Powered By Blogger

Wednesday, January 29, 2025

বিচিত্রা ৮৯

সাধ আর সাধ্যের মিলনের রূপ কেমন!?
করুণাময়ী মা রাণী রাসমণি যেমন!!

ধর্ম ব্যবসায়ীদের ধর্ম ব্যবসা আর 
ধর্ম গুরুদের ঈশ্বর সাজা কাদের দয়ায়?
অশিক্ষিত মূর্খ বেকুব ধর্মভীরু দুর্বল মানুষ; 
যারা ডুবে আছে বৃত্তি-প্রবৃত্তির মদিরায়। 
( লেখা ২৯শে জানুয়ারী' ২০১৯)

দয়াল দাও ফিরিয়ে, ফিরিয়ে দাও জীবন!
অলৌকিক লৌকিক হ'য়ে উঠুক বারবার তোমার স্পর্শে,
তোমার দয়ায় নিস্তব্ধ নিথর হ'ক মরণ!!
( লেখা ২৯শে জানুয়ারী' ২০২০)

প্রভু! তোমার চোখের তারা ছাড়া 
আর কিছু নেই এই দুনিয়ায়!
(লেখা ২৯শে জানুয়ারী' ২০২১)

Saturday, January 25, 2025

বিচিত্রাঃ ৮৮

নিজেকে পরিবর্তন করো, 
ঠাকুরের উপস্থিতি ও দয়া 
প্রতি মুহূর্তে অনুভব করতে পারবে।

নিজেকে পরিবর্তন যদি না করো
দয়ালের দয়া থেকে বঞ্চিত হবে।
যদি ঘরের দরজা জানালা বন্ধ থাকে
সূর্যের আলো বাইরেই পড়বে।

আমার সঙ্গে চালাকি করতে পারো 
কিন্তু ঠাকুরের সঙ্গে নয়।
ঠাকুরের সঙ্গে চালাকি করতে গেলে 
বুঝতে পারবে না তাঁর চাল কি!

আমি জীবাত্মা। 
আমি জীবন্ত ঈশ্বরকে চিনতে অক্ষম। 
কিন্তু ঈশ্বর পূজারী মহাত্মারা কেন 
জীবন্ত ঈশ্বরকে চিনতে পারে না? কোথায় ত্রুটি?

যখন গোটা পৃথিবী হিংসার আগুনে জ্বলছে 
তখন নীরবে চোখের জল ফেলছেন পৃথিবীর স্রষ্টা। 
আর, স্রষ্টার অনুগামীরা করছে মারামারি।

"শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি"; 
গোড়া কেটে আগায় জল ঢালার মত যত্ত সব বালখিল্য যুক্তি।

"লড়াই, লড়াই, লড়াই চাই, লড়াই ক'রে বাঁচতে চাই।"
আদর্শহীন বৃত্তি-প্রবৃত্তিতে ডুবে থাকা চরম ভাঙাচোরা জীবন 
কার বিরুদ্ধে লড়বে?

রিপুতাড়িত বৃত্তি-প্রবৃত্তিতে আকন্ঠ ডুবে থাকা জীবাত্মা;
ক্ষমতার লোভ কার নেই?
কে নির্লোভী? কে উদাসীন? কে নিস্পৃহ?

বিবেকহীন ও বর্জিত ব্যক্তিই বেশী বিবেকের ঢঙ্কা বাজায়।
এদের বিবেক ভাসে কথার স্রোতে ও শর্ট কাট করাতে, 
প্রকৃত করার স্রোতে নয়।
( লেখা ২৫শে জানুয়ারী'২০২৫)
























Thursday, January 23, 2025

বিচিত্রা ৮৭

রঘুনাথ! কোথায় তুমি?
দাও গো তোমার চরণ চুমি।
আমার জীবন জুড়ে শুধুই তুমি,
তুমি বিনা আমি নই আমি।
রঘুনাথ! কোথায় তুমি?
আমি তোমার রাধা, তুমি আমার স্বামী,
দু'য়ে মিলে রাধাস্বামী।
(২৩শে জানুয়ারী'২০১৮)

আসুন আলোচনা করি।
বিষয়ঃ 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনি আজ দলীয় স্লোগান!?
উচ্ছৃঙ্খলার আভিধানিক অর্থ কি উৎসাহ!?

