Powered By Blogger

Tuesday, January 6, 2026

বিচিত্রাঃ ২৩০

যার জীবনে যত ভুল কম,
তার জীবনে তত সুখ বেশী। 
যার জীবনে ঠাকুর প্রধান
বাকি সব গৌণ তার জীবনে নেই কোনও ভুল,
তত নির্মল হাসি।।

জীবনে ঠাকুর প্রধান বাকী সব গৌণ, মানে কি?
ঠাকুর প্রধান মানে তাঁর চলন প্রধান।
আর, তাঁর চলন যদি আমার চলন না-হয়
বাকী সব হয় জীবনে প্রধান,
তাহ'লে জীবনে জেনো সবটাই ফাঁকি।
( লেখা ৬ই জানুয়ারী'২০১৮)

 

Monday, January 5, 2026

বিচিত্রাঃ ২২৯

সত্যের সামনে বসে মিথ্যের আরাধনা করো!
সৎ কে সামনে রেখে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে 
অসৎকে আবাহন করো!!
 
যা ইচ্ছা তাই করতে পারো কারণ তুমি স্বাধীন!
শেষের সেদিন কিন্তু ভয়ঙ্কর যদি মিথ্যের হও অধীন!!

মৌরসি পাট্টা গেড়ে বসেছো 
ঠাকুরকে বানিয়ে ব্যবসার উপকরণ!
দয়াল আমার ভয়াল হ'লে নিশ্চিত মরণ!!
সাধু সাবধান!!!

অন্যায়কে করেছো সাথী? 
কেউ তোমায় দেবে না বাধা, 
কেউ করবে না বারণ! 
দয়াল আমার ফেলবে শুধু চোখের জল, 
শয়তানের শয়তানী কারণ!!
( লেখা ৫ই জানুয়ারী'২০২০)











Sunday, January 4, 2026

শ্রীশ্রীঅবিনদাদার ২৫তম জন্মদিন।

আজ ৫ই জানুয়ারী'২৫ শ্রীশ্রীঅবিনদাদার ২৫তম জন্মদিন। আজ তাঁর শ্রীচরণে শতকোটি প্রণাম জানাই। পরমপিতার শ্রীচরণে প্রার্থনা করি শ্রীশ্রীঅবিনদাদা যেন সুস্থ, সবল থেকে দীর্ঘ জীবন আজকের মত লক্ষ লক্ষ তরুণ যুবকদের প্রাণে শ্রীশ্রীঠাকুরের আলোয় ঝড় তোলেন ও তাদের বিপথগামী হওয়া থেকে ও হওয়ার পথ থেকে রক্ষা করেন ও শ্রীশ্রীঠাকুরের বাঁচা-বাড়ার পথে চালিত করেন। আজ হাজার হাজার তরুণ তরুণী, যুবক যুবতী তাঁর ২৫তম জন্মদিন পালনে দেওঘরে উপস্থিত, লক্ষ নরনারী তাঁর সঙ্গ লাভে উদগ্রীব।

আসুন আজকের এই পূণ্যদিনে বিশ্বের সমস্ত সৎসঙ্গী যে যেখানে আছি তাঁকে স্মরণ করি ও শ্রদ্ধা, প্রণাম জানাই। আজকে আমি শ্রীশ্রীঅবিনদাদা সম্পর্কে শ্রীশ্রীদাদার কথা স্মরণ ক'রে আমার ভিডিও শুরু করছি। শ্রীশ্রীদাদা একদিন বলেছিলেন, "অবিন আজ তোকে একটা কথা ব'লে যাই। একদিন গোটা ভারতবর্ষের মানুষ ঠাকুর ঠাকুর করবে। সেদিন হয়তো আমি থাকবো না। আমি দেখে যেতে পারবো না। তোর বাবাও হয়তো দেখে যেতে পারবে না। কিন্তু তুই যখন আমার বয়সে আসবি তখন তুই দেখে যেতে পারবি, সমস্ত ভারতের মানুষ ঠাকুর, ঠাকুর করছে।"

