Powered By Blogger

Saturday, December 6, 2025

বিচিত্রাঃ ২১৪

চারিদিকে আঁধার বড় একা লাগে! 
আঁধারেতে দাও আলো প্রভুযেন মনে আশা জাগে।

আহাঃ! কি আনন্দ জি ডি বিড়লার আকাশে বাতাসে!
অধ্যক্ষার অপসারণ,
জয়ের আবেশে অভিভাবক হাসে উল্লাসে!!
হতাশে শিশুর মরণ?
( লেখা ৬ই ডিসেম্বর' ২০১৭)

ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি কে দরিন্দও কা এনকাউন্টার!
মানবতাবাদী জলদি উতার!!

ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি কো ইনসাফ!
ইন্তেজার মে হ্যায়, দেশ কুছ দিনোমে হনেবালা হ্যায় 
ফির বলাৎকার খোফনাক!!

মানবতার ঠিকাদার, আইনের ঠিকাদার ও 
রাজার নীতির ঠিকাদাররা নেবে পড়েছে 
ময়দানে ডঃ দিশার বলাৎকারীদের 
এনকাউন্টার প্রশ্নে!! বাহঃ!!!

মেনকা গান্ধী পশু প্রেমী হ্যায় 
ইসলিয়ে নারী হোতে হুয়ে ভি 
ডঃ দিশা কে ফেবার মে নেহি হ্যায়! 
বলাৎকারী পশু কে পক্ষস মে হ্যায়!?

রাম রাজ্য মে এক ব্রাহ্মণ পুত্র কি অসময় মে মৃত্যু হুয়া থা 
ইসলিয়ে রামসে ব্রাহ্মণ পিতা জবাব মাঙ্গা থা 
আগর এয়াসা ঘটনা হোতা তো ক্যা হোতা!?

দেশ মে আজ যো পরিস্থিতি হ্যায় উসমে লেড়কিও কো লিয়ে সাইকেল ইয়া পড়ায় সে জরুরী হ্যায় রিভলবার?

রেপ আজ এক তামাশা হ্যায় আউর 
ইসসে জাদা তামাশা হ্যায় বিচারব্যবস্থা! মানবতাবাদ!

মহিলা সাংসদ, বিধায়ক, নেত্রী আজ 
বলাৎকারীর এনকাউন্টার প্রশ্নে বিভক্ত!
কেন? পুরুষতান্ত্রিক সমাজ! তাই!?

পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারী তোমার প্রকৃত শত্রু কে তা জানো কি!? যদি না জানো তাহ'লে নারী তুমি আগে নারীকেই জিজ্ঞেস করো!!

নারী তুমি পুরুষের বিরুদ্ধে কিছু বলার আগে, বিষোদ্গার করার আগে, নারীবাদী হওয়ার আগে তোমার প্রকৃত শত্রু কে তা আগে চিনে নাও!

এখনও কি সময় আসেনি কে নারী আর কে আনাড়ি নারী 
তার দুধ কা দুধ আর পানি কা পানি প্রমাণ হওয়ার!?

কে আজ নারী? কে আনাড়ি নারী?
বলাৎকারীর পক্ষে যে সে নাকি যে বিপক্ষে!?

পশু চিকিৎসক ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির ( দিশা) পক্ষে নেই 
পশু প্রেমিক মেনকা গান্ধী!?!?
( লেখা ৬ই ডিসেম্বর'২০১৯)





















































































রিভিউঃ ঐশিকা বসুর ছোট গল্প 'সরকারী চাকরি' প্রসঙ্গে কয়েকটি কথা।.

ঐশিকা বসুর ‘সরকারি চাকরি’ গল্পটা পড়লাম। বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে লেখা একটা নতুন স্বাদের গল্প। সম্ভাবনাময় কলম ও তার সুপ্ত শক্তির আগামী সংকেত এক ঝলক আলো ফেলে গেল লেখাটায়। প্রথমেই বলি, চাকরি সরকারি, সত্যি খুবই দরকারি। তবে একইসঙ্গে এমন বিয়োগান্তক পরিণতি ও ব্যাঙ্গাত্মক পটভূমিতে সরকারী চাকরি!? রাজনীতি ও সরকারী নপুংশতার নজিরবিহীন ছবির প্রদর্শনী গল্পের ছোট্ট পরিসরে সবাক বাহবা না নির্বাক বিস্ময় কোনটা প্রাপ্য? কলমচি দ্বিধাগ্রস্থ! গল্পের শাঁস লাল সিগন্যালের মত সমালোচনার জন্য বিশেষণ প্রয়োগের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে মুহূর্তের জন্য কলমের গতি থামিয়ে দেয়, এর জন্য ঐশিকাকে

