Powered By Blogger

Monday, November 4, 2024

উপলব্ধিঃ মাইন্ড সেট আপ চেঞ্জ করুন।

হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে নামাজ পাঠ আর তার বদলায় মসজিদে ঢুকে হনুমান চল্লিশা পাঠ এরা কি প্রকৃত মুসলমান ও হিন্দু?
প্রকৃত ঈশ্বরপ্রেমী? হিন্দু সেজে লুকিয়ে মন্দিরে নামাজ পাঠ করতে যাবে কেন? কোন উদ্দেশ্যে? এরা কি সত্যি রসূল ভক্ত!? সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার এই ঘৃণ্য চক্রান্ত কেন? কেনই বা পাল্টা মসজিদে হনুমান চল্লিশা পাঠ? এরা কি সত্যি রামভক্ত হনুমানের পূজারী!?
কেন এমন হবে?

দেশে কি প্রকৃত ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও ধর্মপ্রাণ হিন্দু নেই!? কবে দেশের সাধারণ মানুষের প্রকৃত ধর্মবোধ জাগবে? ধর্ম ও প্রেরিতদের নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভেদাভেদ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কবে সচেতন প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ঈশ্বরে নিবেদিতপ্রাণ মানুষ সোচ্চার হবে? কবে সম্প্রদায় নির্বিশেষে মানুষকে বোঝাবে এরা যে প্রেরিতদের মধ্যে কোনও ভেদ নেই। প্রেরিতরা নিরাকার ঈশ্বরের সাকার রূপ। প্রেরিতরা সবাই একজনই বারবার এসেছেন মানুষকে প্রকৃত বাঁচাবাড়ার পথ দেখাতে। তাঁদের মধ্যে কোনও ভেদ, কোনও ভিন্নতা নেই। যখন যেখানে তিনি নামার মত পরিবেশ পান সেখানেই তিনি নেবে আসেন। এই নিয়ে প্রকৃত প্রেরিত প্রেমীদের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই। সবাই আমরা এঁকেরই অনুগামী। প্রেরিতরা যুগে যুগে ভিন্ন ভিন্ন রূপে এলেও সেই রাম, সেই কৃষ্ণ, সেই বুদ্ধ, যীশু, মোহাম্মদ, মহাপ্রভু, রামকৃষ্ণ ও সর্বশেষ শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র একই ব্যক্তি যিনি ঈশ্বর, আল্লা, গড ইত্যাদি যে নামেই ডাকা হ'ক না কেন সেই নিরাকারের জীবন্ত রক্তমাংসসংকুল সাকার রূপ! আমরা পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষ সবাই তাঁর সন্তান!

কবে বুঝবো এই সহজ সরল কথা!? কবে বোঝাবে সমস্ত ধর্মের ধর্মপ্রাণ মানুষ তাদের তাদের সম্প্রদায়ের ধর্মপ্রাণ মানুষকে এই সহজ সরল কথা!?

কেন মন্দির, মসজিদ, গির্জা ইত্যাদি ঈশ্বরের আবাস স্থলে প্রেরিত রূপে আসা জীবন্ত ঈশ্বরের আরাধনা করা, নাম করা, ধ্যান করা যাবে না তা সে যে ধর্মের, যে সম্প্রদায়ের, যে প্রেরিতের অনুগামী হ'ক না কেন!? কেন লুকিয়ে বদ উদ্দেশ্য নিয়ে বা বদলা নেওয়ার মানসিকতায় অন্য সম্প্রদায়ের আরাধনা স্থলে আল্লা বা ঈশ্বর আরাধনার নাটক কেন?
কেন!? কেন!? কেন!? কেউ কি বুঝিয়ে দেবেন।
( ৪ই নভেম্বর'২০২০)

Saturday, November 2, 2024

উপলব্ধিঃ মা কালি

OM KALI KALI MAHAKALI KALIKE PAPAHARINI, DHARMARTHA MOKSADE DEVI NARAYANI NAMO-STUTE.

