SriSriThakur Anukul Chandra: The greatest phenomenon of the world.
একজন সৎসঙ্গীর একটা কমেন্ট চোখে পড়লো। ভালো ক'রে পড়ে দেখলাম কমেন্টে সে অনুরোধ করেছে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সব বাণী সব জায়গায় যেখানে সেখানে পোষ্ট না করতে। পোষ্টের বিষয়বস্তু স্বামীস্ত্রীর যৌন জীবন সম্পর্কিত। এরকম দুটো বাণী চোখে পড়লো। কমেন্টটা আবার ভালো ক'রে পড়লাম। আমার মনে হ'লো সৎসঙ্গী গুরুভাইয়ের পরামর্শটা ভেবে দেখা যেতে পারে। যেহেতু আমরা সবাই ঠাকুরের ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতে সচেষ্ট হয়েছি তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যেকে প্রত্যেকের পরামর্শগুলিকে ভেবে দেখতে পারি; ভেবে দেখতে তো আপত্তি নেই। ঠাকুরের হাজার হাজার বাণী আছে, অজস্র কথা আছে প্রত্যেকটি বাণী, প্রত্যেকটি কথা স্থান, কাল, পাত্র অনুযায়ী বলা হয়েছে। ঠিক তেমনি প্রত্যেকটি বাণীর পরিবেশনেরও স্থান, কাল ও পাত্র রয়েছে। ঠাকুরের বাণী পরিবেষণের সময় মনে রাখতে হবে বাণী পরিবেষণ উপযুক্ত স্থানে, উপযুক্ত সময়ে ও উপযুক্ত ব্যাক্তির সামনে পরিবেষণ হচ্ছে কিনা। এই বাণীই (স্বামীস্ত্রীর যৌন জীবন সম্পর্কিত) অবশ্যই পোষ্ট করা যেতে পারে যখন Science of progeny নিয়ে আলোচনা হবে কিম্বা জন্ম বিজ্ঞান নিয়ে কোনও আর্টিকেল লেখা হবে তখন। নিখুঁত জৈবি সংস্থিতি সম্পন্ন জীবন আবির্ভাবের উপায় স্বরূপ আলোচনার ক্ষেত্রে পথের সন্ধান দিতে এই বাণী তুলে আনা যেতে পারে। হঠাৎ ক'রে কোনও বাণী পোষ্ট হ'লে সব মানুষ সমান ভাবে সব কিছুর গভীর অর্থ বুঝে নিতে পারে না। তার উপর কোনও বিষয়ের গভীর অন্তর্নিহিত অর্থ না বুঝে সব কিছুকে বাঁকা দৃষ্টিতে দেখার স্বভাবওয়ালা ও বিরুদ্ধ মনোভাবাপন্ন মানুষের সংখ্যায় বেশী। এদের কথা যেন আমরা ভুলে না যায়, মনে রাখি। এই সমস্ত আলটপকা হালকা মুখরোচক কথা বলতে অভ্যস্ত নড়বড়ে বোধহীন মানুষেরা অহেতুক সুযোগ পেয়ে যায় ঠাকুরকে নিয়ে নোংরা আলোচনা ও মজা করার। ঠাকুরের সব কিছুই এত অ্যাডভানস যে তা আজকের লেখাপড়া জানাওয়ালা মানুষের পক্ষে তা’ বোঝা, গ্রহণ করা খুব কঠিন। ঠাকুরের সমাজ, রাষ্ট্র, ব্যাষ্টি, সমষ্টি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, দর্শন, বিবাহ ইত্যাদি ইত্যাদি অসংখ্য বিষয় নিয়ে বলে যাওয়া হাজার হাজার বাণী, কথা ঠাকুরের সময়ের বিখ্যাত বিখ্যাত ব্যাক্তিরা বুঝতে পারেননি, মেনে নিতে পারেননি। আর ফেস বুকের পাঠকের সামনে সেইসব জটিল বিষয় হঠাৎ হঠাৎ তুলে ধরা আর মরুভূমির বুকে জলের সন্ধান করা একই , অর্থহীন। মাছ ও মাছের জাত সম্পর্কে যার বা যাদের কোনও ধারণা নেই তাদের যদি মাছের ল্যাজা আর মুড়ো বাদ দিয়ে মাঝখানের পেটি বা গাদার অংশ দেখিয়ে বলা হয় এটা কি মাছ তাহ’লে তাদের যে অবস্থা হবে ঠিক তেমনি হঠাৎ জন্মবিজ্ঞানের উপর বা Science of progeny উপর বা সৃজন প্রগতির উপর বা প্রচলিত ক্রোমোজোমের উপর বা ম্যাটার ও স্পিরিট একই এই বিষয়ের উপর একটা বাণী সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষত অজ্ঞ, আমার মত লেখাপড়া জানাওয়ালা অল্পজ্ঞানী, কিম্বা নেগেটিভ মানসিকতার অধিকারী, বিকৃত মনোভাবাপন্ন মানুষের কাছে হাসির ও সুড়সুড়ির খোরাক হ’য়ে দাঁড়ায়। তাই আমাদের সৎসঙ্গীদের খেয়াল রাখতে হবে ঠাকুর তথাকথিত কোনও ধর্ম্মগুরু বা তত্ত্ব কথার ধ্বজাধারী কোনও পোঙ্গা পন্ডিত নন যে আমরা সবাই তার জীব জগৎ, জীবন যৌবন, জ্ঞান বিজ্ঞান, ব্যাষ্টি সমষ্টি, সমাজ সভ্যতা, স্বাস্থ্য চিকিৎসা, অর্থনীতি রাজনীতি ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি বিভিন্ন কঠিন ও জটিল বিষয় সম্বন্ধে ব’লে যাওয়া হাজার হাজার গদ্যবাণী, ছড়া, ইংরেজি বাণী ও কথোপকথন নিয়ে যখন তখন রাস্তা ঘাটে, মাঠে ময়দানে, ট্রেনে বাসে, পিকনিকে বিয়ে বাড়িতে, মোড়ে মোড়ে, চায়ের দোকানে, রকে ইত্যাদি যেখানে সেখানে স্থান কাল পাত্র বিবেচনা না ক’রেই, বিষয়বস্তুর অন্তর্নিহিত অর্থ না বুঝেই আউরে যেন না যায়; ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের ধৃষ্টতা না দেখায়। মনে রাখতে হবে, আমরা যেন ভুলে না যায়, আমরা যেন একথা জেনে রাখি ঠাকুর হ’লেন The greatest phenomenon of the world. আর আমরা হলাম The greatest danger of the world. তাই আমরা ঠাকুরের বলে যাওয়া সোনার সৎসঙ্গীরা যেন তাঁর অর্থাৎ The greatest phenomenon of the world SriSriThakur Anukul Chandra-এর মান রাখতে পারি আর না পারি তাকে যেন অকারণ অযথা যেখানে সেখানে হাসির খোরাক বা পান পাত্র ক’রে না তুলি।
(লেখা ৩রক নভেম্বর'২০১৭)
Thursday, November 2, 2023
ছোটো গল্পঃ সম্পর্ক।
আজ আর কিছুতেই ঘুম আসছে না অবিনাশবাবুর। একটা ছটফটানি চোখের কোলে নেবে আসা ঘুমকে বারবার তাড়িয়ে দিচ্ছে। কি একটা মনের মধ্যে ভেসে উঠে আবার মিলিয়ে যাচ্ছে মনের গভীরে। মনে করতে চেষ্টা করছে কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারছে না। বিছানা থেকে উঠে ইতস্তত পায়চারী করলো। জল খেলো দু'একবার। মনে পড়েও মনে না পড়া, ছানা কাটা অবস্থা যার হয়েছে সেই বুঝবে। সাপের বিষের জ্বালা কি যে না ছোবল খেয়েছে সে বুঝবে কি? মাঝরাতে বিছানা থেকে উঠে পড়লো অবিনাশবাবু। ঘড়ির দিকে চেয়ে দেখলো রাত তিনটে বাজে। ধীরে ধীরে এসে প্রবেশ করলেন ঠাকুরঘরে। গুরুর প্রতিকৃতির সামনে বসলেন চোখ বন্ধ ক'রে। আজ্ঞাচক্রে মনোনিবেশ ক'রে বসে রইলেন শান্ত হ'য়ে; চলতে লাগলো ভিতরে গুরুর কাছ থেকে পাওয়া বীজনাম। আর প্রার্থনা জানালো ছানা কাটা অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে।
