে কি ভয়ংকর তা' তারা জানে না।
 লেখা ৩০শে মার্চ'২০২৪)


 

Thursday, March 26, 2026

উপলব্ধি।

 


বিচিত্রাঃ ২৫৪

 "৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"

বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
তৃণমূলের মুসলিম ভাইবোন বন্ধুরা কি বলেন?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
শেখ আলমের মত লোকেরা কি সত্যি সত্যিই দলের সম্পদ নাকি মারণ বিষ!?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
এরাই কি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের মূল পান্ডা নয়?
তৃণমূলের মুসলিম ভাইবোন বন্ধুরা কি বলেন?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
পাকিস্তান কেন!? আরও একটা বাংলাদেশ কেন নয়!?

৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
তৃণমূলের স্লোগান জয় বাংলা!
তাহ'লে পাকিস্তান কেন!?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
এই ধরণের বক্তব্য মুসলমানদের জন্য কি মংগলজনক!?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
বাংলার কম্যুনিস্ট পার্টি কি বলে?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
জাতীয় কংগ্রেস কি বলেন?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
তৃণমূলের অন্য মুসলিম নেতারা কি শেখ আলমকে সমর্থন করেন?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
বাংলার বুদ্ধিজীবীরা কি বলেন!?

 "৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
শেখ আলম কি ভারতীয় নাকি ভারত ভাগের পাকিস্তানি চর!?

"৩০ শতাংশ মুসলিম ইচ্ছে করলে ভারতে চারটে পাকিস্তান বানাতে পারে।"
বুধবার নানুরের মিছিল থেকে হুমকি দিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ আলম!
রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার কি বলেন!?
( লেখা ২৬শে মার্চ'২০২১)

























বিচিত্রাঃ ২৫৩

গরীবদের জন্য প্রাণ কাঁদা মানুষদের কাছে জিজ্ঞাস্য: 
সাহায্য সত্যি সত্যি প্রান্তিক গরিব মানুষদের কাছে পৌঁছবে? 
মাঝখানে বাঁ হাতের মাদারী খেল হবে না তো? 
সরকার গ্যারান্টি দিতে পারবে? 
মাদারী খেল খেলা খেলোয়াড়দের মায়ের ভোগের খাদ্য ক'রে পাঠাতে পারবে তো?

ইষ্টভৃতি ও নামধ্যান পরায়ণ সক্রিয় সৎসঙ্গীদের করোনা ভাইরাসের আক্রমণে কোনও ভয় নেই! সৎসঙ্গী ভাইবোন নিশ্চিন্ত থাকো। গ্যারান্টি। সময় প্রমাণ করবে।

ইষ্টভৃতি ও নামধ্যান পরায়ণ সক্রিয় সৎসঙ্গীদের করোনা ভাইরাসের আক্রমণে কোনও ভয় নেই! সৎসঙ্গী ভাইবোন নিশ্চিন্ত থাকো। গ্যারান্টি। সময় প্রমাণ করবে।

হে ঈশ্বর! কেন হয় না এমন সবসময়!?
মৃত্যুভয়-ই কি মানুষকে মানবতাবাদী ক'রে তোলার একমাত্র সমাধান!? মৃত্যুভয়-ই কি সরকার, প্রশাসন ও নাগরিককে সদাচারী ও শৃঙ্খলিত ক'রে তোলে!?

হে ঈশ্বর! এমন কেন হয়না সবসময়!?
মৃত্যুভয়-ই কি অহংকারী, ক্ষমতাধর, ধনী ইত্যাদি সমস্যা ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের জন্য বিধি ও বিধাতার কাছে আত্মসমর্পণের এক ও একমাত্র বিধান!?

হে ঈশ্বর! কেন হয় না এমন সবসময়!?
শয়তানের শয়তানী কখন বন্ধ হয়!?
মৃত্যুভয়!?
মৃত্যুভয়-ই কি শয়তানের শয়তানী বুদ্ধি ও ক্রিয়াকলাপ বন্ধের এক ও একমাত্র খতমের হাতিয়ার!?