আজ আমরা তার নমুনা বা ঝলক দেখতে পাচ্ছি। আজ শ্রীশ্রীঅবিনদাদার ২৫তম জন্মদিন। এই অল্প বয়সেই তিনি কত লোকের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। সমস্ত রাজ্যের সমস্ত সম্প্রদায়ের ছোটোবড়, কিশোর কিশোরী, তরুণতরুণী, যুবক যুবতী, প্রৌঢ় প্রৌঢ়া, বৃদ্ধ বৃদ্ধা কত আর্ত, অর্থার্থী, কত জিজ্ঞাসু, কত জ্ঞানী, পন্ডিত, বিদগ্ধ মানুষ তাঁর কাছে ছুটে আসেন, তাঁর একটু দর্শন লাভের জন্য, তাঁর মুখের একটু কথা শোনার জন্য। আজ দেওঘরের বুকে তাই হ'য়ে চলেছে। কেন ছুটে আসেন তাঁরা? কিসের টানে? কিসের তাগিদে? কেউ তো তাঁদের ডাকেন না। বরং ঠাকুর বাড়ি থেকে বারবার নিষেধ করা হয় স্থান সংকুলানের অভাবে্র কারণে। তবুও তাঁরা ছুটে আসেন, মাঠে ঘাটে, রাস্তায় থাকেন এই শীতে কত কষ্ট সহ্য ক'রে। আর্ত অর্থাৎ পীড়িত, দুঃখিত, কাতর, বিপন্ন ভর্য়াত মানুষ ছুটে আসেন 'মাভৈঃ' ভয় করো না, নির্ভয় হও। ঠাকুর আছেন, তাঁর নাম পেয়েছেন, ভয় কি? ডরো মাত, ডর কিস বাত কি? ঠাকুরজী হ্যাঁয় না! দয়াল প্রভুজী হ্যাঁয় না! ছুটে ছুটে আসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ শুধু ঐ অপূর্ব আলোময়, রূপময়, রসময়, মধুময়, লাবণ্যেভরা সদা হাস্যময় মিষ্টি মুখের ঐ বরাভয় কথা শোনার জন্য। 'মাভৈঃ' ভয় করো না, নির্ভয় হও। ঠাকুর আছেন, তাঁর নাম পেয়েছেন, ভয় কি? ডরো মাত, ডর কিস বাত কি? ঠাকুরজী হ্যাঁয় না! দয়াল প্রভুজী হ্যাঁয় না!

যে দেখেছে, সেই জানে ; যে বুঝেছে সেই বোঝে, বোঝে যার প্রাণ। আজ দয়াল ধাম দেওঘর লক্ষ লক্ষ লোকে পরিপূর্ণ।

শ্রীশ্রীদাদার কথা এর আগে আমি বলেছি আপনারা শুনেছেন। এবার বলি শ্রীশ্রীঅবিনদাদার কথা। শ্রীশ্রীঅবিনদাদা একদিন বললেন, .কি করবো ,কতটুকু করতে পারবো জানি না | তবে আমি বেঁচে থাকতে থাকতে অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে চাই |

শ্রীশ্রীদাদা আর শ্রীশ্রীঅবিনদাদার কথাকে আসুন একটু বিশ্লেষণ ক'রে দেখি এই দুইজনের কথার রসায়ন কি হ'তে পারে। আবার বলি, শ্রীশ্রীঅবিনদাদার পিতামহ শ্রীশ্রীদাদা (শ্রীঅশোক চক্রবর্তী) বললেন, "অবিন আজ তোকে একটা কথা ব'লে যাই। একদিন গোটা ভারতবর্ষের মানুষ ঠাকুর ঠাকুর করবে। সেদিন হয়তো আমি থাকবো না। আমি দেখে যেতে পারবো না। তোর বাবাও হয়তো দেখে যেতে পারবে না। কিন্তু তুই যখন আমার বয়সে আসবি তখন তুই দেখে যেতে পারবি, সমস্ত ভারতের মানুষ ঠাকুর, ঠাকুর করছে।" আর শ্রীশ্রীঅবিনদাদা বললেন, "কি করবো ,কতটুকু করতে পারবো জানি না | তবে আমি বেঁচে থাকতে থাকতে অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে চাই |" শ্রীশ্রীদাদার কথা অনুযায়ী আমরা আজ দেখতে পাচ্ছি ভারতবর্ষের প্রতিটি রাজ্যে আজ সৎসঙ্গের ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে, সমস্ত রাজ্যের সমস্ত সম্প্রদায়ের হিন্দু, মুসলমান, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ইত্যাদি সমস্ত ধর্মের নয়, শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন, সমস্ত ধর্ম কথাটা ভুল, ধর্ম কখনও বহু হয় না, ধর্ম এক, বরং মত, সমস্ত মত, তাই সমস্ত মতের মানুষ আজ শ্রীশ্রীঠাকুরের দীক্ষিত। এর থেকে আমরা ভারতের একটা আংশিক ছবি দেখতে পাই শ্রীশ্রীদাদার কথার সমর্থনে। আর আজ থেকে ৬০ বছর পর যখন অবিনদাদার ৮৫ বছর বয়স হবে সেদিন আমরা পুরো ছবিটা দেখতে পাবো।

