Powered By Blogger

Friday, May 5, 2023

কবিতাঃ মতান্তর ও মনান্তর।

মতের অমিল হয় হ'ক 
মনের মিলনে যেন না পড়ে ছেদ, 
থাকে অমলিন! মতান্তর স্বাভাবিক; 
মনান্তর ডেকে আনে পরিণতি অস্বাভাবিক!
মতান্তরে থাকে জোশ, আমিত্বের আস্ফালন, হারায় হুঁশ!
এটা স্বাভাবিক। কিন্তু জীবন মাঝে যদি থাকে দয়াল 
জীবন খুঁজে পায় পথ, থাকে খুশ!
জীবন খুঁজে পাবে পথ 
যতই থাকুক আমিত্বের ছোবল! 
মতান্তরে হবে না মনান্তর 
যদি সদা বলো মুখে অকপটে 
'হরি বোল! হরি বোল!!
জীবন মাঝে আছে দয়াল 
ভয় কি মোদের আর? 
মতান্তরের তুফান উঠুক 
শক্ত হাতে হাল ধরেছি, 
দয়ালকে নিয়ে পণ করেছি 
একসাথে বাইবো মোরা দাঁড়!!
এইখানেতেই জীবন আছে, 
জীবন মাঝে আলো আছে; 
সেই আলোতেই জীবন খুঁজে পাবি! 
মতান্তরেই পথ আছে যদি দয়াল সাথে যাবি!!
দয়াল আমার বড়ই দয়াল 
সেথায় জীবন খুঁজে পাবি! 
মতান্তরে দোষ নাই মাঝে দয়াল যদি থাকে 
কিন্তু মনান্তরে জীবন হারাবি দয়াল সেথায় কাঁদে!
এসো বন্ধু! হাতটি ধরো! একসাথে হাতে হাত রাখি! 
নামের বাদাম তুলে দিয়ে পরাণ খুলে বলি, 
এসো বন্ধু! এসো সবাই হেথায় জীবন খুঁজে পাবি!
মতান্তর হয় হ'ক, মনে যেন না থাকে কোনও ক্ষোভ! 
দয়ালের দয়ায় সব যায় মিটে, মনান্তর হয়না জেনো 
মোটেই দয়ালের দয়ার প্রতি যদি থাকে লোভ!




Thursday, May 4, 2023

কবিতাঃ জীবন-যৌবন!

একেই কি বলে জীবন? 
যেখানে প্রতিমুহূর্তে, প্রতি পলে পলে 
মরণ জীবনকে করে স্মরণ!? 
একেই কি বলে যৌবন? 
যেখানে কথায় কথায় শৌর্য-বীর্যের হয় ক্ষরণ!?
জীবন! যৌবন তো দু'দিনের! 
তবে কেন করো অহংকার!?
কেন করো খতম নিজেরে, নিজের ভবিষ্যতের!?
একদিন তো যেতেই হবে চ'লে দু'দিনের এই জীবন ফেলে!
তবে কেন করো অপমান নিজেরে? 
নিজের সত্তারে? 
কাটাও কেন জীবন অবহেলে!?
উদ্দাম তুমি ছুটছো জীবন উদোম হ'য়ে এ সংসারে!
সং সাজায় সার হ'লো জীবন, 
মুছে গেল জলরং দিন শেষে সাঁজবেলাতে!
জীবন খেয়ায় তোমার নেইকো পাল, নেইকো মাঝি;
তুলবে কে পাল আর টানবে কে দাঁড় বলো আজি!?
কথার তোড়ে ভাসিয়ে খেয়া চলতে চাও চিরদিন?
পশ্চিমে অসময়ে যে ডুবছে তরী রিপুর টানে প্রতিদিন!
খেয়াল রাখো কি তায়? 
জীবন যে হচ্ছে শেষ শুরুতেই হায়!!
জীবন 'জীবন' খুঁজে পাচ্ছো কি সেথায়? 
বুকে হাত দিয়ে বলতে পারো?
সন্ধ্যা ছায়ায় ভরছে যে জীবন! 
সকালেই বিকেলের ফুল হ'য়ে কেন ঝ'রে পরো!?
দাঁড়াও জীবন! থমকে একটু দাঁড়াও!
'জীবন' খুঁজে নিশ্চিত পাবে তুমি 
বলছি আমি আমার সাথে এসো!
আমার সাথে দয়াল আছে আর দয়াল সাথে আনন্দ আছে, 
আছে পরম শান্তি;
শান্তি যেথায় সুখ সেথায় আছে ভরপুর জীবন! 
চলে এসো, ছুটে এসো,
নষ্ট ক'রো না তোমার যৌবন জীবন 
আমার সাথে তাঁর চরণতলে বসো!!
(লেখা ৫/৫/২০১৯)