হে ঈশ্বর! কেন হয় না এমন সবসময়!?
মৃত্যুভয়! মৃত্যুভয়! মৃত্যুভয়!
মানবজাতির মাথার উপর মৃত্যুভয়ের মেঘ করোনার মত সবসময় ভেসে বেড়ানো-ই কি সুখ-শান্তির একমাত্র উপায়!

হে ঈশ্বর! কেন হয় না এমন সবসময়!?
মৃত্যুভয়ের মহামারী কি অহংকারী ধনীদের মানব দরদী ক'রে তোলে!? দয়ার গুফার জানালা-দরজা খুলে যায়!? বাঁধ ভাঙা বন্যার মত দানের বন্যা ব'য়ে যায়!?

পৃথিবী জুড়ে কোটি কোটি সৎসঙ্গীদের কাছে আবেদন:
আসুন সবাই এই করোনা মহাসঙ্কটের সময় দয়ালের কাছে প্রার্থনা করি:
হে দয়াল! তুমি ছাড়া কেউ নেই আমাদের বাঁচায়! তুমি ভয়াল হ'য়ে করোনার ভয়ঙ্কর থাবা থেকে আমাদের সবাইকে বাঁচাও! তোমার রুদ্ররোষের কাছে করোনা জ্বলে পুড়ে খাক হ'য়ে যাক দয়াল!
( লেখা ২৬শে মার্চ' ২০২০)


Saturday, March 21, 2026

উপলব্ধিঃ না বোঝার ফল।

দই তো কপালে জোটেনি তাই দইয়ের সাধ ঘোলে মিটিয়ে আনন্দ নিতে চেয়েছি।

"মন্দিরের আশেপাশে কুৎসিত লোকের আনাগোনা বেশি সাবধানে থেকো তা থেকে।"

সাবধান থাকিনি। মন্দিরের আশেপাশের সবাইকে সুন্দর মনের ভেবেছি আর ঠকে গেছি ভয়ংকর ভাবে।

"ছোটোকে বড় করো, বড়কে আরো বড় করো, দেখবে কবে কবে তুমি নিজের অজান্তে বড় হ'য়ে গেছো।"

ছোটোকে হাতে ধ'রে বড় করেছি, বড়কে করেছি আরও বড়; কিন্তু দিনশেষে নিজে ছোটো হয়ে গেছি। ছোটো বড় হ'য়ে এবং বড় আরও বড় হ'য়ে মেরী বিল্লি মুঝে ম্যাও ক'রে মাথার ওপর চড়ে ব'সে আমাকে লাথি মেরে পিছনে ঠেলে দিয়েছে আর পাতালে ঢুকিয়ে দিতে চেয়েছে প্রতিমুহুর্তে।

"মানুষ আপন টাকা পর যত পারিস মানুষ ধর।"

মানুষকে আপন ক'রে নিতে টাকা ফেলে মানুষের পিছনে ছুটেছি, কিন্তু মানুষ মেওয়া খেয়ে ছিবড়ে ক'রে ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে একলা ক'রে দিয়ে।

এরকম অনেক বাণী আছে যার সঠিক অর্থ বুঝিনি।
( লেখা ২২শে মার্চ'২০২৫)।

বিচিত্রাঃ ২৫২

তুমি আছো সব আছে। তুমি নেই কিচছু নেই। 
ব্রহ্ম সত্য জগত সত্য। ব্রহ্ম নেই জগৎ নেই। 
অর্থাৎ তুমি সত্য জগত সত্য। তুমি নেই জগত নেই।

পিতামাতা ছাড়া সন্তান অসম্ভব। 
ঠিক তেমনি ইশ্বর ছাড়া সৃষ্টি অসম্ভব। 
পিতামাতার অস্তিত্ব বাস্তব, 
তেমনি ইশ্বরের অস্তিত্বও বাস্তব।

শ্রীশ্রীঅবিনদাদা সূর্যকে বগলদাবা ক'রে কর্মসমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছেন। সৎসঙ্গী তোমরাও সূর্যকে বগলদাবা ক'রে তাঁর সঙ্গে ঝাঁপ দাও।
(লেখা ২২শে মার্চ'২০২৪)।













বিচিত্রাঃ ২৫১

কারো সাহায্য ছাড়া কিছু করা কঠিন, 
শারিরিক-মানসিক কষ্টের, যন্ত্রণার 
এ কথা সত্য কিন্তু কোনও কিছুই অসম্ভব নয়।

