Powered By Blogger

Tuesday, September 3, 2024

প্রবন্ধঃ রক্তের খেলা ও পশু হত্যার আনন্দ............

সুকৃতি সুন্দর দা একটা পোষ্ট করেছেন আর সেই পোষ্টের বিষয় নিয়ে শুরু হ'য়ে গেছে নানা মন্তব্য। কেউ বলছেন, ভুল লিখেছে, কেউ এই মন্তব্যকে ঢিল মারার সঙ্গে তুলনা করেছেন, বলছেন পশুরা অভিশাপগ্রস্থ, কোরবানির মধ্যে দিয়ে মুক্তি ঘটে, পূর্বপুরুষের রীতি রেওয়াজ, কেউ বা বলছেন, হত্যা আর জবাই এক নয়, পশু জবাই করায় নাকি স্রষ্টার কিছু যায় আসে না; এটা নাকি একটা আনন্দের মাধ্যম!!!!! কেউ আবার সুকৃতিকে অজ্ঞ ব'লে ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন, অন্যের বিশ্বাসকে কটুক্তি করা হয়েছে ব'লে মনে করছেন। কেউ বা মনে করছেন কুরবানি নিয়ে সুকৃতি সুন্দরের কোনও মন্তব্য করার অধিকার নেই বরং মন্তব্য পরিহার করার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং বলেছেন ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করার আগে আরও বেশী সচেতন হ'তে হবে সুকৃতি সুন্দরকে। অনেকে আবার সুকৃতি সুন্দরের এই কুরবানি নিয়ে মন্তব্য করাকে বাড়াবাড়ি ব'লে মত প্রকাশ করেছেন। আবার অনেকে সুকৃতিকে সমর্থন ক'রে বক্তব্য রেখেছেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে সুকৃতি কি এমন মন্তব্য করেছিল যার জন্য এমন শোরগোল পড়ে গেল!? তার বক্তব্যের বিষয় ছিল 'রক্তের খেলা ও পশু হত্যার আনন্দ বন্ধ হ'ক'। তাই এই বিষয় যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী মনে হওয়ায় সুকৃতি সুন্দরদার পোষ্ট শেয়ার করলাম ও নিজের মত জানালাম।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে সুকৃতি সুন্দর কিসের বিরোধিতা করেছেন? কুরবানির নাকি কুরবানির নামে পশু হত্যার? সুকৃতির বক্তব্য বিষয় পড়ে এটা পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে যে সুকৃতি সমস্ত রকম রক্তের খেলা বন্ধ করার কথা বলেছেন এবং বলেছেন এই খেলার মাধ্যমে আনন্দ লাভ বন্ধ হ'ক সমস্ত দেশেই মায় পৃথিবীতে। এটা থেকে পরিস্কার বোঝা যায় যে সুকৃতি শুধু মুসলিম ধর্মের এই প্রথার বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছেন তাই নয় তিনি সমস্ত পৃথিবীতে যত ধর্ম আছে আর সেই ধর্মের নামে পশু হত্যার বিরুদ্ধে বলেছেন; আর এর মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই তার হিন্দু ধর্মও এসে পড়েছে এবং তাকে তিনি এড়িয়ে যাননি।। কুরবানির পশু হত্যার মধ্যে দিয়ে যদি নৃশংসতা, ভয়ংকরতা, অমানবিকতা ফুটে ওঠে তাহ'লে একথা কোনওভাবেই অস্বীকার করা