নাড়ির টানের মহিমা আবার প্রমানিত আগাম সাড়া পাওয়ার অতীন্দ্রিয় শক্তির প্রশ্নে। তাই মায়ের কথা না শোনার পরিণতি অবশ্যম্ভাবী। তথাকথিত পড়াশোনায় ভালো ছেলে বা বন্ধুত্বের চরিত্রের প্রশ্নে শাওন বা সন্দীপনরা-ই সমাজের আদর্শ। পদবিগুণের মাহাত্ম্য আজও ক্ষমতা দখলের প্রশ্নে সমান গুরুত্বপূর্ণ। আসন সংরক্ষণ বা দারিদ্রসীমার নীচে অবস্থান প্রশ্নে মাপকাঠি দারিদ্রতা বা পিছিয়ে পড়া জাতি নয়, মাপকাঠি এক টুকরো সরকারী সীলমোহর দেওয়া কাগজ আর দাদাভাইয়ার যোগাযোগ। যার কোনটাই দুপুরের ছিল না। ঐশিকা এটাই দুপুরের drawback বা অযোগ্যতা। যা পাশের বাড়ির দর্পণ বা অনুপের চাকরি পাওয়ার প্রশ্নে দুপুরের মনে সার্থকভাবেই প্রতিফলিত। অমিত, রাহুলের মত পথভ্রষ্ট বন্ধুরা এখনো আছে বলেই সূর্য পুর্ব দিকে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায়। এরা বাড়ির খেয়ে মোষ তাড়াতে সিদ্ধহস্ত। এদের মত কারও কারোর মধ্যে একটা অপরাধবোধ কিছুটা হলেও কাজ করে যেহেতু এরা তথাকথিত ভালো বা ভদ্রছেলে বা বন্ধু নয়। তবে এরা উত্তর মেরুতে একজন থাকলে অন্যজন দক্ষিণ মেরুতে অবস্থান করে। আর ঐশিকা অমিতদের মুখে অশ্লীল শব্দপ্রয়োগে সাহসিকতার সঙ্গে বলিষ্ঠ মানসিকতার মধ্যে দিয়ে বাস্তবতার প্রকাশ ঘটলেও সযত্নে এড়িয়ে যাওয়া কিম্বা শব্দ অসম্পুর্ণ রেখে সম্পুর্ণ অর্থ প্রকাশের কৌশল রপ্ত করা যেতেই পারে। মাইগোলা কোম্পানীতে দুপুরের রেজিগনেশনের প্রশ্নে ঐশিকার কলমে ‘যার জন্য করি চুরি সেই বলে চোর’ ঘুরিয়ে আবার প্রতিষ্ঠিত। আর এক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ী মহলে অনার্য ব’লেই খ্যাত। এদের কাছে কর্মীদের জীবনের কোন মুল্য নেই। কর্মীদের একথা মাথায় রাখতে হবে। আর মাথায় রাখতে হবে এখানে যারা মাথায় ব’সে কাজ করে তারা মানবিক দিক থেকে ল্যাংড়া। আর দুপুর সঠিকভাবেই বলেছে, সে প্রয়োজনের তুলনায় এখানে কিছুই পেত না। আর এর থেকে ভাল খবর আর কিছুই হ’তে পারে না। প্রকারান্তরে পা ভালো থাকতেও মানসিকভাবে সে তো সবদিকেই ল্যাংড়া-ই ছিল। আর নতুন ক’রে না-হয় বোমার আঘাতে শারীরিক ভাবে ল্যাংড়া হ’ল। তা-তে কি! বিনিময়ে আর্থিক ল্যাংড়ামো তো ঘুচল! এই সমাজ ব্যবস্থায় কিছু হারিয়েই তো কিছু পেতে হয়! এর থেকে বেশী আর কি? এ-তো আর রাম রাজ্য নয়। ঐশিকা সমাজকে কলমের খোঁচায় ল্যাংড়া ক’রে দিল, না-কি রেখেঢেকে রাখা ল্যাংড়া সমাজকে উলঙ্গ ক’রে দিল দিনের আলোয় সকলের মাঝে!? কোনটা? এখানেও কলমচি দ্বিধাগ্রস্থ। সাবাশ ঐশিকা, সাবাশ!!!

