Powered By Blogger

Thursday, September 5, 2019

কবিতাঃ ঠাকুর আর তুমি!

ঠাকুর তুমি ভালোবাসো!?
তো ভালোতে কেন করো না বাস!?
তা ভালোতে বাস করার আগে ভালো কি তা জানার দরকার!
ঠাকুর তুমি ভালোবাসো!?
তা ঠাকুর কি কি নিয়ে ঠাকুর তা তুমি কি জানো?
তা জানতে হ'লে ঠাকুরের ঠাকুরত্বকে আগে
তোমার বোধের মধ্যে আনো!
ঠাকুরকে তুমি ভালোবাসো!?
তা ঠাকুর কি ভালোবাসেন তা আছে কি তোমার জানা!?
জানা থাকলে আর তা পালন করলে পরে
অন্ধকারে নেই যেতে আর কারো মানা!
ঠাকুরকে তুমি বাসো ভালো!?
তা ঠাকুর কি ভালোবাসেন না তা কি তুমি জানো!?
থাকলে তোমার জানা তা চরিত্রে তুলে আনো!
ঠাকুর তোমার প্রাণ!?
তা ঠাকুরের কষ্টে তোমার প্রাণ করে কি আনচান!?
যদি করে আনচান তবে কবুল করো ঠাকুর তোমার জান!
ঠাকুর তোমার আদর্শ!?
তা ঠাকুরের মিশন আছে কি তোমার জানা!?
যদি থাকে জানা তবে হ'য়ে আদর্শে সমর্পিত প্রাণ
লক্ষ্যে অবিচল থাকো!
ঠাকুর তোমার চলার সাথী!?
তা সাথীকে তুমি চেনো?
চিনতে গেলে জানতে হবে, জানতে গেলে মানতে হবে!
জানা-মানার পথ ধ'রে হাঁটলে পরে সাথীকে তুমি কাছে পাবে!
ঠাকুর তোমার বন্ধু!?
তা তুমি ঠাকুরের বন্ধু কি!
বন্ধুকে না ভালো বাসলে পরে বন্ধু তোমার জন্যে করবে কি?
ঠাকুর তোমার বন্ধু!
তা ঠাকুর তোমার কাছে কি চান?
যারা দিবারাত্র ঠাকুরকে করছে গালি, করছে কুৎসা,
খেলছে ঘৃণ্য খেলা ঠাকুর, ঠাকুর পরিবারের  নিয়ে মান-সম্মান!
তাদের উপর বন্দুক হ'য়ে গর্জে ওঠো, নিন্দুকের কেড়ে নাও প্রাণ!?
ঠাকুর কি তাই চান?
ঠাকুর তোমার স্বপ্ন!?
তা ঠাকুরের স্বপ্ন কি?
ঠাকুরের স্বপ্ন না থাকলে জানা তোমার ঠাকুর স্বপ্ন ভস্মে ঢালা ঘি!
তোমার স্বপ্ন পূরণ হবে কি? ভেবে দেখো দেখি!
ঠাকুর তোমার নেশা!?
নেশার ঝোঁকে লম্প দিয়ে ঝম্প মেরে মানুষকে দেখাও দিশা!
তা ঠাকুরের নেশা কি ছিল তা তুমি জানো কি!?
তা না জানলে পরে ঠাকুর ধরায় ফাঁকি!

এমনিভাবেই বেলা গেল ঠাকুর ধরা হ'লো বৃথা!
জীবন খুঁজে পেলে না বন্ধু কোথাও, বুঝলে না ব্যথাহারির ব্যাথা!
ব্যাথা নিয়ে ঠাকুর ধরো পেতে পরিত্রাণ!
ঠাকুর ব্যথার ধার ধারও না নিতে লেলিহান!
নিজের ধান্ধায় ব্যস্ত থাকো ঠাকুরকে করো হাতিয়ার!
ঠাকুর তোমার বাপের চাকর কিছু না ক'রে হাতাও বারবার!
সৎসঙ্গে মারছো ঢুঁশ সৎসঙ্গী সেজে!
মাথা জুড়ে ধান্ধাবাজির ছক রেখেছো কষে!
তিন 'প'-এর ব্যবসা ফেঁদে বসেছো দারুণ কিন্তু ভাই!
শেষের সেদিন কিন্তু ভয়াল ভয়ঙ্কর মনে রেখো তাই!
জীবন খুঁজে যদি চাও গো পেতে বিবেকের কথা শোনো!
ধান্দাবাজিতে ভরা পিংপং মন পাশে সরিয়ে বিবেককে বন্ধু মানো।
নিজের ধান্দা সরিয়ে রেখে ঠাকুরকে সামনে রাখো
'জীবন' খুঁজে পাবেই তুমি, বলছি আমি-----
বৃত্তিভেদী টান নিয়ে ভাই ঠাকুর সাথে থাকো!
------------------প্রবি।