OM GODDESS WHO TAKES AWAY DARKNESS, GODDESS WHO TAKES AWAY DARKNESS, GREAT GODDESS WHO TAKES AWAY DARKNESS, BELOVED GODDESS WHO TAKES AWAY DARKNESS, WHO TAKES AWAY ALL SIN, GIVE THE WAY OF PEACE AND HARMONY, THE NECESSITIES FOR PHYSICAL SUSTENANCE AND LIBERATION. OTHERWISE KNOWN AS SELF REALIZATION. OH GODDESS , EXPOSER OF CONSCIOUSNESS, WE BOW TO YOU.
( লেখা ৩রা নভেম্বর'২০১৩)

বিচিত্রা ৩৫

আমার প্রিয়জন।
বর্তমান কঠিন, ভবিষ্যত ভয়ঙ্কর! যা শুধরে নেবার শুধরে নাও নিজেকে এখনি। যদি ভবিষ্যত দেখতে চাও সুন্দর পজিটিভ পরিবেশ তৈরী করো গৃহে। এখনো সময় আছে, যদি বাঁচতে চাও ও বাঁচাতে চাও পরিবারকে তবে দয়ালের রঙে রাঙাও নিজেকে। চরণপূজা নয়, তাঁর চলনপূজায় মাতাল হ'ক পরাণ।

আমার প্রিয়জন।
অন্তত তোমরা ঠাকুরের বিষয়ে কপট হ'য়ো না। আর সাদা পোষাক ও কাঁধে কালো ব্যাগ ঝুলিয়ে কপট সৎসঙ্গী সেজো না, সৎসঙ্গী হওয়ার চেষ্টা ক'রো।

আমার প্রিয়জন।
সাবধান! মনে রেখো ঠাকুরের নিজের হাতে তৈরী 'সৎসঙ্গ" প্রতিষ্ঠান। তাই মূল স্রোত থেকে কখনও কোনও অবস্থায় স'রে যেও না। স'রে গিয়ে খালে, বিলে আটকে যেও না। দম বন্ধ হ'য়ে হাঁসফাঁস ক'রে মারা পড়বে। দয়াল ঠাকুরই তোমার এক ও একমাত্র আরাধ্য, ধ্যেয় আর কেউ নন। আচার্য হ'লেন তাঁরই জীবন্ত প্রতিভু, তাঁরই পতাকাবাহী, তাঁর ধামে নিয়ে যাবার এক ও একমাত্র নিখুঁত পথপ্রদর্শক। নকল 'সৎসঙ্গ' থেকে সাবধান! নকল থেকে আসলেতে মনটা মজাও।

আমার প্রিয়জন।

তোমার প্রিয়জন সম্পর্কে সাবধান হও, সতর্ক হও, মনোযোগী হও। জীবন বিধ্বংসী যা কিছু সব চুপিসারে নানাভাবে ঢুকে পড়েছে তোমার ঘরে তোমার প্রিয়জনকে, সন্তানকে ছোবল মারবে ব'লে। বাঁচাতে তুমি পারবে না। কেউ বাঁচাতে পারবে না। ঘরে বাইরে সব সবাই বিষে জর্জরিত, নীল! নিজে যদি মরতে চাও মরো। কিন্তু নিজের সন্তানকে যদি ভালোবেসে থাকো তাহ'লে তাকে দয়ালের চরণতলে বসিয়ে যাও। গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, মরেও শান্তি পাবে।
( লেখা ৩রা নভেম্বর'২০২২)

















উপলব্ধিঃ ‘কালী করালবদনা বিনিষ্ক্রান্তা সিপাশিনী’।

 


চন্ডাশুর বধের সময় মা দুর্গার মুখ ক্রোধে কৃষ্ণবর্ণ হ’য়ে উঠলে মায়ের ললাট থেকে করালবদনা, অসিপাশযুক্তা মা কালী আবির্ভূতা হন। মা কালী মা দুর্গারই অপর এক রুপ। সে রুপ অসৎ বিনাশার্থে ‘জিহবা-ললনভীষণা’ ভয়ঙ্করী শ্যামা। মায়ের আগমনে ফিরে আসুক ধরণীর শান্তি-স্বস্তি। জীবের নিথরতা অপসারিত হ’য়ে সঞ্চারিত হ’ক জীবনে সাত্বত গতিবেগ।