যায় না যে সুকৃতির হিন্দু ধর্মে এই পশু হত্যার ভয়াবহতা, নির্মমতা, নৃশংসতা, বর্বরতা, অসভ্য জংলী সভ্যতা কোনও অংশে তো কম নয়ই বরং আরও বহুল পরিমাণে উৎকট ও বীভৎসভাবে প্রতীয়মান যা কিনা মানব সভ্যতার পক্ষে চরম পাপ এবং বিধাতার বিধানে ঘোরতর ক্ষমাহীন অপরাধ। আর এই বিধাতার বিধান শুধু হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ বা আর যেই ধর্মের হ'ক না কেন আলাদা আলাদা নয়। তিনি এক ও অদ্বিতীয় এবং তাঁর বিধানও এক ও অদ্বিতীয়; একথা যেন আমরা ভুলে না যাই কিম্বা বৃত্তি-প্রবৃত্তির স্বার্থে, চুলকানিতে, সুড়সুড়িতে নানারকম কথার মারপ্যাঁচে ধর্মীয় আইন-কানুন কিম্বা বিধান দেখিয়ে এবং বিধাতাকে সাক্ষী রেখে যেন কোনও শক্তিশালী অজুহাতের সৃষ্টি ক'রে অজুহাতের সৃষ্টিকর্তা হ'য়ে না বসি। এরকম নতুন নতুন নিজের নিজের বিশৃঙ্খল, উচ্ছৃঙ্খল, অদূরদর্শী, অল্প ও আধাজ্ঞানী ধান্দাবাজি জন্ম বিকৃত বৃত্তি-প্রবৃত্তির স্বার্থে উন্মাদ স্বঘোষিত সৃষ্টিকর্তারা নিজের নিজের সম্প্রদায়, নিজের নিজের জাত ও নিজের নিজের ধর্ম ইত্যাদির মধ্যে সাম্প্রদায়িক, বজ্জাতি ও অধর্মীয় আচরণের সৃষ্টি ক'রে নিজেরাই স্বঘোষিত সৃষ্টিকর্তা হ'য়ে বসে গেছে। স্বয়ং ঈশ্বর মানুষের রূপ ধ'রে মানুষের মাঝে বারবার নেবে আসা সত্তেও এইসমস্ত ভন্ড ও কপট ইশ্বরপ্রেমী মানুষেরা ঈশ্বরের সঙ্গে বেইমানি ক'রে চলেছেন চার অক্ষর মানুষদের সাহায্যে। এছাড়া স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে, স্বার্থ পোষণ পায় তেমনি বৃত্তি-প্রবৃত্তিতে আপাদমস্তক ডুবে থাকা সীমাহীন ভাঙাচোরা তথাকথিত শিক্ষিত মানুষের দ্বারা ঈশ্বর প্রেরিত অবতারের ধর্ম্মগ্রন্থের ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ ও মূল গ্রন্থের অনুবাদ সমস্যাকে আরও জটিল ও রহস্যঘন ক'রে তুলে ধর্মকে, সম্প্রদায়কে, জাতকে ঘেঁটে ঘ ক'রে দিয়েছে। প্রায় সময় অনেককে বলতে শুনি, 'ধর্ম যার যার দেশ সবার'। এটা যে কত বড় ভুল আজও আমরা তা ভেবে দেখিনি। আমরা আজও দেখি ধর্ম নিয়ে মারামারি, কাটাকাটি, খুনোখুনি। এইখানে এই কমেন্টের মধ্যেও অনেককে বলতে দেখলাম----সে হিন্দু, মুসলমান যে সম্প্রদায়ের হ'ক না কেন----অন্য ধর্মের ব্যাপারে নাক না গলাতে। যেন ধর্ম এবং ঐ ধর্মের প্রবক্তা ঐ ধর্মের লোকেদের একচেটিয়া পৈতৃক সম্পত্তি আর ঐ একই কথারই পুনরাবৃত্তি, 'ধর্ম যার যার দেশ সবার'। মনে হয় যেন রামায়ণ, মহাভারত, কোরান, বাইবেল, ত্রিপিটক, চৈতন্য চরিতামৃত, কথামৃত, সত্যানুসরণ এই সমস্ত গ্রন্থ সেই সেই ধর্মের অনুগামীদের পৈতৃক সম্পত্তি!


