Powered By Blogger

Thursday, February 6, 2025

কবিতাঃ দৃষ্টি হারায়।

পাহাড় যদি দয়ালের কাছে না আসে
তবে দয়াল পাহাড়ের কাছে যায়।
তবুও পাহাড় চিনতে পারে না দয়ালকে;
কারণ সে পাহাড়, এই সূক্ষ্ম অহংকার তাঁরে খায়।
এই সূক্ষ্ম অহংকার সেদিন শেল হ'য়ে বিঁধে বুকে
যেদিন জীবন পরপারে যাবার ঘাটে এসে দাঁড়ায়।
দেখে সেই দয়াল এসে দাঁড়িয়েছে ঘাটে বটে
কিন্তু তাঁর হাত ধরার কালে পাহাড় দৃষ্টি হারায়।
( ৬ই ফেব্রুয়ারী' ২০২৪-২৫)


Wednesday, February 5, 2025

প্রবন্ধঃ আলোচনার টেবিল ( ১ ) বিষয়ঃ লোক সমাগম

জন্ম মহোৎসবে লক্ষ লক্ষ লোক সমাগম।

বেশ কিছুদিন ধরেই দেখতে পাচ্ছি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে 'সৎসঙ্গ'-এর প্রাণপুরুষ শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৬তম জন্ম মহোৎসবে লক্ষ লক্ষ লোক সমাগম নিয়ে নানা মন্তব্য ক'রে চলেছেন। কেউ কেউ সরাসরি কটু আক্রমণ করছেন, আবার ধর্ম ও ঈশ্বর বিরোধী মতবাদে বিশ্বাসী কেউ কেউ বা ঘুরিয়ে সৎসঙ্গের ব্যাপ্তির বিরুদ্ধে তাদের মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন গানে, কবিতায়, বক্তৃতায়। আবার সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় ধর্মের পতাকার তলায় অবস্থানকারী কোনও কোনও ব্যক্তি এমনকি সনাতন ধর্মের স্বঘোষিত প্রবক্তারা বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই সৎসঙ্গ ও শ্রীশ্রীঠাকুর সম্পর্কে এবং শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্ম মহোৎসবে, ধর্মানুষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ লোকের স্বতঃস্ফূর্ত সমাগমে গাত্রদাহ প্রকট ক'রে মুখে যা আসছে তাই বলে যাচ্ছেন, কখনো কখনো বা কেউ কেউ সৎসঙ্গী সেজে। এদের সকলের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন আকারে আমার বক্তব্য আমি তুলে ধরলাম। বক্তব্য পড়লেই প্রশ্নগুলোর মধ্যে দিয়েই পাঠক বুঝতে পারবে সৎসঙ্গ- এর প্রাণপুরুষ শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের বিরুদ্ধে এদের মনোভাব কি, এরা কি বলছে।
১) এরা কি সৎসঙ্গী?
২) এরা কি ক'রে জানলো কানে কি মন্ত্র নিচ্ছে?
৩) রাধাস্বামী অর্থ কি?
৪) হরি অর্থ কি?
৫) হরিকে তাড়িয়ে দিচ্ছে, কৃষ্ণকে মানে না মানে কি?
৬) লোক সমাগম এরা কি আটকাতে পারবে?
৭) লোক সমাগম ক'রে কি লাভ সেটা কি কোনও নেগেটিভ মানসিকতার লোক বুঝতে পাররে?
৮) লোক সমাগমে কি এদের গাত্রদাহ হচ্ছে?
৯) লোক সমাগমে এদের কি আপত্তি আছে?

১০) এই সমাগম কি স্বতস্বেচ্ছ সমাগম নাকি বলপ্রয়োগে সমাগম?

১১) ভারতবর্ষকে অবতার বা ভগবান বানানোর ফ্যাক্টরিতে পরিণত করার হাত থেকে কি করলে রক্ষা করা যাবে ইনারা বলতে পারেন?

১২) কোনও এক মহাপুরুষ তাঁর মতবাদের তীব্র প্রচার আন্দোলনের মাধ্যমে গোটা পৃথিবী থেকে ভগবান উচ্ছেদে নেমেছিলেন, সফল হ'য়েছিলেন? ভারতেও কোনও কোনও রাজ্যে তাঁর মতবাদের প্রভাব পড়েছিল তার রেজাল্ট কি? কেন হয়নি? কোথাও ত্রুটি আছে কি? কেন ধর্মের বিষ বাষ্প থেকে অসহায় ধর্ম ও ঈশ্বর বিশ্বাসী মানুষকে বাঁচাতে পারেনি? ধর্ম ও ঈশ্বরের মোহজাল থেকে কেন মানুষকে বের ক'রে আনা যাচ্ছে না? এর জন্য কে বা কারা বা কি দায়ী? কি করলে এর থেকে মুক্তির পথ পাওয়া যাবে তার দিশা দেখাতে পারবে কি এই মতবাদ বা মতবাদের আন্দোলনের উত্তরসূরিরা?

