Powered By Blogger

Tuesday, May 12, 2015

তিয়াসাকে খোলা চিঠি.....................(২)



তিয়াসা সোস্যালিষ্ট লে কি ক্যাপিটালিষ্টকে ঘৃণা করতে হয়, না-কি ঈর্ষা!? ঈর্ষা একটা ব্যাধি! এই ব্যাধি কতটা কার কি ক্ষতি করতে পারলো না পারলো সেটা যতটা না বড় তার থেকেও বড় কথা যার ভেতরে এই ব্যাধি বাসা বাধে সে নিশ্চিত অন্তরে জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যায় এবং নিজের প্রিয়জনদেরও পুড়িয়ে খাক করে ফেলে নিজের অজান্তে! সাম্যবাদ বা সমাজতন্ত্র আজ পর্যন্ত সমাজের যতটা না উপকার করেছে, ভালো করেছে তার থেকে গোটা পৃথিবী জুড়ে ক্ষতি করেছে অনেক বেশী। সাম্যবাদ অর্থাৎ উচুনিচু বা নারীপুরুষ নির্বিশেষে রাষ্ট্রের সমস্ত মানুষের সমান অধিকার প্রাপ্য, এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ সমাজের সমস্ত মানুষের প্রয়োজন, উপকার বা কল্যানের জন্য যা কিছু উৎপাদন হয় এবং সেই উৎপাদন ও উৎপাদনের সাহায্যকারী ভূমি, কলকারাখানা সমস্ত কিছুই রাষ্ট্রের হাতে ন্যস্ত হওয়া উচিত এই মতবাদমূলক রাষ্ট্রশাসন ব্যবস্থায় বিশ্বাসী আমার কট্টর সমালোচক। আমি জানি না এই মতবাদে বিশ্বাসী আমার সমালোচক কতটা হাতে কলমে প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের মধ্যে দিয়ে, কতটা সরাসরি মাটির কাছাকাছি নেবে এসে, কতটা জীবনকে বাজী রেখে, কতটা এবং কজন সমাজতন্ত্রে বা সাম্যবাদে বিশ্বাসী (!) মানুষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে, কলে-কারখানায় লড়াই করে এই মতবাদ এবং এর সঙ্গে ক্যাপিটালিষ্ট ও বামপন্থীনেতা কর্মীদের সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন! আজ বাংলার বুকে প্রতিটি ছোট বড় কারখানায় শ্রমিকের প্রতিনিধি বামপন্থী (ডানপন্থীদের কথা বাদ দিলাম) শ্রমিক নেতারা কাদের পৃষ্টপোষকতা করেছেন সে খবর রাখেন কিনা জানি না। যে ক্যাপিটালিষ্টদের বিরুদ্ধে সাধারণ অজ্ঞ শ্রমিক কৃষক মানুষের মনে ঘৃণা, রাগ, হিংসা জাগিয়ে দিয়ে অসম লড়াই-এ তাতিয়ে দিয়ে শ্রমিকের জন্য দাবী আদায়ের লড়াইয়ে সামিল হন বামপন্থী শ্রমিক নেতারা তারা পরবর্তী সময়ে ক্যাপিটালিষ্টদের প্রতিনিধির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার কক্ষে কার প্রতিনিধি হয়ে যান, কি চুক্তির রফা করেন আমার সোশ্যালিস্ট সমালোচক কি তা জানেন? কেন তারা এমন হয়ে যান, সে সম্পর্কেও কি কোন ধারণা আছে আমার সোশ্যালিস্ট সমালোচকের? আছে না-কি এমন শ্রমিক-মালিক, মালিকের প্রতিনিধি ও শ্রমিক প্রতিনিধির জটিল রহস্যময় বৃত্তি-প্রবৃত্তির ক্রিয়াকলাপের ভয়ংকর ঘৃণ্য অভিজ্ঞতা?