The greatest phenomenon of the world SriSriThakur Anukulchandra-এর কাছে এসে জানলাম, "ধর্ম কখনও বহু হয় না, ধর্ম্ম একই আর তার কোন প্রকার নেই। মত বহু হ'তে পারে, এমনকি যত মানুষ তত মত হ'তে পারে, কিন্তু তাই ব'লে ধর্ম্ম বহু হ'তে
পারে না। হিন্দুধর্ম, মুসলমানধর্ম্ম, খৃস্টানধর্ম্ম, বৌদ্ধধর্ম্ম ইত্যাদি কথা আমার মতে ভুল, বরং ও-সবগুলি মত। কোনও মতের সঙ্গে কোনও মতের প্রকৃতপক্ষে বিরোধ নেই, ভাবের বিভিন্নতা, রকমফের-----একটাকেই নানাপ্রকারে একরকম অনুভব। সব মতই সাধনা বিস্তারের জন্য, তবে তা' নানাপ্রকারে হ'তে পারে। আর, যতটুকু বিস্তারে যা' হয় তাই অনুভতি, জ্ঞান। তাই ধর্ম্ম অনুভুতির উপর।"


এবার আমরা যদি এই অনুভূতির উপর দাঁড়ায় তাহ'লে কি দেখতে পাবো? দেখতে পাবো এই ধর্মের নামে পশু হত্যা সম্পর্কে সুকৃতি সুন্দর যা বলেছেন এবং তার উত্তরে যে বা যারা যারা পক্ষে ও বিপক্ষে যে মত প্রকাশ করেছেন তাতে এই 'অনুভূতির' ব্যাপারটাই তীব্রভাবে স্পষ্ট হ'য়ে উঠেছে। সুকৃতি সুন্দর তাঁর মন্তব্যে এই 'অনুভুতি'কেই প্রাধান্য দিয়েছেন এবং আরো কয়েকজন এই একইভাবে তাদের মন্তব্যে 'অনুভূতি'র পক্ষেই জোরালো সওয়াল করেছেন। কিন্তু যারা এর বিরোধিতা করেছে তারা প্রকৃত পক্ষে ঐ অন্ধকার বস্তাপচা হাজার হাজার বছরের পুরোনো ট্রাডিশান 'বলি বা কুরবানি'র ভুল অর্থের পূজারী। মিথ্যাকেই তারা সত্য ব'লেই জেনেছে। 'কি 'বলি', কেন 'বলি' বা কুরবানি কি?' এই সমস্ত অর্থের গভীরে যাওয়ার ক্ষমতাই নেই। এই ধর্ম্মের নামে পশু হত্যা সম্পর্কে ও পশু হত্যার বিরুদ্ধে সমস্ত মনিষীরাই জোরালো প্রতিবাদ ক'রে গেছেন; কিন্তু ধর্মীয় কুসংস্কার ও কপট মানুষেরা দুর্বল মানুষকে, ভীরু মানুষকে, অজ্ঞ ও মূর্খ মানুষকে, লোভী মানুষকে আচ্ছন্ন ও ভীত, সন্ত্রস্ত ক'রে রেখেছে। সমস্ত সম্প্রদায়ের এই আছন্ন ও ভীত সন্ত্রস্ত মানুষেরা মনে ক'রে তাদের ধর্ম্মের (?) ঈশ্বর প্রেরিত পুরুষ ও তাঁদের মুখ নিঃসৃত বাণী উভয়ই তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি; তাঁদের ধর্ম্মের (?) মানুষেরা ছাড়া আর কারও কোনও অধিকার নেই এই সম্পত্তিতে। আর এদের জন্যই ঈশ্বর প্রেরিত পুরুষ স্বদেশে কলঙ্কিত, লাঞ্ছিত ও অপমানিত হন এবং শয়তান পুজা পান ও মানুষ সীমাহীন দুঃখকষ্ট ভোগ করে। প্রবি।

( লেখা ৪ই সেপ্টেম্বর'২০১৭)


Adv Sukriti Sundar Mondal

September 3, 2017 ·

চলছে রক্তের খেলা। সারা দেশ জুড়ে পশু হত্যার আনন্দ। আর, এ পশু হত্যা হচ্ছে, হত্যাকারীদের সৃষ্টকারীর সন্তুষ্ট লাভের জন্য।
অন্যকে হত্যা করে কি করে আনন্দ করা যায়?
একটা দীর্ঘ নীঃশ্বাস ছাড়া আর কিছুই বলার নাই!
বন্ধ হোক সব রক্তের খেলা, তা মায়ানমার, বাংলাদেশ, আফগানিস্থান, সিরিয়া, ভারত, ইরাক সব খানে।

খোলা চিঠিঃ বাচ্ছু কীর্তনীয়াদাদাকে ২য় খোলা চিঠি।

আপনার প্রথম পোষ্টের স্বপক্ষে সাফাই স্বরুপ আপনার দ্বিতীয় পোস্ট পড়লাম। আপনার প্রথম পোষ্টে সৎসঙ্গ জগতের গান সংক্রান্ত আপনার ব্যক্তিগত মতকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দ্বিতীয়বার আরও মজবুত ক'রে বিরুদ্ধতার কলম ধরলেন প্রকাশ্যে এবং আপনার বিরুদ্ধ মতকে ছক্কা মেরে উড়িয়ে দিলেন। তাই আমিও আপনার প্রকাশ্যে কলম ধরার জন্য ও আপনার বক্তব্যকে খন্ডন করার জন্য এবং আপনার মহানুভবতার প্রকাশ্য প্রচারকে সামনে তুলে ধ'রে বর্তমান সৎসঙ্গ ধারার বিরোধিতার বিরুদ্ধে কলম ধরার জন্য প্রকাশ্যে আবার আপনাকে খোলা চিঠি লিখলাম। আপনি যে আপনার প্রথম পোষ্টের বক্তব্যে সঠিক ছিলেন তা নানা বিশ্লেষণে আরও বিশদে ব্যাখ্যা করলেন আপনার দ্বিতীয় পোস্টে। আর ব্যাখ্যার শেষে লিখলেন, "-----------------এইসব অনেক কথা বলা যায় সেগুলো আর বলবো না। কারণ ---------------আবার হৈ হট্টগোল শুরু ক'রে দেবে কিছু মানুষজন। তারা এতবড় ভক্ত যে তাদের বোঝানোও আমার অসাধ্য।"