১৩) ভারতকে ভগবান বানানোর ফ্যাক্টরি থেকে বাঁচাতে দেশীয় মশলায় তৈরী কোনও মতবাদের সৃষ্টি হয়েছে কি ভারতে? আছে কি কোনও মতবাদের স্রষ্টা ভারতে যিনি তাঁর মতবাদ, জীবন দর্শন দিয়ে নানা ভাষা, নানামত, নানা পরিধানে আশ্রিত সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষকে এই ভগবান বানানোর ভয়ংকর ফ্যাক্টরির হাত থেকে বাঁচাতে পথ দেখাবে ও পরিচালনা করবে?

১৪) নকল ভগবানকে নিয়ে নাচানাচির ফলে লোকসানের হাত থেকে সমস্ত সম্প্রদায়ের কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী, বাচ্চা থেকে প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের বাঁচাতে ও লাভের পথ দেখাতে এবং এই সর্বনাশা নকল ভগবানের হাত থেকে রক্ষা করতে কোনও উদ্যোগ নেবেন কি তারা? নাকি ফেসবুকে লিখেই গায়ের ঝাল মেটাবেন? নকল ভগবান আর আসল ভগবান কে ঠিক ক'রে দেবে? 'ঠগ বাঁচতে গা উজাড়' প্রবাদ তো সত্য হ'য়ে যাবে নাকি?

১৫) হরিনামের ব্যবসা তো চলে আসছে হাজার হাজার বছর ধ'রে তা' কেউ পেরেছে নাকি এই ব্যবসা বন্ধ করতে? মানুষের ভালো করার নামে তথাকথিত ধর্ম ও ঈশ্বর বিরোধী বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়, রাজশক্তি কি পেরেছে এই ব্যবসা বন্ধ করতে বা উচ্ছেদ করতে? কেন পারেনি? কেন পারছে না? কোথায় ত্রুটি? কেন বুদ্ধিজীবীদের কথা গ্রাহ্য করছে না মানুষ? কেন তাঁদের কথা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার মতন, বা উলুবনে মুক্তো ছড়ানো বা অরণ্যে রোদন প্রবাদের জ্বলন্ত উদাহরণ হ'য়ে দাঁড়াচ্ছে? এই হরিনামের ব্যবসা বন্ধ করার কি উদ্যোগ নিয়েছেন বিরোধীরা? নাকি এরকম মাঝে মাঝে যেখানে সেখানে আলটপকা বিরুদ্ধ মন্তব্য ক'রে তথাকথিত বিপ্লবের দায় সেরেছেন?

১৬) আসল ভগবানের সন্ধান দেবেন কি সৎসঙ্গ ও শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের বিরোধীরা যার জন্য আমরা সবাই দল-মত-সম্প্রদায় নির্বিশেষে মিলেমিশে লাভের নাচানাচি করবো?

যাই হ'ক, নকল ভগবানের নাচানাচি ও হরিনামের ব্যবসা বন্ধ করার, সম্প্রদায় নির্বিশেষে বৈশিষ্ঠানুযায়ী প্রতিটি মানুষের বাঁচার, মানুষের বেড়ে ওঠার সঠিক ও নিখুঁত পথ ও তুক ধর্ম ও ঈশ্বর বিরোধী মতবাদেরা এবং সৎসঙ্গ ও শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের বিরোধী ধর্ম-ঈশ্বর-বিজ্ঞান-রাজনীতি ইত্যাদি সমস্ত প্ল্যাটফর্মের কট্টর সমালোচকরা জানতে পারলেই আমাদের সৎসঙ্গীদের জানাবেন আমরা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি সৎসঙ্গীরা আপনাদের পাশে থাকবো। বিশ্বজুড়ে আছে কোন মতবাদ? আছেন কোনও মহাপুরুষ? তর্ক, গালাগালি, ঝগড়া, বিবাদ, সমালোচনা, নিন্দা, কুৎসা, অপমান, অশ্রদ্ধা, কটুক্তি নয়, আসুন যুক্তি-বিজ্ঞানের ওপর দাঁড়িয়ে আলোচনার টেবিলে বসুন, শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জীবন দর্শন, জীবনবাদ, অস্তিত্ববাদকে খন্ডন করুন আর পাশাপাশি আপনাদের 'মতবাদ ও মতবাদের স্রষ্টাকে তুলে ধরুন।

উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম। 
(লেখা ৬ই ফেব্রুয়ারী'২০২৪)

Tuesday, February 4, 2025

কবিতাঃ ভালো বাসা।

প্রেম-ভালোবাসা ভরা যে বাসা তাই-ই ভালো বাসা।
আছে সেথা প্রাণ, আছে আনন্দ, সুখ-শান্তি খাসা।
আলোময়-রূপময়-মধুময়-রসময় সেথা জীবন
প্রেমময় বিরাজে সেথা লভি অনন্ত যৌবন।
এটাই সত্য, এটাই জীবন, এটাই জীবন দর্শন।
এতেই আনন্দ, এতেই মহত্ব, এতেই জীবন বর্ধন!
এতেই আরাম, এতেই বিরাম, এতেই আশ্বস্ততা।
এতেই শান্তি, এতেই স্বস্তি, এতেই জীবনের সার্থকতা।
বাকী সব আর যা কিছু আছে জীবনের চারিপাশে
অলীক মায়ার ফাঁদ পাতা আছে নানা রঙে, নানা ছাঁদে।
ধর্ম-অর্থ-মান-যশ-শিক্ষা রাজনীতি ইত্যাদি আছে যত
বিষয় জগত মাঝে, খুঁজে নিতে হবে তোমাকেই
যা আছে তোমার চারিপাশে সত্য-মিথ্যা সাজে।
(লেখা ৫ই ফেব্রুয়ারী'২০২৪)

Sunday, February 2, 2025

বিচিত্রা ৯১

ইষ্টের দয়া পেতে চাও তুমি?
বুকে হাত দিয়ে বলো
কি করেছো তুমি ইষ্টের জন্য?
বৃত্তি স্বার্থের ধান্দা নিয়ে বেড়াও ছুটে
তাঁকে ভুলে দিনরাত হ'য়ে হন্যে।

ইষ্ট তোমার আয়ের উপকরণ!
আর অন্যের সুখ শান্তি করছো অপহরণ!!
এর পরেও বলছো তুমি ধ'রে আছো ইষ্টের চরণ!?
ধার তুমি ধারো না তাঁর চলন!
তাই বৃত্তি স্বার্থে বুঁদ হ'য়ে শেষে
মরণকেই করছো তুমি বরণ!!

ঠাকুর মানো আর কাউকে মানো না;
চরণ জানো তাঁর চলন জানো না।
তাঁর চরণ পূজায় মগ্ন হ'য়ে করো
তাঁর সাথে অন্তহীন ছলনা!
তাই ঠাকুর ছাড়া ঠাকুর আত্মজও মানো না!!

তুমি না গুরুভাই, ইষ্টের পূজারী! 
তবে কেন বাধা দাও ইষ্টকাজে হ'য়ে আনাড়ি!? 
ইষ্ট ছেড়ে অনিষ্টের সাথে করলে ভাব, 
জেনো ইষ্টের সাথে হয় আড়ি!

ইষ্ট তোমার আছেন চেয়ে 
তোমার মুখের পানে, 
অহরহ তোমার বলছে কানে কানে- 
শুনতে কি তুমি পাও?
বৃত্তি স্বার্থের ধান্দায় কেন মগ্ন হ'য়ে ধাও?

ইষ্টের মানুষ হ'য়েও তুমি
কেন কেবল বৃত্তির ফানুস ওড়াও?
আর, ইষ্টের চরণে টাকা ঢেলে
বুঝি পারের কড়ি কিনে নাও?
দাঁড়াও! দাঁড়াও!!
থমকে একটু দাঁড়াও!!!

ইষ্ট পূজার শুধু তুমিই পুরোহিত!?
তুমিই ধারক-বাহক!?
বাকীরা সব বানের জলে ভেসে আসা
নপুংসক?
জেনো আর মনে রেখো
তারা সব ইষ্টপূজার কাঠবিড়ালি
আর কিছু না-হোক।

বুঝলে গুরুভাই!
বাবাইদাদা যার সাথী
হাজার বল তার হাতির!!
ঠাকুর মাথায় নিয়ে সে জ্বালবে, 
জ্বলবে যেন ঝাড়বাতি!!!