ইষ্টকাজে কাউকে বাধা দিয়ে 
আটকে রাখা যায় কিছুদিন 
কিন্তু চিরদিন নয়। 
কিন্তু চিরদিনের জন্য ইষ্টের কাছে 
তুমি হ'য়ে গেলে অপরাধী।
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২১)

দয়াল তোমায় আমি ভালোবাসি। 
এ জীবন দিলাম তোমায়।
তুমি যা বলবে তাই করবো আমি।
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২৪)























বিচিত্রাঃ ২৫০

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (১)
ভয় কি তোর ভাইরাসে করোনার!
করোনা নামক দৈত্যটিকে নাম আগুনে জ্বালিয়ে মার, পুড়িয়ে মার।

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (২)
মহাশক্তি ঘুমায় তোর হৃদয়ে তুই কেনরে ভয়ে মরিস! 
করোনা নামক মৃত্যুদূতে নাম আগুনে পুড়িয়ে মারিস।

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৩)
রাস্বা নামে জয়গুরু ব'লে দে না ঝাঁপ!
করোনার মরণ দুয়ারে পড়বে ঝাঁপ!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৪)
যে যা বলে বলুক, যে যা করে করুক!
তার সাথে বুকের মাঝে আছে যে নাম, 
মহানাম সেই নামের তাপে করোনা পুড়ে মরুক!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৫)
করোনার ঔষধ সদাচার আর মহৌষধ তাঁর বীজনাম! 
নামামৃতে করো করোনা ভাইরাসকে খানখান!

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৬)
নাম করো, নাম করো, নাম করো ভাই!
নাম আগুনে করোনা ভাইরাস হবে পুড়ে ছাই!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৭)
দিয়েছিলে কথা হ'য়োনা কথার খেলাপি;
করোনা ভীতি শুধু নয়, 
নাম থেরাপিতে কাটবে মহাভীতি, যমভীতি! 
নিঃশ্বাসে-প্রশ্বাসে করো নাম, গাও নাম, করো নাম আবৃত্তি!

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(৮)
করোনা-য় ক'রো না ভয়, হ'য়ো না আত্মঘাতী!
দয়ালের নাম অমৃত করো পান কাটবে অকাল যমভীতি!!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (৯)
করোনা নিয়ে ক'রো না হেলাফেলা, ক'রো না অবহেলা; 
করোনার চ্যালেঞ্জ জেনো মন্ত্র 'ক'রো না' আর 
বীজনাম মহানাম নহেলে পে দহেলা!

সৎসঙ্গীদের প্রতি: (১০)
চীন থেকে এলো ভারতে মৃত্যুদূত করোনা আর 
চীনের প্রতি ভারতের আছে করুণা! 
কারণ পরম করুণাময় পুরুষোত্তম শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দেশ ভারত! 
তাই তাঁর কাছে আসুন প্রার্থনা করি তাঁর সৎনামে বাঁচুক জগৎ!
( লেখা ২১শে মার্চ'২০২০)

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(১১)
সৎসঙ্গীদের করোনা থেকে নেই কোনও ভয় নিশ্চয়ই। 
কপটতা ক'রে ত্যাগ অকপট হৃদয়ে করো নাম জপ; 
মাথার উপর আছেন দয়াল, আছে দয়ালের হস্ত অভয়!

সৎসঙ্গীদের প্রতি:(১২)
নিষ্ঠা সহ অকপট হৃদয়ে 
প্রত্যহ অতি প্রত্যুষে করো ইষ্টভৃতি 
আর জপ নাম অবিরাম!
করোনার ভয় থেকে পাবে মুক্তি,
পাবে নিশ্চিত আরাম!!
( লেখা ২২শে মার্চ'২০২০)











Tuesday, March 17, 2026

বিচিত্রা" ২৪৯

টি ভি খুললেই চ্যানেলে চ্যানেলে বিশেষজ্ঞের দল!
বসে পড়ে দল বেঁধে করতে কোলাহল!!