এখন আমার প্রশ্নঃ
১) আপনি আপনার প্রথম পোষ্টের মত দ্বিতীয় পোষ্টেও বর্তমান বাদ্যযন্ত্রসহ গান প্রসঙ্গে তীব্র সমালোচনার পড়েও আর কি অনেক কথা বলবেন? আপনার দু'দুটো পোস্টে বর্তমান সৎসঙ্গের গানের ধারা প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে বিশদে সমালোচনা সত্ত্বেও মন ভরছে না? মন শান্ত হচ্ছে না? এত দুশ্চিন্তা কিসের? আপনি কি হারাচ্ছেন? সৎসঙ্গ জগতের কি ক্ষতি হচ্ছে? সৎসঙ্গ জগতে মালিক নেই? কে বা কারা হৈ চৈ হটগোল করছে? কে প্রথম হৈ চৈ হট্টগোলের সূচনা করলো? কে বিরোধিতার আগুনের স্ফুলিঙ্গ ছড়ালো সৎসঙ্গ জগতে? তুমি মহারাজ সাধু হ'লে আজ বাকীরা আজ অসাধু বটে? আপনার কথার বিরোধিতা করলেই তাদের 'বড় ভক্ত' ব'লে ব্যাঙ্গ করবেন আর আপনি সৎসঙ্গ জগতের বর্তমান গানের ধারার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কটুক্তি সহ নানা যুক্তির অবতারণা ঘটিয়ে তীব্র সমালোচনা করবেন আপনার পক্ষে সমর্থনসূচক আর্জি নিয়ে আপনার পরিচিত জনের কাছে ভিক্ষা চেয়ে আর আচার্য পরম্পরাকে অসম্মান অবমাননা করবেন তখন যদি আপনাকে বলা হয় আপনি আচার্যদেব ও ঠাকুরবাড়ির শ্রীশ্রীদাদাদের থেকেও উচ্চকোটির বা ঈশ্বরকোটি পুরুষ তখন আপনার কাছে এই উপাধি ব্যাঙ্গ ব'লে মনে হবে নাতো? আপনি খুশী হবেন তো? মেনে নেবেন তো এই তকমা?


২) আপনার লেখার সমালোচকদের আপনি ''বড় ভক্ত' ব'লে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করতে পারেন আর আপনাকে কেউ গান সম্পর্কে যদি কোনও প্রশংসাসূচক বিশেষণ প্রয়োগ করেন তখন সেটা দোষের? আপনার প্রকাশ্যে সমালোচনা করা, ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা দোষের না?

এরপরে আপনি আপনাকে যারা গালাগালি দিচ্ছে বলছেন, ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করছে বলছেন, পরিবার নিয়ে, গান নিয়ে, রোজগার নিয়ে কটুক্তি, দয়া করছে বলছেন তাদের বিরুদ্ধে আপনি কি করছেন?

আপনি লিখেছেন, আপনি তাদের ভালোবাসা জানাচ্ছেন, ভালো থাকার কামনা করেছেন। কিন্তু পরমূহুর্তে কি লিখছেন? এ সম্পর্কে আপনি লিখেছেন, "এ সমস্ত যার যার রুচির পরিচয়, পারিবারিক শিক্ষার পরিচয়।"
এখানে আমার প্রশ্নঃ

আপনি এদের উদ্দেশ্য ক'রে বলেছেন, এরা মানসিক অসুস্থ। এবং এদের উদ্দেশ্যে মূর্খ, তুই, তোকারি ক'রে মন্তব্য করেছেন। এক্ষেত্রে আপনার রুচির, আপনার পারিবারিক শিক্ষার কি পরিচয় পাওয়া গেল?
আবার আপনার লেখার শেষে অভিমান ফুটে উঠেছে আপনার আপনজনরা কেন আপনার হ'য়ে প্রতিবাদ করেনি। তাদেরও আপনি বুক ভরা অভিমান নিয়ে ভালোবাসা জানিয়েছেন, ভালো থাকার প্রার্থনা করেছেন। এটাকে কি বলবো? আপনার পক্ষে সহানুভূতি টানার হ্যাংলামো না ব্ল্যাকমেইল?

আচ্ছা আপনার মনে আছে আপনার প্রথম পোষ্টে যখন আমি মন্তব্য করেছিলাম তখন দু'জন আমার মন্তব্যের সমর্থনে মন্তব্য করেছিলেন ব'লে আপনি তাদের কি বলেছিলেন? বলেছিলেন তারা নাকি আমার লোক! যদিও আমি তাদের চিনিও না। যদি তাদের ও তাদের উদ্দেশ্যে করা আপনার মন্তব্য ডিলিট না ক'রে থাকেন তাহ'লে দেখে নিতে পারেন। মনে হয় নেই। ডিলিট হ'য়ে গেছে।

এবার আসি শেষ প্রশ্নেঃ
আপনি আপনার করা প্রথম ও দ্বিতীয় পোস্ট ডিলিট করবেন না বলেছেন। ডিলিট করা বা না করা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু একথাও আপনাকে জানিয়ে রাখি যতবার আপনি প্রকাশ্যে বর্তমান সৎসঙ্গ ধারা তা সে গানের ধারা হ'ক, সৎসঙ্গ পরিচালনার ধারা হ'ক কিম্বা আচার্য পরম্পরার এবং ঠাকুরবাড়ির বিরোধিতার জন্য কলম ধরবেন ততবারই আমি আপনাকে প্রকাশ্যে চিঠি লিখবো।