পৃথিবীর
ইতিহাস কি বলে?  শুরুর  দিনগুলিতে এই মতবাদের গ্রহণযোগ্যতার পারা যে ঊর্ধ্বগতিতে ছুটে চলেছিল এখন তার পরিণতি কি? পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের এই মতবাদের ইতিহাস কি বলে? কারা এই মতবাদকে বুকে আঁকড়ে ধরে মেতে উঠেছিল বেঁচে থাকা ও বেড়ে ওঠার নেশায়? কারা এই মতবাদকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল?  কেন ছুঁড়ে ফেলে দিল?  নিজের দেশের দিকেই যদি তাকানো যায় তাহলে কি দেখব?  সত্তর দশকের নকশালি আন্দোলন কি দেখেছে আমার কট্টর সমালোচক? কত বয়স ছিল তখন তাঁর আমি জানি না। তবে সেই সময়ের (পুরুষদের কথা বাদ দিলাম) আমার সমালোচকের মত এক নিমেষে ফুঁৎকারে উড়িয়ে দেওয়া, ‘সমাজ কো বদল ডালোলে উর্ধ্বে মুষ্ঠিবদ্ধ হাত তুলে তারস্বরে চীৎকার করা, সমস্ত কিছুর মধ্যে ধনতন্ত্রের উৎকট তীব্র গন্ধ পাওয়া, পথে-ঘাটে, মাঠে-ময়দানে, স্কুল-কলেজে এ আজাদি ঝুটা হ্যায়’  ‘সমাজতন্ত্র জিন্দাবাদ’ বলে নাড়া লাগানো সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী নারী বিপ্লবীদের কার কি অবস্থা হয়েছে, কে কি অবস্থায় আছেন, জীবনের কঠিন বাস্তব ও সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কে কি অবস্থান বদল করেছেন তার খবর কি একটুও জানেন বা রাখেন কিনা আমার কট্টর সমালোচক আমি তাও জানি না।

দশকটা
ছিল সত্তর, ‘উত্তেজিত মস্তিষ্ক আর বৃথা আড়ম্বরযুক্ত কল্পনায় যারা পরিবর্তনটা চেয়েছিল অতি সত্বর; নকশালী আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে তাদের সম্পর্কে, তাদের জীবন দর্শন সম্পর্কে কতটুকু জানা আছে আমার সমালোচকের তাও আমি জানি না। যারা সেদিন আপনার মত সমাজতন্ত্র পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ট মতবাদ লে মায়ের কোল থেকে, ঘরের নিরাপদ আশ্রয় থেকে, তরুণ যুবকদের ভবিষ্যত জীবনের বুকে কুঠারাঘাত করে তরুণ সমাজকে, যুবসমাজকে টেনে বের করে নিয়ে এসেছিল চোখে এক অলীক সমাজ গঠনের রামধনুর সাতরঙা রঙ লাগিয়ে আফিমের মত তীব্র নেশায় ডুবিয়ে দিয়ে সেই পথ প্রদর্শক মানুষগুলো আজ কোথায়? তাঁদের কার কি পরিণতি হয়েছে আর কে কি অবস্থান বদল করে দ্রুত নিজের পায়ের তলার মাটিকে শক্ত করে নিয়েছেন তা-কি জানেন আমার সমালোচক? তাঁদের কাছে যে হাহাকার ভরা শুন্য বুকে হাজার চুরাশির মায়েরা, বোনেরা, স্ত্রীরা জবাব চাইছেন? তারা জবাব দেবেন না?  আর দিলেও কি দেবেন তাও জানি। সমাজ জীবন ও মানব জীবনের বৃহত্তর স্বার্থে এরকম ক্ষয়ক্ষতি স্বাভাবিক ও অবশ্যম্ভাবী এবং কাজের মধ্যে দিয়েই মানুষের ভুল হয়। কিন্তু আশ্চর্য্যের বিষয় এই ভুল প্রজন্মের পর প্রজন্ম হয়েই চলে আর ভুল থেকে শিক্ষালাভ করার প্রক্রিয়া এদের মতে জীবন বলিদানের ক্ষেত্রে খাটে না! বাঃ চমৎকার অজুহাত!