প্রাজ্ঞদের আছে আবেদনঃ
আসুন আলোচনা করি।
বিষয়ঃ 'জয় শ্রীরাম ধ্বনি কি অপসংস্কৃতি'!?

জয় শ্রীরাম' কি আজ বাংলায় অচ্ছ্যুত!?
পুরুষোত্তম পরমপিতা শ্রীশ্রীরামচন্দ্র আজ রাজনীতির বোড়ে!?

বিজেপি নেতা শমীকবাবু আপনাকে জিজ্ঞাস্যঃ
নেতাজীর উচ্চতার কাছে পুরুষোত্তম পরমপিতা 
শ্রীশ্রীরামচন্দ্রের উচ্চতা ছোটো!?

জয় শ্রীরাম' ধ্বনি কি কাউকে 
খেপানো ও তাতানোর হাতিয়ার!? 
কি বলেন শ্রীরাম ভক্তরা!?
(২৩শে জানুয়ারী'২০২১)









































প্রবন্ধঃ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের ১২৮তম জন্মদিন।

নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী যেটি পরাক্রম দিবস হিসাবে পালন করা হয়ে থাকে, সেই দিনটিকে স্মরণে রেখে ১২৮তম জন্মদিনে আমি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি ভারতমাতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান নেতাজীকে।

দেশকে ইংরেজদের কবল থেকে মুক্ত করতে স্বাধীনতা আন্দোলনে যােগ দিয়েছিলেন নেতাজী। অল্পদিনের মধ্যেই সুভাষচন্দ্র বসু জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা হয়ে উঠেছিলেন। তিনি দুবার কংগ্রেসের সভাপতিও নির্বাচিত হন। এরপর একবার কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন‌। ইংরেজ সরকার তাঁকে বাড়িতে নজরবন্দি করে রাখার সময় ছদ্মবেশ ধরে পালিয়ে যান তিনি। তখন ১৯৪১ সাল। প্রথমে জার্মানিতে সেখান থেকে পরে জাপান চলে যান। জাপানে রাসবিহারী বসুর সঙ্গে যােগ দিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। সেই প্রথম সকলের কাছে নেতাজি হয়ে উঠলেন সুভাষ। এরপর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বাহিনী নিয়ে উত্তর -পূর্বের মণিপুর দখল করে সেখানে ভারতের পতাকা উড়িয়ে দেন। নেতাজি গঠিত আজাদ হিন্দ সরকারের পতনের পর থেকে তাঁর আর কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কেউ কেউ মনে করেন বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আজও প্রমাণ হয়নি। তাঁর মৃত্যু নিয়ে আজও বিতর্ক হ'য়ে চলেছে। এক রহস্যের ঘোর আঁধার ঘিরে রেখেছে নেতাজির মৃত্যু কাহিনীকে।