এবার আসি সরাসরি আপনার ভালোমানুষির প্রশ্নে। আমি যখন আপনার প্রথম পোষ্টে মন্তব্য করলাম তখন তার উত্তরে আপনি আমাকে রেগে গিয়ে যে অপমান, লাঞ্চনা, কটুক্তিতে ভরা দীর্ঘ কমেন্ট করলেন তা ডিলিট করলেন কেন? আপনি উত্তেজিত হ'য়ে হিতাহিতজ্ঞানশূন্য হ'য়ে কি লিখেছিলেন আপনার মনে আছে? আপনার আমাকে লেখা কমেন্ট সমস্ত গুরুভাইবোন পাঠককূলকে পড়তে দিলেন না কেন? কেন মুছে দিলেন? দেখতাম আজ যারা আপনার বিনয়ের পক্ষে, মহানুভবতার পক্ষে কলম ধরেছেন তখন আপনার আমাকে লেখা কটুক্তিতে ভরা কমেন্ট পড়ে কি বলতো, কি লিখতো। আমাকে লেখা আপনার একটা দু'টো কটুক্তি মনের ঘর থেকে বের ক'রে এনে আপনার স্মৃতি শক্তিকে জাগ্রত করার জন্য তুলে ধরলাম। আপনি লিখলেন, আমার বয়সের কথা ভেবে নাকি আপনি আমাকে ছেড়ে দিচ্ছেন। কিছু বলছেন না। আমার জিজ্ঞাস্যঃ আপনি আমাকে ছেড়ে দিচ্ছেন দয়া ক'রে। যদি বয়স কম হ'তো কি করতেন? মারতেন? খুন করতেন? এছাড়া লিখলেন, আমার লেখার কোনও মাথামুণ্ডু নেই। অর্থহীন পাগলের প্রলাপ। আমার দু'একটা লেখা নাকি আপনি ফেসবুকে পড়েছেন। তখন দেখেছেন, সব লেখা ফালতু। আজেবাজে ভিত্তিহীন সব লেখা। তাই আমার এই কমেন্টও ফালতু, এর কোনও গুরুত্ব আপনার কাছে নেই ইত্যাদি ইত্যাদি আরও অনেক আপত্তিজনক ক্রোধান্বিত দীর্ঘ মন্তব্য। যা লিখে আপনাকে আর বেশী লজ্জায় ফেললাম না, লেখা আর দীর্ঘ করলাম না।
যাক আপনি আমার 'রা' নন্দিত জয়গুরু জানবেন ও অকৃত্রিম ভালোবাসা নেবেন।
----------প্রবি। ( লেখা ৪ই সেপ্টেম্বর'২০২২)

কবিতা/গানঃ ওগো দয়াল পরমপিতা।

আমায় চলনপূজার মতি দাও
ওগো দয়াল পরমপিতা।
তুমি বিশ্বপিতা, জগৎপিতা
জগত জুড়ে মহিমা
বিশ্বপিতা।
তুমি বিশ্বপিতা, জগৎপিতা
(তোমার) জগত জুড়ে মহিমা
ছড়িয়ে আছে তোমার লালিমা।
আমায় চলনপূজায় মতি দাও
ওগো দয়াল পরমপিতা।

তোমার রাঙা চরণে পুজি চলন চন্দনে
চলন পুজায় পুজে তোমায় সাজায় যতনে।
তুমি আমার পতি জগৎপতি
জগত জুড়ে গড়িমা
তুমি আমার পতি,
তুমি আমার পতি, জগত পতি
তোমার জগত জুড়ে গরিমা
তোমার স্পর্শে হলাম আলিমা।
তোমার চলন পূজায় মতি দাও
ওগো দয়াল পরমপিতা।

তুমি রাম নামেতে, তুমি কৃষ্ণ নামেতে
বুদ্ধ, যীশু, মহম্মদ, মহাপ্রভু নামে।
তুমিই রামকৃষ্ণ হ'য়ে প্রভু
এসেছিলে ধরাতে,
রামকৃষ্ণ,
তুমিই রামকৃষ্ণ হ'য়ে প্রভু
এসেছিলে ধরাতে,
মোদের সবার জীবন বাঁচাতে।
তোমার চলন পূজায় মতি দাও
ওগো দয়াল পরমপিতা।

