আর বিচ্ছিন্নতাবাদ হ'লো একটি দর্শন, যা ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত, পারিবারিক, সাংসারিক, সামাজিক, ভোগৌলিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ইত্যাদি ঘরে-বাইরে, দেশে-বিদেশে সমস্ত রকম সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হ'তে চাওয়াকে সমর্থন করে। আর, বর্তমানে বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রচলিতভাবে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গনের বিচ্ছিন্নতাকে বোঝায়। অন্যান্য দেশের সঙ্গে রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ক এড়ানোর পক্ষে সমর্থন করে।
আর বিচ্ছিন্নতাবাদী অর্থ হ'লো এমন একজন যিনি বা যারা একটি প্রতিষ্ঠিত গোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াকে সমর্থন করেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা, জাতিগত বিচ্ছিন্নতা, ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতা, আঞ্চলিক, সরকারী বা লিঙ্গ বিচ্ছিন্নতা ইত্যাদির পক্ষে ওকালতি করে।
বিচ্ছিন্নতাবাদীরা স্বায়ত্তশাসন চায়। এই চাওয়া কি পরিবারে, কি শিক্ষা, কি ক্রীড়া, কি ধর্ম, রাজনীতি, কি ব্যবসা, কি প্রশাসন ইত্যাদি সমাজের, দেশের সর্ব্বস্তুরে এরা বিচ্ছিন্নতার জিগির তুলে ভাঙনের মধ্যে দিয়ে নিজেদের শাসন ক্ষমতা কায়েম করতে চায় বা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, স্বাধীন হতে চায় এবং নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে চায়। পরে আবার এদেরই বিচ্ছিন্নতার বিষে নিজেদের মধ্যে ভাঙ্গন ধ'রে ও নিজেরাই আবার বিচ্ছিন্ন হ'য়ে যায়।
আসুন দেখে নিই কিভাবে কোথায় কোথায় বিচ্ছিন্নতার মনোভাবের জন্ম হয়ঃ
১) পরিবারে, সরকারে, অফিসে, কলে-কারখানায়, ব্যবসা বাণিজ্যে, সমস্ত রকম প্রতিষ্ঠানে ক্ষমতাসীন ব্যক্তির মাধ্যমে অযোগ্য ও অদক্ষ পরিচালনার দ্বারা মানুষকে সেখানে বিচ্ছিন্ন ক'রে রাখা হয় এবং সাধারণ মানুষের ওপর দমন পীড়ন ক'রে মানুষকে সেখানে বিচ্ছিন্ন ক'রে রাখা হয়। মানুষ নিজেকে সেই পরিবার, সরকার, অফিস-কাছারি, কল-কারখানা, প্রতিষ্ঠান থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন মনে করে, কখনোই সেই সব কোনও কিছুর প্রতি একাত্ম বোধ করে না। ফলে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্নতার মনোভাবের জন্ম হয়, জন্ম নেয় ভাঙনের স্বভাব।
২) ক্ষমতা দখলের লোভ, আত্মপ্রতিষ্ঠা এবং ঈর্ষা থেকে বিচ্ছিন্নতার মনোভাবের জন্ম হয়।
৩) জাতি, ভাষা, সংস্কৃতি বা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি সংখ্যাগুরুদের অবমাননা করা থেকে অর্থাৎ সংখ্যাগুরু দ্বারা সংখ্যালঘুদের প্রতি অবজ্ঞার সঙ্গে আচরণ করা, তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকা, অপছন্দ করা, অসম্মান, অপমান করা ও অনুভূতি না থাকা ইত্যাদি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার মানসিকতার জন্ম হয়।