প্রবি সমাচার ৫

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন শেষ। শেষ ফলাফল ঘোষণা। কিন্তু শেষ হ'লো না, বন্ধ হ'লো না হিংসা, মারামারি, খুন। এটাই বোধহয় হয়। জিতে আসলে এটাই বদলা নেওয়ার মোক্ষম সুযোগ তা সে যে দলই জিতুক! যেখানে যে দলের আধিপত্য প্রভাব প্রতিপত্তি সেখানে সেই দলের রবরবা। এরকম কিছুদিন চলবে, জয়ী দলের নেতৃবৃন্দ মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকবে কিছুদিন, তারপর বদলা নেওয়ার কাজ মোটামুটি শেষ হ'লে জেগে ঘুমিয়ে থাকা নেতানেত্রীরা ময়দানে নাববে মানুষকে মানবতার পাঠ শেখাতে।
নির্বাচনের ফলাফলে আনন্দিত উৎফুল্ল জয়ী দলের কর্মী সমর্থকেরা। আনন্দিত হওয়ারই কথা। যে দলই জিতুক সেই দলের নেতানেত্রী, কর্মী, সমর্থকদের আনন্দ উৎফুল্ল হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু অস্বাভাবিক যেটা তা হ'লো এই আনন্দ উৎফুল্লতার বহির্প্রকাশ যখন লাগামছাড়া হ'য়ে যায়, লাগামছাড়া হ'য়ে গিয়ে যখন তা হিংস্রতার পর্যায়ে পৌঁছে যায়, রক্তের হোলি খেলায় পৌঁছে যায় তখন সেই জয়ী দলের কেউ থাকে না যে বা যারা সামনে দাঁড়িয়ে এই ঘৃণ্য পাপ কাজের বলিষ্ঠ প্রতিবাদ করে! যারা নির্বাচনের প্রচারের ভাষণে আগুন ঝরিয়েছিল, দোর্দন্ডপ্রতাপে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খাওয়ানোর মত দাপট দেখিয়েছিল তাদের চলাফেরায়, বক্তৃতায়, সাংবাদিক সম্মেলনে তারা ঠিক এইসময় এই রক্ত ঝরার সময়, মায়ের কোল খালি হওয়ার সময়, স্ত্রীর সিঁদুর মুছে যাবার সময় কোথায় যে গায়েব হ'য়ে যায়, কখন যে ডুমুরের ফুল হ'য়ে যায় তা একমাত্র ঈশ্বর জানেন।
এই মারামারি কাটাকাটির কাজে যারা সরাসরি জড়িয়ে থাকে তাদের কথা নূতন ক'রে আলোচনা ক'রে আলোচনাকে গুরুত্বহীন করতে চাই না। চাই না----যেসব নেতানেত্রী এইসব কাজকে তাদের নানা বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে প্রশ্রয় দেয়, পাশ কাটিয়ে যায় কথার জাগলারিতে, টুইস্ট ক'রে----তাদের নিয়ে আলোচনা করতে। আমি তাদের নিয়েই আলোচনা করতে চাই যারা বাহ্যিক বেশভূষায়, কথাবার্তায় ভদ্র সভ্য, সমাজে গুণী ব'লে সমাদৃত, যারা বিপ্লবের কবিতা লেখে, মুক্তির গান রচনা করে, যাদের বুক ফাটে গরীব মানুষের জন্য ও দিন আনে দিন খায় মানুষের জন্য, যারা খেটে খাওয়া মানুষের জন্য নতুন দিনের, নতুন সূর্য উদয়ের স্বপ্ন দেখায় আলোচনা আমার তাদের নিয়ে। আলোচনা আমার তাদের নিয়ে যারা সমাজের, দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল ক'রে বসে আছে তাদের নিয়ে। আলোচনা করতে চাই তাদের নিয়ে যারা দলের জন্য, পার্টির জন্য কিছু করে