সত্যানুসরণ ও কিছু কথা


চিন্তা হরণ শ্যামলদা একটা লেখা পোষ্ট করেছিলেন। লেখাটার নীচে লেখা ছিল 'সত্যানুসরণ'। লেখাটা হ'লো, " কৃতঘ্ন ও বিশ্বাসঘাতক অনেকটা অনেক সময়েই নিজেই সর্বনাশে সাবাড় হয়।" লেখাটা চোখে পড়তেই মনে হ'লো এই লেখাটা তো সত্যানুসরণে নেই। তাহ'লে কোথায় পেলেন চিন্তা হরণ দা? কৌতুহলবশতঃ আমি চিন্তা হরণদাকে প্রশ্ন করলাম সেই পোষ্টে। দীক্ষিত-অদীক্ষিত তামাম পাঠককুলের জানার ও সুবিধার জন্য
আমার প্রশ্নটা এবং তার পরবর্তী চিন্তা হরণ শ্যামল দা ও নির্মল সেন দার মন্তব্য এবং আমার তাদের সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্লেষণমূলক কথন এখানে তুলে দিলাম।

প্রকাশ বিশ্বাসঃ "এই কথাগুলি সত্যানুসরণ গ্রন্থের? কোথায় পেলেন? কত পাতায় যদি বলেন তাহ'লে একবার দেখে নিতে পারি। আপনি শিওর যে এই কথাগুলি সত্যানুসরণ গ্রন্থের? কোথাও ভুল হচ্ছে না-তো? কোথাও গন্ডগোল হচ্ছে না-তো? দেখুন সত্যানুসরণ গ্রন্থ সম্পর্কে যেন কোনও ভুল ধারণার জন্ম না হয় দীক্ষিত-অদীক্ষিত পাঠক মহলে। একটু দেখে নিন।"

চিন্তা হরণ শ্যামলঃ জয়গুরু দাদাভাই ---"সত্যানুসরণ"৭৭ পৃষ্টার -'এই কৃতঘ্নতা ও বিশ্বাসঘাতকতাকে যে বা যারা প্রশ্রয় ও পোষণপুষ্ট করে---------"আপনি এ লাইনের পর থেকে পড়ালে পরবর্তী লাইনে পেয়ে যাবেন ---'জয়গুরু আশা করি পড়বেন, পাবেন ---

নির্মল সেনঃ জ্ঞাতার্থে "অকৃতজ্ঞতা" ....কৃতঘ্ন ও বিশ্বাসঘাতকতা অনেকটা অনেক সময়েই নিজেই সর্বনাশে সাবাড় হয় ---- আর এই প্রশ্রয়ী ও পুষ্টিপ্রদাতারা ব্যষ্টিসমষ্টির ধর্ম ও জাতির চিরদিনই সর্বনাশ করে থাকে। (পৃঃ ৭৭) জয়গুরু।

নির্মল সেনঃ  যে হেতু বড় পন্ডিত তোমাকে প্রশ্ন করেছে? সেহেতু আমি উত্তর দিলাম! জয়গুরু

 চিন্তা হরণ শ্যামলঃ ঠিক দিয়েছেন, দাদা, আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি, জয়গুরু।

এই পর্যন্ত শেষে আমি ভেবেছিলাম এর কোনও উত্তর দেবো না।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে মনে হ'ল প্রায় সময় এই ধরণের ঠাকুরের নাম দিয়ে বাণী চোখে পড়ে। সবার মধ্যে না হ'লেও কিছু মানুষের মধ্যে যারা ঠাকুরের বই টই পড়ে, ঠাকুরের গ্রন্থ Study করে তাদের মধ্যে এই নিয়ে সংশয় তৈরী হয়। এই বাণীটা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে, সংশয় তৈরী হবে আর এদের উত্তরে চুপ ক'রে থাকলে পাঠকদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হবে ও মানুষ বিভ্রান্ত হবে। তাই ভাবলাম এই নিয়ে একটু চর্চা করা যেতেই পারে। যাই হ'ক আমি তখন চিন্তা হরণ শ্যামল-দাকে যা লিখেছিলাম সেই লেখা নতুন-পুরাতন দীক্ষিত-অদীক্ষিত মানুষের সুবিধার্থে এইখানে তুলে দিলাম।