Thursday, December 4, 2025

কবিতাঃ চাই না কিছু।

শ্রীশ্রীঠাকুরের রাতুল চরণে কোটি কোটি প্রণাম!
আশীর্বাদ করো যেন করতে পারি নাম অবিরাম।
ঠাকুর তোমার কাছে চাই না কিছু আর,
চাই না বাড়ি গাড়ি, চাই না সোনা রুপা হীরে মোতিয়া;
চাই শুধু তোমার সেবা করার 
অধিকার
আর চাই শয়নে স্বপনে জাগরণে
অবগাহনে ভোজনে প্রতি ক্ষণে ক্ষণে
দিবানিশি তোমার কথা বলার আশীর্বাদ।
প্রভু চারিদিকে অবিশ্বাস আর ভন্ডামি মাঝে
চাই শুধু ছোট্ট হ'লেও একটা শান্তির নীড়,
তোমায় পেতে একাকী এড়িয়ে নেতিবাচকের ভিড়
ক'রে নিতে তোমারে প্রভু জীবন সাথীয়া!
আর, প্রভু মধুরেন সমাপয়েৎ চাই,
নিশ্চিত আরামদায়ক বিদায় আনন্দে মাতিয়া!
( লেখা ৫ই ডিসেম্বর'২০২০)



Tuesday, December 2, 2025

সৎসঙ্গী সাবধান। ( লেখা ৩রা ডিসেম্বর'২০২৪)


বিচিত্রা" ২১৩

জীবন্ত ঈশ্বর ছাড়া জীবন;
সেই জীবনের নাম যন্ত্রণা।
যন্ত্রনার যাঁতাকলে পিষে মরে জীবন,
কে শোনাবে মুক্তির মন্ত্রণা!?

মূর্তি পূজায় নেই ফুর্তি; নিরাকার? 
নেই কোনও প্রাণ। আকাশের ভগবান? 
জেনো হৃদয়ে নেই তার কোনও স্থান।
নেই কোনও আকার।

 ধর্ম পালন মানে? 
বুকের মাঝে ভরপুর অক্সিজেন পরিবেশন। 
আর তা হয় না
অথচ ধর্মকথা কথন?
জেনো কাকস্য পরিবেদন।

আপনার ধর্ম পালন যেন অন্যের 
অসন্তোষের না হয় কোনও কারণ।

মতে অমিল পথে গোঁজামিল তবুও গন্তব্য নাকি এক!
আদর্শে গঞ্জনা, শ্রদ্ধাস্পদে লাঞ্ছনা তার সাথে বন্ধুত্ব!? 
ভন্ডামি কিনা ভেবে দ্যাখ।
( লেখা ৩রা ডিসেম্বর'২০১৭)

রাম ভক্ত আর রামের ওপর খড়্গহস্ত 
দু'পক্ষই শেষমেশ রামকে ধ'রে মারো টান 
সমস্যা যত হবে খানখান ধান্দা পূরণ হবে অশেষ। 

ডান বাম সওয়াল জবাব হরদম!
কে বেশী? কে কম?
একে জয় অন্যের যম।
( লেখা ৩রা ডিসেম্বর'২০১৮)

পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারী যতই আগ্রাসী ভূমিকা পালন করুক না কেন আসল সময়ে ঝোলা থেকে বেরিয়ে পড়বে বেড়াল।
সত্যিই কি তাই? সবটাই উঠবে ভেসে যদি করো একটু খেয়াল।
পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় নারী কি পরাধীন?
ইষ্টবিহীন সমাজব্যবস্থায় নারীপুরুষ উভয়েই পরাধীন,
রিপুর দাস, বৃত্তি-প্রবৃত্তির অধীন।

পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় পুরুষই শেষ কথা, সে যে নারী আর যত বড়ই নারীই হ'কনা কেন! নারীর কোনও মূল্য নেই এই ঝাঁ চকচকে ফাঁপা সমাজ ব্যবস্থায়! তাই ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিরা এভাবেই স্বাধীন ভারতের মাটিতে মারা যাবে নিঃশব্দে-নীরবে! 
কারণ ইষ্টবিহীন ব্যবস্থা শয়তানতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা। 

পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় তখনই নারীরা ঝাঁসির রাণীর চেয়েও ঝাঁঝালো ও মমতাময়ী হ'য়ে উঠবে যখন পরমপিতার আশ্রয় তাদের একমাত্র আশ্রয় হ'য়ে উঠবে।

নারী যতদিন থাকবে আনাড়ি
পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় জীবনে পড়বে দাঁড়ি! 
নারীও নারীর সাথে করবে আড়ি! কারণ সবাই ব্যাপারী!