না, পথে নাবে না, দলীয় কোনও কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে না, মিছিলে হাঁটে না, মিটিং-এ যায় না শুধু ঘরে বসে বসে নিভৃতে ফেসবুকে (বর্তমানে ফেসবুক বলিষ্ঠ হাতিয়ার) বিপ্লব ঘটায় অথচ সময়মত মেওয়া খেতে সবার আগে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ে ভিড় বেড়ে যাবে ব'লে কিম্বা আদৌ পরে ভাগ্যে কিছুই জুটবে না ব'লে। আলোচনা আমার এই সমস্ত নেপোয় মারে দই মানসিকতার পুজারীদের নিয়ে। আমি আলোচনা তাদের নিয়ে করতে চাই যারা সমর্থক, শুধুই সমর্থক, নিষ্ক্রিয় সমর্থক অথচ এইসমস্ত দলীয় নেতানেত্রী ও কর্মীদের মারণ যজ্ঞের কর্মকান্ডকে উপভোগ করে দারুণ আনন্দে! এদের কথাবার্তা, এদের কমেন্ট, এদের পছন্দ, এদের আলোচনা ইত্যাদির মধ্যে চাপা পড়া হিংসা ও আদিম হিংস্রতার ঝলক ফুটে ওঠে! আলোচনা আমার এদের নিয়ে।
এরকম অদ্ভুত চরিত্রের মানুষদের দেখি এরাই প্রধান পৃষ্টপোষক এইসমস্ত সরাসরি হিংস্র ঘটনার সঙ্গে জড়িত ও নেপথ্যে বিচরণকারী কুশল কৌশলী শয়তান মানুষদের। এরা মনের মধ্যে চাপা পড়া হিংসা, রাগ, ঘৃণাকে ফেসবুকে কমেন্টের মধ্যে দিয়ে পুষিয়ে নেয়, তৃপ্তি পায়। অথচ এরাই সমাজের আপনার আমার এলাকার, পাড়ার ভদ্র সভ্য লাজুক ল্যাজ বিশিষ্ট নারীপুরুষ!!!!!! ধিক! ধিক্কার তাদের! তাদের মানসিকতার!! তাদের ভদ্রতার!!! এদেরই বলা হ'য়ে থাকে তথাকথিত ভদ্রলোক। এরা আমার গাঁয়ে আঁচ না লাগে ফুরিয়ে যাবে মামলা মানসিকতার! আঁচ যা লাগার রাস্তার ছেলেটার লাগুক, পুরে যাক, জ্বলে যাক, যা ইচ্ছা তাই হ'ক।
আমি আরো আলোচনা করতে চাই তাদের নিয়ে যারা শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দীক্ষিত, মন্ত্র শিষ্য, ঠাকুরের মিশন, ঠাকুরের আদর্শ নিয়ে যারা চলবার জন্য তাঁকে গুরু ব'লে মেনে নিয়েছে, স্বীকার ক'রে নিয়েছে অথচ রাজনৈতিক নোংরামিকেও আলিঙ্গন করতে চায়! ঠাকুরের অপছন্দ কাজ, ঠাকুরের আদর্শ বিরোধী, দর্শন বিরোধী, ঠাকুর ব্যথা পান, কষ্ট পান, দুঃখ পান এমন কাজ করতে বিন্দুমাত্র ভাবে না, কেয়ার করে না অথচ তাঁর মন্ত্রশিষ্য ও মন্ত্রশিষ্যা ব'লে দাবী করেন আমি তাদের বিরুদ্ধে আলোচনা করতে চাই। আলোচনা করতে চাই সৎসঙ্গীরা এমন আচরণ কেন প্রকাশ করবে সে যে দলেরই সমর্থক হোক না কেন?
আমি নির্বাচন পূর্ব, নির্বাচন চলাকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী ঘটনাবলী সম্পর্কে শুধু এটুকুই বলতে চাই এইসমস্ত মানুষেরা যারা উপরিউক্ত বিশ্লেষণ অনুযায়ী মানুষ, যারা পরোক্ষভাবে ভদ্রতার মুখোশের আড়ালে মৃত্যুর মিছিল, অসহায় মায়ের চোখের জল পছন্দ করে তাদের শেষের সেদিন ভয়ংকর!!!!!!!
(লেখা ৫/৫/২০২১)