Friday, November 1, 2024

বিচিত্রা ৩৪

শ্রদ্ধা তোমার নেইকো মনে
তুমি কেমনতর মানুষ!
বেলুনের পিছনে লাগিয়ে আগুন
যেমন উড়িয়ে দেওয়া ফানুশ।

শান্তি যদি পেতে চাও
গালমন্দ ক'রে যাও।
সুখ পেতে চাও যদি
অশ্রদ্ধাকে করো সাথী।।

গালাগালির অভিধান খুলে
বন্ধু করছো গালমন্দ;
নিজের পায়ে নিজে মারছো কুড়ুল
হারিয়ে জীবন ছন্দ।

বোধ নেই বুদ্ধি নেই বাকি কি অবশিষ্টাংশ?
হাড় নেই গোড় নেই যেন একতাল মাংস!
এমন মানুষ নেতা!?

এখন বুঝতে পারি পরমপিতার বুকের ব্যাথা!
বুঝতে পারি মানুষ তৈরির মূলকথা!!

এক বুক গরল নিয়ে কি আর 
অমৃত বৃক্ষ গজানো যায়!? 
অম্ল ঢেঁকুর তুলে তুলে 
শরীর যে জ্বলে যায়!!

গালাগালি-কুৎসা ক'রে 
হয়তো বুকের জ্বালা মেটে
কিন্তু তা সাময়িক, আবার জ্বালা!
বুক যে জ্বলে যায় সেই কুৎসার আগুনে,
তা জানো কি?
( লেখা ১লা নভেম্বর' ২০১৭/২০১৯)














উপলব্ধি ৫৩

এইজন্য কে বা কারা দায়ী? শুধু কি মুসলিম ইতিহাস? এছাড়া আমরা অন্য কোনও ইতিহাস শিখিনি? আমাদের শেখানো হয়নি বিপ্লবের নামে অন্য বহিরাগতদের ইতিহাস? মার্ক্স, এঙ্গেলস, লেনিন, মাও সেতুং, গুয়েভারা ইত্যাদি ইত্যাদি!? কোনও কিছু ছুড়ে ফেলে দেওয়া নয়, নয় কোনও কিছু ত্যাগ। জীবনে ত্যাগ বা ফেলে দেওয়া ব'লে কিছু নেই আছে শুধু গ্রহণ আর গ্রহণ। শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের কাছে শিখেছি, "মল, মূত্র আর বায়ু ছাড়া জীবনে ত্যাগ ব'লে কিছুই নেই, আছে শুধু গ্রহণ আর ভোগ। আর ত্যাগ মানে ঠাকুর বললেন, ভোগের বস্তু নিকটে রাখিয়া ত্যাগের নামই তাগ।" তাই আসুন জীবনে সব কিছুই যা কিছু বেচে থাকা ও বেড়ে ওঠার প্রয়োজন তাই গ্রহণ করুন। কোনও কিছুই ফেলে দেবার নয়। মানসিকতা থাকুক, ঠাকুর বলতেন, "আমার মা বলতেন, যেদিকে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখো তাই পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন।"

প্রবন্ধঃ দর্শন তত্ত্ব।

আজ ফেসবুকে Istaranjan Deb-এর একটা লেখা পড়লাম। ভালো লাগলো। সঙ্গে মনে প্রশ্ন জাগলো। তারপর কমেন্ট করলাম। ভাবলাম শেয়ার করব। কিন্তু শেয়ার অপশান না থাকায় শেয়ার করতে পারলাম না। সেই লেখার বিষয় হ'লো যারা মাছ মাংস খায় তারা যদি জ্যান্ত প্রাণীর প্রথম অবস্থা থেকে ছাল চামড় তুলে ফেলে কেটে টুকরো টুকরো ক'রে একেবারে রান্না করা পর্যন্ত বিষয়টা দেখে তাহ'লে তিনি চ্যালেঞ্জ করছেন সেই ব্যক্তি আমিষ খাওয়া ছেড়ে দেবে। লেখক Istaranjan Deb আমার গুরুভাই। গুরুভাইয়ের চ্যালেঞ্জ আমাকে ভালো লাগার সাথে সাথে ভাবালো। খুব ভালো লাগলো আমাকে ভাবাতে পারার জন্য। গুরুভাই লেখককে ধন্যবাদ। মূল লেখাটা লেখকের টাইম লাইনে গিয়ে পড়ার জন্য পাঠকদের প্রতি রইলো আমার একান্ত অনুরোধ।

