Powered By Blogger

Tuesday, September 30, 2025

কাজি নজরুল ইসলামের কবিতা।

আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে–

মোর মুখ হাসে মোর চোখ হাসে মোর টগবগিয়ে খুন হাসে
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে।

আজকে আমার রুদ্ধ প্রাণের পল্বলে –
বান ডেকে ঐ জাগল জোয়ার দুয়ার – ভাঙা কল্লোলে।
আসল হাসি, আসল কাঁদন
মুক্তি এলো, আসল বাঁধন,
মুখ ফুটে আজ বুক ফাটে মোর তিক্ত দুখের সুখ আসে।
ঐ রিক্ত বুকের দুখ আসে –
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে!

আসল উদাস, শ্বসল হুতাশ
সৃষ্টি-ছাড়া বুক-ফাটা শ্বাস,
ফুললো সাগর দুললো আকাশ ছুটলো বাতাস,
গগন ফেটে চক্র ছোটে, পিণাক-পাণির শূল আসে!
ঐ ধূমকেতু আর উল্কাতে
চায় সৃষ্টিটাকে উল্টাতে,

আজ তাই দেখি আর বক্ষে আমার লক্ষ বাগের ফুল হাসে
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে!
আজ হাসল আগুন, শ্বসল ফাগুন,
মদন মারে খুন-মাখা তূণ
পলাশ অশোক শিমুল ঘায়েল
ফাগ লাগে ঐ দিক-বাসে
গো দিগ বালিকার পীতবাসে;

আজ রঙ্গন এলো রক্তপ্রাণের অঙ্গনে মোর চারপাশে
আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে!
আজ কপট কোপের তূণ ধরি,
ঐ আসল যত সুন্দরী,
কারুর পায়ে বুক ডলা খুন, কেউ বা আগুন,
কেউ মানিনী চোখের জলে বুক ভাসে!
তাদের প্রাণের ‘বুক-ফাটে-তাও-মুখ-ফোটে-না’ বাণীর বীণা মোর পাশে
ঐ তাদের কথা শোনাই তাদের
আমার চোখে জল আসে
আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে!

আজ আসল ঊষা, সন্ধ্যা, দুপুর,
আসল নিকট, আসল সুদূর
আসল বাধা-বন্ধ-হারা ছন্দ-মাতন
পাগলা-গাজন-উচ্ছ্বাসে!
ঐ আসল আশিন শিউলি শিথিল
হাসল শিশির দুবঘাসে
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে!

আজ জাগল সাগর, হাসল মরু
কাঁপল ভূধর, কানন তরু
বিশ্ব-ডুবান আসল তুফান, উছলে উজান
ভৈরবীদের গান ভাসে,
মোর ডাইনে শিশু সদ্যোজাত জরায়-মরা বামপাশে।

মন ছুটছে গো আজ বল্গাহারা অশ্ব যেন পাগলা সে।
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে!
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে!!----কাজী নজরুল ইসলাম।

বিচিত্রা ১৮৪

সহযোগিতা নেই, নেই কোনও কর্মযজ্ঞ!
আছে বিরোধীতা, আছে সমালোচনা
এরা নাকি ঠাকুর ভক্ত!!
( ২০শে সেপ্টেম্বর'২০১৯)

Mahalaya's call.
Think positive, look positive, Listen positive, 
say & do positive, be positive and finally have positive

মহালয়ার ডাক।
ইতিবাচক চিন্তা করুন, ইতিবাচক দেখুন, ইতিবাচক শুনুন, 
ইতিবাচক বলুন এবং করুন, ইতিবাচক হন এবং ইতিবাচক প্রাপ্ত হন।

অর্থ, মান, যশ ইত্যাদিতে যখন মানুষ শক্তিমান হ'য়ে ওঠে 
তখন ধ্বংসযজ্ঞে মেতে ওঠে তার মন?
( ১লা অক্টোবর'২০২৪)























