Powered By Blogger

Tuesday, August 18, 2026

ভাবনাঃ সংখ্যাতত্ত্ব ঈশ্বরের পরিচয় নয়।

সংখ্যায় বেশী বা সংখ্যায় কম এই তত্ত্ব ঈশ্বরের পরিচয় নয় ও এই তত্ত্ব দিয়ে তাঁকে প্রকাশ করা যায় না। পৃথিবীতে কোন ভাষায় কে বেশী কথা বললো আর কোন সম্প্রদায়ের লোক সংখ্যা বেশী অতএব সেখানেই স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তা অর্থাৎ ঈশ্বর, আল্লা বা গড যে নামেই তাঁকে ডাকি না কেন তিনি বিরাজমান বা যুগের প্রয়োজনে তিনি নেমে আসবেন সেই বেশী ভাষায় কথা বলা বা সংখ্যায় বেশী লোক যে সম্প্রদায়ের মধ্যে সেই সম্প্রদায়ের মানুষ মায়ের গর্ভে আর যেখানে যে সম্প্রদায়ের লোকসংখ্যা কম সেখানে সেই সম্প্রদায়ের মানুষ মায়ের গর্ভে তিনি নেমে আসেন না এই সংখ্যা তত্ত্ব দিয়ে তাঁর আসা, না-আসাকে বিচার করা যায় না। বিচার করা যায় না কোথায় তিনি আসবেন, না-আসবেন সেটা তাঁর মর্জি মাফিক ব্যাপার। আর এই ধরণের কথা যারা বলে সেটা তাদের অর্বাচিনের মত কথা বা চিন্তা ভাবনা।

সংখ্যা দিয়ে ঈশ্বরের নেমে আসার মাপকাঠি বিচার হয় না। সংখ্যা মানদণ্ড নয়। মানদণ্ড হ'লো কোথায় ও কোন জমিতে নেমে আসবেন সেইটা স্রষ্টার একান্ত নিজের ব্যাপার। তিনি যেখানে নেমে আসার উপযুক্ত পরিবেশ আর ফার্টাইল জমি পাবেন ও উন্নত বীজ পাবেন সেইখানেই তিনি নেমে আসবেন। ধর্মপ্রাণ, সদাচারী, সৎ, সরল, ভালোবাসাময় মানুষ তাঁর নেমে আসার আধার। আবার যেখানে সেখানে অশ্রাব্য কুশ্রাব্য গালাগালি করা, কানে গরম সীসা ঢেলে দেওয়ার মত অশ্লীল ভাষায় কথা বলতে অভ্যস্ত সাবলীল, উচ্ছৃঙ্খল, শালীনতাহীন, অসদাচারী নারীর গর্ভে বিশ্বব্রহ্মান্ডের স্রষ্টা মানবদেহে নেমে আসেন না। সেখানে সাপ, ব্যাঙ, ছুঁচো,, ইঁদুর মানসিকতার আত্মা নেমে আসে। আর, এই মানসিকতার মানুষের মধ্যে সব ধর্মের মধ্যে ধর্মীয় পোশাকটাই আজ মুখ্য হইয়ে দাঁড়িয়েছে আর গৌণ হ'য়ে গেছে চরিত্রের প্রকাশ।

আর, সৃষ্টিকর্তার নেমে আসার জন্য তেমন জমি চাই ও বীজ চাই অর্থাৎ পুরুষ-নারী চাই, মা চাই, বাপ চাই। আগামীতে তাঁর নেমে আসার জন্য হয়তো আর মাটি আর বীজ পাবে না স্রষ্টা। কারণ আগামী ঘোর কলি যুগ। ধ্বংসের যুগ। তার ইঙ্গিত দেশে-বিদেশে বিশ্বজুড়ে বিষবর্ষী আন্দোলনের এইসব Mental identity বিহীন বন্ধ্যা বীজ আর জমি।
প্রকাশ বিশ্বাস।
ভদ্রকালী, উত্তরপাড়া। 
( লেখা ১১ই আগষ্ট'২০২৬ মঙ্গলবার)


No comments:

Post a Comment