Powered By Blogger

Tuesday, August 18, 2026

প্রবন্ধঃ ভারতে সম্ভব?

অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে যারা মিথ্যে রীল বানিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের সতর্ক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়। কিন্তু এই সতর্কতা শুধু অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে রীল বানানোর মধ্যেই সীমিত? দেশজুড়ে কি হচ্ছে? প্রকাশ্যে মাঠে-ময়দানে, রাস্তাঘাটে এবং রীল, ভিডিও বানানোর মধ্যে দিয়ে দেশের ছোটো থেকে বড় কিশোরকিশোরী, তরুণতরুণী, যুবকযুবতী থেকে শুরু ক'রে প্রৌঢ়প্রৌঢ়া থেকে বার্ধ্যকের দরজায় পৌঁছে যাওয়া মানুষ পর্যন্ত কি বলছে, কি করছে!? এ আমরা কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি? জানুক না জানুক, বুঝুক আর না বুঝুক গোয়েবলস জীবন্ত হ'য়ে উঠেছে ভারতের ধর্ম, রাজনীতি, শিক্ষা ইত্যাদি সবক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সমাজ জীবনে। গোয়েবলসীয় কায়দায় সীমাহীন মিথ্যে কথা বলা, অসত্য পরিবেশন করা ও মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হ'য়ে চলেছে। কথাবার্তার মধ্যে দিয়ে, ভাষা উচ্চারণ ও আচরণের মধ্যে দিয়ে অশ্লীলতা ও যৌনতার খুল্লমখুল্লা ছড়াছড়ি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়াকে আশ্রয় ক''রে সমাজের গভীরে। এ এক ধ্বংসের অশনি সংকেত!

এইসবের বিরুদ্ধে সত্যের প্রচার, সতর্কীকরণ ও কড়া সরকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা দল মত নির্বিশেষে সমস্ত মানুষের জন্য মঙ্গল। মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর পোষ্ট বন্ধ হ'ক, নতুবা ফেসবুক, ইন্সট্রাগ্রাম বন্ধ হ'ক ভারতে চিরতরে যদি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর পোষ্ট, নোংরা অশ্লীল নীল ছবির মত রীল পোষ্ট বন্ধ না করা যায়। সমাজ, সভ্যতা আজ ধ্বংসের কিনারায়। তবুও ভারতের মত ঐতিহ্যশালী দেশ একসময়ে সব বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী দেশের মানুষের ঘুম ভাঙছে না। ইয়ং জেনারেশনের যে মেরুদন্ড ভেঙে চুরমার হ'য়ে যাচ্ছে যা' প্রতিনিয়তই দেখতে পাচ্ছি দেশজুড়ে ঘটে চলা নানা অশ্লীল, অশালীন ঘটনায় তবুও ভারত আজও পিপুফিশু মানসিকতার আমেজে ডুবে আছে। যে যা ইচ্ছা করছে ভারতে। সবার বাক স্বাধীনতা আছে।

আর, মনে হচ্ছে সেই স্বাধীনতার দাবীতে উর্ধ্বে বাহু তুলে লম্ফঝম্প মেরে সবাই যা ইচ্ছা তাই করার, বলার, পোষ্ট করার আইনি লাইসেন্স পেয়ে গেছে। কারণ আমরা স্বাধীন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা আমাদের আছে। আগেও দেখেছি বহুবার দেশের অভ্যন্তরে ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে স্বাধীনতার উচ্ছৃঙ্খলতা কা'কে বলে, এবারও ভিডিওতে দেখলাম পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ও মুখ্যমন্ত্রী্র মাকে নিয়ে এক স্কুল ছাত্রের মুখে এবং দিল্লীর যন্তর মন্তরেও দেখলাম দেশের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর মাকে নিয়ে এক অল্প বয়সী ছাত্রীর মুখে কানে গরম সীসা ঢেলে দেওয়ার মত অশ্লীল যৌন গালাগালি করতে, আর দেখলাম অন্য একটি রিলে এক অল্প বয়সী ছাত্রীর মুখে শুনলাম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে পিরিয়ডস ও প্রেগন্যান্ট সংক্রান্ত অশ্লীল কথা বলতে। অবাক হ'য়ে যায়, এরা দেশের ভবিষ্যৎ এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পিতামাতা!!!!!