আজ
শুধু এটুকু জানি আর এটুকু বুঝতে পেরেছি আজকের জীবন সায়াহ্নে জীবন মোহনায় দাঁড়িয়ে যে, ‘উত্তেজিত মস্তিষ্ক আর বৃথা আড়ম্বর যুক্ত কল্পনা’ তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে এ-প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত জেনারেশানের পর জেনারেশনকে! আর কর্মহীন চূড়ান্ত তাত্ত্বিক আমেজে ডুবে থাকা দিশাহীন শৃঙ্খলাহীন ষোলো আনির এক আনি পূর্ণতাহীন বৃত্তি প্রবৃত্তিতে সম্পুর্ণ ডুবে থাকা কিছু তথাকথিত রিপুতাড়িত লেখাপড়াজানাওয়ালা মানুষ কলমের নীল মুত্রপাত করে চলেছে সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের পক্ষে অহরহ কবিতা, উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, ছবি ইত্যাদি সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে! আর এদের দেখানো পথের ওপর বিশ্বাস করে হৈ হৈ করে সরল মনে ছুটে চলেছে অনভিজ্ঞ বেকুব তরুন দল রিপু তাড়িত হয়ে পাশ্চাত্য দর্শনে বুঁদ হ’য়ে বাংলা তথা ভারতের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে নির্মমভাবে বলাৎকার ও পদদলিত করে অশ্রদ্ধার চাষ করতে করতে ‘উত্তেজিত মস্তিষ্ক আর বৃথা আড়ম্বর যুক্ত কল্পনায়’ ভর করে সমাজতন্ত্র আর সাম্যবাদের সৌধ গড়বে বলে! তারপর কিছুদিন পর মুখ থুবড়ে ব্যঞ্জনবর্ণের ‘দ’  য়ে পড়ে থাকছে সমাজের এক কোণায় আস্তাকুড়ের জঙ্গালের মত! তখন কেউ এসে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলছে না,  ‘এসো সমাজের মূল স্রোতে আবার ফিরে এসে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতাকে মূলধন করে মাথা উঁচু করে দাঁড়াও’। সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ দর্শন আজ মুড়ি মুড়কির মত সস্তা হয়ে গেছে। শরীরে, মনে, আত্মায় আপাদমস্তক সম্পুর্ণ ভাঙাচোরা মানুষের হাতের খেলনা হয়ে গেছে আজ সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ দর্শন! সবাই আজ সমাজতন্ত্রের পূজারী! যার নিজের জীবনের কোন দিশা নেই, নেই কোন শৃঙ্খলা;  অহংকার, অমান্যতা, অজ্ঞানতা, নিন্দা, নীচতা, রাগ, ঘৃণা, ঈর্ষা ইত্যাদি যার জীবনের মূল মন্ত্র তার কাছ থেকে নিতে হবে সাম্যবাদ ও সমাজতন্ত্রের পাঠ!?  সুরার সুরে উন্মত্তের কাছে জেনে নিতে জীবনের দিশা, নিতে হবে মনুষ্যত্ব, শৃঙ্খলা ও ‘সমাজ কো বদল ডালো’ র পাঠ! তরুণ সমাজ, যুব সমাজ নিজের জীবনকে বাজি রেখে দেশকে শাসন করার সমস্ত ক্ষমতা তুলে দেবে তার হাতে! মানবজাতির ভবিষ্যৎ এবং সমাজ বা দেশকে গঠন বা বিকাশের পথে নিয়ে যাবার চাবিকাঠি তুলে দেবে এইসব আপাদমস্তক ভাঙাচোরা মানুষের হাতে নিজের জীবন, নিজের ভবিষ্যত, নিজের পরিবারকে চিতায় তুলে দিয়ে!? জানি না আমার লেখার কট্টর সমালোচক ৩৪বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা বামপন্থীদের ক্ষমতায় আসার আগের লড়াইয়ের দিনগুলি দেখেছেন কিনা বা বিন্দুমাত্র জানেন কিনা কিম্বা ৩৪বছর ধরে রাজ্য শাসন করার সুযোগ পাওয়ার ফয়দা সাম্যবাদীরা কিভাবে ও কাদের জন্য কাজে লাগিয়েছেন, সমাজতন্ত্র বা সাম্যবাদ কতটুকু রাজ্যের এই খেতে না পাওয়া একটা অংশের মানুষদের জীবনে আলো ফেলেছে তাসংশ্লেষন ও বিশ্লেষন দৃষ্টি দিয়ে বিচার করেছেন কিনা?