আর, শ্রীশ্রীঅবিনদাদা বলেছিলেন, "কি করবো ,কতটুকু করতে পারবো জানি না | তবে আমি বেঁচে থাকতে থাকতে অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে চাই |" এর সমর্থনে বর্তমানে আমরা ভারত ছাড়া, বাংলাদেশ, নেপাল, বার্মা বর্তমানে মায়ানমার, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও আমেরিকাতেও সৎসঙ্গের পাঁচ হাজারেরও বেশি শাখা রয়েছে। আজ থেকে ৬০বছর পরে আমরা শ্রীশ্রীঅবিনদাদার কথার পুরো ছবিটা দেখতে পাবো। সেদিন আমি ও আমার মত বহু সৎসঙ্গীরা থাকবো না সেই দৃশ্য দেখার জন্য। হয়তো বা আবার নোতুন দেহ নিয়ে আসবো সেই দৃশ্য দেখবার জন্য। সৎসঙ্গ যে মূলত একটা আন্দোলন সেই সৎসঙ্গ আন্দোলনে হয়তো বা সক্রিয় ভূমিকা পালন করবো। পালন করবো স্মৃতিবাহী চেতনা নিয়ে।

তাই আসুন এই জন্মে যতদিন বেঁচে আছি স্মৃতিবাহী চেতনাকে স্ট্রং ক'রে তুলি তাঁর নামধ্যানের মধ্যে দিয়ে।

এখন আরও একটা প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই মনে ভেসে আসে। এই যে শ্রীশ্রীঅবিনদাদা বললেন, "আমি বেঁচে থাকতে থাকতে অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যেতে চাই।" এটা কিভাবে সম্ভব হবে? কিভাবে তিনি অর্ধেক পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়ে যাবেন? শ্রীশ্রীঠাকুর যেমন তাঁর সময়ের অনেক অনেক আগে এসেছিলেন। তাই তাঁর কথা বুঝতে মানুষের দেরী হচ্ছে। ঠিক তেমনি শ্রীশ্রীঅবিনদাদার পরিকল্পনাও তাই। যা তাঁর অনুগামী এবং অদীক্ষিত যুব সমাজের পক্ষেও বোঝা মুশকিল।
( লেখা ৫ই জানুয়ারী'২০২৫)

বিচিত্রাঃ ২২৮

ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে বন্ধু করছো তুমি কিন্তু অধর্ম!
জেনে বুঝে যদি ক'রে থাকো তা' তাহ'লে থাক সেকথা; 
অন্যথায় বোঝো ধর্মের মর্ম।

আমার হৃদ মাঝারে আছো তুমি 
বলছি হেঁকে জোর গলায়!
বিবেক বলে,
হৃদ মাঝারে রেখেছো কবে?
আর হাসে 'তোমায় ছেড়ে দেবো না' বলায়!!

ভন্ডামির শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
"তোমায় হৃদমাঝারে রাখবো ছেড়ে দেবো না"
ব'লে কবে থেকে গলা ফাটিয়ে নেচে কুঁদে চ্যাঁচাচ্ছো!
দিন যায় চলে জীবন সূর্য পড়ছে ঢলে পলে পলে
কবে আর রাখবে? খেয়াল রাখছো!?
আরে আগে তো হৃদয়ে রাখো
তবে না ছেড়ে দেওয়া আর না-দেওয়ার 
প্রশ্ন উঠবে।
( লেখা ৪ই জানুয়ারী'২০১৮)


সাবধান!
শয়তানের হাসি ভগবানের চেয়েও মিষ্টি!
ভগবানের হাসি ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি!!