কে আগে কত বলিবে কথা বিশেষজ্ঞ মাঝে চলে তার প্রতিযোগিতা!
বোকা বাক্সে বুঁদ হ'য়ে বসে জনতা, দেখে কার কত ক্ষমতা!!

সব বিষয়ে পারদর্শী টিভি মাঝে বিশেষজ্ঞের দল!
সর্ব ঘটে কাঁটালি কলা করে কোলাহল!!

কাউকে কিছু বলতে যেও না, সবাই স্বাধীন।
নিজের দিকে চেয়ে দেখো প্রকাশ তুমি কতটা পরাধীন!?

বৃত্তির অধীন তুমি পড়াচ্ছো মানবতার পাঠ!
জীবন জুড়ে চলছে বিকিকিনি, বসেছে রিপুর হাট!!

যদি সত্যি সত্যিই অনুভব ক'রে থাকো ঈশ্বরের অস্তিত্ব
আর, ঈশ্বরের সাথে কপট ভক্তের বেঈমানি ও অকৃত্জ্ঞতা
দেখে ভেঙে যায় হৃদয় তোমার তবুও ঐ হৃদয় নিয়ে 
জোয়াল টেনে চলো আমৃত্যু তাঁর মিশন রথের,
নিয়ে অকপট হৃদয়।
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০১৮)

ঠাকুরকে তোমার ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র মনে করিও না! 
নচেৎ দুর্দশার অন্ত থাকবে না।

ঠাকুরের ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র তুমি হও,
তোমার ইচ্ছা পূরণ হবে।

তোমার ইচ্ছাটা তোমার জন্য মঙ্গল কি অমঙ্গল তুমি জানো না, 
ঠাকুর জানেন তাই ঠাকুরের ইচ্ছাপূরণে যত্নবান হও 
তোমার ইচ্ছা পূরণ হবেই হবে।

মনে রেখো তোমার ইচ্ছাপূরণের জন্য তিনি এই ধরণীতে আসেননি; 
তাঁর ইচ্ছাপূরণের সাথী হও তোমার বৈধ ইচ্ছা পূরণ হবেই।

ঠাকুরও আছে আবার হাতে আংটি আছে, মাদুলি আছে, আছে লাল-নীল-কালো সুতো;
কোমরে পাথর আছে, আছে শেকড়-কাঠির জঙ্গল! কে করবে মঙ্গল!?

ঠাকুর ধরেই ভেবেছো তুমি যা ভুল করছো বা ভুল ক'রে রেখেছো 
তা' থেকে মুক্তি পাবে?

আগে সঁপে দাও তাঁর চরণে স্বার্থহীন, ধান্দাহীন অকপট জীবন
তারপর দেখো কি হয়!
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০১৯)

হে ঈশ্বর! তোমায় নিয়ে খিল্লি আজ ঔদ্ধত্বের শেষ সীমায়! 
তোমার সৃষ্টি মানুষ ধ্বংস করার আগে তুমি নিজে শেষ ক'রে দাও তোমার সৃষ্টি।

হে ঈশ্বর! অবিশ্বাসী নাস্তিককে তুমি ক্ষমা করো, ভালোবাসো জানি 
কিন্তু ভন্ড কপট বিশ্বাসী ভক্তকে কি ক্ষমা করো? ভালোবাসো?

বাংলার রাজনীতিতে শিক্ষিত মানুষ আসুক। 
শিক্ষিত মানে শিক্ষিত, লেখাপড়াজানাওয়ালা মানুষ নয়।

বাংলা জাগলে ভারত জাগবে, ভারত জাগলে বিশ্ব জাগবে 
তাই বাংলার মসনদে শিক্ষিত ভদ্র সংস্কৃতি মনস্ক মানুষ আসুক।

বাংলা আছে "বাংলা আজ যা ভাবে কাল ভাবে তা গোটা ভারত" সেই বাংলাতেই! 
গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হ'য়ে আছে এই যা। ভাঙ্গার প্রহর গুনছি।

বাহ!!! নতুন পার্টির জন্ম!
'ভূমি পুত্র অধিকার পার্টি''!
স্বাগতম নতুন পার্টি!! স্বাগতম!!!

