Powered By Blogger

Thursday, March 6, 2025

বিচিত্রা ১০৫

হে বিপ্লবী! হে বিজ্ঞানী! 
সমাজ সংস্কারক, মানব দরদী, হে পূজারী! 
মানবজাতি ধ্বংসের তুমিই ঈশ্বর অবিশ্বাসী 
ভয়ঙ্কর আনাড়ি কান্ডারি!
( লেখা ৬ই মার্চ'২০১৮)

টাকা আসবে টাকা যাবে
ধ'রে রাখতে পারবে না
চলন চরিত্র ঠিক না হ'লে
ভোগ করতে পারবে না!

ঠাকুরের বাণী, কথার অনুবাদ, 
ব্যাখ্যা করতে যেও না 
যদি সিদ্ধ না হও।
সিদ্ধ হ'লে কথা যাবে কমে 
সিদ্ধপুরুষ আচার্যদেবের যদি শরণ নাও!

নিজের জীবনটাই ঠাকুরের বাণী, 
কথার মূর্ত রূপ হ'য়ে উঠুক!
আচার্যদেবের সান্নিধ্যে জীবন মাঝে 
সেই বাণী-কথার মর্মার্থের আলো ফুটুক!!

ঠাকুরের বাণী-কথার ব্যাখ্যা করো 
এতবড় পন্ডিত তুমি!?
মনের আয়নায় নিজের জীবন দেখো 
দেখতে পাবে ফাঁকির খনি!!

The greatest phenomenon of the world:
শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।
বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ লজ্জা: 
বাংলা ও বাঙালি! ভাগ্য মন্দ!!

কোনও মন্তব্য করার আগে 
একবার থমকে দাঁড়াও আর 
দেখে নাও, বুঝে নাও
কি বলছো, কাকে বলছো!
( লেখা ৬ই মার্চ'২০১৯)

কবিতাঃ সাহারা!

বিশ্বাস চলে যাচ্ছিলো ধীরে ধীরে
বাসা বাঁধছিল সন্দেহ সমস্ত মন জুড়ে
কোনও কথায় লাগছিলো না আর ভালো
ব'য়ে চলেছি এ জীবন আমি একাকী
জীবনভর দিয়েছি খালি ফাঁকি শুধু মনে হচ্ছিলো।
চারপাশে সবাই ঠিক আমি শুধু বেঠিক
সন্দেহের ঘুণ পোকা খাচ্ছিলো কুরে কুরে।
বিশ্বাস যাচ্ছিলো চলে ধীরে ধীরে।

ঠাকুরের মতো সুন্দর নেই কেউ আর ভুবন জুড়ে!
চেয়ে থাকি শুধু তাঁর নয়নপানে
তৃষ্ণা জুড়ায় আমার শুখা প্রাণে।
তথাপি বিশ্বাস যাচ্ছিলো চ'লে ধীরে ধীরে।

ঠাকুরের কথা, ঠাকুরের বাণী
শুনেছি অনেক, জেনেছি অনেকখানি
পড়েছি রাত্রিদিন, এমন সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ব্যাখ্যা
দেখিনি আর কোথাও তবুও বিশ্বাস হচ্ছিল
ক্ষীণ থেকে ক্ষীণ; আমি অধম, অতি দীন।

চারপাশে যেদিকে যাই, যার পানে চাই
যাকেই করি বিশ্বাস রাজনীতি, শিক্ষা, আইন,
ধর্ম্ম সহ যত অঙ্গনে; মিথ্যা আর ভণ্ডামির
শুনি কোলাহল দিন শেষে প্রাঙ্গনে প্রাঙ্গনে।
সৎ, সততা, সত্য আর সাধুতার মুখোশের আড়ালে
আবডালে অসৎ, অসততা, অসত্য আর অসাধুতা
নটরাজ ভঙ্গিতে সবাই একসাথে নাচে তালে তালে।