কখন যে ঠাকুরঘরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তা জানেন না অবিনাশবাবু। ভোররাতে চোখে ঘুম জড়িয়ে ধরেছিল আষ্টেপৃষ্ঠে। গভীর ঘুমে তলিয়ে গিয়েছিলেন অবিনাশবাবু। আর তখনি ছানা কাটা অবস্থা থেকে গুরুর কৃপায় মুক্তি পেয়ে ধীরে ধীরে পরপর দৃশ্যগুলি জোড়া লেগে ভেসে উঠেছিলো ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন হ'য়ে।
অবিনাশবাবু বহুদিন পর মাকে দেখতে পেলেন, দেখতে পেলেন বাবাকেও। মা খেতে দিচ্ছে বাবাকে। আর মাথার ওপর ফ্যান চলা সত্বেও হাতের পাখা দিয়ে বাতাস দিচ্ছে বাবাকে। এমনিতে অবিনাশবাবু বাবা-মাকে দেখেনি কোনওদিন ঝগড়া করতে। এই খাওয়ার সময়ে যে কি হয় বুঝে উঠতে পারতো না অবিনাশবাবু। তখন আর কতই বা বয়স। স্বামীস্ত্রীর সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে গভীরভাবে ভাবার মতো বোধবুদ্ধিও হয়নি। চোখের সামনে পরিস্কার দেখতে পেল বাবার রাগান্বিত মুখ। হঠাৎ বাবাকে মায়ের ওপর রেগে উঠতে দেখে মাথাটা সেদিন গরম হ'য়ে গেছিল অবিনাশবাবুর। আর সঙ্গে সঙ্গে মায়ের হ'য়ে ওকালতি করার খেসারত দিতে হ'য়েছিল সেদিন অবিনাশবাবুকে আর তা দিতে হ'য়েছিল মায়ের কাছেই।
ঝগড়ার দৃশ্যটা দিনের আলোর মতো পরিস্কার দেখতে পেল অবিনাশবাবু। মা বাবাকে খেতে দিচ্ছে। খাবার দেওয়ার সময় বারবার বেশী বেশী ক'রে দেওয়ার জন্য বাবা মাকে বলছিল, আর ন খায়ম। আর ন খায়ম। আর ন দিও। বাবা-মা নিজেদের মধ্যে যখন কথা বলতো তখন নিজেদের চট্টগ্রাম ভাষায় কথা বলতো। অবিনাশের জন্ম এই বাংলায়। তাই সে বলতে পারে না, বললেও ভাঙা ভাঙা একটু আধটু। তবে বুঝতে পারে। সেই কবে দেশ ত্যাগ ক'রে স্বাধীনতার সময়ে চলে এসেছিল এই বাংলায় বাবা-মা; তারপর তিরিশ বছরের ওপর হ'য়ে গেছে সেই মাতৃভাষা ভোলেনি তাঁরা। সেই খাওয়ার দেওয়ার সময় বাবার বারবার বারণ সত্বেও বেশী ক'রে খাবার দেওয়ার জন্য বাবা হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠলো, ন খায়ম, ন খায়ম কইজ্জে না? কথা ন হুনো? আর তখনি অবিনাশবাবু বাবার ওপর চেঁচিয়ে উঠেছিল। বুঝতে পারেনি সেদিন মা-বাবার এই ঝগড়ার রসায়ন। ফলে সেদিন দেখেছিল মায়ের রুদ্রমূর্তি! আর আজ আবার সেই দৃশ্য দেখতে পেয়ে ধড়ফড় ক'রে উঠে বসেছিল ঘুম থেকে অবিনাশবাবু।