খোলা চিঠিঃ বাচ্চু কীর্তনিয়াদাদাকে।

আপনার একটা লেখা পড়লাম। আপনি যেহেতু প্রকাশ্যে ফেসবুকে লিখেছেন তাই একজন সৎসঙ্গী ও পাঠক হিসেবে প্রকাশ্যেই খোলা চিঠি লিখলাম। আপনার লেখায় আপনি বর্তমানে সৎসঙ্গে আধুনিক বাদ্যযন্ত্র সহযোগে গাওয়া গানের বিরোধিতা তথা তীব্র সমালোচনা করেছেন। করেছেন ভিতরে চাপা একটা বিরক্তিকে সাথী ক'রে। যা আপনার লেখায় প্রকাশ পেয়েছে পুরাতনী সঙ্গীতের পক্ষে প্রশংসাসূচক ওকালতির মাধ্যমে।

আপনার লেখা পড়ে মনে হ'লো আপনি দ্বিচারিতায় ভুগছেন। কিছু একটা বলতে চাইছেন কিন্তু খোলাখুলি বলতে পারছেন না। কোথায় যেন সততায় বাধছে। একদিকে বলছেন আধুনিকতার আপনি পূজারী আবার অন্যদিকে আধুনিকতার বিরোধিতা করছেন প্রাচীনকে স্মরণ ক'রে। আপনার লেখা পড়ে মনে হ'লো ঈশ্বর আরাধনা, ঈশ্বর আরাধনার সৌন্দর্য, মধুরতা, ভক্তিভাব ইত্যাদি নির্ভর করে একমাত্র সেই পুরাতন হরি বোল ঢঙে খোল করতাল বাজিয়ে। আধুনিক মানেই যে হৈ হট্টগোল নয়, শ্রুতি কটু নয়, উচ্ছৃঙ্খল বিশৃঙ্খল নয় সেটা আমরা অতি ভাবের আবেগে হারিয়ে ফেলি। বহু আধুনিক যন্ত্র সহযোগে ঈশ্বর আরাধনার বহু বিখ্যাত গান আমরা ইউ টিউব খুললেই শুনতে পাই। শুনতে পাই ইদানিং নতুন প্রজন্মের গাওয়া শ্রীশ্রীদাদা, শ্রীশ্রীবাবাইদাদা, শ্রীশ্রীবিংকিদাদা, শ্রীশ্রীসিপাইদাদা, শ্রীশ্রীঅবিনদাদা ও ঠাকুরবাড়ির দাদাদের লেখা ও সুর দেওয়া একের পর এক অসাধারণ মাধুর্যপূর্ণ গানগুলি। আপনাদের ধারণা ঈশ্বর বা ঈশ্বর আরাধনা মানেই আধুনিকতা বর্জিত মান্দাতার আমলের যখন নতুন কোনও কিছুর আবিস্কার হয়নি সেই পুরাতন স্টাইলকে জড়িয়ে ধ'রে রাখা। যেমন ঠাকুর হাজার হাজার বছরের ঈশ্বর আরাধনা বা পূজার অর্থ ও পদ্ধতির খোলনলচে আমূল-পরিবর্তন ক'রে চলন পূজার পথ দেখিয়েছেন সেই দেখানো পথেও বিতর্ক তুলেছে তুলছে পুরাণের আরাধনা বা পুজার নানা উদাহরণকে সামনে রেখে কূটকচালকে তোল্লা দিয়ে একশ্রেণীর অতি সনাতনী ভক্তের দল। বিতর্ক তুলেছে তুলে চলেছে তথাকথিত সৎসঙ্গীর দল।