পরমপ্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র বললেন,
"অবাধে ভালো করতে পারাই
স্বাধীনতা কয়,
উচ্ছৃঙ্খলের প্রশ্রয় পাওয়া
স্বরাজ কিন্তু নয়।"
"অবাধে ভাল করতে পারে
সেই তো স্বাধীন,
উচ্ছৃঙ্খলায় মরণ আনে
তাই তো পরাধীন।"

আবার, আইনের শাসনে অনুচ্ছেদ ১৯(১)(এ): মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সম্পর্কে বলছে, ভারতের প্রতিটি নাগরিকের নিজের মত, বিশ্বাস ও ভাবনার কথা লেখার মাধ্যমে, বলার মাধ্যমে, ছবি এঁকে বা অন্য কোনো উপায়ে প্রকাশ করার পূর্ণ অধিকার আছে। আর, ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯(২) বলছে, মত প্রকাশে স্বাধীনতা সম্পর্কে একটা যুক্তিসঙ্গত নিষেধাজ্ঞা বা সীমা থাকতে হবে।

ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯(২)-এ এই নিষেধাজ্ঞা বা সীমা থাকার কথা বলছে কারণ এই মত প্রকাশের স্বাধীনতা যদি দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা রক্ষা করার জন্য থ্রেট হ'য়ে দাঁড়ায়, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, দেশের জনশৃঙ্খলা যদি নষ্ট করে, বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে যদি এই স্বাধীন মতপ্রকাশের ফলে সুসম্পর্ক নষ্ট হয়, স্বাধীন মতপ্রকাশ যদি শালীনতা নষ্ট করে, সদাচার নষ্ট করে, কারও মানহানি করে, কোনও অপরাধ সংগঠিত করার জন্য উসকানি হ'য়ে থাকে এবং আদালতের অবমাননা হ'য়ে থাকে তাহ'লে তাকে আটকাবার জন্য, রোধ করার জন্য স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে আইনের অনুচ্ছেদ ১৯(২) ধারা রাখা হয়েছে এবং এই ধারার মাধ্যমে একটা মত প্রকাশের একটা যুক্তিসঙ্গত নিষেধাজ্ঞা বা সীমা টানা হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ধারা কি আমাদের দেশে লাগু আছে? আমাদের দেশে তো নেতা, মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ, শিক্ষাবিদ, ধার্মিক ইত্যাদি সব ক্ষেত্রে যে যা ইচ্ছা প্রকাশ্যে বলছে, মুখে কোনও লাগাম নেই। নেতানেত্রী, বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী, শিক্ষাবিদ, কবি, সাহিত্যিক, অভিনেতা সবাই প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে লাগামছাড়া অশ্লীল ও ভয় দেখানো এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক কথা বলছে, ভাষণ ও বিবৃতি দিচ্ছে। মনে হচ্ছে ভারতবর্ষে যেমন ইচ্ছা তেমন শারীরিক ও মানসিক উলঙ্গ হ'য়ে প্রকাশ্যে চলাফেরা করা যায়।

এটা তো আমরা সবাই প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি ধর্ম, রাজনীতি, শিক্ষা ইত্যাদি সব ক্ষেত্রে শালীনতা, মানহানি রক্ষা হচ্ছে কিনা ও শৃঙ্খলা, শান্তি, নিরাপত্তা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯(২)-এ নিষেধাজ্ঞা বা সীমা থাকার কথা কঠোরভাবে মানা হচ্ছে কিনা এবং সেটা দেশের আম জনতা সবাই দেখতে পাচ্ছে। এ সমস্তই মানসিক ব্যাধি। রীল, ইউ টিউব, ফেসবুক, ইন্সট্রাগ্রাম, টুইটার, হোয়াটস আপ ইত্যাদির মধ্যে এইসমস্ত বিষাক্ত সংক্রামক মানসিক ব্যাধি ছড়িয়ে দেশের আনাচে কানাচে প্রত্যন্ত প্রদেশে।

যাই হ'ক, এসব সরকারী সিদ্ধান্তের ব্যাপার। কিন্তু মনে প্রশ্ন জাগে আমার পার্শ্ববর্তী বৃহৎ শক্তিশালী দেশ চীনের মূল ভূখণ্ডে কেন টুইটার বর্তমানে এক্স), ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রা্‌ম, ইউ টিউব, গুগুল, হোয়াটসঅ্যাপ সব সম্পূর্ণ বন্ধ এবং নিষিদ্ধ? ২০০৯ সাল থেকে ফেসবুক, টুইটার, ইউ টিউব এবং ২০১০ সাল থেকে চীনে গুগলের সার্চ ইঞ্জিন পুরোপুরি বন্ধ এবং ২০১৪ সাল থেকে গুগুলের সব রকম সেবা যেমন জি মেইল এবং ইনস্টাগ্রাম চীনে ব্লক করা আছে। ২০১৭ সালে হোয়াটস আপ বন্ধ ক'রে দেওয়া হয়। চীন সরকারের কঠোর ইন্টারনেট সেন্সরশিপ ব্যবস্থা বা 'গ্রেট ফায়ারওয়ালের' মাধ্যমে বিদেশি সামাজিক মাধ্যমগুলো ব্লক করা হয়েছে। সরকারের তথ্য প্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং স্থানীয় প্রযুক্তি শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের বদলে চীনে নিজস্ব অ্যাপ যেমন উইচ্যাট (WeChat) এবং ওয়েবো (Weibo) ব্যবহার করা হয়।