তোমার অন্তরে সত্য-মিথ্যা কি লুকিয়ে আছে 
তা তুমি জানো আর কে জানে?
কেউ জানুক না জানুক ঈশ্বর জানে! সাবধান!!

পাপ ঢেকে রেখে অজ্ঞ লোককে, 
নতুনকে উল্টোপাল্টা ভুল বোঝানো যায় 
কিন্তু পাপ সময়মত পচেগলে বেরিয়ে আসে! 
সাবধান! সময় কারও বান্দা নয়!
( লেখা ৪ই জানুয়ারী'২০২০)

Immerse yourself in the NAME R.S
Stay away from negative waves.
May God bless you.

পাহাড় দয়ালের কাছে যদি না আসে 
তবে দয়াল পাহাড়ের কাছে যায়। 
তবুও পাহাড় চিনতে পারে না দয়ালকে। 
কেন?
কারণ, সে পাহাড়, এই সূক্ষ্ম অহংকারে।
( লেখা ৪ই জানুয়ারী'২০২৪)





প্রসংগঃ স্কুলে গীতা পাঠ।

আজ এতদিন পর অবশেষে গীতা স্কুলের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হ’ল। একেবারে কোনদিন না হওয়ার চেয়ে দেরীতে হওয়াও ভালো। এর পাশাপাশি উঠে গেল নানা বিতর্কও। বিতর্ক দানা বাঁধাতে বিবেকানন্দকেও টেনে আনা হবে ও হচ্ছেও। বিবেকানন্দের বলা ‘গীতা পড়ার চেয়ে ফুটবল খেলা ভালো’ এই ক্ষেত্রে বিরোধীদের মোক্ষম অস্ত্র। স্বামীজীর এই কথা অনেককেই বলতে শুনি। বিশেষ করে বামপন্থীদের যখনই ধর্ম্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হ’তে দেখা যায় তখনই যেন এই বাণীটা তারা ধর্ম্মের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসাবে পেয়ে যায় এবং প্রয়োগ করে। এখন প্রশ্ন স্বামীজী কি গীতার বিরুদ্ধে ছিলেন। আর ফুটবল খেলার কথা কেন বলেছেন? আমাদের দেখতে হবে কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে স্বামীজী এই কথা বলেছেন। আসলে দেখা গেছে তথাকথিত ধর্ম্মীয় পন্ডিতরা গীতাকে উত্তাল সংসার সমুদ্রে জীবনতরীকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেবার শ্রেষ্ঠ মার্গ হিসাবে যতটা না দেখেছেন তার থেকে বেশী পবিত্র এক ধর্ম্ম পুস্তক রূপে গীতাকে কুলঙ্গিতে সযত্নে তুলে রাখা শ্রেয় মনে করেছেন। আর তাঁরা যদি কেউ গীতা পড়েও থাকেন তাহলেও তাঁরা বই পড়ে বই হয়ে গেছেন, বই-এর মূল এসেন্সকে মজ্জাগত করেননি। যদি বই-এর মূল এসেন্সকে মজ্জাগত করতে পারতেন তাহলে ভারতের সমাজ ব্যবস্থা, ধর্ম্মীয় বাতাবরণ ও যুবসমাজের আজ এই হাল হতো না। ফলে বিবেকানন্দেরও এই ধরণের মন্তব্য করার কোনো প্রয়োজন হ’ত না, যে মন্তব্য আজ সুযোগ সন্ধানী রাজনীতিকদের, আধাজ্ঞানী পোঙ্গা পন্ডিতদের অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর বই-এর মূল এসেন্সকে মজ্জাগত না করে শুধু বই পড়ে বই হওয়ার চেয়ে ফুটবল খেলে শরীর-মন তরতাজা রাখা, শক্তসমর্থ করা অনেক অনেক ভালো।