বাংলার রাজনীতিতে বাবা-মাকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করেন 
এমন মানুষরা আসুন ও নির্বাচিত হ'ক।

বাংলার রাজনীতিতে ভারতবর্ষের কৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধাশীল 
এমন মানুষ আসুক ও নির্বাচিত হ'ক।

'সব মানুষের কল্যান হ'ক, সবাই সুখে থাক' 
এমন পবিত্র মানসিকতায় সমৃদ্ধ মানুষ 
বাংলার রাজনীতির ময়দানে আসুক ও নির্বাচিত হ'ক।
( লেখা ১৭ই মার্চ' ২০২১)















































Monday, March 16, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৮

অন্যের দর্শন বা মতকে নিজের দর্শন বা মত হিসাবে প্রচারে বাহাদুরি!
এ এক সাংঘাতিক ব্যাধি যা বৃত্তি চুরির মত ঘৃণ্য মেধা চুরি!!

একটা সময় আসে যখন নিজেকে মনে হয় ভীষণ অসহায়!
সেই সময় প্রভু তুমি থেকো পাশে, থেকো সহায়।

কেন যে মাঝে মাঝে
অবিশ্বাস, সন্দেহ আসে!
মাথার ওপরে তুমি আছো প্রভু জানি আমি;
এ বিশ্বাস আমার আছে। তবুও.........।

তুমি আছো আর আমি আছি; দুজনার মাঝে আর কেউ নেই, কিছু নেই। 
তোমার চরণ ছুঁয়ে যেন আমি তোমার চলন পূজার পূজারী হই!!

আকাশের ভগবান বা অমূর্ত ভগবান বা দেবদেবীর মূর্তি
আমার লাগে ভালো।
কারণ বেসামাল বৃত্তি-প্রবৃত্তি বা চরিত্রে ফেলতে হয় না আলো!

জীবন্ত ঈশ্বর বা মূর্ত ভগবান পূজন করে যেই জন 
সেইজন পূজিছে ঈশ্বর।

মূর্তি পূজা আর আকাশের ভগবানের পূজায় করো বৃথা কালক্ষেপ!
শেষের সেদিনে থেকে যাবে শুধু অন্তরে ব্যর্থতার আক্ষেপ!!

সংক্ষিপ্ত জীবন মাঝে বৃথা মূর্তি পূজায় কেন কর সময় অপচয়?
যদি করতেই হয় কর জীবন্ত ঈশ্বরে নয়তো রিপুর টানে
হ'য়ে মত্ত নাস্তিকের মত চুটিয়ে কর জীবন এঞ্জয়।

দিন শেষে মন বলে,
ফিরে চলো মন সেই নিকেতন! 
যেথায় আছে বাঁধা 
শৈশব আর কৈশোরের হৃদস্পন্দন!!
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০১৮)

ঠাকুর অপমানিত হন, ঠাকুরকে নিয়ে লোকে হাসাহাসি করে 
এমন কাজ করছো আবার বুক বাজিয়ে আমি গুরুভাই, 
একথা বলছো!!

ঠাকুর তোমার হাতের পুতুল 
তাই ইচ্ছেমতো করছো মাতামাতি;
আর
ভক্তির হাতিয়ার তোমার ঐ 'হাতাহাতি'!!
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০১৯)

ঠাকুর আমার আয়ের উপকরণ, স্বর্ণপুকুর। ঠাকুরের কথা ফললেই ভালো,
তখন ঠাকুর ঠাকুর, নইলে কুকুর।
( লেখা ১৬ই মার্চ'২০২৫)
















Tuesday, March 10, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৭

ঈশ্বর মানে ভালোবাসা। শত্রুমিত্র, ধনী গরীব, শিক্ষিত অশিক্ষিত এককথায় তাঁর সৃষ্ট মানুষ সহ সৃষ্টির সমস্ত কিছুকে ভালোবাসা।

শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র বলেন, ভালোবাসা মানে ভালোতে বাস করা অর্থাৎ ভালো মানে ঈশ্বর, ইশ্বরে বাস করা।

ভালোবাসা মানে ভালো বাসা। ঈশ্বরের শ্রীচরণ এক ও একমাত্র ভালো বাসা। সেই ভালো বাসাতে বাস করা। সেই বাসা অর্থাৎ তাঁর শ্রীচরণে বাস ক'রে তাঁর চলন আয়ত্ত করা, তাঁর চলন নিজের চলন ক'রে তোলা।--প্রবি।







বিচিত্রা" ২৪৬

বিষবৃক্ষ বপন ক’রে ফল পেতে চাও অমৃত!?‘
গোড়া কেটে আগায় জল’
বন্ধু! এই সংস্কৃতি চলবে আর কত!?