সাধারণ উপায়ে চীনের ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এই অ্যাপগুলো চালানো যায় না। তবে পর্যটক বা প্রবাসীরা দেশটিতে ভিপিএন (VPN), আন্তর্জাতিক রোমিং অথবা বিশেষ ট্রাভেল ই-সিম (eSIM) ব্যবহার করে এই নিষিদ্ধ সেবাগুলো সচল করতে পারেন।
চীন সরকারের কঠোর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং দেশীয় ব্যবসাকে সুরক্ষা দেওয়ার নীতির কারণে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিস্তারিতভাবে যদি আলোচনা করলে দেখা যাবে মূল কারণগুলি হ'লো,

১) ২০০৯ সালে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের বড় দাঙ্গার পর টুইটার ও ফেসবুক ব্লক করা হয়। বিক্ষোভকারীরা টুইটার ও ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিল।

২) চীন সরকার তাদের দেশের ইন্টারনেটে যেকোনো রাজনৈতিক সংবেদনশীল বিষয় বা সরকারের সমালোচনা মুছে দিতে চায়। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম চীনের এই সেন্সরশিপ নীতি মানতে রাজি হয়নি। ২০১৪ সালে সালে হংকংয়ের 'ছাতা আন্দোলন' (Umbrella Movement)-এর বিক্ষোভের ছবি ছড়ানো আটকাতে ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করা হয়। ২০১৭ সালে হোয়াটস আপের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন (End-to-End Encryption) ফিচারের কারণে চীন সরকার হোয়াটস আপ সম্পূর্ণ ব্লক করে দেয়।

৩) চীন বিশ্বাস করে তাদের সাইবার জগতের ওপর বাইরের কোনো দেশের বা কোম্পানির হস্তক্ষেপ থাকা উচিত নয়। এটা তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়।

চীন সরকারের নিয়ম হলো সব ব্যবহারকারীর তথ্য বা ডেটা চীনের ভেতরের সার্ভারে রাখতে হবে। ফেসবুক ও মেটা (Meta) চীনের এই সংরক্ষণের শর্ত মানেনি।

মার্কিন কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে থাকা অ্যাপগুলোর মাধ্যমে চীনের নাগরিকদের তথ্য আমেরিকার কাছে চলে যেতে পারে, এই ধরণের বিদেশী নজরদারী চীনের নিরাপত্তা আশঙ্কার বড় কারণ।
এই ধরণের নিষেধাজ্ঞা জারী করার কারণে বিদেশি অ্যাপ চীনে বন্ধ থাকায় চীনের নিজস্ব প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম না থাকায় উইচ্যাট (WeChat), ওয়েবো (Weibo) এবং ডুইন (Douyin - যা বিশ্বজুড়ে টিকটক নামে পরিচিত) সম্পূর্ণ চীনা বাজার একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে চীনের অর্থনৈতিক সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে।

চীন ছাড়াও বিশ্বের আরও বেশ কয়েকটি দেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেমন, উত্তর কোরিয়া, ইরাণ, রাশিয়া, মিয়ানমার, তুর্ক্মেনিস্তান এবং নেপালে সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময়ে সাম্প্রতিক সময়ে নেপাল সরকার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স (টুইটার) এবং ইউটিউবসহ প্রায় ২৬টি প্রধান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে।

এছাড়া আনন্দের বিষয় যে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রাজিলের মতো বেশ কিছু গণতান্ত্রিক দেশে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক ছাড়া শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অনুর্ধ্ব ১৫ বা ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

চীন বা অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রাজিল দেশগুলির মতো ভারতে এই সম্পূর্ণরকমে নিষিদ্ধ বা ব্লক করার পদক্ষেপ গ্রহণ কি সম্ভব?

এসব দেখে ভাবি, ভারতে মতপ্রকশের ক্ষেত্রে আইনের অনুচ্ছেদ ১৯(২) ধারা যে রাখা হয়েছে তা' প্রকাশ্যে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় গোয়েবলসীয় কায়দায় সীমাহীন মিথ্যে কথা বলা, অসত্য পরিবেশন করা ও মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং কথাবার্তার মধ্যে দিয়ে, ভাষা উচ্চারণ ও আচরণের মধ্যে দিয়ে অশ্লীলতা ও যৌনতার খুল্লমখুল্লা প্রচারের মধ্যে দিয়ে যে ভারতীয় সংবিধানের আইনের অনুচ্ছেদ ১৯(২) ধারা লঙ্ঘন হচ্ছে সেই লঙ্ঘনের জন্য কোনওরকম আইনি কুটকচালি ঘোরপ্যাঁচ ছাড়া এই ধারা কঠোরভাবে লাগু হচ্ছে কি বা লাগু সম্ভব?

আর, অন্তত ১৫ বা ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষার জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার বয়সের ওপর কঠোর আইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ আইন করে নিষিদ্ধ করা কি সম্ভব???
প্রকাশ বিশ্বাস।
ভদ্রকালী, উত্তরপাড়া। 
( লেখা ৯ই আগষ্ট'২০২৬ রবিবার)


No comments:

Post a Comment