এমনি সময়ে যখন চেয়েছি প্রলয়, হ'ক ধ্বংস,
ছারখার হ'য়ে যাক স্বর্গ, মর্ত, পাতাল;
তব সৃষ্টি মাঝে অনাসৃষ্টির কারিগর শয়তান
শিশুপালেদের আর নয় ক্ষমা শতবার
হে দয়াল! হ'ক বিস্ফোরণ, ফেটে চৌচির
হ'য়ে যাক ধরণী, বিলুপ্ত হ'ক তব সৃষ্টি
ঠিক তখনি দয়াল দেখা দিলে মোরে
ভাবী আচার্য মাঝারে আর করিলে শান্ত
মোর অশান্ত দেহ মন আত্মারে!
মধুর হাসিতে জুড়ালে প্রাণ, দিলে ত্রাণ
অবিশ্বাস আর সন্দেহে ক্ষতবিক্ষত আমারে!
মনে হয় যেন ডেকে আমারে বলিলে সযতনে
ছড়িয়ে হাসির ফোয়ারা, আয় মোর কাছে
অবিশ্বাস আর সন্দেহ কেন করিস মিছে
আমি তো রয়েছি তোর অন্ধকার মাঝে সাহারা।
হে দয়াল! সত্য আজ তোমা কথন
রেত শরীরে সুপ্ত থেকে জ্যান্ত তুমি হে পুরুষোত্তম!!
( লেখা ৬ই মার্চ'২০২৩)

Tuesday, March 4, 2025

বিচিত্রা ১০৪

বিপ্লব, বিদ্রোহ, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ 
কবিতায়, গল্পে, উপন্যাসে। 
কাল্পনিক অত্যাচারে সাজছো 
ক্ষতবিক্ষত সাজে বিপ্লবী হাসি হেসে!

বৃথা হ'ল এ জন্ম তোমার, ব্যর্থ হ'ল এই সফর।
বিধির বিধান বুজলি না তুই রাখলি না তার খবর;
বিধাতার সাথে করছো বেইমানী তুমি জবর!!

মানুষ তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পারো,
খেলতে পারো এ বিশ্ব লয়ে,
তুমি ক্ষুদ্র শিশু আনমনে!
কিন্তু খবরদার, বিরাট শিশু হ'তে যেও না।

খেলিছো এ বিশ্ব লয়ে 
ক্ষুদ্র মানব শিশু হীনমনে।
প্রলয় ধ্বংস তব পুতুল খেলা
গরজনে বিশু গরজনে।

শীর্ণ দেহ আবাসে 
তুমি মগ্ন বৃত্তি বিলাসে!
ভাঙ্গিছ গড়িছ নীতি ক্ষণে ক্ষণে
গরজনে বিশু গরজনে।

দীক্ষা শিক্ষা শাদি খেলনা তব হে উদাসী
পড়িয়া আছে ফাটা পায়ের কাছে জ্ঞান রাশি।

অনিত্য তুমি হে অনুদার 
সুখে-দুখে ব্যভিচার।
হাসিছ খেলিছ তুমি রিপু সনে
গরজনে বিশু গরজনে।
(লেখা ৪ই মার্চ'২০১৮)























































Sunday, March 2, 2025

বিচিত্রা ১০৩

বৃত্তি সুখে মাতাল হ'য়ে আছো তুমি বিন্দাস।
রিপুর তালে তাল মিলিয়ে ছুটছো বন্ধু, জিন্দা যেন লাশ!
এর পরেও করছো তুমি তাঁর আশীর্বাদের আশ!?

(লেখা ২রা মার্চ'২০১৮)

বন্ধু! ভুলে যেও না তোমার অউকাত।
অউকাত ভুলে দিয়ে লম্ফ মারছো ঝম্প;
কাল কবলের জাঁতাকলে হবেই
হবে কুপোকাৎ।

গুরুজনে শ্রদ্ধা করে না যে জন 
করে না সম্মান তাঁরে;
অশ্রদ্ধার বিষ বাষ্পে মরে সে
আর
মারে বংশ উজার ক'রে।প্রবি

বুকের মধ্যে অশ্রদ্ধার করছো চাষ, 
অনবরত হিংসার ফুল ফোটাচ্ছো মনে! 
হুল ফুটিয়ে ঢালছো তীব্র বিষ আর 
দিচ্ছো জয়ধ্বনি গুরুর নামে?