আর তখনি দেখলো সে শুয়ে আছে ঠাকুরঘরে। তারপর ধীরেধীরে মনে পড়ে গেল গতরাতের খেতে বসার ঘটনাটা। খেতে বসেছিল একসঙ্গে ছেলে আর বউয়ের সাথে। খেতে খেতে একটা কথা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছিল ছেলের সঙ্গে ছেলে কথার অন্তর্নিহিত অর্থ ধরতে না পারার জন্য। আর ছেলের পক্ষ নিয়েছিল বউ ফলে-----------। আর মনে করতে চাইলো না অবিনাশবাবু। চোখের কোণটা মুছে নিয়ে ঠাকুরের দিকে চেয়ে কি যেন ভাবতে ভাবতে নিজের ঘরে বিছানায় ফিরে গেল ধীরপায়ে ক্লান্ত অবসন্ন শরীরে।
( লেখা ৩রা নভেম্বর'২০২২)
কখন যে ঠাকুরঘরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তা জানেন না অবিনাশবাবু। ভোররাতে চোখে ঘুম জড়িয়ে ধরেছিল আষ্টেপৃষ্ঠে। গভীর ঘুমে তলিয়ে গিয়েছিলেন অবিনাশবাবু। আর তখনি ছানা কাটা অবস্থা থেকে গুরুর কৃপায় মুক্তি পেয়ে ধীরে ধীরে পরপর দৃশ্যগুলি জোড়া লেগে ভেসে উঠেছিলো ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন হ'য়ে।
অবিনাশবাবু বহুদিন পর মাকে দেখতে পেলেন, দেখতে পেলেন বাবাকেও। মা খেতে দিচ্ছে বাবাকে। আর মাথার ওপর ফ্যান চলা সত্বেও হাতের পাখা দিয়ে বাতাস দিচ্ছে বাবাকে। এমনিতে অবিনাশবাবু বাবা-মাকে দেখেনি কোনওদিন ঝগড়া করতে। এই খাওয়ার সময়ে যে কি হয় বুঝে উঠতে পারতো না অবিনাশবাবু। তখন আর কতই বা বয়স। স্বামীস্ত্রীর সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে গভীরভাবে ভাবার মতো বোধবুদ্ধিও হয়নি। চোখের সামনে পরিস্কার দেখতে পেল বাবার রাগান্বিত মুখ। হঠাৎ বাবাকে মায়ের ওপর রেগে উঠতে দেখে মাথাটা সেদিন গরম হ'য়ে গেছিল অবিনাশবাবুর। আর সঙ্গে সঙ্গে মায়ের হ'য়ে ওকালতি করার খেসারত দিতে হ'য়েছিল সেদিন অবিনাশবাবুকে আর তা দিতে হ'য়েছিল মায়ের কাছেই।
ঝগড়ার দৃশ্যটা দিনের আলোর মতো পরিস্কার দেখতে পেল অবিনাশবাবু। মা বাবাকে খেতে দিচ্ছে। খাবার দেওয়ার সময় বারবার বেশী বেশী ক'রে দেওয়ার জন্য বাবা মাকে বলছিল, আর ন খায়ম। আর ন খায়ম। আর ন দিও। বাবা-মা নিজেদের মধ্যে যখন কথা বলতো তখন নিজেদের চট্টগ্রাম ভাষায় কথা বলতো। অবিনাশের জন্ম এই বাংলায়। তাই সে বলতে পারে না, বললেও ভাঙা ভাঙা একটু আধটু। তবে বুঝতে পারে। সেই কবে দেশ ত্যাগ ক'রে স্বাধীনতার সময়ে চলে এসেছিল এই বাংলায় বাবা-মা; তারপর তিরিশ বছরের ওপর হ'য়ে গেছে সেই মাতৃভাষা ভোলেনি তাঁরা। সেই খাওয়ার দেওয়ার সময় বাবার বারবার বারণ সত্বেও বেশী ক'রে খাবার দেওয়ার জন্য বাবা হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠলো, ন খায়ম, ন খায়ম কইজ্জে না? কথা ন হুনো? আর তখনি অবিনাশবাবু বাবার ওপর চেঁচিয়ে উঠেছিল। বুঝতে পারেনি সেদিন মা-বাবার এই ঝগড়ার রসায়ন। ফলে সেদিন দেখেছিল মায়ের রুদ্রমূর্তি! আর আজ আবার সেই দৃশ্য দেখতে পেয়ে ধড়ফড় ক'রে উঠে বসেছিল ঘুম থেকে অবিনাশবাবু।