প্রকাশ বিশ্বাসঃ চিন্তা হরণ শ্যামলদা আপনার পোষ্টটা দেখে আপনাকে কয়েকটা প্রশ্ন করেছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই একজন ঠাকুরের অনুগামী হিসাবে ঠাকুরের একজন অনুগামীর কাছে এই প্রশ্নটা রেখেছিলাম। প্রশ্নটা রেখেছিলাম এই কারণেই যে আপনার পোষ্টটা আমায় চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল আর ভেবেছিলাম যেহেতু আপনি নামে চিন্তা হরণ তাহ'লে নিশ্চয়ই আমার এই চিন্তা হরণ ক'রে আমাকে সংশয় থেকে মুক্তি দেবেন, আমাকে সবুজ ক'রে দেবেন। কিন্তু দেখলাম আপনি নির্মল সেনকে বাধাই দিয়েছেন, জানিয়েছেন বাহবা তার পোষ্টের জন্য এবং আপনি লিখেছেন আপনি খুব আনন্দিত হয়েছেন। অতএব ধ'রেই নিতে পারি আমার সম্পর্কে করা তার উক্তিতেও আপনি আনন্দ পেয়েছেন এবং তার ভাষা, ব্যবহার, কথা সবকিছুর গুণগ্রাহী। আর মানুষের কথা, ভাষা, ব্যবহার মানুষের চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলে। নির্মল সেনের ক্ষেত্রেও তাই। যাই হ'ক এটা আপনার ব্যক্তিগত বোধ ও রুচির ব্যাপার। সেখানে আমার কিছু বলার থাকতে পারে না।
আপনার কথামত আমি আমার উদ্দেশ্যে করা আপনার কমেন্ট পড়লাম। ভেবে দেখলাম আপনি কোন 'সত্যানুসরণ'-এর কথা বলছেন? ঠাকুরের 'সত্যানুসরণ' নামে কি অনেক গ্রন্থ আছে? অনেক প্রকাশক আছে? এখন দেখা যাক রহস্যটা কোথায়। তাহ'লে কি বাঁদরের তৈলাক্ত বাঁশে ওঠা নামার অঙ্কের (২ফুট উঠলে ৩ফুট নেবে যায়) মত 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা ঠাকুর প্রদত্ত/অপ্রদত্ত বা ঠাকুর অনুমোদিত/অননুমোদিত বাণীর ভারের তারতম্যে মাঝে মাঝে ওঠা নামা করে!?
ক্রমশঃ।

প্রকাশ বিশ্বাসঃ  চিন্তা হরণ শ্যামলদা, এবার আসি ঠাকুরের 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থ প্রসঙ্গে আলোচনায়। আপনার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভেবেছিলাম রহস্যের সমাধান হ'তে পারে কিন্তু যখন দেখলাম আপনি নির্মল সেনের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের সমর্থক তখন ইচ্ছেটা মরে গেছিল। ভেবেছিলাম সবার সঙ্গে সব আলোচনা নয়। যাই হ'ক পড়ে ভাবলাম আমার আগের করা বক্তব্যের একটা মধুরেন পরিসমাপ্তির প্রয়োজন আর সেই প্রয়োজন বৃহত্তর স্বার্থে। তাই আবার লিখতে বসলাম বৃহত্তর পাঠককুলের জন্য।
যাই হ'ক, যে 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থ আমার কাছে আছে সেই গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা তো ৭১। ৭৭ নম্বর পৃষ্ঠা কোথায় পেলেন!? এর অর্থ আপনার কাছে যে 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থ আছে তার পৃষ্ঠা সংখ্যা আপনার কথানুযায়ী ৭৭পৃষ্ঠা তো আছেই তারও অধিক আছে। আচ্ছা আপনার কাছে যে 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থ আছে তার পৃষ্ঠা সংখ্যা কত? আপনার জ্ঞাতার্থে ও আলোচনার সুবিধার্থে এবং দীক্ষিত-অদীক্ষিত পাঠককুলদের সুবিধার্থে আরও একটা তথ্য এর সঙ্গে জুড়ে দিচ্ছি আমার কাছে আরও একটা 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থ আছে যার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১১০। তাহ'লে দেখা যচ্ছে তথ্যানুযায়ী আপাতত 'সত্যানুসরণের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩। এর থেকে স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে তাহ'লে আরও 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থ থাকতেই পারে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থগুলির প্রকাশক কে বা কারা? যে কোনও ব্যাক্তি বা যে কোনও স্বঘোষিত প্রতিষ্ঠান কি নিজের বা নিজেদের ইচ্ছামত ঠাকুরের নাম দিয়ে ঠাকুরের গ্রন্থ ছাপাতে পারে বা ছাপাবার অধিকার বা স্বত্বাধিকার আছে? এই সমস্ত গ্রন্থের Authenticity কোথায়? কোন গ্রন্থের মধ্যে ঠাকুরের বাণীর যথার্থতা অর্থাৎ Genuineness খুঁজে পাওয়া যাবে? সাধারণ আম ভক্তের কথা বাদ দিলাম; গবেষকরা কাকে প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসাবে গুরুত্ব বা স্বীকৃতি দেবে ব'লে আপনার মনে হয়? গবেষকদের কাছে কোন প্রকাশকের গ্রহণযোগ্যতা গুরুত্ব পাবে?
ক্রমশঃ।