শুরু হ'য়ে গেছে ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি!!! 
ওয়াহ! হ্যাটস অফ রাজনীতি!!-

আবার মোমবাতি! আবার বাতাবাতি!!
ওয়াহ! চ্যানেলে চ্যানেলে দিনরাত্রি
বলাৎকারের পক্ষে-বিপক্ষে মাতামাতি!!!

বলাৎকারী-অপরাধীর মুখ ঢাকা থাকা মানে তাকে সমাজে পরবর্তী বলাৎকার-অপরাধ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য দরজা খুলে রাখা!?

নারী! কেউ নেই তোমার পাশে!
আছে শুধু তর্ক-বিতর্ক!
আছে শুধু জ্ঞান-বিজ্ঞান পক্ষে-বিপক্ষে !!

এসো সবাই আনন্দে থাকি!
পরমপিতার নাম আনন্দে থাকার ধাম!!

ফেসবুক বৃত্তি-প্রবৃত্তিকে সুড়সুড়ি দেওয়ার বলিষ্ঠ মাধ্যম?
( লেখা ৩রা ডিসেম্বর'২০১৯)









Monday, December 1, 2025

উপলব্ধিঃ ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির অপমানজনক নৃশংস মৃত্যুর প্রতিবাদ।

ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির অপমানজনক নৃশংস মৃত্যুর প্রতিবাদ, বিচার আজকের এই ভারতে হবে না এটা নিশ্চিত। কোনোদিন যদি আবার এই ভারতে আর্য্য সমাজ ব্যবস্থা ফিরে আসে, রাম রাজ্য কায়েম হয় তাহ'লে সেদিন এইরকম নৃশংস অপমানকর মৃত্যুর সম্ভাবনা কল্পনাতেও আসবে না আর যদি কোনও কারণে দুর্ঘটনা ঘটেও থাকে তাহ'লে বিচার শুধু নয় দ্রুত কঠিন বিচার থাকবে অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু এই নৃশংস মানসিকতার মোকাবিলায় নারীর কর্তব্য সম্পর্কে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সরাসরি স্পষ্ট বললেন,

"ধর্ষণমুখী যদিই বা হ'স
পরাক্রমী মেয়ে,
মারবি না হয় মরবি তখন
রাখিস কীর্তি ছেয়ে।"
-----------শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল।

আজকের নারীরা বুঝে নিক তাদের কি রকম জীবনের অধিকারী হ'তে হবে। স্বয়ং ঈশ্বর মানুষের রূপ ধ'রে এসে সরাসরি খোলামেলা ঘোষণা করলেন এইরকম পরিস্থিতিতে নারীদের কি করণীয়। তিনি স্পষ্ট দ্বিধাহীন চিত্তে মেয়েদের বললেন পরাক্রমী হ'তে। বললেন, এইরকম অপমানজনক পরিস্থিতিতে দ্বিধাহীন চিত্তে বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে কীর্তি ছেয়ে যেতে! আর এই কীর্তি কোনো দয়ামায়ার কীর্তি নয়, পরাক্রমী মেয়ের এই দরিন্দাদের মেরে মরার কীর্তি আর মারার যদি কোনও উপায় না থাকে তাহ'লে এই দরিন্দা নামর্দদের কাছে আত্মসমর্পণ নয় সরাসরি মৃত্যুকে আলিঙ্গনের কীর্তি! যেমন আজও ইতিহাস হ'য়ে আছে চিতোরের রাজপুত রমণীদের অগ্নিকুণ্ডে আত্মবলিদানের কাহিনী। আশা করি দেশের নারী সমাজ, লেখাপড়া জানাওয়ালা নারী একবার শ্রীশ্রীঠাকুর সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করার আগে তাঁর বিস্ময়কর জীবনে আলোকপাত করবে।

প্রসঙ্গঃ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের নির্দেশে বাংলাদেশে উৎসব অনুষ্ঠান বন্ধ।