বিষয়টা পড়তে ভালো লাগলো। কিন্তু ভাবলাম বাস্তব কি বলে? বাস্তব কি তাই-ই বলে বা সমর্থন করে? লেখকের তাঁর লেখার স্বপক্ষে নেওয়া চ্যালেঞ্জ কি বাস্তবে সফল হবে? এমন সমস্ত প্রশ্ন মনকে ভাবিয়ে তুললো। তাই মনকে ভাবনার সাগরে ভাসিয়ে দিলাম, করলাম রোমন্থন। অমৃত বা গরল যা উঠে এলো তাই শেয়ার করছি এবার। গ্রহণ বর্জন আপনাদের ব্যক্তিগত।


যাই হ'ক আবার বলছি লেখাটা ভালো লাগলো। কথাটা ভেবে দেখার মতো।


কিন্তু প্রতিদিন বাজারে, রাস্তার ওপরে প্রকাশ্যে যে জ্যান্ত মাছ, মুরগী, পাঁঠা, গরু কাটা হয় সেগুলি জ্যান্ত থেকে একেবারে ছাল চামড়া উপড়ে ফেলে দিয়ে টুকরো টূকরো ক'রে প্যাকেটে ভরে তবেই তো নিয়ে আসে মানুষ একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেই! তাই তো? খাঁচার ভিতর গাদা গাদা ক'রে রাখা মুরগীর ভিতর থেকে একটাকে টেনে বের ক'রে নিয়ে আসে। আর একটানে বের করার সময় খাঁচার তারের গায়ে লেগে গায়ের ছাল চামড়া উঠে আসে মুরগীর তারপর তা কাঁটা হয় প্রকাশ্যে তাও তো দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই দেখে মানুষ। সাইকেলের ক্যারিয়ারের দু'পাশে ঝুলিয়ে একসাথে অনেক মুরগীতে বেঁধে যখন নিয়ে যায় বা আসে, কখনও কখনও ঝুলে থাকা মুরগীর মাথা সাইকেলের স্পোকের মধ্যে পেঁচিয়ে গিয়ে মারা যাওয়া এইসমস্ত যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্য তো পথচলতি মানুষ কিংবা মাংসের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ দেখতে পায় প্রতিদিন প্রতিনিয়ত আর তারপরেও মাংস কিনে নিয়ে যায় দোকান থেকে হাসিমুখে। জ্যান্ত মাছকে খচাখচ পাখনা কেটে জ্যান্ত অবস্থায় গায়ের আঁশ ছাড়িয়ে নিয়ে তারপর গলা কেটে টুকরো টুকরো ক'রে প্যাকেটে ভরে নিয়ে আসে বাজার থেকে মানুষ সামনে দাঁড়িয়ে থেকেই প্রথম থেকে শেষ অব্দি দেখতে দেখতে। পাঁঠাগুলি কেটে ছাল চামড়া ছাড়িয়ে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখে প্রকাশ্য দিবালোকে আর সেখান থেকে লাইন ধ'রে মানুষ দাঁড়িয়ে থেকেই হাত পা শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে টুকরো টুকরো ক'রে নিয়ে যায় মানুষ বিন্দাস মনের আনন্দে সেই দৃশ্য উপভোগ করতে করতে ছুটির দিনে দুপুরে ভোজের কথা ভেবেই। প্রকাশ্যে রাস্তার ওপরে এবং পার্বনের সময় বিরাট বড় বড় পশুগুলোকে সামনে পিছনে পা বেঁধে নালী কেটে ফেলে রাখে আর রক্তের নদী ব'য়ে যায় তারপর মহানন্দে দোকানী কিংবা পার্বণের সময় সেই বিরাট পশুর বিরাট মাথা প্রকাশ্যে পথচলতি মানুষের সামনে কেটে ছাল ছাড়িয়ে যখন টুকরো টুকরো ক'রে কাটে আর তা দেখে বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই তখন আনন্দ উপভোগ করে। এইভাবে বছরের পর বছর, বছরের পর বছর চলে আসছে মনুষ্য সমাজে। কোনও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে কি যারা সেইসব দৃশ্য দেখে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে তাদের মধ্যে? কেউ কোন আজ পর্যন্ত দাবী তুলেছে কি প্রকাশ্যে কোন রকম জীব হত্যা বা দৃষ্টিকটুভাবে সেই নৃশংসতার বিজ্ঞাপন বন্ধ হ'ক বা প্রকাশ্য স্থান থেকে সরিয়ে ফেলা হ'ক? হয়নি।