ক্রমশঃ

তিয়াসাকে খোলা চিঠি.....................(১)





তিয়াসা তোমার সমালোচনার উত্তর দিতে একটু দেরী হ'ল। লেখাটা অনেক বড় তাই ভেঙ্গে ভেঙ্গে লেখাটা Post করলাম। লেখাটা আমার Timeline-এও post করছি তোমাকে লেখা খোলা চিঠির মধ্যে দিয়ে।

ভালো করে আমার লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু নরেন্দ্র মোদীকে কোথায় যুগাবতার বানিয়ে ফেললাম আমার লেখায় তাখুঁজে পেলাম না! যেমন খুঁজে পেলাম না বাকি অভিযোগগুলির উৎস! আমি নেতাজী, দেশবন্ধু এবং নরেন্দ্র মোদী এই দুই প্রজন্মের মধ্যে দেশ বা সমাজ সম্পর্কিত চিন্তা-ভাবনার ক্ষেত্রে একটা মিলের ইঙ্গিত আমার লেখায় তুলে ধরেছিলাম মাত্র। চিন্তা ভাবনার ক্ষেত্রে একটা মিলের গন্ধ পাওয়া আর কাউকে অবতার বানানোর মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক থাকে। জোর করেগাঁয়ে মানে আপনি মোড়লকেউ হতে পারে কিম্বা কাউকে বানানো যেতে পারে কিন্তু কেউ অবতার হতে পারে না বা কাউকে অবতার বানানো যায় না। ইতিহাস তাঁকে স্বীকৃতি দেয় না এবং মনেও রাখে না। ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর বুকে বহু বহু ধর্মীয় গুরু, সাধক জন্মগ্রহণ করেছেন কিন্তু অবতার আখ্যা তাঁরা সবাই পাননি। আর অবতারের কথা যদি বলেন তাহলে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ট বিস্ময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের কথায় বলি, সে অর্থে আমরা যারাই অবতরণ করেছি এই পৃথিবীর বুকে, আমরা সবাই অবতার! আর সোশ্যালিষ্টরা তো অবতারবাদে বিশ্বাসীই নয় তাহলে কাউকে যদি আমার লেখায় অবতার বানানো হয়েই থাকে তাতে আমার সমালোচকের এতে কি আসে যায়! এর থেকে প্রমাণ হয় যতই আমরা ভিন দেশী দর্শনে বিশ্বাসী হই না কেন অবচেতন মনে বয়ে যায় ফল্গু ধারার মত পুর্ব পুরুষের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের পূত পবিত্র ধারা, তাকে মানি আর নাই মানি! ভালো করে যদি কোন লেখা পড়া হয় তাহলে লেখার সঙ্গে সমালোচনার একটা সামঞ্জস্য থাকে। সেই সামঞ্জস্য আমি আমার সমালোচকের লেখার মধ্যে খুঁজে পেলাম না। যা পেলাম তাহ অহংকার আর হীনমন্যতার একটা বিবর্ণ ছবি।