সাম্প্রতিক বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনুধাবন ক'রে যদি শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের নির্দেশে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৭তম জন্ম মহোৎসব অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে থাকে তাহ'লে "সব মাটি হয়ে গেল, আমরা দুঃখিত" ভাবার কোনও কারণ নেই। শ্রীশ্রীআচার্যদেবের নির্দেশ, নিদেশ আর আদেশ মানেই শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দেশ, নিদেশ ও আদেশ। তাই শ্রীশ্রীআচার্যদেব যদি কিছু ব'লে থাকেন তাহ'লে তা' মাটি হবার হাত থেকে আগাম রক্ষা পাওয়ার জন্যেই বলে থাকেন; ফলে আমরা ভবিষ্যৎ বিপদ থেকে আগাম রক্ষা পেয়ে হ'ই আনন্দিত। শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আশীর্বাদে যদি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়ে থাকে আবার তাঁর নির্দেশেই যদি পরিস্থিতি ও পরিবেশ অনুযায়ী অনুষ্ঠান বন্ধ হ'য়ে থাকে তাহ'লে তার মধ্যে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ মঙ্গল নিহিত আছে। যদি ভবিষ্যৎ অকল্যাণ থেকে বাঁচতে হয় ও বাঁচাতে হয় পরিবার পরিজন সমাজ ও দেশকে তাহ'লে শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আশীর্বাদ ও আদেশ সৎসঙ্গীদের কাছে শেষ কথা। শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আশীর্বাদ, আদেশ, র্নিদেশ ও নিদেশ ছাড়া এই ভয়ংকর পৃথিবীতে এক পা-ও আগে চলার উপায় নেই সৎসঙ্গীদের। সৎসঙ্গীদের মহাভাগ্য তাদের সামনে শ্রীশ্রীঠাকুর শ্রীশ্রীআচার্যদেব রূপে সৎসঙ্গীদের সামনে জীবন্ত আছেন। এই ভয়ংকর অন্ধকার পরিবেশে হাত ধরে সঠিক পথে নিখুঁতভাবে চালিত করার আমাদের সামনে শ্রীশ্রীআচার্যদেব ছাড়া আর কেউ নেই। এই সুযোগ অবহেলা করবেন না। যে অক্ষরে অক্ষরে অন্ধের মত মেনে চলবেন শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আদেশ, নির্দেশ ও নিদেশ দিনের শেষে সে রক্ষা পাবে নতুবা পরিণতি হবে ভয়াবহ, হবে ভয়ংকর। কারণ শয়তান সবসময় অপেক্ষায় আছে, ব্রহ্মতালুতে ছোবল মারার, যেখানে তাগা বাঁধার আর কোনও উপায় থাকবে না। তাই, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও অবস্থায়ই কারও কথায় প্ররোচিত হবেন না ও শ্রীশ্রীআচার্যদেবের নির্দেশ ছাড়া এক পা-ও ফেলবেন না। যে কোনও পরিস্থিতিতে যে কোনও মূল্যে যে কোনও কষ্ট সহ্য ক'রে শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আদেশ ও নির্দেশ রক্ষা করবেন।
আমার সৎসঙ্গী গুরুভাইবোন সাবধান!
আর, একটা কথা, শ্রীশ্রীআচার্যদেবের কাছে যখনই কেউ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা সমাধানের জন্য যাবেন কিংবা কেন্দ্র মন্দিরের কোনও সাংগঠনিক কাজের জন্য, উৎসব অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি নিতে যাবেন বা কি করণীয় তা' জানতে যাবেন তখন সিরিয়াসলি মনোযোগ সহকারে শুনবেন, খেয়াল রাখবেন শ্রীশ্রীআচার্যদেব ঠিক কি বলছেন। বুঝতে না পারলে আবার জিজ্ঞেস করবেন। তাঁর প্রতিটি শব্দ ও বাক্যের ওপর ধ্যান দেবেন, প্রয়োজনে লিখে রাখবেন, পরে বারবার পড়বেন, সবাই মিলে ত্রুটিহীন বোঝার চেষ্টা করবেন তিনি ঠিক কি বলতে চেয়েছেন, তাহ'লে দেখবেন দুর্ভোগে পড়বেন না কিছুতেই।
আমার দীর্ঘ বহু বছরের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি শেয়ার করলাম। জয়গুরু। ( লেখা ২রা ডিসেম্বর'২০২৪)