প্রকাশ বিশ্বাসঃ চিন্তা হরণ শ্যামলদা, এবার আসি প্রকাশকের কথায়। আমার কাছে ৭১ পৃষ্ঠার যে 'সত্যানুসরণ' গ্রন্থ আছে তার প্রকাশক ঠাকুরের মূল কেন্দ্র 'সৎসঙ্গ দেওঘর-এর 'সৎসঙ্গ পাবলিশিং হাউস' সৎসঙ্গ, দেওঘর, ঝাড়খন্ড আর আমার কাছে আরও যে বহু পুরানো একটা সত্যানুসরণ' গ্রন্থ আছে সেটার প্রকাশক অন্য। একজন ব্যাক্তি তার প্রকাশক। সেই ব্যাক্তি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল-এর শুভ্রা প্রেস থেকে বইটি মুদ্রণ করেন ও ১৯৭৮ সালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১১০ পাতার বইটি তিনি প্রকাশ করেন। এখন আমার খুব জানার ইচ্ছা, দাদা আপনার কাছে যে বইটি আছে সেই বইটির প্রকাশক ও মুদ্রক কে? কি তার প্রামাণিকতা ও যথার্থতা? কে সেই ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান যিনি বা যার ঠাকুরের গ্রন্থের ওপর এই বিধি সঙ্গত অধিকার আছে, কর্তৃত্ব করবার অনুমতি আছে, প্রামাণিক গ্রন্থ বা মতের ওপর প্রভুত্ব করার অধিকার আছে? কে এই বিধিসঙ্গত ক্ষমতাদান বা প্রাধিকার অর্পণ করলো সেই ব্যাক্তিকে বা সেই প্রতিষ্ঠানকে যে সে বা সেই প্রতিষ্ঠান ঠাকুরের গ্রন্থের ওপর ইচ্ছামত তার বা তাদের ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ ক'রে ঠাকুরের গ্রন্থ প্রকাশ করবে? মূল কেন্দ্র বহির্ভূত ক্ষমতার উৎস এই সমস্ত প্রকাশকগণ কার থেকে সেই অধিকার বা অনুমতি লাভ করেছিল? Authentication বা প্রমাণীকরণ ছাড়া কোনও গ্রন্থের মূল্য গবেষকদের কাছে নেই এবং তাঁরা তাদের গবেষণার ক্ষেত্রে গ্রহণ করেন না বা আদৌ মূল্য দেন না। যাই হ'ক আমি আমার তথ্য ও তত্ত্বের উপর ভিত্তি ক'রে আপনার সঙ্গে এই বিষয় শেয়ার করলাম। আপনি গ্রহণ ও বর্জন দুই-ই করতে পারেন আপনার ইচ্ছানুযায়ী; এই বিষয়ে আমার কোনও বক্তব্য বা আপত্তি নেই।
ক্রমশঃ।