আজকের ২৩জানুয়ারী ১২৮তম জন্দিনটিকে 'দেশপ্রেম দিবস’ হিসেবেই পালন করেছে অনেকে। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সুভাষ চন্দ্র বোসের সংগ্রামী, ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শকে আরও বেশি করে স্মরণ করছে বাংলা তথা দেশের মানুষ। কিন্তু দুঃখের বিষয় সুভাষ চন্দ্র বোসের এই "ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র' একটা ভুল ধারণাকে মাথায় নিয়ে আজ স্বাধীনতার পর ৭৮বছর ধ'রে দেশের সমস্ত সরকার ও রাজনৈতিক দল দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছে। তিনি ছিলেন অবিভক্ত ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। যদি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি দেশে থাকতেন এবং দেশ পরিচালনার কাজে যুক্ত থাকতেন তাহ'লে হয়তো বা আজ ৭৮ বছর ধ'রে এই ধর্ম নিরপেক্ষ ভুল শব্দ দেশের মাথার ওপর মুকুট হ'য়ে চেপে বসে অসহ্য এক দমবন্ধকর অবস্থার সৃষ্টি করতো না। হয়তো তিনি এই ধর্ম নিরপেক্ষ মতবাদের অসারতা বুঝতে পারতেন। বুঝতে পারতেন যদি তিনি সেই সময় দেশবন্ধুর মত সর্ব্বশ্রেষ্ঠ জীবন্ত আদর্শ সত্যদ্রষ্টা শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সংস্পর্শে থেকে রাজনীতির ময়দানে বিরাজ করতেন। বুঝতে পারতেন ধর্ম্ম নিরপেক্ষ শব্দটা কেন ভুল, মারাত্মক ভুল। বুঝতে পারতেন, ধর্ম্ম নিরপেক্ষ কথাটার মধ্যে যতটা অস্বচ্ছতা ও ভুলের বীজ লুকিয়ে আছে ততটাই শ্রীশ্রীঠাকুরের বলা 'সম্প্রদায় নিরপেক্ষতা' কথার মধ্যে আছে স্বচ্ছতা ও নিখুঁতের উপস্থিতি। বলা হ'য়ে থাকে রাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি থেকে ধর্ম বিশ্বাসকে সম্পূর্ণ পৃথক রাখার কথা বলেছেন নেতাজি। আরও বলা হ'য়ে থাকে, ব্যক্তিগত ধর্ম বিশ্বাসকে নেতাজি কোনও দিন ধর্মনিরপেক্ষ নীতির উপরে স্থান দেননি। কিন্তু শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ধর্ম ও রাজনীতির সম্পর্কের মধ্যে কোনও ভুল দেখতে পাননি। বরং ধর্ম ও রাজনীতি একে অপরের পরিপূরক। শ্রীশ্রীঠাকুর ধর্ম ও পলিটিক্সের সম্পর্ক সম্পর্কে বলেছিলেন, "আমি ধৰ্ম্ম ছাড়া politics (পূৰ্ত্তনীতি) বুঝি না। ধৰ্ম্ম মানে ধৃতি, বাঁচাবাড়ায় চলা। আর, পলিটিক্স মানে পূর্ত্তনীতি বা পূরণনীতি। ধর্ম্মকে অর্থাৎ বাঁচা-বাড়াকে পরিপূর্ণ করে যা তাই পলিটিক্স, রাজনীতি। ধর্মের মধ্যে পলিটিক্স থাকবে না কেন? বাঁচতে গেলে পরিবেশের দরকার। পরিবেশ বাঁচবে না, আমি বাঁচব, তা' হয় না। তথাকথিত রাজনীতিতে হবে না। প্রকৃত রাজনীতি চাই। প্রকৃত রাজনীতি বা পূর্ত্তনীতি সে-ই করতে পারে, যে খোদাকে ভালোবাসে, prophet (প্রেরিত)-কে ভালোবাসে, প্রেরিতদের মধ্যে ভেদ করে না।

আজও আমাদের দেশের রাজনৈতিক দল ও দেশের সব দলের নেতৃবৃন্দের মুখে শুনতে হচ্ছে ধর্ম্ম নিরপেক্ষ শব্দটা। দেশ স্বাধীন হওয়ার সময়েই শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ধরিয়ে দিয়েছিলেন দেশের সমস্ত বিদগ্ধ ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের সামনে ধর্ম নিরপেক্ষ কথাটা যে ভুল কথা, ভুল ধারণা সে সম্পর্কে। শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছিলেন, ধর্ম্মনিরপেক্ষা কথাটাই ভুল। ধর্ম্ম কখনও নিরপেক্ষ হ'তে পারে না, বরং কথাটা সম্প্রদায় নিরপেক্ষ হ'তে পারে। ধর্ম নিরপেক্ষ কথাটা পরিবর্তে সম্প্রদায় নিরপেক্ষ কথাটা সঠিক ও উপযুক্ত। কিন্তু কেউই শ্রীশ্রীঠাকুরের কথাকে সেদিন আমল দেননি। যদিও ঠাকুরের সঙ্গে দেশের প্রায় সমস্ত শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দেখা করেছিলেন, আলাপ করেছিলেন, শুনেছিলেন বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর মতামত কিন্তু সবই ঐ শোনা পর্যন্ত কিন্তু কেউই আমল দেননি, প্রয়োজন মনে করেননি। শ্রীশ্রীঠাকুরের কথা বাস্তবায়িত করার মত কারোরই ইচ্ছা, আগ্রহ বা যোগ্যতা ছিল না। একটা সূক্ষ্ম ব্যক্তিত্বের ইগো দেওয়াল হ'য়ে দাঁড়িয়েছিল তাঁদের সামনে। শুধু দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন শ্রীশ্রীঠাকুরকে গুরুপদে বরণ করেছিলেন এবং তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হ'য়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করছিলেন, কিন্তু শারীরিক ভাবে অক্ষম হ'য়ে পড়া ও মৃত্যুর কারণে মানুষের অভাবে শ্রীশীঠাকুরের দেশগঠনের সমস্ত পরিকল্পনা বাঞ্চাল হ'য়ে যায়।