Sunday, September 28, 2025

উপলব্ধিঃ মার্কিন সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি।

মার্কিন সফরে ভারতকে তুলে ধরতে মোদি নিজেই একমাত্র বক্তা হতে চেয়েছিলেন৷ তাই অরুণ জেটলি, নীতিন গড়করি-সহ মন্ত্রিসভার সাত নেতাকে আমেরিকা যেতে বাধা দেন৷ প্রধানমন্ত্রী চাননি তাঁর সঙ্গে মার্কিন সফরে গিয়ে অন্য কেউ ভারতের নীতি নিয়ে মুখ খুলুক৷ এমনই দাবি করেছেন আমেরিকায় মোদির বিভিন্ন্ অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা৷

যদি এই খবরের কোনও সত্যতা থাকে তাহ'লে বলতেই হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিদ্ধান্ত একেবারেই সঠিক ও যথার্থ। কথায় আছে, 'অনেক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট'। হতে পারে সবাই সন্ন্যাসী কিন্তু কেউ কেউ সন্ন্যাসী নয় কারন সম্যকভাবে ন্যস্ত থাকার নাম সন্ন্যাস আর যিনি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে অর্জুনের মাছের চোখের মত সম্যকভাবে ন্যস্ত থাকেন ও থেকে লক্ষ্য পূরণ করেন তিনিই সন্ন্যাসী। বিদেশে ভারতকে কীভাবে তুলে ধরা হবে সে ব্যাপারে সবাই যদি এক সুরে বাঁধা না থাকে তাহ'লে অঙ্কুরেই বিরাট সম্ভাবনার বীজ নষ্ট হ'তে বাধ্য। আর দেশের মুখ সবাই হয় না, এটা নিয়ে বিতর্কের চেষ্টা মানে ছিদ্রান্বেষির আগমন। আর সবার vision অর্থাৎ দর্শনশক্তি একই label-এর নয়। Faculty of seeing অথবা The power of looking ahead কিম্বা Insight সবার যদি এক হ'ত তাহ'লে ডাল আর চাল-এর আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য হ'ত না, খিচুড়ি হ'য়ে যেত। এটা না বোঝার মত এমন কিছু কঠিন ব্যাপার নয়। আর সংহতিতে ভাঙ্গন ধরাবার কাজ ছেদকের!!!!!!!!!!

এ প্রসঙ্গে শুধু একটাই কথা স্মরণ করা যেতে পারে "হিংসুক জ্বলে পুড়ে মরুক তার হিংসার আগুনে, তুমি ভাই কাজ করে যাও আপন মনে"।
( লেখা ২৯শে সেপ্টেম্বর'২০১৪)

প্রবন্ধঃ ম্যাডিসনে মোদী ম্যাজিক (M3)।

ম্যাডিসন স্কোয়ার নয় যেন ‘মোদীসন’ স্কোয়ার।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী ভারতীয়দের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে উষ্ণ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যায় জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মোদীকে স্বাগত জানানো হয়। মোদীর ভাষণ শুনতে সেখানে সমবেত হয়েছে প্রায় ২০ হাজার মানুষ। অনুষ্ঠানের খরচ হয়েছে দেড় মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ৮০ হাজার লোক অংশগ্রহণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও অত লোকের সমাবেশের জন্য জায়গা না থাকার কারণে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ১০০০ ডলার, ৫০০০ ডলার খরচ ক’রে মানুষ বহু দূর দূর অঞ্চল থেকে এসেছে নরেন্দ্র মোদীর অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। এছাড়াও টাইম স্কোয়ারে রাস্তায় বড় বড় পর্দায় মোদীর ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে। তা ছাড়া নানা প্রান্তে টিভি, ট্যাবলেট, মোবাইলের পর্দায় চোখ রেখেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। মার্কিন আইনপ্রণেতা, তারকা ও যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন ক্ষেত্রে খ্যাতিমান ও প্রতিষ্ঠিত প্রবাসী ভারতীয়রাও উপস্থিত হয়েছেন এই অনুষ্ঠানে। বিশ্বের ৮০টি দেশে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে এই অনুষ্ঠান। ভারতের জাতীয় চ্যানেলগুলিতে সরাসরি দেখানো হয়েছে এই অনুষ্ঠান। প্রায় এক ঘন্টা ভাষণ দেন নরেন্দ্র মোদী।