প্রকাশ বিশ্বাসঃ চিন্তা হরণ শ্যামলদা, আপনি বা আপনারা যা ইচ্ছা তাই ভাবতে পারেন, বলতে পারেন, করতে পারেন এই স্বাধীনতা সকলের আছে এবং ঈশ্বর এই স্বাধীনতা সকলকেই দিয়েছেন। আর এই স্বাধীনতার প্রয়োগও দেখতে পাই আপনাদের করা পোষ্টে। আপনারা ঠাকুরের আত্মজদের বিরুদ্ধে কতটা নোংরা ভাষা প্রয়োগ করতে পারেন, নোংরা আচরণ করতে পারেন এবং পরস্পর পরস্পরকে সমর্থন ক'রে এই নোংরা কাজে ঝড় তুলবার আহ্বান দিতে পারেন তাও দেখছি। আর তাই ভাবি ঠাকুরের পরমপ্রিয় আত্মজদের যারা ছাড় দেয় না তো বাকীরা কোন ক্ষেত কা মূলী!? কিন্তু এটা জেনে রাখুন ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের কাছে 'কোন ক্ষেত কা মূলী' এই তকমা চলবে না। তাঁরা চাইবেন তাদের গবেষণার জন্য Authentication, চাইবেন Genuineness-এর ভিত, চাইবেন Authorized version of the 'Sathyanusaran' which is called 'The pursuit of Truth. সেখানে নির্মল সেনদের গালাগালি খাটবে না, খাটবে না মূল কেন্দ্র বহির্ভূত ক্ষমতার উৎস কপট চাতুরিদের প্রকাশনার!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

প্রকাশ বিশ্বাসঃ আর, Nirmal Senদের মত অসহিষ্ণু, অসভ্য, রুচিহীন মানুষদের উদ্দেশ্যে শুধু এই কথায় বলতে পারি উনার সঙ্গে আমার কোনও কথা বলার রুচি নেই। কারণ আমি Chinta Haran Shyamolদার পোষ্টের উপরে কিছু আগ্রহ প্রকাশ করেছিলাম, উনাকে (নির্মল সেন) বা উনার কোনও পোষ্ট বা বক্তব্য বিষয়ে কোনও মন্তব্য করিনি। অথচ উনি আমাকে (আমি উনার না পরিচিত, না ফেসবুক বন্ধু) অপমানজনক মন্তব্য ক'রে উনার শিক্ষা, রুচি ও জীবনের মান ও শৈলীর পরিচয় দিয়েছেন। তাই, আমি না উনি কে বড় পন্ডিত আর কে বড় লেন্ডিত সে আলোচনা বা তর্কে যেতে রুচিতে বাধলো। জানি না উনি বৈধ সৎসঙ্গী কিনা!!!!!!!!! তবে এটা বুঝেছি ঠাকুরের জীবন, ব্যবহার, বলা, কথা ও ঠাকুরের সৎসঙ্গের শিক্ষা, রুচি ইত্যাদির কোনও কিছুর সঙ্গেই উনার (আমাকে ও অন্যান্য জায়গায় করা মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে উনার যে জীবন দর্শনের বহির্প্রকাশ হয় তার সঙ্গে) সঙ্গে মেলে না শুধু নয়, ঠাকুরের মানুষের একেবারে বিপরীত।
শেষ।
শিক্ষক দিবস সম্পর্কে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দায়িত্ব-ভরা কয়েকটা বাণী মনে এলো তাই লিখলাম।

* শিক্ষকের নাই ইষ্টে টান
  কে জাগাবে ছাত্র প্রাণ!?

*  দায়িত্ব ভরা যা'কিছু তা'র সবার সেরা শিক্ষকতা,
   ইষ্টনিষ্ঠ স্বভাব ছাড়া অধ্যাপনা বর্বরতা।

* সেবা-সম্পদ সহানুভূতি আপন-করে বুকের টান,
   শিক্ষক ব'লে তাকেই জানিস তিনিই বাস্তব বিদ্যাবান।

 * দীক্ষা নিয়ে শিক্ষা ধরিস আচার্যকে ক'রে সার,
   আচরণই বোধ চয়ণে জ্ঞানের সাগর হও না পার।

* শেখাবার মত দায়িত্ব-ভরা ভর দুনিয়ায় কী কাজ আছে,
   শিক্ষক-স্বভাব বিচ্ছুরণে উপচে ওঠে ছাত্র মাঝে।

বাস্তবে আমরা কি দেখি!? বাস্তব কি তাই বলে?

   জয়গুরু

Thursday, May 2, 2019

কবিতাঃ আজও দিচ্ছে ডাক............