এছাড়া অনেকে যুক্তি দেখায় যে গীতা কঠিন এক বিষয় যা কিনা বোঝা খুব কঠিন। এক্ষেত্রে একে কুযুক্তি ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। কারণ যখন প্রথম স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ শেখা শুরু করেছিলাম সেদিন কি স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ শেখা,বোঝা সহজ হয়েছিল এবং এর কার্যকারিতা বুঝতে পেরেছিলাম? শৈশবে যখন হাঁটা শেখা শুরু হয়েছিল তখন কেউ তার আঙ্গুল বা হাত বাড়িয়ে দিয়ে হাঁটা শিখিয়েছিল যা পরবর্তীতে দৌড়নোতে পরিণত হয়। তাই কোনও জিনিস কঠিন না, যদি শেখার, জানার ও বোঝার ইচ্ছে থাকে ও শেখাবার, জানাবার ও বোঝাবার প্রকৃত প্রাজ্ঞ মানুষ থাকেন। মানুষের জীবনের অভিধানে অসম্ভব বলে কোনও কথা নেই। তবে এই উদ্যোগ নিতে দেরি হলেও লক্ষ্য রাখতে হবে গীতা শিক্ষা যেন এক একজনকে মস্ত বড় একটি ‘বই’-এ পরিণত না করে, পোঙ্গা পন্ডিত না বানায়।
হরিয়ানা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আন্তরিক স্যালুট জানাই।
( লেখা ৪ই জানুয়ারী'২০১৫)।


উপলব্ধিঃ নাম মাহাত্ম্য।

সমস্ত সমস্যার সমাধান একমাত্র এ যুগের যুগাবতারের দেওয়া বীজনাম।
নামময় হ'য়ে থাকো আর নামের নামিকে কাজ করতে দাও। তাঁকে অবিশ্বাস ক'রো না।

ভয় পেও না। নাম করো। শুধু নাম করো। কি হ'লো আর না হ'লো, কি পেলে আর না পেলে তা' দেখতে যেও না। অনুরাগের সঙ্গে নাম করো আর বিন্দাস থাকো। সব তাঁর ওপর ছেড়ে দাও। দ্যাখো ম্যাজিক।

নাম থেকেই সব সৃষ্টি। নামের ভয়ংকর তীব্রতায় পৃথিবী ভেঙে টুকরো টুকরো হ'য়ে যেতে পারে! এসো নাম করি। শয়তান ছিন্নভিন্ন হ'য়ে যাবে।
যে নামময় থাকে তাকে লক্ষণ রেখা ঘিরে রাখে। রাবণের বাপ তাকে ছুঁতে পারে না।
তোমার সামনে পিছনে, উপরে নীচে, ডাইনে বাঁয়ে সর্বত্র শয়তান বিরাজমান। নাম রসে ডুবে যাও আর শয়তানের পরিণতি ঠাকুরের ওপর ছেড়ে দাও।

নাম করো। আরাম ক'রে মনে মনে নাম করো। মুহূর্তে বিপদের কালো মেঘ কেটে যাবে। তুমি বিপদমুক্ত হবেই হবে, নিশ্চয়ই হবে। আর এই নিয়ে, কারও সঙ্গে তর্ক করতে যেও না, সবাইকে সবার বুঝ নিয়ে থাকতে দাও। তুমি নামময় হ'য়ে থাকো।

তিনি আছেন আর আপনি আছেন ব্যস আর কি চাই? সবসময় বিন্দাস থাকুন। ফুর্তিতে থাকুন। আনন্দে থাকুন।

আপনি ঠাকুর ধরেছেন মানে আপনার একজন আছে যাকে আপনার মনের সব কথা বলতে পারবেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলুন। নিভৃতে মনের সব কথা খুলে বলুন তাঁকে।

আপনার বিপদের দিনে, সমস্যার দিনে কেউ নেই মানে আপনি কোনোদিন কারও জন্য ছিলেন না। ঠিক আছে। কিন্তু ঠাকুর আছে আপনার, ভয় কি?

আপনার বিপদের দিনে, সমস্যার দিনে কেউ নেই মানে আপনি কোনোদিন কারও জন্য ছিলেন না, এই ভেবে হতাশায় দুঃখে ভেঙে পড়বেন না। পরমপিতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। যার ক্ষতি করেছেন তার বিপদের দিনে অনুতপ্ত হৃদয়ে তার পাশে দাঁড়ান। সুসময় ফিরে আসবেই আসবে। সব ঠিক হ'য়ে যাবে। ঠাকুর আছে আপনার, ভয় কি?