আর তখনি দেখলো সে শুয়ে আছে ঠাকুরঘরে। তারপর ধীরেধীরে মনে পড়ে গেল গতরাতের খেতে বসার ঘটনাটা। খেতে বসেছিল একসঙ্গে ছেলে আর বউয়ের সাথে। খেতে খেতে একটা কথা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছিল ছেলের সঙ্গে ছেলে কথার অন্তর্নিহিত অর্থ ধরতে না পারার জন্য। আর ছেলের পক্ষ নিয়েছিল বউ ফলে-----------। আর মনে করতে চাইলো না অবিনাশবাবু। চোখের কোণটা মুছে নিয়ে ঠাকুরের দিকে চেয়ে কি যেন ভাবতে ভাবতে নিজের ঘরে বিছানায় ফিরে গেল ধীরপায়ে ক্লান্ত অবসন্ন শরীরে।
( লেখা ৩রা নভেম্বর'২০২২)
Wednesday, November 1, 2023
উপলব্ধিঃ দুষ্ট গরুর চেয়ে............।
আজ একজনকে ব্লক করলাম, করলাম অনেকদিন অপেক্ষা করার পর, একরকম বাধ্য হয়েই। মন যা চায় না তাই করতে হ'লে মনের উপর অকারণ চাপ পড়ে, আর তার ধাক্কা এসে হৃদয়ে পড়ে। অদভুত মানুষের চরিত্র, মানসিকতা! যাই-ই পোষ্ট করি, পোষ্টের বিষয় থেকে স'রে গিয়ে অন্য বিষয়ের অবতারণা করে আর নেগেটিভ বিশ্লেষণ। মনে যা আসছে তাই মন্তব্য করছে, বিবেকের ধার ধারছে না। সাময়িক ও তাৎক্ষণিক আনন্দ ও মজা পাওয়ায় যেন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। পায়ে পা লাগিয়ে তর্ক, ঝগড়া! তাও চুপ ক'রে ছিলাম। কিন্তু আজ দেখলাম সে আমার লেখার বিষয়বস্তু এবং লেখার ও পোষ্টিং স্টাইল সবকিছু নকল ক'রে পোষ্ট করছে; আর শুধু যে পোষ্ট করছে তাই নয় মেরি বিল্লি মুঝসে ম্যাও-এর মত আমার লেখার বিষয়কে নিজের বিষয় ক'রে নিয়ে আমাকেই অকারণ ঘায়েল করতে কোমর ক'ষে ময়দানে নেবে পড়েছে। এর আগেও দেখেছি কিন্তু খুব একটা গুরুত্ব দিইনি; কিন্তু শেষে মনে হ'ল, দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।
কেন যে এরা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায়? ফেসবুক আর ভালো লাগে না।
কেন যে এরা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায়? ফেসবুক আর ভালো লাগে না।
(লেখা ২রা নভেম্বর'২০১৭)
কবিতা/গানঃ মাথা নোয়াও।
আজ জীবন নিয়েই শুধু ভাবি
কোথায় শুরু কোথায় এর শেষ!?
কোথায় গেলে পাবো জীবন বাড়ি
কেউ কি জানো এর হিসেব?
জীবন মাঝে তুমি আছো জেনেও
ভয়ে কেন বুক কাঁপে!
এই জীবনে বারবার কেন
হতাশার মেঘ জমে!
ঐ চরণতলে আছি ব'সে
চরণ পূজায় মগ্ন থেকে
তবু জীবন মাঝে বারবার
কেন শয়তানেতে ছোবল হানে!
******** ****** *********
প্রভুর দয়ায় সিক্ত হয়েও
দয়াল ভুলে বৃত্তি সুখে
আছো ম'জে পড়বে মনে
পড়বে যেদিন ঘোর বিপাকে।
দয়াল তোমার বুকের মাঝে
যদি থাকে সকাল সাঁঝে
চলন পূজায় যদি মগ্ন থাকো
ভয় কি হাজার বাধার মাঝে।
জীবন খুঁজে পাবে তুমি
জীবন বাড়ি যদি যাও
দয়াল যেথায় আছেন বসে
সেথায় চলনতলে মাথা নোয়াও।
কোথায় শুরু কোথায় এর শেষ!?
কোথায় গেলে পাবো জীবন বাড়ি
কেউ কি জানো এর হিসেব?