Wednesday, May 3, 2023

প্রবন্ধঃ কোন্নগড়ে কালী পূজা ও আমরা সৎসঙ্গীরা।

কোন্নগড়ে শকুন্তলা কালী মায়ের পুজো ও সৎসঙ্গীবৃন্দ (১ - ৮) সিরিজে কেউ কেউ লাইক করেছেন, কেউ কেউ মন্তব্য (খুব কম) করেছেন আবার কেরু কেউ জয়গুরু ব'লে দায় সেরেছেন। তবে অনেকেই মেসেঞ্জারে এবং ওয়াটস আপে তাদের মতামত জানিয়েছেন।
তাদের প্রত্যেকের পক্ষে বিপক্ষে মন্তব্যে খুশী হলাম। আর যারা মায়েরা মন্তব্য করেছেন তাদের সংক্ষিপ্ত হ'লেও তারা যে মন্তব্য করেছেন এতেই আমি খুশি। আরও খুশী হতাম মায়েরা যারা কমেন্ট করেছেন সেই মায়েরা একজন মা হ'য়ে যদি এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত দূর্বল মায়েদের মঙ্গলের জন্য, তাদের পরিবার ও পরিবারের সদস্যদের মঙ্গলের জন্য মায়েদের বিরুদ্ধে আরও বিশদ আলোচনায় আগ্রহী হ'তেন তাহ'লে খুশী হতাম। তবুও মন্দের ভালো, দইয়ের স্বাদ ঘোলে মেটাবার মতন হ'লেও আপনি আপনারা মায়েরা মন্তব্য করেছেন, মন্তব্য ক'রে ঠাকুরের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন আমার লেখাকে অক্সিজেন যুগিয়েছেন আর এই পুজার সঙ্গে জড়িত সকলকে একটা মেসেজ দিয়েছেন এইজন্য আমি পরমপিতার কাছে আপনাদের সকলের মঙ্গল প্রার্থনা করি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না ক'রে শুধু এটুকু বলতে পারি আসুন আমার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে শক্ত হাতে কলম ধরুন আর দূর্বল সৎসঙ্গী ভাইবোনেদের মনে হৃদয়ে সাহসীকতার মলম লাগান।

আর যারা বলেছেন "কোন্নগড়ে শকুন্তলা কালী মায়ের পুজো ও সৎসঙ্গীবৃন্দ (১ থেকে ৮)" সিরিজের লেখাগুলিতে 
আমি ঠিক কথা বলেছি; তাদের উদ্দেশ্যে বলি। ঠিক বলেই বা কি হবে? যদিও আমি নিশ্চিতভাবেই ফলাকাঙখা বর্জিত ফর্মূলা মেনে চলি তবুও আপনারা পাঠকমহল নিজেরাই দেখুন আমার সৎসঙ্গী গুরুভাইবোনেদের উদ্দেশ্যে সরাসরি এই বিতর্কিত অথচ যুক্তিযুক্ত সত্য তুলে ধরার পরেও কারও তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পেলাম না! আমার ফেসবুক বন্ধুদের মধ্যে চারভাগের সাড়ে তিনভাগ সৎসঙ্গী কিন্তু একজনও এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী নয়। ফেসবুক করে না যে তা নয়, কমেন্ট, লাইক করে না যে তা নয় করে এমনকি ঠাকুরের ছবি, ঠাকুর পরিবারের সদস্যদের ছবি ও ঠাকুরবাড়ির ছবি, ঠাকুরের বাণী, কথা ইত্যাদি পোষ্টও করে কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে, মতের আদান প্রদানের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ ক'রে ঠাকুরের মনের মতো হ'য়ে উঠবার যজ্ঞে কাউকে উৎসাহী হ'তে দেখি না। একটা জিনিস পারে সবাই সেটা হ'লো দায়সারা গোছের 'জয়গুরু'। ঠাকুর এত আশা, এত স্বপ্ন বুকে নিয়ে 'সৎসঙ্গ' গঠন করেছিলেন সেই প্রতিষ্ঠানের আমরা সৎসঙ্গীরা শুধু 'জয়গুরু- তে নিজেদের বন্দী ক'রে রেখেছি। আবার একশ্রেণীর সৎসঙ্গী আছি যারা আমরা লেখালেখি করি তারাও ইগোতে ভুগি। যারা ফেসবুকে ঠাকুর নিয়ে, ঠাকুর দর্শন, আচার্য পরম্পরার প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে লেখালেখি করি তারা কমেন্ট পেতে লালায়িত কিন্তু কমেন্ট করতে কৃপণতা বোধ করি, নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়কে ফেসবুকের মধ্যে দিয়ে অদীক্ষিত এবং যারা আমরা দীক্ষিত অথচ অনেক কিছুই জানি না তাদের সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আগ্রহী নই!!!!!! অনেক সৎসঙ্গী যারা লেখালেখি করেন তারা অন্য লেখকের কাছ থেকে প্রশংসাসূচক কমেন্ট পেতে চান, পেতে আগ্রহী কিন্তু প্রতিদানে তার লেখাতেও কিম্বা তার কমেন্টের উত্তরে যে প্রতিদানে কমেন্ট করা তো দূরের কথা অন্ততঃ ধন্যবাদটুকুও জানাবার প্রয়োজন হয় তাও মনে করে না। উদাসীন থেকে তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ডুবে থাকে। হয়তো অজুহাত নামক মোক্ষম হাত 'সময়ের অভাব' সামনে এগিয়ে আসে।