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু তিনবার ঠাকুর দর্শনে আসেন। প্রথমবার আসেন I.C.Sপাশ করার পর। ঠাকুর তখন কলকাতাতেই, দ্বিতীয় ও তৃতীযবার আসেন পাবনা সংসঙ্গ আশ্রমে। সুভাষ বসু ঠাকুর দর্শনে পাবনা সৎসঙ্গ আশ্রমে এলে ঠাকুরের অন্যতম ভক্তপার্ষদ পূজনীয় শ্রী সুশীল বসু তাঁকে আশ্রমের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখান। ঠাকুরের মতাদর্শ ও তাঁর পরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নেতাজীর কাছে তুলে ধরেন সুশীলদা। শ্রীশ্রীঠাকুরের সঙ্গে কথা বলার সময় কোথা থেকে দেশের প্রকৃত সেবা করা শুরু করা যায় সম্পর্কে জানতে চাইলে শ্রীশ্রীঠাকুর বিবাহ সংস্কার ও সুসন্তান লাভের জন্ম বিজ্ঞানের কথা তুলে ধরেন। তখন সুভাষ চন্দ্র বোস শ্রীশ্রীঠাকুরের কথায় সম্মত হ'লেও দেশ স্বাধীন করার ক্ষেত্রে এ যে দীর্ঘসময় সাপেক্ষ ব্যাপার তা তুলে ধরেন। তখন শ্রীশ্রীঠাকুর দৃপ্তকন্ঠে বলেছিলেন, - দীর্ঘ সময় তো নেবেই - আমরা তো এতদিন পর্যন্ত জাতির বা সমাজের জন্য কিছুই করিনি। বহু গলদ জমে গেছে। সাফ করতে সময় নেবে বৈকি ? কোন Shortcut Programme (সংক্ষিপ্ত কর্মসূচী) এ জাতির সত্যিকার কল্যান হবে বলে আমার মনে হয় না।

শেষবার যখন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস দেখা করতে এসেছিলেন তখন শ্রীশ্রীঠাকুর দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আর্ত, অর্থাথী, জিজ্ঞাসু ও জ্ঞানী ভক্ত মন্ডলী ও দর্শকবৃন্দ দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিলেন ফলে শ্রীশ্রীঠাকুরের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত স্তরে কোনও কথা হয়নি। নেতাজীকে সেদিন আশ্রমে থেকে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল কিন্তু স্বাধীনতার কারণে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ভয়ঙ্করভাবে জড়িয়ে যাওয়ায় ব্যস্ততার কারণে সেদিন তিনি থাকতে পারেননি। তাঁকে চলে যেতে হয়েছিল। আর তারপর আর কোনোদিনই শ্রীশ্রীঠাকুরের সঙ্গে নেতাজীর দেখা হওয়ার সুযোগ হয়নি। ১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি রাতে কলকাতায় তার এলগিন রোডের বাড়ি থেকে ব্রিটিশদের নজরদারি এড়িয়ে, তার ভাগ্নে শিশির কুমার বসুকে সঙ্গে নিয়ে সুভাষচন্দ্র বসু পালাতে সক্ষম হন। তারা পালিয়ে তৎকালীন বিহার রাজ্যের (বর্তমানে ঝাড়খণ্ড) গোমোহ্‌ রেলওয়ে স্টেশনে (বর্তমানে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু গোমোহ্‌ স্টেশন) পৌছান। তারপরে সব ইতিহাস। ভারত থেকে আফগানিস্তান হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন, সেখান থেকে জার্মানি, তারপরে জাপান সেখানে পুনরায় আজাদ হিন্দ ফৈজের পুনর্গঠন করেন। তারপর বহু জল গড়িয়ে যায়। জাপান আত্মসমর্পণ করে। এরপরের ইতিহাস জানা অজানা নানা ঘটনায় জড়িত ইতিহাস। মোট কথা এর পরে নেতাজীর আর ঘরে ফিরে আসা হয়নি।