শব্দ নিয়ে করছো জাগলিং, 
দেখাচ্ছো প্রেম পীরিতের খেলা! 
কবিতায় তুলছো প্রেমের তুফান 
অন্য কথা কিন্তু জীবন তোমার 
বলছে শেষবেলা!!
( লেখা ৩রা মার্চ'২০১৮)































Saturday, March 1, 2025

বিচিত্রা ১০২

এখনও সময় আছে বাঁচতে যদি চাও, 
পরিবার বাঁচাতে যদি চাও 
দয়ালের দরবারে কপটতা ও 
মিথ্যার আশ্রয় ত্যাগ করো।

কাকে করবো বিশ্বাস? 
কার প্রতি রাখবো আস্থা?
কোথায় নেবো নিশ্বাস? 
কার উপর ভরসা?

শয়তান অত্যাচারীর প্রধান পৃষ্টপোষক ভীষ্মেরা। 
আর সাধারণ জনগণ তাদের দাবার বোড়ে।
তাই Vox populi vox dei অর্থাৎ
জনগণের বাণী ঈশ্বরের বাণী হ'তে পারে না; 
কথাটা ভুল।

গুরুর জয় নিশ্চিত হ'ক।
এই শপথ নিয়েই আমরা যেন একে অপরকে
'জয়গুরু' বলি সৎসঙ্গীরা; নতুবা নয়।
( লেখা ১লা মার্চ' ২০২৪)

উন্নতি-দুর্নীতি এখন হাত ধরাধরি ক'রে চলে!
সততা-অসততা একসঙ্গে ডানা মেলে ওড়ে!!
উন্নতির আড়ালে দুর্নীতি!?
সততার পোশাকে অসততা!?

তোমার মাথার সামনে যারা আছে বসে
তারা থাকুক বসে সেথায়;
বসতে দিও আমায় প্রভু তোমার পায়ে
জীবন আছে যেথায়।

দোল মানেই গন্ডগোল আর 
হোলি মানেই বলি?
চোরের মায়ের বড় গলা;
শালা, চলছে দলাদলির দালালি!

কাল ছিল দোল আর আজ হোলি;
ভোজনানন্দে মেতে সবাই ভজনানন্দ হলি!?
শাবাশ! বন্ধু শাবাশ!!
এই না হ'লে আবার
ঠাকুর প্রেমী হ'লি!?

তুমি আসো, আসো বারবার,
এবার লীলা তোমার অতীব চমৎকার!
আচার্য পরম্পরা মাঝে খেলছো তুমি প্রভু,
খেলছো অনিবার!

ধর্ম কাকে বলে তা' আমি জানি না।
জানি শুধু এটুকুই ঈশ্বর, 
তোমার জীবন্ত উপস্থিতি ছাড়া
আর কিছুই মানি না।

আমি ধর্ম পালন করি।মানে,
রক্তমাংস সংকুল আমান ঈশ্বর
তোমার চলন বুকে ধরি।

জীবন একটাই কিন্তু
তাই, মরার আগে মরছো কেন বারবার?
বৃত্তি সুখের উল্লাসে মন
কেন ছুটছে দুর্নিবার!?

আমি ধর্ম বুঝি তাই ঈশ্বর আর আমার মাঝে
কিছুই আর নাই
জীবন জুড়ে শুধুই তুমি যেদিকে তাকাই।

হাত বাড়ালেই ভেবেছিলাম নাড়ু পাবো
তাই বাড়িয়েছিলাম হাত;
বিশ্বাস ক'রে গেলাম ঠ'কে বন্ধু 
মারলে পাছায় লাথ,
করলে মাথায় পদাঘাত!

তাঁর ইচ্ছায় আমার ইচ্ছা,
নিজের ইচ্ছা কিছু ছিল না।
তাঁর ইচ্ছার মাঝে তোমার
ইচ্ছার চালালে কোদাল 
শাবাশ বন্ধু ! শাবাশ!!
নেই তার কোনও তুলনা।

আজ রঙের নেশায় নাকি
সুরার নেশায় মাতাল,
কোন নেশায় ছিলে মাতাল বন্ধু?
বিশ্বপিতার জন্মদিনে হ'লে পার
বৃত্তি-প্রবৃত্তির মহাসিন্ধু!