যাই হ'ক, আর্টিকেল লিখতে সময়ের অভাব হয় না কিন্তু মন্তব্যের উত্তরে মন্তব্য ক'রে কৃতজ্ঞতা জানাতে সময়ের অভাব হয়। এটা আমি লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত সৎসঙ্গীদের ক্ষেত্রে প্রকটভাবে দেখেছি। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে আর ব্যতিক্রম ব্যতিক্রম-ই। জয়গুরু।
(লেখা ৫ইমে'২০২২)

প্রবন্ধঃ কোন্নগড়ে শকুন্তলা কালী মায়ের পুজো ও সৎসঙ্গীবৃন্দ (৮)

নিজের অন্তরে ও বাহিরে পরস্পর বিরোধী অবাক করা চিন্তা ও কর্ম মানুষের। হায় বন্ধু! মেসেঞ্জারে, ওয়াটস আপে, বিভিন্ন লেখায় আপনি আপনারা কি লিখেছেন বা লিখছেন আগের কমেন্টে আর এখন পরেরটাতে কি লিখলেন বা লিখছেন নিজেই জানেন না। তাই বলি, খেয়াল ক'রে থাকলে বুঝতে পারবেন! পরপর একই সময় একই বিষয়ে একই লোক দুটো দূ'রকম মন্তব্য করছেন। একবার বলছেন আদি অনন্তকাল ধরে মা, ঠাকুমাদের দেখছি ঈশ্বরের উপর ভক্তি তাই আমরাও তাদের অনুসরণ করছি আবার পর মূহুর্তে খোঁচা মেরে বলছেন আমরা তো পারছি না এই পুজো বন্ধ করতে দেখুন আপনি বন্ধ করতে পারেন কিনা।
প্রশ্ন বা আলোচনার বিষয় ছিল মায়ের পুজো পদ্ধতি প্রসঙ্গে পুজো বন্ধ প্রসঙ্গে নয়। আর জেনে রাখুন বহু নারকীয় প্রথা ধর্ম ও ঈশ্বরের পুজার সঙ্গে, নামের সঙ্গে আজ সমার্থক হ'য়ে দাঁড়িয়েছে। আর বন্ধ কালের নিয়মেই একদিন না একদিন হ'য়ে যাবে। কাউকে কিছু করতে হবে না। যেমন ধর্ম ও ঈশ্বরের নামে বহু কুসংস্কার ও কুপ্রথা কালের দাবিতে বন্ধ হ'য়ে গেছে। এসেছে জীবনের সমস্ত দিকের চিন্তা ভাবনার ক্ষেত্রে নতুন সকাল। কুসংস্কার ও কুপ্রথার অন্ধকার ভেদ ক'রে উঠেছে সংস্কার ও সুপ্রথার নতুন সূর্য।
যাই হ'ক বরাবরের মত এবারও আমার প্রশ্নের উত্তর তো কেউ দিলেন না উলটে কুসংস্কার ও কুপ্রথা কে আঁকড়ে ধরে কুতর্ক ও ঝগড়া ক'রে চলেছেন সবাই। আমি কিন্তু যারা যারা আমাকে আমার লেখার বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছেন তাদের সকলকে লাইন ধ'রে উত্তর দিয়ে যাচ্ছি আর তার প্রতিফল এই আর্টিকেল। এবারও একজনের মন্তব্যের জবাব দিচ্ছি। একজন বললেন, আমি কেন সবাইকে বোঝাতে চাইছি? আর একজন বললেন, আপনি কি আপনার ধারণা সবাইকে মানতে বলছেন নাকি আপনি বললেই আমরা সবাই আপনার কথা মানবো? প্রথম কথা আমি কাউকেই বোঝাতে যাইনি। আমি কি কাউকে বোঝাতে গেছিলাম? আমি আমার ভাবনা কিছু প্রশ্ন আকারে প্রকাশ করেছিলাম। দ্বিতীয়তঃ এই পুজোর সমর্থনকারী প্রায় সবাই কোমর কষে নেবে পড়লেন আমার বিরুদ্ধে। পুজোর কর্মকর্তা ও ভক্তদের খুশী করতে আমার বিরুদ্ধে গ্রুপ তৈরি ক'রে কথার জাল বুনলেন, কম বেশী ঈশ্বর নিয়ে জ্ঞানগর্ভ মন্তব্য ছুড়ে দিলেন আর সবাই তাড়িয়ে তাড়িয়ে তা উপভোগ করলো। সেটা কি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আপনাদের দ্বারা সবাইকে বোঝানোর মধ্যে পড়ে না? এক্ষেত্রেও কি তাহ'লে আপনার ও আপনাদের ধারণা কি সবাইকে মানতে বলছেন? ঠিক তেমনি আপনি বা আপনারা বললেই আপনার বা আপনাদের কথা সবাই মানবে না। একজন তেড়ে মেরে বললেন, যার যার নিজের নিজের ভক্তি। ঠিক কথা কিন্তু নিজের নিজের ভক্তির ব্যাপার বললেই সেটা গ্রহণযোগ্য ও সর্বজনীন হয় না। ঈশ্বরের উপর ভক্তি আর নৃশংস ভয়ংকর নারকীয় হত্যালীলার মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর পুজা এক জিনিস নয়। স্বর্গ নরক তফাৎ। ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি মানুষকে ক্লীবত্ব ও দুর্ব্বলতা দান করে না। কারও মা, ঠাকুমা যদি রক্ত, হাড়, মাংস দিয়ে ঈশ্বরকে পূজো দেওয়া সত্য ও সঠিক ব'লে মনে ক'রে থাকেন তাহ'লে তারা মিথ্যাকে, অপবিত্রতাকে এতদিন পুজোর নামে আবাহন করেছেন। ভক্তির নামে দুর্বলতাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন, মূঢ়তাকে আলিঙ্গন করেছেন। মা, ঠাকুমারা (যদিও ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে) ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি আর মিথ্যাচারকে একাকার ক'রে একই আসনে বসাতে চেয়েছেন। আর যদি কারও মা, ঠাকুমা তাই হ'য়ে থাকেন তার বংশধরও সেই মিথ্যা, অপবিত্রতার ট্রাডিশন সমানে যোগ্যতার সঙ্গে দক্ষতার সঙ্গে ব'য়ে চলেছেন, অনুসরণ ক'রে চলেছেন। আর ভগবানে বিশ্বাসী কি বিশ্বাসী না সেটা আমার আলোচ্য বিষয় ছিল না; আলোচ্য বিষয় ছিল মায়ের পুজোর নামে রিপু তাড়িত ভন্ড ভক্তের ও ভোগী পূজারীর নারকীয় নৃশংস হত্যালীলা সমর্থনযোগ্য কিনা। ধর্মভীরু, দূর্বল, কুসংস্কারাচ্ছন্ন, অজ্ঞ মা, ঠাকুমা থেকে শুরু ক'রে পরবর্তী প্রজন্মের অন্ধবিশ্বাস যুগ যুগ ধ'রে ভন্ড ভক্ত, পূজারীদের ও আয়োজকদের কাছে অক্সিজেন সাপ্লাই ক'রে এসেছে ও বর্তমান প্রজন্মের দ্বারা পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে সঞ্চারিত হ'য়ে চলেছে আপনাদের অজান্তেই। তাছাড়া এইধরনের ভক্তরা ভগবানে বিশ্বাসী হ'লেই বা কি আর না হ'লেই বা কি ধান্ধাবাজ জগত প্রজন্মের পর প্রজন্মকে কাজে লাগায় তাদের স্বার্থ পূরণের স্বার্থে।
ক্রমশঃ
(লেখা ৩রা মে'২০২২)