জীবন মাঝে তুমি আছো জেনেও
ভয়ে কেন বুক কাঁপে!
এই জীবনে বারবার কেন
হতাশার মেঘ জমে!
আজ জীবন নিয়েই শুধু ভাবি
কোথায় শুরু কোথায় এর শেষ!?
কোথায় গেলে পাবো জীবন বাড়ি
কেউ কি জানো এর হিসেব?
কোথায় শুরু কোথায় এর শেষ!?
কোথায় গেলে পাবো জীবন বাড়ি
কেউ কি জানো এর হিসেব?
ঐ চরণতলে আছি ব'সে
চরণ পূজায় মগ্ন থেকে
তবু জীবন মাঝে বারবার
কেন শয়তানেতে ছোবল হানে!
******** ****** *********
আজ জীবন নিয়েই শুধু ভাবি
কোথায় শুরু কোথায় এর শেষ!?
কোথায় গেলে পাবো জীবন বাড়ি
কেউ কি জানো এর হিসেব?
কোথায় শুরু কোথায় এর শেষ!?
কোথায় গেলে পাবো জীবন বাড়ি
কেউ কি জানো এর হিসেব?
প্রভুর দয়ায় সিক্ত হয়েও
দয়াল ভুলে বৃত্তি সুখে
আছো ম'জে পড়বে মনে
পড়বে যেদিন ঘোর বিপাকে।
আজ জীবন নিয়েই শুধু ভাবি
কোথায় শুরু কোথায় এর শেষ!?
কোথায় গেলে পাবো জীবন বাড়ি
কেউ কি জানো এর হিসেব?
কোথায় শুরু কোথায় এর শেষ!?
কোথায় গেলে পাবো জীবন বাড়ি
কেউ কি জানো এর হিসেব?
দয়াল তোমার বুকের মাঝে
যদি থাকে সকাল সাঁঝে
চলন পূজায় যদি মগ্ন থাকো
ভয় কি হাজার বাধার মাঝে।
জীবন খুঁজে পাবে তুমি
জীবন বাড়ি যদি যাও
দয়াল যেথায় আছেন বসে
সেথায় চলনতলে মাথা নোয়াও।
(লেখা ২রা নভেম্বর'২০২০)
( Ajeeb Dasta hain yeh song)
উপলব্ধিঃ লোহে গরম হ্যায়............।
সাময়িক ও তাৎক্ষণিক সুখশান্তিই মানুষের কাম্য আর চিরন্তন সুখশান্তি মানুষের কাছে ইউটোপিয়া। মন সাময়িক ও তাৎক্ষণিক সুখশান্তির আমদানিকারী আর বিবেক চিরন্তন সুখ শান্তি আনয়নের কারিকর। মন ভালোমন্দের বিচার করে না, ধার ধারে না কিন্তু বিবেক সদা জাগ্রত। মানুষ মনের অনুসারী, বিবেকের ধার ধারে না। মন যা চায় মানুষ তাই করে। তাই কবে কখন কোথায় বিবেক দ্বারা পরিচালিত সুখ অপেক্ষা করছে এই ইউটোপিয়ার সন্ধানে সময় নষ্ট করার মত সময় ও ধৈর্য মানুষের নেই। ধর তক্তা মার পেরেক। মন বলে, ইউটোপিয়ার পিছনে ছুটে কবে কোথায় কে কি পেয়েছে? তাই এই ছোট্ট জীবনের স্বল্প সময়ের জার্নিতে যাতে সুখ পাও, যেভাবেই শান্তি পাও হাতিয়ে নাও; অপেক্ষা করার, বিচার করার, ভাবার সময় নেই। সাময়িক ও তাৎক্ষণিক সুখশান্তির যখনি যেখানেই সুযোগ, সন্ধান পাও সেখানেই মনে রেখো একটা কথাঃ লোহে গরম হ্যায়, মার হাতোড়া।
(লেখা ২রা নভেম্বর'২০১৭)
কবিতাঃ সত্য’ই ঈশ্বর! ঈশ্বরই বন্ধু!!
সত্য’ই ঈশ্বর! ঈশ্বরই বন্ধু!!
এমন ‘সত্য’-র মত সাথী আছে নাকি কেউ বন্ধু!!!???
এমন ‘সত্য’-র মত সাথী আছে নাকি কেউ বন্ধু!!!???