• গোটা বিশ্ব আসে আমেরিকায়, কিন্তু গোটা বিশ্বে থাকে ভারতীয়রা!
• এ বার সরকার ও সাধারণ মানুষ উন্নয়নের কাজ করবে এক সঙ্গে।
• ভারত গণতন্ত্রের শক্তিতে বলীয়ান, তারুণ্যে উদ্দীপ্ত।
• বড় স্বপ্ন নয়। ছোট ছোট পা ফেলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
• সাপ নিয়ে নয় ভারত ‘মাউস’ নাড়লে সারা দুনিয়া নড়ে ওঠে।
• ভারতের শক্তি ‘থ্রি-ডি’ অর্থাৎ ডেমোক্রাসি, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ও ডিম্যান্ড।
• একবিংশ শতক এশিয়ার।
• একবিংশ শতকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে ভারত।
• দেশবাসীর মাথা নিচু হতে দেব না কখনো।
• দেশের উন্নয়নে কোন খামতি রাখতে দেব না।
• ১০০ কোটির দেশে অনেক চাহিদা জানি। চাহিদা পূরণে কাজ করব।
ভারতীয়রা নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ শুনেছেন আশা করি। শুনেছেন
কি ?????????
ভাষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হ’য়ে গেছে সমালোচনার পালা। নিন্দুকের নিন্দা, হিংসুকের হিংসা, ছেদকের ছিদ্র অন্বেষণ থামিয়ে দেবে কি প্রধানমন্ত্রীর নয়া ভারত গড়ার স্বপ্ন?????????????????
এই প্রসঙ্গে একটাই কথা মনে পড়ে যায়,
“হিংসুক জ্বলে পুড়ে মরুক তার হিংসার আগুনে, তুমি ভাই কাজ করে যাও আপন মনে”।
( লেখা ২৯শে সেপ্টেম্বর'২০১৪)।


বিচিত্রা ১৮৩

আজ প্রতি মুহূর্তে বুঝতে পারি সৎসঙ্গ-এর প্রয়োজনীয়তা!

সৎ-এর সঙ্গ পেয়েও যে নিজেকে 
পরিবর্তন করতে পারে না সৎ-এর পথে 
তার চেয়ে দুর্ভাগা আর কেউ নয়!

সৎসঙ্গে আছি অসৎ-এর হাত ধ'রে
নিজেও মরে পরিবার-পরিজন সহ
অন্যকেও মারে!

সৎসঙ্গ ঠাকুরবাড়ি সম্পর্কে স্ট্রং সেন্টিমেন্ট না থাকলে 
গুরুভাইদের ঠাকুরবাড়ি না আসায় ভালো!

ভন্ডামির চরম উদাহরণ:
ঠাকুর যা ভালোবাসেন না তা করি
আর
যা ভালোবাসেন তা করি না 
অথচ আমি তাঁর ফলোয়ার!

ভন্ডামির চরম নিদর্শন:
শারীরিক, মানসিক সদাচারের লেশমাত্র নেই জীবনে 
আর আত্মিক সদাচার তো দূরের কথা; 
অথচ আমি সৎসঙ্গী!

ভন্ডামির চরম নিদর্শন:
ঠাকুরের কথা বলি কিন্তু তা বিন্দুমাত্র মেনে চলি না, 
চলার চেষ্টাও করি না, ইচ্ছেও নেই, অথচ আমি সৎসঙ্গ

ভন্ডামির চরম নিদর্শন:
ভুল করি, ভুল বলি, ভুল হয় প্রতিমুহূর্তে!
শিক্ষা লাভ করি না, চেষ্টাও করি না, ইচ্ছেও নেই অথচ সৎসঙ্গী।

ঠাকুরের কথা যদি বলি এসো একটু হ'লেও কথাগুলি মানি 
আর যদি একটুও না মানি এসো চুপ ক'রে থাকি!