৪) বাইরের শক্তির দ্বারা ঘরের, দেশের, প্রতিষ্ঠানের ইত্যাদির অভ্যন্তরীণ শক্তিকে দূর্বল করা বা ধ্বংস করার জন্য বিপুল আর্থিক মদতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের জন্ম দেওয়া হয়।
বিচ্ছিন্নতার ঘৃণ্য মনোভাবকে ও এই মনোভাবের সৃষ্টিকারীদের এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘরে-বাইরে আপনার জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করুন। 'লোহে লোহেকো কাটতা হ্যায়'-এর মতন, ধর্ম্ম প্রতিষ্ঠার জন্য অধর্ম করার মতন, বিষে বিষে বিষ ক্ষয় তত্ত্বের মতন পরিবারে, সমাজে, দেশে প্রতিটি ব্যষ্টির সঙ্গে প্রতিটি ব্যষ্টিকে সংহত, একত্রিত, সংযুক্ত রাখার জন্য বিচ্ছিন্নতাবাদীকে চিহ্নিত করুন ও সমষ্টি থেকে বিচ্ছিন্ন করুন।
বর্তমান নানারকম জটিল সমস্যা জর্জরিত পৃথিবীতে মানুষ জান্তে-অজান্তে নিজেকে বিচ্ছিন্ন ক'রে ফেলছে ব্যষ্টি-সমষ্টি, সংসার-সমাজ সব কিছু থেকে। পরিণতিতে বোধবুদ্ধিহীন এক তাল মাংস পিন্ড হ'য়ে যন্ত্র স্বরূপ বেঁচে আছে সাধারণ সীমাহীন ভাঙাচোরা মানুষ পরিবারে, সমাজে, দেশে। ফলে মানবতা ও মনুষ্যত্ব বোধের বিলোপ ঘটেছে। দূর্বল হচ্ছে পরিবার, দূর্বল হচ্ছে সমাজ, দূর্বল হচ্ছে দেশ। বিচ্ছিন্নতার মানসিকতা একটা ঘোর ব্যাধি।
19 শতকের জার্মান বুদ্ধিজীবী কার্ল মার্কসও (1818-1883) অনুরূপভাবে শ্রমিকরা শ্রম দিয়ে যে পণ্যগুলি তৈরি করে কলে কারখানায় সেই পণ্যগুলির স্রষ্টা শ্রমিক হওয়া সত্ত্বেও শ্রমিকরা মালিক নয়, মালিক অন্যজন, শ্রমিকেরা সেই উৎপাদিত পণ্যের মালিকানা থেকে বিচ্ছিন্ন, এরূপ মতবাদের সৃষ্টি করেন। এই ব্যবস্থাকে কার্ল মার্ক্স শ্রমের বিচ্ছিন্নতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই মতবাদের প্রভাবে কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের প্রতি ও কারখানার প্রতি শ্রমিকের কোনও সেন্টিমেন্ট থাকে না। জীবনের উপার্জনের পুরোটা সময় সেই উৎপাদিত পণ্য ও উৎপাদিত স্থানের সঙ্গে যুক্ত থাকা সত্ত্বেও, জীবন যৌবন ব্যয় করা বা উৎসর্গ করা সত্ত্বেও সেই পণ্যের ও স্থানের প্রতি অফিসে, কলে- কারখানায় বিচ্ছিন্নতা বোধের শিক্ষা লাভের কারণে নিজের অজান্তেই শরীরে-মনে ও আত্মায় বিচ্ছিন্নতার ব্যধিতে আক্রান্ত হ'য়ে এক বিচ্ছিন্ন মানসিকতার অধিকারী হয়ে গেছে সেই শ্রমিক কর্মচারী মানুষ।
তাই মানুষ ঘরে-বাইরে, পরিবারে-সমাজে কোনও কিছুর সঙ্গেই আর নিজেকে যুক্ত করতে বা রাখতে পারে না, ব্যর্থ হয়। এই যে বিচ্ছিন্নতার শিক্ষা এই শিক্ষায় শিক্ষিত ক'রে তোলার জন্য যেমন সমস্ত ক্ষেত্রের মালিকানায় থাকা বা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি দায়ী ঠিক তেমনি দায়ী সেই সমস্ত ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত মার্ক্সীয় তত্ত্বে বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী শ্রমিক-কর্মচারী ও সদস্যরা। পরিবারে, সরকারে, অফিসে, কলে-কারখানায়, প্রতিষ্ঠানে, সংগঠনে মাথা ভালো হ'লেও বিচ্ছিন্নতার ব্যাধিতে আক্রান্ত শরীরের বাকী অংশরা বেয়াড়াপনা করতে ছাড়ে না।