আছে নাকি এমন কেউ যার কাছে
জীবন বুক টান টান ক'রে
মাথা উঁচু ক'রে দাঁড়ায় আর বলে,
আমার সমস্ত না-বলা কথা, সমস্ত গোপনীয়তা
দিলাম তোমায় উজার ক'রে,
অসহায়তা আর অপারগতা
জীবন জুড়ে যত ব্যর্থতা
পরাণ ভ’রে দিলাম তোমায়
থেকো বন্ধু তুমি আমার হৃদয় জুড়ে!
বন্ধু! পবিত্র এ শব্দের রেখো মান!
বিশ্বাস যেন নিঃশ্বাস খুঁজে খুঁজে
মাথা ঠুকে না মরে!!!!!!
এমন বন্ধু, এমন সাথী পাবো কোথায়!?
বিশ্বাস যেখানে নিঃশ্বাস হারায়!
সে-কি বন্ধু, সে-কি সাথী!?
হায়!! জীবন হায়!!!
‘সত্য’ই ঈশ্বর! ঈশ্বরই বন্ধু!!
জীবন মাঝে যদি রাখো তাঁরে
জীবন খুঁজে পাবে সেথায়
মরণ স্তব্ধ ক’রে!!
(লেখা ১লা নভেম্বর'২০১৪)
জীবন বুক টান টান ক'রে
মাথা উঁচু ক'রে দাঁড়ায় আর বলে,
আমার সমস্ত না-বলা কথা, সমস্ত গোপনীয়তা
দিলাম তোমায় উজার ক'রে,
অসহায়তা আর অপারগতা
জীবন জুড়ে যত ব্যর্থতা
পরাণ ভ’রে দিলাম তোমায়
থেকো বন্ধু তুমি আমার হৃদয় জুড়ে!
বন্ধু! পবিত্র এ শব্দের রেখো মান!
বিশ্বাস যেন নিঃশ্বাস খুঁজে খুঁজে
মাথা ঠুকে না মরে!!!!!!
এমন বন্ধু, এমন সাথী পাবো কোথায়!?
বিশ্বাস যেখানে নিঃশ্বাস হারায়!
সে-কি বন্ধু, সে-কি সাথী!?
হায়!! জীবন হায়!!!
‘সত্য’ই ঈশ্বর! ঈশ্বরই বন্ধু!!
জীবন মাঝে যদি রাখো তাঁরে
জীবন খুঁজে পাবে সেথায়
মরণ স্তব্ধ ক’রে!!
(লেখা ১লা নভেম্বর'২০১৪)
উপলব্ধিঃ গ্রহণ ও ত্যাগ।
এইজন্য কে বা কারা দায়ী? শুধু কি মুসলিম ইতিহাস? এছাড়া আমরা অন্য কোনও ইতিহাস শিখিনি? আমাদের শেখানো হয়নি বিপ্লবের নামে অন্য বহিরাগতদের ইতিহাস? মার্ক্স, এঙ্গেলস, লেনিন, মাও সেতুং, গুয়েভারা ইত্যাদি ইত্যাদি!? কোনও কিছু ছুড়ে ফেলে দেওয়া নয়, নয় কোনও কিছু ত্যাগ। জীবনে ত্যাগ বা ফেলে দেওয়া ব'লে কিছু নেই আছে শুধু গ্রহণ আর গ্রহণ। শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের কাছে শিখেছি, "মল, মূত্র আর বায়ু ছাড়া জীবনে ত্যাগ ব'লে কিছুই নেই, আছে শুধু গ্রহণ আর ভোগ। আর ত্যাগ মানে ঠাকুর বললেন, ভোগের বস্তু নিকটে রাখিয়া ত্যাগের নামই তাগ।" তাই আসুন জীবনে সব কিছুই যা কিছু বেচে থাকা ও বেড়ে ওঠার প্রয়োজন তাই গ্রহণ করুন। কোনও কিছুই ফেলে দেবার নয়। মানসিকতা থাকুক, ঠাকুর বলতেন, "আমার মা বলতেন, যেদিকে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখো তাই পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন।" (লেখা ১লা নভেম্বর'২০২১)
Subscribe to:
Posts (Atom)