এ কথা সত্য যে সবার সব ভালো নাই লাগতে পারে তাই ব'লে বিতর্ক তৈরী ক'রে আধুনিকতার সমালোচনা ক'রে বাহবা লাভ করা যায় না। সৎসঙ্গে বর্তমানে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের সাহায্যে যে অসাধারণ গানগুলি গাওয়া হয় সেগুলিতে কি ঈশ্বর আরাধনার ভক্তিভাব চটকে গেছে? আধুনিক মানেই যেমন মনোজ্ঞ নয় ঠিক তেমনি হাজার বছরের বিকৃত গলায় 'হরে-এ-এ-এ' ব'লে চিৎকারও মনোজ্ঞ নয়। এক একজায়গায় উদোম খোল ঢোল করতাল সহযোগে পুরাতনকে আঁকড়ে ধ'রে বিকৃত সুরে আসুরিক ভঙ্গিতে যখন 'হরে কৃষ্ণ' ব'লে চেচিয়ে ওঠে তালজ্ঞানহীন ভক্তির আতিশয্যে একদল মানুষ মন্দিরে মন্দিরে তখন যে মানুষের শুধু বিরক্ত লাগে তা নয় তখন তা শব্দদূষণের আওতায় প'ড়ে স্বয়ং ঈশ্বর দ্বারকানাথ, বৈকুন্ঠনাথ, আমার প্রাণনাথ, প্রাণবল্লভ প্রাণ বাচাতে কাছা খুলে হাতের বাশী ফেলে দৌড়ে পালান উন্মাদের মত। লুকোনোর মত জায়গা খুঁজে পান না।
আর, এখন সৎসঙ্গে যে নতুন নতুন অপূর্ব প্রাণ জুড়ানো কথার সঙ্গে প্রাণ মাতানো সুরে যে গানগুলি হয় সেগুলি তো আধুনিক যন্ত্র সহযোগেই হয়; তাই নয় কি? তা সেগুলি তো সৎসঙ্গে প্রকাশ্যেই হয় সেগুলির সুরকার কারা? আপনি সেখানে কি বলবেন? সব কুরুচীকর সুরে ভরা আধুনিকতার বিকৃত ডামাডোলের বহির্প্রকাশ? যা বলবার খোলামেলা বলুন। ঈঙ্গিতপূর্ণ কথা ব'লে নতুন বিতর্ক তৈরী করবেন না। বিতর্ক তৈরী করা সহজ, আগুন জ্বালানো সহজ, ঘৃণা জন্মানো সহজ, দোষ ধরা, ত্রুটি খুঁজে বের করা সহজ, ভালো না লাগার আবহাওয়া, পরিবেশ রচনা করা সহজ; এতে আপনি অনেক আপনার মতের অনুগামী পেয়ে যাবেন কিন্তু অহেতুক একটা দু'টো আধুনিক হল্লা গানের দোহাই দিয়ে বাজার গরম করা ভালো না। কারণ আপনি যা বোঝেন তা অন্য হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি ভক্ত বৃন্দের কথা না হয় ছেড়ে দিলাম ঠাকুর বাড়ির পূজ্যপাদ দাদারা বোঝেন না ব'লে কি আপনার মনে হয়? তখন প্রশ্ন উঠতে পারে ঈশ্বর আরাধনার নামে হরি নামের জোয়ার তুলে গ্রামে গ্রামে পাড়ায় পাড়ায় হাটে মাঠে ঘাটে সূর তালহীন বিকৃত গলায় যখন আসুরিক হিক্কারে আকাশ বাতাস গরম করা হয় তখন আপনার সুর মাধুর্যে ভরা মস্তিষ্ক কি বলে? সেগুলি ঠিক? যখন গগনভেদী বিকট ঢাক ঢোল পিটিয়ে ঘন্টার পর ঘণ্টা শব্দদূষণের তোয়াক্কা না ক'রে আকাশ ভেদ ক'রে ঈশ্বরকে টেনে হিচড়ে নীচে নাবিয়ে আনার তীব্র প্রতিযোগিতা চলে রাতভোর তখন আপনার কলম নেটের বুকে বিদ্রোহ ঘোষণা করে? করে না। সৎসঙ্গের বিরোধিতা করাটা একটা সহজ স্বাভাবিক ব্যাপার। এটা হ'য়ে আসছে ঠাকুর পরবর্তী সময় থেকে যখনই প্রচলিত নিয়ম থেকে নতুন কিছুকে সৎসঙ্গে আহবান জানানো হয়েছে তখন থেকে। আপনাকে কে বললো শুধু খোল করতালেই ভক্তি ভাব থাকে? এটা আপনার ব্যক্তিগত মতামত হ'তে পারে। কিন্তু সমগ্রের উপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়াস না চালানোয় ভালো। এতে সামগ্রিক ক্ষতি হয়, লাভের লাভ কিছুই হয় না। এই দু'দিন আগে আমারও আধুনিক যন্ত্র সহযোগে হওয়া একটা সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান ভালো লাগেনি। তাই ব'লে আধুনিকতার ছোয়াকে সমূলে উৎখাত করতে নেবে পড়িনি ফেসবুকে। আপনি চূড়ান্ত আধুনিকতার ছোয়ায় তৈরী অবিনদাদার কম্পোজিশনে তৈরী ঠাকুরের ইংরেজি বাণীর গানটা শুনেছেন? যে গানটা বিদেশী ভক্তদের মাঝে এমনকি বিদেশী ইয়ং জেনারেশনের মাঝে ঝড় তুলেছে। তাই বলি, কলম ধরার আগে, কিছু বলার আগে, কিছু লেখার আগে একবার ভাবুন। হাত থেকে তীর বেরিয়ে গেলে তা আর ফিরে আসে না। সেই তীর বিরোধীদের বিরোধকে শক্তিশালী ক'রে তোলে আর ঠাকুরবাড়ি ও ঠাকুরবাড়ির সদস্যদের ভাবমূর্তিতে অহেতুক ভয়ংকর আঘাত হানে; যা আমাদের কাম্য নয়। আপনার লেখা বেরোতে না বেরোতেই দেখুন কমেন্টের ঝড় বইছে। এতে হয়তো আপনার ভালো লাগতে পারে কিন্ত আম ভক্ত বললেই তা সত্য হয় না। মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে সবাই গানের জগতের বিশেষজ্ঞ পি এইচ ডি। যেমন, জনগণের কথা ঈশ্বরের কথা; এটা ভুল প্রবাদ। জনগণের কথা ঈশ্বরের কথা নয়। কোন জনগণ? বৃত্তি প্রবৃত্তির রসে টই টম্বুর রিপু তাড়িত জনগণের কথা ঈশ্বরের কথা? না; তা নয়। পূরণপুরুষ পরমপিতার কথা ঈশ্বরের কথা। ঠিক তেমনি কারা গানের বিশেষজ্ঞ? -----------------------?
কথায় আছে যার যেমন ভাব তার তেমন লাভ। আমার ভালোবাসা ও জয়গুরু জানবেন।
ইতি, প্রবি। 
( লেখা ৩রা সেপ্টেম্বর'২০২২)