আর, এছাড়া ইউ টিউবে এখন বাচ্চা বুড়ো সবাই দেখতে পায় কতরকম নৃশংস উপায়ে জীব হত্যা করা হয় উদোর পূরণের জন্য। যা বাচ্চারা আগে দেখতে পেত না সেই নির্ম্মম দৃশ্য তারা তাদের শিশু বয়সেই দেখতে পায় আর তাদের সুকুমার অর্থাৎ অতিশয় কোমল মনের উপর কি প্রভাব পড়ে ও তার পরিণতি কি তা সহজেই অনুমেয়।
আবার যখন মানুষ টোপের সাহায্যে মাছকে বোকা বানিয়ে পুকুরে নদীতে বড়শিতে গেঁথে নেয় তখন ঐ মাছের বড়শিতে গাঁথা অবস্থায় যন্ত্রণা মহানন্দে উপভোগ করে মানুষ। এমনকি সেই মাছটিকে বড়শি থেকে আলাদা করার সময় এক টানে তার ঠোঁট টেনে ছিঁড়ে নেয় এবং জালের সাহায্যে ধরা মাছগুলোকে রেখে দেয় জলহীন পাত্রে বা ব্যাগে। তখন মানুষের বোধের ঘরে কি কোনও ঘা মারে ঐ যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্য? আনন্দে মাতোয়ারা হ'য়ে থাকে বিশ্ববিজয়ের মতো। তাই সবটাই অরণ্যে রোদন।


তবে হ্যাঁ এটাও সত্য এমন অনেক মানুষ যারা মাছ মাংস খায় কিন্তু ঐ হত্যা বা টুকরো টুকরো ক'রে পিস পিস ক'রে কাটা বা জীবের শরীরের অংশকে থেঁতলে কিমা বানানো দেখতে পারে না।


এইসমস্ত গভীর অনুভূতির ব্যাপার, বোধের ব্যাপার। যেমনটা ঠাকুরের হয়েছিল নৌকোর ওপর জেলেদের নদী থেকে ধরা জালের মধ্যে ও নৌকোর মধ্যে ছটফট করতে থাকা মাছগুলোকে দেখে এবং নদীতে মাছগুলোকে ছেড়ে দেবার জন্য জেলেদের পায়ে ধ'রে কাঁদার ব্যাপারটা। আর তাই দেখে জেলেরা বলেছিল, দু'পয়সা দিলে সব মাছ নদীতে ছেড়ে দেবে। আর তাই ঠাকুর ছুটে গিয়েছিলে মায়ের কাছে আর কেঁদে পড়েছিল দু'পয়সা দেবার জন্য। আর সেই পয়সা এনে জেলেদের দিলে জেলেরা যখন মাছগুলোকে নদীতে ছেড়ে দিয়েছিল সেই ছাড়া মাছগুলোকে জলের মধ্যে কিলবিল করতে করতে চলে যাওয়া দেখে বালক অনুকূল আনন্দে নেচে উঠেছিল, দু'চোখ ভ'রে গিয়েছিল আনন্দাশ্রুতে। এই হ'লো একাত্মবোধের নমুনা।
তাই, এই বোধ শুধু ঐ দর্শন তত্ত্ব দিয়ে সম্ভব নয় জাগ্রত করার। সৃষ্টির কর্তার ওপর সারেন্ডার না হ'লে এই বোধ জাগ্রত হয় না। আর সারেন্ডার মানে সারেন্ডার। যা হয়েছিল হনুমানের, প্রহ্লাদের ইত্যাদির। বাকী সব বকোয়াস।
( লেখা ১লা নভেম্বর'২০২৩)