যাই হ'ক, আজ নেতাজীর জন্মদিন স্মরণে মনে পড়ে নেতাজী ও শ্রীশ্রীঠাকুরের সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা। মনে পড়ে, দেশের প্রকৃত সেবা কোথা থেকে শুরু করা যায় এ সম্পর্কে জানতে চাইলে শ্রীশ্রীঠাকুর দেশের ও দশের প্রকৃত মঙ্গল কোথায় আছে তার মোদ্দাকথা মানুষের মত মানুষের অভাবের কথা মনে করিয়ে 'বিবাহ সংস্কার ও সুসন্তান লাভের জন্ম বিজ্ঞানের কথা তুলে ধরেন। তখন সুভাষ চন্দ্র বোস শ্রীশ্রীঠাকুরের কথায় সম্মত হ'লেও দেশ স্বাধীন করার ক্ষেত্রে এ যে দীর্ঘসময় সাপেক্ষ ব্যাপার তা তুলে ধরেন। তখন শ্রীশ্রীঠাকুর দৃপ্তকন্ঠে বলেছিলেন, - দীর্ঘ সময় তো নেবেই - আমরা তো এতদিন পর্যন্ত জাতির বা সমাজের জন্য কিছুই করিনি। বহু গলদ জমে গেছে। সাফ করতে সময় নেবে বৈকি? কোন Shortcut Programme (সংক্ষিপ্ত কর্মসূচী) এ জাতির সত্যিকার কল্যান হবে বলে আমার মনে হয় না।

আজ স্বাধীনতার মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া Shortcut Programme (সংক্ষিপ্ত কর্মসূচী)-তে অভ্যস্ত ভারত ও ভারতের নেতৃবৃন্দ, জনগণ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম এইসব কথা শুনতে, বুঝতে ও মানতে চায় না। কেউ চাইলেও বা কোনও রাজ্য চাইলেও বাংলা ও বাঙালী দেশভাগের আগে ও দেশভাগের পরে কোনোদিনই চায়নি। শুনতে, বুঝতে, মানতে চাওয়া তো দূর থাক্তেই দেয়নি কোনও বাংলায়। দুই বাংলার বাঙালী শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সম্মান, মর্যাদা, গুরুত্ব কোনওদিনও দেয়নি, আজও দেয় না। তাঁর নিজের হাতে তিল তিল ক'রে গড়ে তোলা বাংলাদেশের পাবনা হিমায়েতপুরের বিশাল আশ্রম আজও ফিরিয়ে দেয়নি বাংলাদেশের সরকার তাঁর সৃষ্ট সৎসঙ্গ প্রতিষ্ঠানকে। আর, এ বাংলায় বর্দ্ধমান জেলার পানাগড়েও থাকতে দেওয়া দেয়নি শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে।

তাই বোধহয় শ্রীশ্রীঠাকুর চটজলদি Shortcut Programme (সংক্ষিপ্ত কর্মসূচী)-তে অভ্যস্ত বাংলা ও বাঙালী সম্পর্কে বলেছিলেন, "আমার সৎসঙ্গের আন্দোলন বাংলার বুক থেকে উঠবে না, বাংলার বাইরে থেকে উঠবে।" আমাদের মাথায় রাখতে হবে বাংলা বলতে তিনি বাংলার আগে কোনও পূর্ব-পশ্চিম শব্দ ব্যবহার করেননি। বলেছিলেন বাংলার বুক থেকে উঠবে না। আজ ভারতের চারপাশে চোখ মেলে চাইলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়।
নমস্কার, জয়গুরু।

Tuesday, January 21, 2025

শ্রীশ্রীঅবিনদাদার জন্মদিন।

আজ ৫ই জানুয়ারী'২৫ শ্রীশ্রীঅবিনদাদার ২৫তম জন্মদিন।

আজ তাঁর শ্রীচরণে শতকোটি প্রণাম জানাই। পরমপিতার শ্রীচরণে প্রার্থনা করি শ্রীশ্রীঅবিনদাদা যেন সুস্থ, সবল থেকে দীর্ঘ জীবন আজকের মত লক্ষ লক্ষ তরুণ যুবকদের প্রাণে শ্রীশ্রীঠাকুরের আলোয় ঝড় তোলেন ও তাদের বিপথগামী হওয়া থেকে ও হওয়ার পথ থেকে রক্ষা করেন ও শ্রীশ্রীঠাকুরের বাঁচা-বাড়ার পথে চালিত করেন। আজ হাজার হাজার তরুণ তরুণী, যুবক যুবতী তাঁর ২৫তম জন্মদিন পালনে দেওঘরে উপস্থিত, লক্ষ নরনারী তাঁর সঙ্গ লাভে উদগ্রীব।