সকাল থেকে আসুরিক হিক্কার আসছে ভেসে ওপার থেকে
যেখান থেকে সকল-বিকাল, দুপুর-সন্ধ্যে আর রাত-বিরেতে
সময় ঘন্টা সাইরেন একদিন উঠতো বেজে!
আজ সে রাজাও নেই, রাজ্যও নেই, বেওসার সূয্যি মামা গ্যাছে পাটে!
কথাস্ত্রে যারা সেদিন হাতে কাটতো গলা কথায় কথায় শ্রমিক দরদে বুক ফাটিয়ে
শ্রমিকের, আজ একলা তারা ধুঁকছে দেখি হাটে বাটে,
কারও বা পরাণ গ্যাছে উঠে লাটে শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর 'য়ে ফুটে উঠে ললাটে
আর হাড় ভাঙা খাটুনিতে মরত যারা সকাল-সন্ধ্যে
শেডের গরম চুল্লিতে আর নেতার অনুগ্রহে;
সুরজি ডোবার সাথে সাথে তারাও গ্যাছে হারিয়ে কোথায় কেউ জানে না কোন গ্রহে!
কিন্তু আজও আসছে ভেসে আসুরিক হিক্কার 'মে দিবস দিচ্ছে ডাক'!
দিচ্ছে ধিক্কার 'পুঁজিপতি নিপাত যাক' গলা ফাটিয়ে
আর পথে পথে ঘুরে মরছে জীবন-যৌবন, ঘুরছে দিশা হারিয়ে!
হায়! মে দিবস! আজ রিপুর তাড়নায় সব অবশ! বৃত্তি-প্রবৃত্তির বেড়াজালে বিবশ!
তবুও আজও কম 'লেও 'মে দিবস জিন্দাবাদ' 'লে উঠছে ডাক দিকেদিকে
আর এইদিনেতেই চলছে কাজ, শ্রম হচ্ছে কেনা লাগামছাড়া সময়ে-অসময়ে রমরমিয়ে
আট ঘণ্টার মে দিবস আজ হাসির খোরাক, 'বকোয়াস' 'লে বেওসায়ীরা দিচ্ছে হাঁক!
দেশজুড়ে দেশি-বিদেশী বেওসায়ীরা দিচ্ছে নাড়া 'যা ইচ্ছে তাই করবো মোরা';
'মারি তো গণ্ডার, লুটি তো ভান্ডার' ঘোষণায় খুল্লমখুল্লা মাথা উঁচিয়ে বাজাচ্ছে ঢাক!!
তবুও মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে বলি, মে দিবস জিন্দাবাদ!
ঘরে-বাইরে ধান্দাবাজ কপট নিপাত যাক।



Wednesday, May 1, 2019

কথাসারি


অকারণ কেন হতাশার ছবি শুধু আঁকো!?
পারো যদি হতাশার বুকে
জীবনের সাঁকো আঁকো।

ফাঁকা মন, ভাঙা হৃদয়;
কি করি? কারে সুদয়!

কেউ কি আছো? পারো দিতে সাড়া?
কেমনে বাঁচি? কারে নিয়ে বাঁচি?
কোথা তুমি? বাঁচা কি যায় তুমি ছাড়া!?

কথাসারি


ক্ষমতা দখলের আদর্শ রক্তের মধ্যে প্রবাহিত যেখানে
রাজনৈতিক মতাদর্শ 'লে হয় না কিছু সেখানে!

রাজনীতিতে আদর্শ, নীতি-নৈতিকতা
খোঁজা শোভন নয়;
বৈশাখী ঝড়ে যায় সব উড়ে
পবনপুতও পায় ভয়!!

ভাঁড় মে যায় আদর্শ, ভাঁড় মে যায় দেশ!
খাও, পিও আউর মস্তি করো দোস্ত!!
চুরচুর হো যায় উহ জো করে আদর্শ মে
পরবেশ!!

কথাসারি




মাথার ঘায়ে কুকুর যেমন দিশেহারা
বৃত্তি-প্রবৃত্তির চুলকানিতে
মানুষ কাণ্ডজ্ঞান হারা!!

একে প্রচন্ড গরম! দুইয়ে মাইকের শব্দদূষণ!
তিনে বাজির কান ফাটানো আওয়াজ,
চারে চিৎকার চেঁচামেচি;
নেই লজ্জা, নেই শরম!!

শব্দদূষণের হাত থেকে বাঁচতে বাঁচাতে
আগামী নূতন আধুনিক নির্বাচনী
প্রচার পদ্ধতির প্রচলন 'ক।

সভ্যতার ভবিষ্যৎ ঝুলছে গভীর শূন্যতার উপর!
এখনও সময় আছে খসে পড়ার আগে
দেশের প্রধান যেই '
দেশ চায় এক ইমানদার কঠিন ব্যক্তিত্ব!