তাঁর কাজের তরে বাড়িয়েছিলাম হাত,
চেয়েছিলাম সাহায্য।
সাহায্য তো দূরের কথা,
পাইনি সহানুভূতিটুকুও;
পেয়েছি শুধু আচরণ অন্যায্য।
( লেখা ২রা মার্চ'২০১৮)






















































































































আলোচনার টেবিলঃ ২ নাথ সম্প্রদায়।

পদবী যখন নাথ' এই নামে একটা লেখা পড়েছিলাম ফেসবুকে। পরে দেখলাম লেখাটা আবার ডিলিট ক'রে দিয়েছে। ঠিক বুঝলাম ব্যাপারটা কি। লেখাটাতে ছিল নাথরা আদিতে খাঁটি ব্রাহ্মণ ছিল। সত্য মিথ্যা জানি না। হ'তে পারে। তবে মনে কিছু প্রশ্ন জাগার জন্য এই লেখা লিখলাম।

তাহ'লে নাথরা যদি আদি ব্রাহ্মণ হ'ন তাহ'লে নাথ উপাধি কে দিয়েছিল বা কোথা থেকে এলো? আর ঐশ্বরিক দানটাই বা কি? আকাশ থেকে ঝ'রে পড়া বৃষ্টির মত কিছু? আর নাথদের এই ফেলে দেওয়া পৈতার ওজন সব মিলিয়ে যদি প্রায় সারে ৭৪ মণ হয় তাহ'লে ১ মণ প্রায় ৩৭.৩২ কিলোগ্রাম এর সমান হ'লে ৭৪মন= ২,৭৬১.৬৮ কেজি। তাহ'লে বল্লাল সেনের আমলে নাথ ব্রাহ্মণ যারা ছিল তাঁরা যে সে ব্রাহ্মণ নয় একেবারে খাঁটি আদি ব্রাহ্মণ, যোগী ব্রাহ্মণ ছিল; বল্লাল সেনের দেওয়া উপাধি আল, বাল, ছাল চাটার্জি, ব্যানার্জি, আচার্য, ভট্টাচার্য ব্রাহ্মণ ছিল না; কি বলেন? তাহ'লে নাথেরা কি ঐশ্বরিক দানপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণ ছিল? আর বল্লাল সেনের মতো মানুষের যিনি গুরু ছিলেন তিনি কেমন ঐশ্বরিক দানপ্রাপ্ত গুরু ছিলেন যিনি শিষ্যের মায়ের অন্তেষ্টিক্রিয়ার কাজ করতে রাজি হননি কিংবা শিষ্যকে বোঝাতে সমর্থ হননি তাঁর অসুবিধার কথা? আর, বল্লাল সেনই বা কেমনতর কতবড় ভয়ংকর শয়তান শিষ্য ছিলেন (যদি সত্য হ'য়ে থাকে ইতিহাস) যিনি সামান্য কারণে এতবড় হত্যালীলা চালাতে দ্বিধা করেননি এবং হাত কাঁপেনি! বল্লাল সেনের রাজত্বে বল্লাল সেনের গুরু পীতাম্বর নাথ যদি আদি ব্রাহ্মণই ছিলেন তা তিনি বল্লাল সেনের চরিত্র জানতেন না এবং সংশোধনের চেষ্টা করেননি? বল্লাল সেনের গুরু আদি ব্রাহ্মণ পীতাম্বর নাথের ঈশ্বর সাধনা, যোগ সাধনার ফলে প্রাপ্ত শক্তির কোনও প্রভাবই বল্লাল সেনের ওপর পড়েনি? গুরুশিষ্যের মধ্যে কি কোনও যোগাযোগ, কোনও সম্পর্কই ছিল না? আমাদের বর্তমান ঋত্ত্বিকদের মতো অবস্থা।
নাথ ব্রাহ্মণদের ফেলে দেওয়া পৈতের ওজন যদি মোট ২,৭৬১.৬৮ কেজি হ'য়ে থাকে তাহ'লে তাঁরা তো সংখ্যায় কম ছিলেন না? একটা পৈতের ওজন হিসেব করলেই মোট ২,৭৬১.৬৮ কেজি ওজনের পৈতে অনুযায়ী নাথ ব্রাহ্মণদের সংখ্যা বেরিয়ে যাবে। তাহ'লে তখন কি তাঁরা আদি ব্রাহ্মণ হ'য়েও ব্রহ্মজ্ঞানের মাধ্যমে রাজার মানসিক অবস্থা ও দেশের ভবিষ্যৎ আঁচ করতে পারেননি? সংখ্যার দিক দিয়ে বলশালী হ'য়েও নিজেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারেননি? তাহ'লে কি তা শুধু কোয়ান্টিটিই ছিল, কোয়ালিটিতে জিরো ছিল? এর থেকে কি বোঝা যায়? ব্রাহ্মণ শব্দের যে অন্তর্নিহিত অর্থ সেই অন্তর্নিহিত অর্থানুযায়ী ব্রহ্মজ্ঞান অর্থাৎ বৃদ্ধির জ্ঞান, বৃদ্ধির জ্ঞানের যে অসীম গুণাবলী তাদের রক্তের মধ্যে ছিল না। পোলট্রির মুরগীর মতো শোধবোধহীন ছিল? অস্তিত্বকে রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্য হুঁশ সেই হুঁশ তাদের ছিল না অথচ তাঁরা সমাজের মাথার ওপর বসে আদি ব্রাহ্মণ আখ্যা নিয়ে বসেছিল? নিজের পায়ের ওপর দাঁড়ানো বা নিজস্ব কোমরের জোর তাদের ছিল না? পরনির্ভরশীল পরগাছার মত পূজার্চনা ও যোগ সাধনার নামে শুধু নিম্ন বর্ণের মানুষের রক্ত শুষে খেত? তাদের কোনও আলাদা আইডেন্টিটি ছিল না? যদি তাই হ'য়ে থাকে তাহ'লে বল্লাল সেনের মত স্বৈরাচারী মনোভাবের লোকেরা অত্যাচার চালাবে এ তো স্বাভাবিক। এই যে আজ নিম্ন বর্ণের লোকেরা উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণদের ওপর এত ক্ষিপ্ত তার কারণও তো সেই স্বৈরাচারী অত্যাচারী অহংকারী অজ্ঞানী লোভী কামুক পৈতে, তিলক, শিখা, জটা সর্ব্বস্ব বিশৃঙ্খল চরিত্রের কারণেই। তাই না? স্বাভাবিকভাবেই প্রকৃতির নিয়মেই ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া হবেই। এবং তা হ'য়ে এসেছে যুগ যুগ ধরেই আর হ'য়েও যাবে যতদিন সৃষ্টি থাকবে ততদিন। যতদিন পর্যন্ত মানুষ না সচেতন হয়, আলস্য, অবসাদ, অজ্ঞানতার ঘুম ভেঙে জেগে না ওঠে। গুণ ও কর্ম অনুযায়ী প্রতিটি রঙের অর্থাৎ বর্ণের মানুষকে নিজ নিজ জন্মগত বৈশিষ্ট্যের ওপর দাঁড়িয়ে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে এবং পারিপার্শ্বিককে নিজের স্বার্থজ্ঞানে সেবা দিতে হবে অর্থাৎ সত্য সম্পর্কে পরিবেশের প্রতিটি মানুষকে অবহিত করাতে হবে। তবে বল্লাল সেনের মতো শাসকেরা বুঝতে পারবে, সচেতন হবে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে।
( লেখা ১লা মার্চ'২০২৪)