কেন্দ্র মানছো না, নির্দেশ মানছো না,
মানছো না বাবাইদাদার আশীর্বাদ;
নিচ্ছো নিজের মতো সিদ্ধান্ত!
কেন্দ্র বিরোধীতার বীজ বপন ক'রে
বলছো, মানুষকে আমরা করছি বিভ্রান্ত!?
( লেখা ২রা ফেব্রুয়ারী'২০১৮)























কবিতাঃ হ'য়ো না বিস্মৃত।

মাঝে মাঝে ভাবি, যদি এমন হয় কখনও
তুমি আছো আমি নেই আর আমি আছি তুমি নেই!
ভেসে যাবো কোন সুদূরে কুল কিনারাহীন মহাসাগরে
হারিয়ে জীবনের খেই!!
চারিদিকে উড়ছে হাজারো ফানুস, মিথ্যের ফানুস
আকাশে বাতাসে উড়ছে, ওড়াচ্ছে মানুষ!
বাজছে চতুর্দিকে মিথ্যে মায়ায় ঘেরা মোহন বাঁশী,
আনন্দে উল্লাসে অট্টহাস্যে মাতাল হাওয়ায়
বাজাচ্ছে শয়তান মিষ্টি হাসি হাসি।
মানুষকে মানুষ ঠকাচ্ছে, করছে প্রতারণা
মানুষকে আমরা করছি অহর্নিশ বিভ্রান্ত।
ঈশ্বর অবিশ্বাসী, নাস্তিক করছে যা'
আমরা ঈশ্বর বিশ্বাসীরাও করছি তা'।
ঈশ্বর পূজা, আরাধনার নামে ভক্ত সেজে
ঈশ্বর বিরোধিতার বীজ ক'রে বপন
নিজেরাই নিজেদের করছি সর্বস্বান্ত!
হে ঈশ্বর পূজারী ভন্ড ভক্ত, সাজা সাধু, সন্ন্যাসী
মনে রেখো, হ'য়ো না বিস্মৃত
শেষের সেদিন কিন্তু ভয়ংকর ভয়াল বিনাশী!!!
( লেখা ২রা ফেব্রুয়ারী'২০২৪)

Saturday, February 1, 2025

কবিতাঃ পদচিহ্ন।

আজকাল মাঝে মাঝে মনে হয়, কে যেন ডাকছে!
মন তা চায় না 
 জানতে, চায় না সে ডাক শুনতে।
তবুও কেন জানি মনে হয়, দ্রুত ছুটে আসে সে সময়
মনে জাগে বড় ভয় পারি না তা কেন জানি গুনতে!
যদি সত্যি আসে সে সময় মেনে নিতেই হবে তা
মনে জাগে ভয়, এছাড়া নেই পথ ভিন্ন! 
খেদ আর আফসোস, রেখে যেতে পারলাম না
শেষে কোনও পদচিহ্ন!!
(লেখা ১লা ফেব্রুয়ারী' ২০১৯)

বিচিত্রা ৯০

ইষ্টপ্রেমের অছিলায় অনিষ্টের সাথে 
করেছো প্রেম, বেসেছো তুমি ভালো। 
তাই তো অন্যের ভালো কাজের মাঝে 
দেখতে পাও তুমি কালো!!

ইষ্টরথের দড়ি ধ'রে মারছো বন্ধু
তুমি হ্যাঁচকা টান!
সাবধান! বন্ধু সাবধান!!
নচেৎ হবেই হবে খানখান!!!

মাথার ওপর আছে্ন দয়াল 
আমার আচার্যদেব সাথে; 
আচার্যদেব বাবাইদাদা রেখেছেন তাঁর হাত 
অধমের এই হাতে! 
ভয় কি বন্ধু আর দুর্যোগের এই রাতে!!

ঠাকুর আমার ধ্যান, 
জেনো ঠাকুর আমার জ্ঞান, 
আমার ঠাকুর আছেন মাথে! 
আচার্যদেব বাবাইদাদা যার সহায়, 
আছে যার সায়!
ভয় কি আর তার থাকে?

সামাল! বন্ধু সামাল!
ইষ্টনিষ্ঠার তুফান ছুটিয়ে ইষ্টকাজে দিচ্ছ বাধা, 
করছো তুমি কামাল। 
শেষের দিনে থাকবে না কেউ পাশে,
বন্ধু, ধরবে না কেউ হাল!

ইষ্টও আছে আবার শয়তানও আছে; 
একই মাথায় দুটোই আছে! 
তাও কি আবার হয়? 
ভাঁওতা দিয়ে ভক্তির গাঁইতি মারো!
করছো নিজেই নিজের ক্ষয়!
( লেখা ১লা ফেব্রুয়ারী' ২০১৮)

সত্য অপ্রিয়। এটা প্রবাদ। জানতাম।
কিন্তু কাদের কাছে?
সত্যের পূজারীদের কাছে! জানলাম।
( লেখা ১লা ফেব্রুয়ারী' ২০২৪)