All reactions

প্রবি সমাচার ২

চারপাশের অর্থ মান যশ আর ক্ষমতার লোভে মানুষদের উন্মাদনা পাগলামো দেখে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র তাঁর সোনার সৎসঙ্গীদের উদ্দেশ্যে আকুল আগ্রহে অশ্রুসজল কন্ঠে বলেছিলেনঃ
"পড়শীরা তোর নিপাত যাবে তুই বেঁচে সুখ খাবি বুঝি,
যা ছুটে যা তাদের বাঁচা তারাই যে তোর বাঁচার পুজি"--শ্রীশ্রীঠাকুর।
আর চারপাশের সেই যে একটু বিচার বোধ বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় যা দেখলাম শুনলাম পড়লাম বুঝলাম দেশের স্বাধীনতার সময় থেকে আজ পর্যন্ত তাতে দেশ চালনার অভিভাবকদের দেখে যা বুঝেছিলাম তা ঠাকুরের একটা বাণীর মধ্যে ফুটে উঠেছেঃ
"ইষ্ট নাই নেতা যেই,
যমের দালাল কিন্তু সেই।" শ্রীশ্রীঠাকুর।

দেশ ও দশের এই পরিস্থিতির জন্য কে দায়ী?
ঠাকুরের উপরে উক্ত বাণী পর্যালোচনা করলে আমরা যেটা দেখতে পাই সেটা হিটলারের কথার মধ্যে দিয়ে বাণীর অন্তর্নিহিত অর্থ জ্বলন্ত হ'য়ে জ্বলছে যুগ যুগ ধ'রে আমাদের সামনে। হিটলার বললেন,

"মানুষকে এতটাই বিপদের মধ্যে রাখো শুধু নিজের বেঁচে থাকাটাই তার উন্নতি মনে হবে।"-----হিটলার।

হিটলারের এই কথাটাই আজ দিনের আলোর মত ঝলমল করছে সারা পৃথিবী জুড়ে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে রাজনীতির অঙ্গনে। কথাটা কি আজ বাস্তব নয়?

