সমস্ত গ্রহের বিগ্রহ হ'লো বৃহস্পতি। কারণ বৃহস্পতি হ'লো সবচেয়ে বড় ও বিশাল গ্রহ। আর বৃহস্পতিকে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে তুলনা করা হয়। তাই বলা হয়, যস্য কেন্দ্রে বৃহস্পতি কিং কুর্বন্তি গ্রহা। যার কেন্দ্রে বৃহস্পতি তাঁকে কি করতে পারে গ্রহেরা? সহজ সরল উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে, এলাকার দাদার যে আস্থাভাজন তার কি করতে পারে গলির ছুটকো মস্তান।
ঠিক তেমনি সমস্ত জীব জগতের সৃষ্টিকর্তা হ'লো নবরূপে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র। তাই ঠাকুর যার জীবনে মনে প্রাণে শয়নে, স্বপনে, জাগরণে, অবগাহনে, ভোজনে সর্ব্বক্ষণে ভোর শুর হওয়া থেকে শুরু পরদিন ভোর হওয়া পর্যন্ত তার আবার কিসের গ্রহদোষ? গ্রহদোষ বলে কিছু নেই ও কিছু হয় না। সৎসঙ্গীদের এত দুর্বল হ'লে চলে না, হ'তে নেই। গ্রহদোষ মানে গ্রহণ দোষ। আপনি ভালো কিছু গ্রহণ করলে সেটা গ্রহগুণ আর খারাপ কিছু গ্রহণ করলে গ্রহদোষ। গ্রহদোষ কাটাবার জন্য সৎসঙ্গ দেওয়া মানে ঠাকুরকে আপনার নিজের জন্য ভাঙ্গানো। ঠাকুরকে নিজের জন্য ভাঙ্গাবেন না। ঠাকুরের জন্য নিজেকে ভাঙ্গান। সৎসঙ্গ দেবেন ঠাকুরকে মানুষের জীবনে জীবনে ঢুকিয়ে দেবার জন্য।
তাই, গ্রহদোষ বলে আজেবাজে জিনিসে কুসংস্কারাচ্ছন্ন হ'য়ে পড়া অন্তত সৎসঙ্গীদের মানায় না। সৎসঙ্গীদের এমন দুর্বল মানসিকতার জন্য ঠাকুর ব্যথা পান। তাই, কোন গ্রহদোষ ব'লে কিছু নেই। যদি কিছু থেকে থাকে তা হ'লো আপনার দোষ। আপনার দোষকে চিহ্নিত করুন এবং সেই দোষকে জীবন থেকে বের ক'রে দিন।
পরমপ্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন, "তুমি ঠিক ঠিক জেনো যে, তুমি তোমার, তোমার পরিবারের, দশের এবং দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য দায়ী।"
পরমপ্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন, "তুমি ঠিক ঠিক জেনো যে, তুমি তোমার, তোমার পরিবারের, দশের এবং দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য দায়ী।"
জয়গুরু।
( লেখা ২৮শে জানুয়ারী'২০২৫)।

No comments:
Post a Comment