এই বিচ্ছিন্নতার শিক্ষা দেশ-বিদেশ, অফিস, কল-কারখানা, দোকানপাট, হাট-বাজার ইত্যাদির গন্ডি ছাড়িয়ে একেবারে ঘরের অন্দরমহলে ঢুকে পড়েছে। ঢুকে পড়েছে মানুষের বায়োলজিল্যাল মেক আপে, জৈবী সংস্থিতিতে।
তাই, বাইরের শক্তি যখন কোনও পরিবারের বা দেশের স্বার্ব্বভৌমত্ব ধ্বংস করতে চায় তখন পরিবারের বা দেশের আভ্যন্তরীণ বিচ্ছিনতাবাদী শক্তিকে কাজে লাগিয়েই তারা তাই করতে চায়। যা আমরা দেখেছি আমাদের ভারতবর্ষের উপর যতবার বহির্শত্রুর দ্বারা আক্রমণ হয়েছে ততবার আভ্যন্তরীর বিচ্ছিন্নতা্র মানসিক ভয়ংকর ব্যাধিতে আক্রান্ত শত্রু শক্তিকে কাজে লাগিয়েই তাই হয়েছে। মীরজাফর, জয়চাঁদ, জগত শেঠ, ঘষেটি বেগম, জুডাস ইত্যাদি সবার ক্ষেত্রেই ছিল এই এক বিচ্ছিন্ন করার, ভেঙে ফেলার মানসিকতা। আমাদের সুন্দর দেশ ভারতবর্ষকেও ভেঙে টুকরো টুকরো ক'রে দিল দেশের ভিতরে ও বাইরে মনেপ্রাণে লালন পালন করা বিচ্ছিন্নতার মানসিকতাকে মূলধন করেই ব্রিটিশ শক্তি ও দেশের আভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি। আজও সেই ট্রাডিশান সমানে চলেছে। আজও বাইরের বৃহৎ শক্তি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশের অভ্যন্তরে জৈবী সংস্থিতিতে সংক্রামিত Biologically affected বিচ্ছিন্নতার মানসিকতার অধিকারী মানুষের সাহায্যে আমাদের দেশকে অস্থির করতে, দূর্বল করতে, ভেঙে আরও টুকরো টুকরো ক'রে দিতে। আর, আমরা চিন্তাভাবনায়, IQ- তে প্যারালাইজড জনগণ বলির পাঁঠার মত নিশ্চিন্তে কাঁঠাল পাতা চিবিয়ে যাচ্ছি। আর এই নিশ্চিন্তে কাঁঠাল পাতা চিবাতেও চিবাতেও আমরা নিজের সংসারকে, নিজের পরিবারকে, নিজের ঘরকেও ভেঙে টুকরো টুকরো ক'রে দিচ্ছি।
এই যে মানুষে-মানুষে, পরিবারে, সমাজে, দেশে ভাগ ক'রে টুকরো টুকরো করার মানসিকতা এই মানসিকতা বায়োলজিক্যাল মেক আপের অর্থাৎ জৈবী সংস্থিতির মধ্যে বিদ্যমান। আর, তার প্রভাবও ভয়ংকর। জৈবী সংস্থিতির মধ্যে যে ভাঙনের, বিচ্ছিন্নতার বীজ বিদ্যমান সে কোনওদিনই সমষ্টির পুজারী হ'তে পারে না, সবাইকে, সবকিছুকে সংহত, একত্রিত, সংযুক্ত ক'রে রাখার ক্ষমতা তার নেই । তার দ্বারা যে ভাঙন সৃষ্ট হয় সেই ভাঙন আরও আরও ভাঙন, বিচ্ছিন্নতাকে আমন্ত্রণ ক'রে আনে শ্ত্রুতার ডিম ফুটিয়ে ফুটিয়ে। The greatest phenomenon of the world, The greatest wonder in the world, Seer of truth, the best fulfiller SriSriThakur Anukulchandra দেশ ভাগের সময় দেশনেতাদের সাবধান ক'রে দিয়ে বলেছিলেন, "Dividing compromise is hatch of the animosity. যার অর্থ, ভাগ ক'রে সমাধান করার অর্থ তা' দিয়ে দিয়ে শত্রুতার ডিম ফোটানো। দেশনেতাদের অদূরদর্শিতার ফলস্বরূপ এই শত্রুতা আজ স্বাধীনতার ৭৮ বছর ধ'রে দেখতে পাচ্ছি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আর সম্প্রতি বাংলাদেশও যুক্ত হয়েছে এর সঙ্গে। যেটা চেয়েছিল বৃটিশ শক্তি যাওয়ার আগে। আর, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অন্ধকারের শক্তি চাইছে ভারতের মানুষের মধ্যে বিচ্ছিন্নতার পয়েজন ইঞ্জেক্ট ক'রে ক'রে ভারতকে আরও টুকরো টুকরো ক'রে দূর্বল ক'রে দিতে।