কিন্তু The greatest phenomenon of the world শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র বিশ্বজুড়ে এই কঠিন করুণ ভয়াবহ মারণ পরিস্থিতিতে সৎসঙ্গীদের উপর ভীষণভাবে নির্ভর করেছিলেন তাঁর 'নিজে বাঁচো ও অন্যকে বাঁচাও' মিশনে সফল হওয়ার জন্য। আর এই মিশনকে সফল করার জন্য তিনি নির্ভর করেছিলেন মানুষের উপর; তাই তিনি সবসময় "আমায় মানুষ ভিক্ষা দাও, মানুষ ভিক্ষা দাও, আর কে আছো ধী ধুরন্দর! আমায় মানুষ ভিক্ষা দিতে পারো" ব'লে কাঁদতেন। আর সেই মানুষকে চালিত করতে চেয়েছিলেন "অন্যে বাঁচায় নিজে থাকে ধর্ম ব'লে জানিস তাকে" আর বাঁচতে নরের যা যা লাগে তাই নিয়ে ধর্ম্ম জাগে" ফিলসপির উপর দাঁড়িয়ে।

আর আমরা সৎসঙ্গীরা (?) কি করলাম, কি করছি!? (ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে)। ঠাকুরের বাণীর উল্টোটাই আজ আমাদের জীবন দর্শন!!!
তা হ'লো,
পড়শীরা তোর নিপাত যাক
তুই বেঁচে থাক তুই সুখে থাক
যা ছুটে যা নিজেকে বাঁচা
তারা যেথা ইচ্ছা সেথায় যাক।
( লেখা ৩রা মে'২০২১)

প্রবন্ধঃ কোন্নগড়ে শকুন্তলা কালী পুজো ও সৎসঙ্গীদের প্রতি আবেদন,

কোন্নগড়ে শকুন্তলা কালী মায়ের পুজো ও সৎসঙ্গীবৃন্দ (১ থেকে ৮ পর্যন্ত) আর্টিকেল সিরিজ-এ প্রকাশিত বক্তব্য সম্পর্কে আমার সৎসঙ্গী গুরুভাইবোন যারা শকুন্তলা কালী মায়ের পুজোয় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন বা করেছেন বা অন্যান্য জায়গায় যেখানে মায়ের পুজোয় বলীর নামে নারকীয় নৃশংস হত্যালীলা চালানো হয় আর রক্ত মাংস হাড়-এর বীভৎসতাকে প্রসাদে পরিণত করা হয় যেমন তারাপীঠ-এ প্রসাদের মধ্যে আমিষ প্রসাদ মাছ ও নিরামিষ নানা উপকরণের মধ্যে সবার সেরা মায়ের প্রধান প্রসাদ কচি পাঠার ঝোল (বুড়ো পাঠা হ'লে চলবে না) প্রসাদ রূপে গ্রহণ করতে যান বা মায়ের কাছে প্রসাদ চড়াতে যান তাদের কাছে আমার বিনীত নিবেদনঃ

১) আপনারা মায়ের পুজো করুন আমার আপত্তি নেই কিন্তু ঠাকুর যতবার এসেছিলেন রক্তমাংসের জীবন্ত ঈশ্বর রূপে মানুষের পৃথিবীতে মানুষ মায়ের গর্ভে মানুষের জন্য সেই জীবন্ত ঈশ্বর পুরুষোত্তম পরমপিতা শ্রীশ্রী রামচন্দ্র, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, যীশু, মহম্মদ, মহাপ্রভু, রামকৃষ্ণ ও সর্বশেষ পূর্ণ অবতারী বিশ্বের সমস্ত বিস্ময়ের বিস্ময় সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময় শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র তারা কি বলে গেছেন এই মূর্তি পূজা ও পূজা পদ্ধতি সম্পর্কে সেটা অন্তত তার দীক্ষিত সৎসঙ্গী হিসেবে জানুন বা জানার চেষ্টা করুন।