আমার সাথে আলোচনা করে কোন লাভ হবে নালে লেখায় সমালোচক উন্নাসিকতা প্রকাশ করলেন এবং কারণ হিসাবে বললেন, আমার না-কি গোড়ায় গলদ’! গোড়ায় গলদটা কি? গলদটা হল আমি ক্যাপিটালিষ্ট আর আমার সমালোচক সোশ্যালিস্ট! দূরদর্শিতার তারিফ না করে পারলাম না। বোঝা গেল আমার লেখার কট্টর সমালোচক একজন দ্রষ্টানারী! একজন অজানা অচেনা মানুষকে না জেনে, না বুঝে তার মাত্র একটা লেখা পরে লেখার অন্তর্নিহিত গুঢ়ার্থ অনুধাবন না করেই যে বিধান দিতে পারে যে, ‘আপনার সঙ্গে আলোচনা করে কোন লাভ হবে নাএবং আমার গোড়ায় গলদতা-কে অভিবাদন না জানিয়ে পারলাম না! আমার কট্টর সমালোচক আমায় ক্যাপিটালিষ্টআখ্যা দিয়ে নিজেকে সোস্যালিষ্টলে পরিচয় দিলেন। বোঝা গেল নিজেকে সোস্যালিষ্টবলে প্রচার করে যতটা আনন্দ পান আমার সমালোচক তার থেকেও বেশী আনন্দ পান ক্যাপিটালিষ্ট’-দের সম্পর্কে তির্যক মন্তব্য করে। আর বোঝা গেল আমরা-ওরাসংস্কৃতির tradition সমানে বয়ে চলেছে, বিকৃত সংস্কৃতির বিষাক্ত বিষ গ্রাস করেছে ধীরে ধীরে সমাজ দেহ! সমালোচকের সমালোচনার মধ্যে দারিদ্রতা সম্পর্কিত একটা হীনমন্যতাবোধ এবং ধনীর ধন সম্পর্কিত ঈর্ষা যে সমালোচককে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় তাফুটে ওঠে! হীনমন্যতা আর ঈর্ষা দিয়ে আর যাই হক মানুষের বা সমাজের মঙ্গল তো দুরের কথা সমাজের ও মানুষের চরম ক্ষতির সঙ্গে সঙ্গে নিজেরও চরম ক্ষতি হয়। আর এটাই হয়েছে পৃথিবী জুড়ে সাম্যবাদ আর সমাজতন্ত্রবাদ-এর তথাকথিত বৃত্তি-প্রবৃত্তি তাড়িত পুরোহিতদের পৌরিহিত্যে। পৃথিবী জুড়ে ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে দেখা যাবে গরীবের গরিবী, দরিদ্রের দারিদ্রতা সাম্যবাদ আর সমাজতন্ত্রবাদের তথাকথিত পূজারী ব্রাহ্মণদের ধন আহরণের মোক্ষম উপায়! এই দেশ তথা পৃথিবী জুড়ে তথাকথিত সব একাকার করে দেবার পুরোহিতদের 'গরীবের গরিবি' নিশ্চিত আয়ের উপকরণ!   খুব আনন্দ পেলাম সমালোচকের কথায় যে, যাক আমার ক্যাপিটাল না থাকুক, ক্যাপিটালিষ্ট আখ্যা তো পেলাম! এমনিতেই লোকে আমাকে জানা সত্বেও আমাকে দেখে বড়লোক বলে, ভাবে! তা-তে আমার কি?
এই প্রসঙ্গে The greatest phenomenon of the world Sri Sri Thakur Anukul Chandra-এর একটা কথা মনে পড়ে গেল। ঠাকুর বললেন, “After a little progress you make, you’ll find some have come to find a master in you; some are calling you a ‘great man’; some, ‘prophet’ etc.; On the other hand, some are calling you ‘satan’ or ‘scoundrel’ some ‘a professionals’ etc. Beware! Pay no heed to any of them. They are all ghosts to you. If they are heeded, they will sit tight on your shoulders, and it will be very difficult to get them off. Work on in your own way, come what may”.

ক্রমশঃ