উন্নতি আর দুর্নীতি দুই সৎ ভাই! 
বলছে,
হাত ধরাধরি ক'রে চলো যাই!!

ভালো মানুষের মুখোশ পরে
তুমি কাকে দিচ্ছ ফাঁকি?
বুকের মধ্যে তাকিয়ে দেখো, 
সেথায় বসে কে যেন কিসব করছে আঁকিবুঁকি!!

তুমি বলো, ধোয়া তুলসী পাতা কেউ নয়।
আমি বলি, তুলসী পাতা নোংরা হ'লেও
তুলসী পাতা তুলসী পাতাই রয়।
ধুয়ে আবার নারায়ণের পায়ে দেওয়া যায়।
বরং বলতে পারো, বিছুটি পাতা;
যাকে ছুঁলেই পরে হয় ক্ষয়।
( লেখা ১১ই মার্চ' ২০২৬)

সমাজসেবা পয়সার বিনিময়ে হয় না।
আন্তরিকতা সাথে হৃদয়ের স্বচ্ছতা
না থাকলে কেউ তার সুফল পায় না।

হিংসা এমনই জিনিস তাকে বাড়তে দিলে বেড়েই যায়; 
কোনও ভালো কাজ করেও না, করতেও দেয় না; 
শুধুই কথার বিষাক্ত হাই!

কেউ ভালো কাজ করলে দেয় বাধা ,
দেয় না করতে যারা;
ভবিষ্যৎ তাদের ঘোর অন্ধকারে ভরা!

কে করবে ভালো কাজ আর কেনই বা করবে?
কাঁকড়ার চরিত্র নিয়ে মারামারি ক'রে মরবে!

অতীতের সাহায্য ও দিনগুলি ভুলে যাও? 
অনিত্য ঝলমলে নিয়ে বর্তমান
থাকো ব্যস্ত নেশাগ্রস্থের মত! 
ভবিষ্যতে কি করছে অপেক্ষা 
একবার তা' দেখে নাও!

কথায় আছে:
কাজের বেলায় কাজী কাজ ফুরোলে পাজি!
পাজির পাঁজিতে জেনো আছে 
'শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর' 
বলতে পারি এ কথা রেখে বাজি!!

আজ তোমার দিন। 
তাই ভুলে গেছো আর পড়ে না মনে সেইদিন!
কেউ ছিল না তোমার সাথে যেদিন!!
( লেখা ১১ইমার্চ'২০২১৯)










Thursday, March 5, 2026

গানঃ মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল (মে) ভরী নীদ সুকুন।

মাকে ছাড়া বলো বাঁচে কে প্রাণে?
মা ছাড়া আছে কে আর জীবনে?
মায়ের মতন এমন আপন
কে আছে আর এ ভুবনে?
মায়ের মতন এমন আপন
মাকে ছাড়া বাঁচে কে প্রাণে?
মাগো রে রাখো রে ( তোমার ) আঁচলের তলে!
এসো রে রাখো রে মাথা মায়ের কোলে।
মাগো রে রাখো রে (তোমার) আঁচলের তলে!
এসো রে রাখো রে মাথা মায়ের কোলে।

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল (মে) ভরী নীদ সুকুন।

মা যে আমার নয়নের মণি
মায়ের চেয়ে আছে কে আর ধনী?
মায়ের মতন এমন যতন
দয়াল ছাড়া নেয় আর কোন প্রাণী?(২)
মাগো রে রাখো রে তোমার আঁচলের তলে
এসো রে বসো রে মায়ের চরণ তলে
মাগো রে রাখো রে তোমার আঁচলের তলে।
এসো রে বসো রে মায়ের চরণ তলে।

মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আরাধন মে উঠা ঝুম।
মেরী প্যারি মাম্মি হো তুম!
তেরী আঁচল ( মে ) ভরী নীদ সুকুন।
( লেখা ২১শে ফেব্রুয়ারী' ২০২৬)
( হরি নন্দ মুকন্দ গানের সুরে)।

গান/কবিতাঃ বসে আছি পথ চেয়ে।

বসে আছি পথ চেয়ে
দয়ালেরও আশা নিয়ে
যত ভাবি চলে যাবো
যাওয়া হয় না, যাওয়া হয় না।

আশারও আগুন জ্বলে মনেরও অতল তলে
দয়ালেরও ধ্যান বিনা মন বাঁচে না,
যত ভাবি চলে যাবো
যাওয়া হয় না, যাওয়া হয় না।

আজও তুমি আছো সাথে
বেঁচে থাকার আশাতে
মনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা।
আসা আর যাওয়ার মাঝে
দয়াল তোমার সুর বাজে
সুরভিত মিলনের আকুলতা।

তুমি ওগো তুমি মোরে
বেঁধেছ যে মায়া ডোরে
সে বাঁধনে দু’নয়নে ঘুম আসেনা।
যত ভাবি চলে যাবো
যাওয়া হয় না, যাওয়া হয় না।।
( লেখা ২৩শে ফেব্রুয়ারী'২০২৬)

Monday, March 2, 2026

আমিও কি--------?

কিসের রাজা? কিসের নীতি?
কিসের সাজসজ্জা? কিসের রীতি?
শুরু থেকে শেষ শুধু উন্নতির নামে দুর্নীতি!
কিসের নেতা? কিসের নেত্রী?
ছদ্ম চরিত্রের সব অন্যায় অসতের ধাত্রী!
কিসের উন্নতি? কিসের পরিবর্তন?
কিসের সভ্যতা? কিসের উদবর্দ্ধন?
চারিদিকে শুধু ভয়! ভয়! আর ভয়!
কিসের সংস্কৃতি? কিসের আন্দোলন?
কিসের সততা? কিসের উত্তোলন?
শরীরে-মনে-চরিত্রে হচ্ছে ক্ষয় অবক্ষয়!
কিসের সকাল? উঠবে কিসের নূতন সূর্য?
কিসের সমাজ? কিসের ব্যবস্থা? কে সেই পুজ্য?
চারিদিকে শুধু ক্ষমতার আস্ফালন!
কিসের কবিতা? কিসের নাটক?
কিসের সাহিত্য? কিসের পাঠক?
শুধু তাত্ত্বিক আমেজে ডুবে থাকা
ফেউদের রাতভর ঘেউ ঘেউ আর ব্যর্থ প্রক্ষালন!
আমিও কি সেই একজন!?
( লেখা ৩রা মার্চ'২০২১)

বিচিত্রাঃ ২৪৫

বন্ধু! ভুলে যেও না তোমার অউকাত।
অউকাত ভুলে দিয়ে লম্ফ মারছো ঝম্প;
কাল কবলের জাঁতাকলে 
হবেই হবে কুপোকাৎ।

গুরুজনে শ্রদ্ধা করে না যে জন করে না সম্মান তাঁরে;
অশ্রদ্ধার বিষ বাষ্পে মরে সে
আর
মারে বংশ উজার ক'রে।

বুকের মধ্যে অশ্রদ্ধার করছো চাষ, 
অনবরত হিংসার ফুল ফোটাচ্ছো মনে! 
হুল ফুটিয়ে ঢালছো তীব্র বিষ আর 
দিচ্ছো জয়ধ্বনি গুরুর নামে?

শব্দ নিয়ে করছো জাগলিং, 
দেখাচ্ছো প্রেম পীরিতের খেলা! 
কবিতায় তুলছো প্রেমের তুফান 
কিন্তু জীবন তোমার বলছে অন্য কথা শেষবেলা!!
( লেখা ৩রা মার্চ'২০১৮)

দিনের প্রার্থনা ৫
নেগেটিভ শক্তিকে প্রতিহত করার অসীম শক্তি দাও দয়াল,
নেগেটিভ শক্তি যেন আমাকে পরাস্ত করতে না পারে।
( লেখা ৩রা মার্চ'২০২৫)














 






















Sunday, March 1, 2026

বিচিত্রাঃ ২৪৪

 Think positive, do positive, be positive & have positive. 