প্রকৃত সৎসঙ্গী চিনে নিন:
ঠাকুর আদর্শ আর ঠাকুরবাড়ির প্রতি গালাগালি, কুৎসা, নিন্দা, সমালোচনা, অপমান, অশ্রদ্ধা ভক্তের অলংকার!

ঠাকুরের পরম ভক্ত এযুগের হনুমান শ্রীশ্রীবড়দা ও তাঁর পরিবারের প্রতি তীব্র ঘৃণা, কটূক্তি ও সমালোচনাকারীর জিভ পাপে ভারী, 
তারা নরাধম।
( লেখা ২৯শে সেপ্টেম্বর'২০১৯)


























প্রবন্ধঃ কিছু না বলা

Khardaha Satsang Kendra-এর পোস্ট শেয়ার করা নিয়ে প্রতিদিনই ফোনে, ইনবক্সে নানারকম প্রশ্নের মুখোমুখি হ'তে হচ্ছে। তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য হচ্ছে প্রায় একইরকম। তাদের বক্তব্য, আমরা সবাই গুরুভাই, আমাদের মধ্যে এইরকম পরস্পর ঝগড়া বিবাদ হ'লে তো মুশকিল! আমাদের সকলের মিলেমিশে চলা উচিত; আর ফেসবুকে ঠাকুর নিয়ে এইসব ঝামেলা ঠিক নয় ইত্যাদি ইত্যাদি। ফোনে ও ইনবক্সে এত কথার উত্তর দিতে না পারার জন্য এখানে আমি আমার বক্তব্য সবার সুবিধার্থে তুলে ধরলাম।

আপনারা ঠিকই বলেছেন। কিন্তু মানছে কে? আজ ঠাকুরকে সবচেয়ে বদনাম করেছে বা করছে কারা? মুখে বলছে জয়গুরু আর প্রতিমুহূর্তে ঠাকুর আমাদের নোংরা ধান্দাবাজি মানসিকতার জন্য হেরে যাচ্ছে, পরাজিত হচ্ছে, কিন্তু সেদিকে আমাদের কারও নজর নেই। এটা কি আমরা অস্বীকার করতে পারি? বুকে হাত দিয়ে বলুন একজন গুরুভাইবোনও যে ঠাকুর যেমন আমাদের দেখতে চেয়েছেন আমরা তেমন ১০০ভাগের একভাগ হ'য়ে উঠতে পেরেছি? সেই ছোট বয়স থেকে আজ পর্যন্ত বহু মানুষের মুখোমুখি হয়েছি, সৎসঙ্গীদের সঙ্গে বহু অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেছে জীবন, নীরবে লক্ষ্য করেছি সব! মাঝে মাঝে ঠাকুরের নীতিবিধি অনুযায়ী সরব হয়েছি, হওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বেশিরভাগ সময় নীরব কর্মী হওয়ার চেষ্টা করেছি। যাকে যাকেই মনে করেছি ভীষণ ইষ্টপ্রাণ মানুষ, গুরুভাই, গুরুবোন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বার্থের লেজে পা পড়লেই হঠাৎ তাদের বেরিয়ে আসা ভীষণ মুখ ও ব্যবহার দেখেছি! কোথায় তখন সেখানে ঠাকুর ও ঠাকুরের কথা! নাম তুলে ধরলে চমকে উঠবে সৎসঙ্গী সাধারণ গুরুভাইবোন! কিন্তু তা ঠাকুর চান না। তাই থাক সেইসমস্ত নিজেকে সৎসঙ্গের কেউকেটা মনে করা, প্রথিতযশা, সামনের সারিতে থাকা সৎসঙ্গীদের নাম উহ্য!