আপনি ঠাকুরকে গ্রহণ করেছেন জীবনে, তারপর তাঁকে ছেড়ে দিয়েছেন, তাঁর জন্য কিছু করেননি, করেন না। কিন্তু ঠাকুর আপনাকে ছাড়েননি এক মুহূর্তের জন্যও। তা' আপনি জানেন না। আপনি তাঁর অনেক ছোটো বড় দয়া পেয়েছেন কিন্তু তা' তলিয়ে দেখেননি, স্বীকার করেননি। খালি পেতে চেয়েছেন কিন্তু বিনিময়ে কোনোদিন তাঁকে কিছু দেননি, তাঁর জন্য কিছু করেননি। নোতুন ক'রে শুরু করুন। নাম করুন। পাগলের মত নাম করুন।

আপনি ঠাকুরকে দু'হাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরুন আর শয়নে স্বপনে জাগরণে স্নানে ভোজনে সবসময় নাম করুন। শুধু নাম আর নাম, নাম আর নাম। তাঁর প্রতিষ্ঠায় জীবন বিছিয়ে দিন। তারপর দেখুন সব সমস্যার গিঁট খুলে যাচ্ছে একের পর এক ম্যাজিকের মতো।
( লেখা ৪ই জানুয়ারি'২০২৫)

Thursday, January 1, 2026

প্রসংগঃ দাদা অসুস্থ!?

দাদা অসুস্থ হ'লেও কোনো ভয় নেই।

দাদা তুমি নিশ্চিন্ত থাকো। ঈশ্বর পরমপিতা তোমার সহায়; তোমার সংগেই আছেন। আর আছে কোটি কোটি সৎসঙ্গী। তোমার জন্য তারা সবাই শ্রীশ্রীঠাকুরের রাতুল চরণে জানাচ্ছে প্রার্থনা।
দাদা সৌরভ গাংগুলি হটাৎ অসুস্থ! উডল্যান্ডে ভর্তি। যা জানা গেলো, জিম করতে গিয়ে তিনি এই সমস্যার মুখে পড়েন। জিম করার সময় হটাৎ ব্ল্যাক আউট। এখন অবস্থা স্থিতিশীল। খবরে জানা গেল ডাক্তার বলেছেন, মাইল্ড হার্ট অ্যাটাক। এখন কোনও বিপদ নেই। অথচ খবরে বলছে, এখন আর্টারিতে একটা স্টেন্ট বসেছে, পরে আরও দুটো বসবে। আরও দুটো ব্লকেজ আছে। দাদা নাকি ট্রিপল ভেসেল ডিজিজে ভুগছেন। প্রয়োজনে দিল্লি নিয়ে চিকিৎসা হ'তে পারে। দাদা এখন সবার সংগে কথা বলেছেন। রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বিভিন্ন ক্ষেত্রের দিকপালদের সংগে কথা বলেছেন। দাদা সংকট মুক্ত।

যাইহোক যা জানা গেল না তা হ'লো এমন হ'লো কেন? যদিও দাদার বাবার হার্ট ডিজিজের স্ট্রং হিস্ট্রি আছে। কিন্তু দাদা ছিলেন ফিটনেস আইকন। প্রচন্ড শরীর সচেতন! অথচ হঠাৎ হার্টে তিনটে ব্লকেজ! আর্টারিতে সংগে সংগে একটা স্টেন্ট বসে গেল! আরও দুটো আগামীতে বসবে! বাইপাস সার্জারী যদিও এইমুহুর্তে হবে না অথচ কথাটা উঠে গেল! ডাক্তাররা বলছেন ৫০ পেরোনো ব্যাক্তিদের নিয়মিত চেক আপে থাকতে হবে। আম জনতার নিয়মিত চেক আপ আম জনতাকে নিয়ে মস্করা ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু দাদা কি নিয়মিত শরীর চেক আপ করাতেন না!? দাদার বুকে হৃদয় রোগ ধীরেধীরে থাবা বসাচ্ছে তা কি তিনি বুঝতে পারেননি!? তাহ'লে আম জনতা কি ক'রে বুঝবে!!!

পরমপিতার চরণে প্রার্থনা জানাই দাদা সৌরভ তাড়াতাড়ি সম্পুর্ণরুপে বিপদমুক্ত হ'য়ে একেবারে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন এবং কর্মক্ষেত্রে যোগ দিন পুরোনো রুপে।
( লেখা ২রা জানুয়ারি'২০২১)