Do not spread negative thinking.
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২০)

দিনের প্রার্থনা ২
হে দয়াল, 
যারা বোকা সরল ঠকে যায় প্রতিমুহুর্তে বিশ্বাস ক'রে 
তাদের তুমি রক্ষা ক'রো, তাদের তুমি আশ্রয় দিও। 
( লেখা ২৮শে ফেব্রুয়ারী'২০২৫)।

এ কিসের ইঙ্গিত!?
পরিবারের সবাই মিলে দয়ালের দরবারে শয়তানি!!!!

দয়ালের দরবারে বসে দয়ালের সঙ্গে চালাকি!?
সেদিন আর দূর নয়, নিয়তির ভয়ংকর হাসি সাথে 
থাকতে হবে একাকি! সাবধান।

এতবড় মানুষ গিরগিটি!?
যা দেখে ভয় পায় স্বয়ং গিরগিটি!?

ভালোবাসাকে দুর্বল মনে করো?
মনে করো, যে ভালোবাসে সেটা তার দায়?
তোমার অহঙ্কার আর ঔদ্ধত্বের সীমা নাই! হায়!!


দয়ালের দরবারে বসে যারা বেঈমানি, নেমকহারামি, অকৃতজ্ঞতার চাষ করে তাদের রক্তের দোষ না থাকলে সম্ভব নয়। 
জৈবী সংস্থিতিতে ত্রুটি।

এখনও সময় আছে বাঁচতে যদি চাও, 
পরিবার বাঁচাতে যদি চাও 
তবে দয়ালের দরবারে কপটতা ও মিথ্যার আশ্রয় ত্যাগ করো।
য়ার, দয়ালের কাছে ক্ষমা চাও।

কাকে করবো বিশ্বাস? কার প্রতি রাখবো আস্থা? 
কোথায় নেবো নিশ্বাস? কার উপর ভরসা?
( লেখা ১লা মার্চ'২০২১)

শয়তান অত্যাচারীর প্রধান পৃষ্টপোষক সাধারণ জনগণ। 
তাই Vox populi vox dei কথাটা ভুল। 
কারণ, জনগণের বাণী ঈশ্বরের বাণী হ'তে পারে না।

গুরুর জয় নিশ্চিত হ'ক এই শপথ নিয়েই 
আমরা যেন একে অপরকে 'জয়গুরু' বলি সৎসঙ্গীরা; 
নতুবা নয়।
( লেখা ১লা মার্চ'২০২৪)

দিনের প্রার্থনা ৩
ভাঙাচোরা সৎসঙ্গীদের তুমি ক্ষমা ক'রো, 
দয়া ক'রো দয়াল। তুমি ছাড়া এই পৃথিবী ভয়াল!
( লেখা ১লা মার্চ'২০২৫)


































কবিতাঃ জীবন যদি হত এমন--------

উফ! দুর্দান্ত!!!!!! আরামে চোখ বুঝে এলো!! 
আর মন বলল, জীবন যদি হত এমন রঙ্গিন !!!!!!! 
বিবেক বলল, জীবন এমনই রঙ্গিন, শুধু খুঁজে নিতে হয়। 
জীবন বলল, আনন্দধারা বহিছে ভুবনে! 
গাছে গাছে, পাতায় পাতায়, বনে বনে!! 
হৃদয় বলল, হৃদয় মাঝে মেলে দিয়ে আমায়, 
আঁচল ভরে তুলে নিতে হয় সে আনন্দধারা!!!!!! 
বিলিয়ে দিতে হয় জনে জনে প্রাণে প্রাণে!!!!
আমি বললাম, ছবি তো নয়, রঙিন স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা 
আমার শুধু সে আমার দেশ!! 
জলে স্থলে অন্তরিক্ষে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সে বেশ!!! 
আমার আমি বলল, ফিরে এসো, ওগো ধরা দাও! 
আমার সেই নানা রঙের দিনগুলি!!! 
মুছে দিয়ে যত ক্লেশ উড়িয়ে হাওয়া ফাল্গুনী!!!!!!!
( লেখা ১লা মার্চ'২০১৪)