তাই যারা ঠাকুরকে নিজের রোজগার আর প্রতিষ্ঠার জন্য উপকরণ বানিয়ে নিয়েছে তাদের জয়যাত্রা অব্যাহত গতিতে ছুটে চলেছে। জীবন খুবই ছোট! অল্প কয়েকদিনের সফর! এই অল্প কয়েকদিনের সফরে গুরুভাইবোনরা যদি সত্যি সত্যিই ঠাকুরকে ঠাকুরের ইচ্ছা, ঠাকুরের স্বার্থ নিয়ে জড়িয়ে ধরতো তাহ'লে এই ভয়ঙ্কর দিন দেখতে হ'তো না। কিন্তু কথায় আছে চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী। যাদের কাছে 'টাকা আপন মানুষ পর, যত পারিস টাকা ধর' প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য জীবনে, তাদের কাছে এইসমস্ত নীতিকথা বাল ফেলাইন্না কথা! তারা এসবের কোনও ধার ধারে না, মূল্য দেয় না। তারা সাধারণ সৎসঙ্গীদের সরলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বার্থ সিদ্ধি করে। তাদের বিরুদ্ধে কবে প্রকৃত সৎসঙ্গীরা ঐক্যবদ্ধ হবে? হবে না। সবার একটাই চিন্তা, আমার গায়ে আঁচ না লাগে ফুরিয়ে যাবে মামলা। আর এই ধরণের মানসিকতার অধিকারী 90% গুরুভাইবোন। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগায় সব জায়গায় কালকে দীক্ষা নিয়ে আজকেই ভাতকে অন্ন বলা ভন্ড ভক্তের দল।

তবে ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে! আর ব্যতিক্রম আছে বলেই আজও সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে আর পশ্চিমে অস্ত যায়। ঠিক তেমনি এই ব্যতিক্রম আছে বলেই সারা পৃথিবীতে আজ ছড়িয়ে পড়েছে ও পড়ছে হু হু ক'রে ঠাকুরের বাঁচা-বাড়ার মধুর বাতাস! আপনারা আমার গুরুভাইবোনেরা আমার এসব কথায় মনে অন্য কিছু নেবেন না।
আর, ফেসবুক ঝামেলারই জায়গা। আজ এই স্ট্রং মাধ্যমটা যা পজিটিভ মানুষের বিচরণ ক্ষেত্র হ'য়ে উঠতে পারতো তা হ'লো না পরিবর্তে নেগেটিভ লোকেদের আঁতুর ঘর হ'য়ে দাঁড়িয়েছে।

আর, মুশকিল আসান করে ওগো মানিক পীর! তাই চিন্তা করি না। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, নিজেদের মধ্যে তখনই লড়াই লাগে যখন পক্ষ-প্রতিপক্ষ কপট ও অকপট হয়। আর সেই লড়াই চিরন্তন!
( লেখা ২৯শে সেপ্টেম্বর'২০২০)

Tuesday, September 23, 2025

বিচিত্রা ১৮২

একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আয়ু। 
হয় শয়তানের নতুবা ভগবানের, 
যে কোনও একজনের হাত ধরে 
চলতে হবে পিছু পিছু। 
মাঝামাঝি নেই কিছু।

একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আয়ু। 
শয়তানের দয়া বাঁধভাঙা, 
অকুল দরিয়ায় ভেসে যাওয়া। 
ভগবানের দয়া স্থির শান্ত জলে 
পাড় ছুঁয়ে যাওয়া।

একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আয়ু। 
যদি পুরো আয়ু ভোগ করতে চাও 
কিংবা এক্সটেনশান চাও তাহ'লে
চারপাশের শব্দদূষণ থেকে নিজেকে বাঁচাও।

একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আয়ু। 
যদি সুস্থ ও আয়ু পর্যন্ত থাকতে চাও 
তবে ঘরে বাইরে নেগেটিভ হাওয়া এড়িয়ে চলো 
আর নামের খোলসে ঢুকে যাও।

একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আয়ু। 
এসো তাড়াতাড়ি নিজেকে পাল্টাই, 
ভবিষ্যৎ ভয়ংকর আগুন সময়ের হাত থেকে 
নিজের শিশু সন্তানকে বাঁচাই।
( লেখা ২৪শে সেপ্টেম্বর'২০২৪ )