বিচিত্রা ১০১

এ কিসের ইঙ্গিত!?
পরিবারের সবাই মিলে দয়ালের দরবারে শয়তানি!!!!

দয়ালের দরবারে বসে দয়ালের সঙ্গে চালাকি!?
সেদিন আর দূর নয় নিয়তির ভয়ংকর হাসি
সাথে থাকতে হবে একাকি! সাবধান।

এতবড় মানুষ গিরগিটি!?
যা দেখে ভয় পায় স্বয়ং গিরগিটি!?


দয়ালের দরবারে খেলছো তুমি
ক্ষমতা দখলের নোংরা বিষাক্ত খেলা!?
বন্ধু! গুরুভাই!!
ভয়ংকর ভবিষ্যৎকে পাও না ভয়!?
যায় যে ব'য়ে বেলা!

ভালোবাসাকে দুর্বল মনে করো?
মনে করো, যে ভালোবাসে সেটা তার দায়?
তোমার অহঙ্কার আর ঔদ্ধত্বের সীমা নাই! হায়!!

দয়ালের দরবারে বসে যারা
বেঈমানি, নেমকহারামি, অকৃতজ্ঞতার চাষ করে
তাদের রক্তের দোষ না থাকলে সম্ভব নয়।
জৈবী সংস্থিতিতে ত্রুটি।
( লেখা ১লা মার্চ' ২০২১)


















































































.