আসুন আজকের এই পূণ্যদিনে বিশ্বের সমস্ত সৎসঙ্গী যে যেখানে আছি তাঁকে স্মরণ করি ও শ্রদ্ধা, প্রণাম জানাই। আজকে আমি শ্রীশ্রীঅবিনদাদা সম্পর্কে শ্রীশ্রীদাদার কথা স্মরণ ক'রে আমার ভিডিও শুরু করছি। শ্রীশ্রীদাদা একদিন বলেছিলেন, "অবিন আজ তোকে একটা কথা ব'লে যাই। একদিন গোটা ভারতবর্ষের মানুষ ঠাকুর ঠাকুর করবে। সেদিন হয়তো আমি থাকবো না। আমি দেখে যেতে পারবো না। তোর বাবাও হয়তো দেখে যেতে পারবে না। কিন্তু তুই যখন আমার বয়সে আসবি তখন তুই দেখে যেতে পারবি, সমস্ত ভারতের মানুষ ঠাকুর, ঠাকুর করছে।"

আজ আমরা তার নমুনা বা ঝলক দেখতে পাচ্ছি। আজ শ্রীশ্রীঅবিনদাদার ২৫তম জন্মদিন। এই অল্প বয়সেই তিনি কত লোকের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। সমস্ত রাজ্যের সমস্ত সম্প্রদায়ের ছোটোবড়, কিশোর কিশোরী, তরুণতরুণী, যুবক যুবতী, প্রৌঢ় প্রৌঢ়া, বৃদ্ধ বৃদ্ধা কত আর্ত, অর্থার্থী, কত জিজ্ঞাসু, কত জ্ঞানী, পন্ডিত, বিদগ্ধ মানুষ তাঁর কাছে ছুটে আসেন, তাঁর একটু দর্শন লাভের জন্য, তাঁর মুখের একটু কথা শোনার জন্য। আজ দেওঘরের বুকে তাই হ'য়ে চলেছে। কেন ছুটে আসেন তাঁরা? কিসের টানে? কিসের তাগিদে? কেউ তো তাঁদের ডাকেন না। বরং ঠাকুর বাড়ি থেকে বারবার নিষেধ করা হয় স্থান সংকুলানের অভাবে্র কারণে। তবুও তাঁরা ছুটে আসেন, মাঠে ঘাটে, রাস্তায় থাকেন এই শীতে কত কষ্ট সহ্য ক'রে। আর্ত অর্থাৎ পীড়িত, দুঃখিত, কাতর, বিপন্ন ভর্য়াত মানুষ ছুটে আসেন 'মাভৈঃ' ভয় করো না, নির্ভয় হও। ঠাকুর আছেন, তাঁর নাম পেয়েছেন, ভয় কি? ডরো মাত, ডর কিস বাত কি? ঠাকুরজী হ্যাঁয় না! দয়াল প্রভুজী হ্যাঁয় না! ছুটে ছুটে আসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ শুধু ঐ অপূর্ব আলোময়, রূপময়, রসময়, মধুময়, লাবণ্যেভরা সদা হাস্যময় মিষ্টি মুখের ঐ বরাভয় কথা শোনার জন্য। 'মাভৈঃ' ভয় করো না, নির্ভয় হও। ঠাকুর আছেন, তাঁর নাম পেয়েছেন, ভয় কি? ডরো মাত, ডর কিস বাত কি? ঠাকুরজী হ্যাঁয় না! দয়াল প্রভুজী হ্যাঁয় না!
যে দেখেছে, সেই জানে ; যে বুঝেছে সেই বোঝে, বোঝে যার প্রাণ। আজ দয়াল ধাম দেওঘর লক্ষ লক্ষ লোকে পরিপূর্ণ।

শ্রীশ্রীদাদার কথা এর আগে আমি বলেছি আপনারা শুনেছেন। এবার বলি শ্রীশ্রীঅবিনদাদার কথা। শ্রীশ্রীঅবিনদাদা একদিন বললেন, .কি করবো ,কতটুকু করতে পারবো জানি না | তবে আমি বেঁচে থাকতে থাকতে অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে চাই |