কবিতা/গান" নব বৃন্দাবন।

মোদের দয়াল এসেছে রে নব বৃন্দাবন
(দেওঘরের) নব বৃন্দাবন!
যেথা রাজার রাজা দয়াল আমার
সাজে আকিঞ্চন, নব বৃন্দাবন!
যেথা সকাল সন্ধ্যা বারো মাসে
বাঁচার টানে মানুষ আসে
দিনেরাতে বারো মাসে
বাড়ার পথ মানুষ খোঁজে
(প্রভুর) গায়ের সুবাস ছড়িয়ে আছে ঠাকুর নিকেতন!
নব বৃন্দাবন!
দেওঘরের নব বৃন্দাবন!
যেথা রাধা নামের ঢেউ ওঠে রে নদী দারোয়ায়
ডিগরিয়ার পাহাড় তলে প্রভুর হাসি শোনা যায়
আজো যাহার জাম তলে গন্ধ ভাসে সাঁঝ-সকালে
পদধ্বনি যায় শোনা মধুর কম্পন!
মোদের দয়াল এসেছে রে নব বৃন্দাবন
(দেওঘরের) নব বৃন্দাবন!
( লেখা ৩রা সেপ্টেম্বর'২০২০)

Monday, September 2, 2024

বিচিত্রা ৩০

তিনি আছেন আর আপনি আছেন ব্যস আর কি চাই? সবসময় বিন্দাস থাকুন। ফুর্তিতে থাকুন। আনন্দে থাকুন।
আপনি ঠাকুর ধরেছেন মানে আপনার একজন আছে যাকে আপনার মনের সব কথা বলতে পারবেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলুন।

আপনার বিপদের দিনে, সমস্যার দিনে কেউ নেই মানে আপনি কোনোদিন কারও জন্য ছিলেন না। ঠিক আছে। কিন্তু ঠাকুর আছে আপনার, ভয় কি?

আপনার বিপদের দিনে, সমস্যার দিনে কেউ নেই মানে আপনি কোনোদিন কারও জন্য ছিলেন না। ঠিক আছে। কিন্তু ঠাকুর আছে আপনার, ভয় কি?

আপনি ঠাকুরকে গ্রহণ করেছেন জীবনে, তারপর তাঁকে ছেড়ে দিয়েছেন, তাঁর জন্য কিছু করেননি, করেননা। কিন্তু ঠাকুর আপনাকে ছাড়েননি।
( লেখা ১লা সেপ্টেম্বর' ২০২৪)

বিচিত্রা ২৯

সমস্ত সমস্যার সমাধান একমাত্র এ যুগের যুগাবতারের দেওয়া বীজনাম।
নামময় হ'য়ে থাকো আর নামের নামিকে কাজ করতে দাও। তাঁকে অবিশ্বাস ক'রো না।
ভয় পেও না। নাম করো। অনুরাগের সঙ্গে নাম করো আর বিন্দাস থাকো। সব তাঁর ওপর ছেড়ে দাও। দ্যাখো ম্যাজিক।

নাম থেকেই সব সৃষ্টি। নামের ভয়ংকর তীব্রতায় পৃথিবী ভেঙে টুকরো টুকরো হ'য়ে যেতে পারে! এসো নাম করি। শয়তান ছিন্নভিন্ন হ'য়ে যাবে।
যে নামময় থাকে তাকে লক্ষণ রেখা ঘিরে রাখে। রাবণের বাপ তাকে ছুঁতে পারে না।

তোমার সামনে পিছনে, উপরে নীচে, ডাইনে বাঁয়ে সর্বত্র শয়তান বিরাজমান। নাম রসে ডুবে যাও আর শয়তানের পরিণতি ঠাকুরের ওপর ছেড়ে দাও।
নাম করো। আরাম ক'রে মনে মনে নাম করো। মুহূর্তে বিপদের কালো মেঘ কেটে যাবে। তুমি বিপদমুক্ত হবেই হবে, নিশ্চয়ই হবে।

আর এই নিয়ে, কারও সঙ্গে তর্ক করতে যেও না, সবাইকে সবার বুঝ নিয়ে থাকতে দাও। তুমি নামময় হ'য়ে থাকো।
(লেখা ৩১শে আগষ্ট'২০২৪)