২) ঈশ্বরের সন্তানকে হত্যার মধ্যে দিয়ে যে ঈশ্বরের আরাধনা করা হয় সেই স্থানে যাওয়ার আগে আপনার আরাধ্য দেবতা গুরু সৃষ্টিকর্তা জীবন্ত ঈশ্বর পুরুষোত্তম পরমপিতা দয়ালের মুখটা একবার ভাবুন, ভাবুন তার বা তার পূর্ব পূর্ব রূপের এ বিষয়ে কি অবস্থান ছিল সেই কথা।

৩) ভাবুন একবার অন্তত একবার কেন তাকে দয়াল ঠাকুর, প্রেমের ঠাকুর, পরম প্রেমময় ব'লে ডাকা হয়।

৪) দয়ালের একান্ত আপনার জন তার সোনার সৎসঙ্গীরা নৃশংস নারকীয় হত্যালীলার সমর্থনকারী ও ভক্ত পূজারী? এ কথা বা এ দৃশ্য দয়ালের কাছে কতটা বেদনাদায়ক তা একবার তার মুখের দিকে তাকিয়ে ভেবে দেখুন।

৫) সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যতবার এসেছেন ধরাধামে ততবারই তিনি বলে গেছেন সর্বধর্ম্মান পরিত্যাজ্য মামেকং শরণং ব্রজ। এই কথা যদি নিজের জীবনে ফুটিয়ে তুলতে না পারি অন্তত যেন ঈশ্বর পূজার নামে বীভৎস নারকীয় হত্যালীলা সংঘটিত হয় যে যে স্থানে সেই সেই নরক সদৃশ পূজানুষ্ঠানে যোগদান করা তো দূরের কথা সেই স্থানের মুখ দর্শন যেন না করি।

৬) হে আমার সৎসঙ্গী গুরুভাইবোন আমরা তো জীবনবাদের পূজারী ও প্রচারক তাহ'লে জীবনবাদের যিনি স্রষ্টা তার সন্তান আমরা কি করে ঈশ্বর পূজার নামে মরণবাদের আরাধনা ও পৃষ্টপোষকতা করি?

৭) সৎসঙ্গী দাদারা ও মায়েরা আপনারা তো জানেন শ্রীশ্রী ঠাকুরের অমৃত আহবান "ম'রো না, মেরো না, পারো তো মৃত্যুকে অবলুপ্ত করো।" তাহ'লে আমরা জীবনবাদের বাদী সৎসঙ্গীরা কি ক'রে মৃত্য যে পূজার মূল মন্ত্র, মৃত্যু দিয়ে যে মাকে, যে ঈশ্বরকে আবাহন করা হয় সেই পূজার আরাধনা করি, উপস্থিত থাকি?

৮) হে আমার ঠাকুরের শিষ্যগণ আপনার ঠাকুর যে প্রেমিক পুরুষ, প্রেমময় ভালোবাসাময় এক মহা সমুদ্র সেই ভালোবাসার সমুদ্রে ডুব দিয়ে রক্ত মাংস হাড়ের নৃশংস বীভৎস জীবের মাথার খুলি তুলে আনতে আপনার মায়ের পূজার নামে, ঈশ্বর আরাধনার নামে মৃত্যুপুরীতে যাওয়া থেকে নিজেদের নিবৃত্ত করুন ও দয়ালকে প্রকৃত মানুষ ভিক্ষা দিন।

৯) একবার ভেবে দেখো ঈশ্বর পূজারী ধার্মিক যে দয়াল সারাজীবন " কে কোথায় আছো আমায় মানুষ ভিক্ষা দাও" ব'লে কেদেছেন সেই দয়াল কি আপনার আমার মতন নিষ্ঠুর অমানবিক হিংস্র মানুষ ভিক্ষা চেয়েছিলেন?

১০) দয়াল কি ব'লে যাননি, হিংসাকে হিংসা করো। হিংসাকে পরিহার করো আর প্রেমকে প্রার্থনা করো? ঈশ্বর পূজারী ধার্মিক তুমি তোমরা ভুলে গেলে কি ক'রে এই কথা!? তিনি কি ব'লে যাননি, "বীর হও, কিন্তু হিংস্রক হ'য়ে বাঘ-ভালুক সেজে ব'স না।"

১১) ধর্ম পালন কি হিংসাকে পালন করে?
১২) ঈশ্বর আরাধনার লক্ষ্য কি মৃত্যুকে আলিঙ্গন? জীবনকে খতম ক'রে বীভৎস নারকীয় মৃত্যুকে আবাহন?

আমার সৎসঙ্গী গুরুভাইবোনেদের প্রতি আমার অধিকার বোধে আবেদন করলাম। জয়গুরু।

(লেখা ৩রা মে' ২০২২)