শ্রীশ্রীদাদা আর শ্রীশ্রীঅবিনদাদার কথাকে আসুন একটু বিশ্লেষণ ক'রে দেখি এই দুইজনের কথার রসায়ন কি হ'তে পারে। আবার বলি, শ্রীশ্রীঅবিনদাদার পিতামহ শ্রীশ্রীদাদা (শ্রীঅশোক চক্রবর্তী) বললেন, "অবিন আজ তোকে একটা কথা ব'লে যাই। একদিন গোটা ভারতবর্ষের মানুষ ঠাকুর ঠাকুর করবে। সেদিন হয়তো আমি থাকবো না। আমি দেখে যেতে পারবো না। তোর বাবাও হয়তো দেখে যেতে পারবে না। কিন্তু তুই যখন আমার বয়সে আসবি তখন তুই দেখে যেতে পারবি, সমস্ত ভারতের মানুষ ঠাকুর, ঠাকুর করছে।" আর শ্রীশ্রীঅবিনদাদা বললেন, "কি করবো ,কতটুকু করতে পারবো জানি না | তবে আমি বেঁচে থাকতে থাকতে অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে চাই |" শ্রীশ্রীদাদার কথা অনুযায়ী আমরা আজ দেখতে পাচ্ছি ভারতবর্ষের প্রতিটি রাজ্যে আজ সৎসঙ্গের ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে, সমস্ত রাজ্যের সমস্ত সম্প্রদায়ের হিন্দু, মুসলমান, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ইত্যাদি সমস্ত ধর্মের নয়, শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন, সমস্ত ধর্ম কথাটা ভুল, ধর্ম কখনও বহু হয় না, ধর্ম এক, বরং মত, সমস্ত মত, তাই সমস্ত মতের মানুষ আজ শ্রীশ্রীঠাকুরের দীক্ষিত। এর থেকে আমরা ভারতের একটা আংশিক ছবি দেখতে পাই শ্রীশ্রীদাদার কথার সমর্থনে। আর আজ থেকে ৬০ বছর পর যখন অবিনদাদার ৮৫ বছর বয়স হবে সেদিন আমরা পুরো ছবিটা দেখতে পাবো।
আর, শ্রীশ্রীঅবিনদাদা বলেছিলেন, "কি করবো ,কতটুকু করতে পারবো জানি না | তবে আমি বেঁচে থাকতে থাকতে অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে চাই |" এর সমর্থনে বর্তমানে আমরা ভারত ছাড়া, বাংলাদেশ, নেপাল, বার্মা বর্তমানে মায়ানমার, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও আমেরিকাতেও সৎসঙ্গের পাঁচ হাজারেরও বেশি শাখা রয়েছে। আজ থেকে ৬০বছর পরে আমরা শ্রীশ্রীঅবিনদাদার কথার পুরো ছবিটা দেখতে পাবো। সেদিন আমি ও আমার মত বহু সৎসঙ্গীরা থাকবো না সেই দৃশ্য দেখার জন্য। হয়তো বা আবার নোতুন দেহ নিয়ে আসবো সেই দৃশ্য দেখবার জন্য। সৎসঙ্গ যে মূলত একটা আন্দোলন সেই সৎসঙ্গ আন্দোলনে হয়তো বা সক্রিয় ভূমিকা পালন করবো। পালন করবো স্মৃতিবাহী চেতনা নিয়ে।

তাই আসুন এই জন্মে যতদিন বেঁচে আছি স্মৃতিবাহী চেতনাকে স্ট্রং ক'রে তুলি তাঁর নামধ্যানের মধ্যে দিয়ে।

এখন আরও একটা প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই মনে ভেসে আসে। এই যে শ্রীশ্রীঅবিনদাদা বললেন, "আমি বেঁচে থাকতে থাকতে অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে চাই।" এটা কিভাবে সম্ভব হবে? কিভাবে তিনি অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যাবেন? শ্রীশ্রীঠাকুর যেমন তাঁর সময়ের অনেক অনেক আগে এসেছিলেন। তাই তাঁর কথা বুঝতে মানুষের দেরী হচ্ছে। ঠিক তেমনি শ্রীশ্রীঅবিনদাদার পরিকল্পনাও তাই। যা তাঁর অনুগামী এবং অদীক্ষিত যুব সমাজের পক্ষেও বোঝা মুশকিল।
(লেখা ৫ই জানুয়ারী' ২৫)

বিচিত্রাঃ ৮৬

জন্মগত বৈশিষ্ট্য বানায়মুনি শ্রেষ্ঠ বশিষ্ঠ!
বিশিষ্টতাহীন জীবন আনে
চরম অনিষ্ট!!