শ্রীশ্রীঠাকুর আরো বলেছিলেন, "সংহতিতে যে ভাঙন ধরায় সে ছেদক।" এই এক কথার মধ্যে দিয়ে আমার ভিডিওর দর্শক-শ্রোতা বন্ধুরা সহজেই বুঝে নিতে পারি কে বা কারা ছেদক।
এই সংহতি না আসার কারণ সম্পর্কেও শ্রীশ্রীঠাকুর ব'লে গেছেন,
"consolidation ( সংহতি) যে হয় না তার দু'টো কারণ আছে। প্রথম কারণ হচ্ছে Complex (বৃত্তির)এর nurture (পোষণ) এর জন্য আদর্শকে utilise (ব্যবহার) করে, আমি আদর্শের এ বুদ্ধি থাকে না; আর দ্বিতীয়ত mutual interest ( পারস্পরিক স্বার্থ) না দেখে পরস্পরকে ঠকিয়ে স্বার্থসিদ্ধি করতে চায়। সবাইকে নিয়ে চলতে গেলে অনেক সইতে হয়, ধৈর্য্যের পরীক্ষা চলে। পরস্পরের প্রতি প্রীতিপূর্ণ এই সওয়া-বওয়া ছাড়া কিন্তু সংহতি আসে না। এই জন্য কয়েকটা মানুষ যদি ঠিক ঠিকভাবে Consolidated(সংহত) হ'য়ে ওঠে তবে আর ভাবতে হয় না। যতগুলি আসে, সেই আওতায় ফেলে ঠিক ক'রে নেওয়া যায়। এক আদর্শে অনুরতি-সম্পন্ন হ'লে তারা সংহত না হ'য়ে পারে না, প্রত্যেকে প্রত্যেককে মানিয়ে নিয়ে চলে।
এই ছিল ঠাকুরের বিচ্ছিন্নতার বিরুদ্ধে সংহত, একত্রিত, সংযুক্ত থাকার ভাবনা। শ্রীশ্রীঠাকুরের এই ভাবনা শুরু হয়েছে ভারতের পবিত্র মাটিতে। ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হ'য়ে চলেছে ভারতের বুকে এই ভাবনা। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে চোখ মেলে তাকালে সীমাহীন বিরোধিতা ও অস্থিরতার মাঝেও কেন্দ্র-রাজ্য ও রাজ্য-রাজ্যের মধ্যে mutual interest (পারস্পরিক স্বার্থ) দেখার মানসিকতার মধ্যে আমরা একত্রিত থাকার আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কয়েকটা মানুষ নীরবে, নিভৃতে ঠিক ঠিকভাবে Consolidated (সংহত) হ'য়ে উঠছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে শ্রীশ্রীঠাকুরের ব'লে যাওয়া পথের ওপর দাঁড়িয়ে। একদিন তাঁরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রের শীর্ষে অবস্থান করবে। সেদিন দূরে হলেও বেশী দূরে নয়।
এই যে এক আদর্শে অনুরতি-সম্পন্ন থাকার কথা বলেছেন ঠাকুর সেই এক আদর্শ হ'লো সর্ব্বশ্রেষ্ঠ জীবন্ত আদর্শ শ্রীশ্রীরামচন্দ্র, শ্রীশ্রীকৃষ্ণ, শ্রীশ্রীবুদ্ধ, শ্রীশ্রীযীশু, শ্রীশ্রীহজরত মহম্মদ, শ্রীশ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণ ও সর্ব্বশেষ শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র। এই এক ও অদ্বিতীয় জীবন্ত আদর্শে যদি ভারতের প্রতিটি মানুষ অনুরতি সম্পন্ন হয় তাহ'লে ভারত হবে ম্যাগ্নেটিক পুল, চৌম্বক টান। তখন ইউরোপও এসে গুচ্ছ হ'য়ে ভারতের সাথে যোগসূত্র রচনা করবে। তারপর হবে আরও একটা গুচ্ছ। এভাবে Whole world, সমগ্র পৃথিবী একায়িত হবে। তাই-ই হবে একায়িত পৃথিবী, United World. পুরুষোত্তম পরমপিতা সেই এক ও অদ্বিতীয় জীবন্ত ঈশ্বর রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, যীশু, মহম্মদ, মহাপ্রভু, রামকৃষ্ণ-এর নোতুন রূপ শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের এই একায়িত পৃথিবী, United world-এর স্বপ্ন একদিন পূরণ হবেই।
আজ এই পর্যন্ত। নমস্কার, জয়গুরু।
( লেখা ১৬ই জানুয়ারী'২০২৫)

No comments:
Post a Comment