বৈশিষ্ট্যের ওপর দাঁড়িয়ে সফলতাকে 
করো জীবনে আবাহন;
বিশিষ্টতা লাভে বৈশিষ্ট্যপালী আপুরয়মানকে
করো জীবনে গ্রহণ।

পুরুষোত্তম তিনি, 
বৈশিষ্ট্যপালী আপুরয়মান যিনি। 
ঈশ্বর তিনি, 
পুরুষোত্তম ব'লে যাকে জানি। 
তাই, বন্দে পুরুষোত্তমম!!

তমসার পার হ'তে কে ডাকে আমারে!
বলে, ওরে আয় আয় ছুটে আয়রে!
জীবন মাঝে আঁধার রাতে লাগেই যদি ভয়
আমার পানে চেয়ে চেয়ে তুই দেখরে।

তমসার পার অচ্ছেদ্যবর্ণ মহান পুরুষ 
হন আবির্ভূত ইষ্টপ্রতিকে; 
তাঁকে আর তাঁর কথা ছেড়ে 
যাকেই ধরো আর যাই করো 
নেই মুক্তি ক্ষণিকের!

বৈশিষ্ট্য কি তা জানিই না, 
তাই বৈশিষ্ট্য মানি না।
ফলে বৈশিষ্ট্য পালনের 
অনুশীলন করি না।
অথচ পেতে চাই জীবনে প্রতিষ্ঠা!
বৈশিষ্ট্যপালী আপূরয়মানই যে জীবন্ত ঈশ্বর
তার খবর রাখি না তাই নেই তাঁর প্রতি ভালোবাসা,
নেই কোনও নিষ্ঠা।

জীবন্ত ঈশ্বরকে ক'রে অবহেলা
মূর্তি পূজায় বুঁদ হ'য়ে 
বৈশিষ্ট্যকে মারছো উদোম ঠেলা।
ভাবছো থাকবে সুখে, দুধেভাতে;
নরকপানে ভাসিয়ে জীবন ভেলা।
( লেখা ২১শে জানুয়ারী'১৮)

সৎ পথে না থাকার দায় কার বা কাদের?
যারা অসৎ তাদের একার নাকি যারা অসৎ পথে
চলতে বাধ্য করান বা সাহায্য করেন, তাদের?
( লেখা ২১শে জানুয়ারী'১৯)

কেউ বলে সুখে থাকতে করলে সুমিরণ 
হবে না গো মন উচাটন! 
কেউ বা বলে ভুগতে হবে কর্মফল জনম জনম!! 
কি করি ভেবে পায় না আমার মন!!

কেউ বলে গেলে গয়া কাশী থাকবে হাসিহাসি 
পুরাবে মনের কামনা গো! 
কেউ বা বলে ঘরের মধ্যে ঘর তুলে দয়ালধাম 
হ'লে পরে সব পাওয়া হয় গো!
( লেখা ২১শে জানুয়ারী'২০)










































Monday, January 20, 2025

বিচিত্রা ৮৫

রামকৃষ্ণ উবাচ ও প্রসঙ্গে।

আমি যাবো আর আসবো।'
এটা শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণের উক্তি? 
যদি তা' হয় রামকৃষ্ণ মিশন তা' অনুসন্ধান করেছিল কি?
এটা কি অবনতি?

আমি যাবো আর আসবো'--এই কথাটা কার?
শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণের? '
যাবো আর আসবো' বলতে কতদিন?
অভিধান কি বলে? রামকৃষ্ণ মিশন কি বলে?

"আমি যাবো আর আসবো" 
এই কথা কি শ্রীশ্রীঠাকুর রামুকৃষ্ণ বলছিলেন? 
রামকৃষ্ণ মিশন কি এই কথা বিশ্বাস করে?

শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণের শিষ্যদের গুরু কে? 
শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণ নাকি দীক্ষাদাতা? 
গুরু-শিষ্যের মাঝে দেওয়াল? মিশন কি বলে?

ভগিনী নিবেদিতার গুরু কে? 
শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণ নাকি স্বামী বিবেকানন্দ? 
মিশন কি বলে?

স্বামী বিবেকানন্দ কি কারও গুরু ছিলেন? 
তিনি কি কোথাও ব'লে গেছেন
আমি যাকে দীক্ষা দিলাম আমি তার দীক্ষাগুরু?
( লেখা ২০শে জানুয়ারী'২৪)