Powered By Blogger

Sunday, January 7, 2024

কবিতাঃ দয়াল বিনা আমি মণিহারা ফণী।

কি নিয়ে বাঁচবো? কাকে নিয়ে বাঁচবো?
তোমরা সবাই ঘরে-বাইরে এমন করছো
যেন সবাই প্রতিযোগিতায় নেমেছো;
কে কা'কে টপকে ডিঙ্গিয়ে ভালোটুকু
নিজের ঝোলায় ভরবে নিংড়ে নিয়ে
ব'লে হামলে পড়ছো এ-ওর ওপর
পায়ে দ'লে ভাঙবে ব'লে কোমর;
এ ব্যাপারে তোমরা কিন্তু বেশ পটু।
কি নেবে? কি আর নিতে চাও আমার?
ধনদৌলত, টাকাপয়সা, বাড়িগাড়ি?
মান, যশ আর জাগতিক যা কিছু সব
নিয়ে নাও যা নিতে চাও তাড়াতাড়ি।
প্রিয়জন যারা ছিলে আমার চারিপাশে
চলে গেলে তারা ছেড়ে দিয়ে আমারে
একেলা ক'রে মিথ্যে অপবাদের অজুহাতে,
ক্ষমতা দখলের লোভে রিপু তাড়িত মনে
অলীক মায়ার ফাঁদে পড়ে সবকিছু হাতাতে;
জড়িয়ে নিয়েছিলাম যাদের বুকেতে আবেশে।
শরীর-মন নিতে চাও যদি কেড়ে,
তা'ও নিতে পারো বন্ধু,
তোমার ওপর নির্ভর ক'রে ছিলাম ব'লে।
কিন্তু দিন শেষে অবশেষে শুনছো আকাশে বাতাসে
ব্যর্থতার দীর্ঘশ্বাস, অন্তরের হতাশার করুণ ক্রন্দন ধ্বনি;
জীবন হারিয়ে, ঘর হারিয়ে ঘুরে ঘুরে মরো তুমি পথে পথে
সব হারিয়েও আমার হারায়নি কিছুই নই আমি মণিহারা ফণী।
জাগতিক যা কিছু ছিল মোর তোমরা নিয়েছো কেড়ে
কিন্তু পারোনি নিতে কেড়ে বন্ধু, আমার দয়াল প্রভুরে।
দয়াল আমার ধ্যান, দয়াল আমার জ্ঞান, দয়াল চিন্তামণি
দয়াল বিনা আমি যেন মণিহারা ফণী।
সব নিয়েছো কেড়ে পারোনি নিতে কেড়ে জীবন
তবু জীবন খুঁজে পেতে বেছে নিইনি আমি মরণ।
দয়াল ছেড়ে আলায়-বালায় নিয়েছো খুঁজে জীবন
অলীক মায়ার মোহন বাঁশির ফাঁদে পড়ে পেয়েছো
অবশেষে যন্ত্রণাময় মরণ। তাই বলি,
আলোময়, মধুময়, রসময় জীবন যদি খুঁজে পেতে চাও
দয়াল প্রভু আছেন ব'সে যেথায় জীবন খুঁজে পাবে সেথায়
ত্বরা করি সেথা ছুটে চলে যাও।

প্রবন্ধঃ ধর্ম চিরন্তন সত্য, যেমন, সত্য চিরন্তন।

ইউ, এস প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনের এই কথা তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নিই খাঁটি কথা। কিন্তু আলোচনার টেবিলে প্রশ্ন উঠতেই পারে কোন ধর্ম? কোন ধর্মের কথা বলেছেন ১৬তম ইউ, এস, প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন?

ধর্ম কথার অর্থের গভীরতা ব্যাপক ও অসীম। ধর্মের নামে অধর্মের আগাছা ধর্মের মূল কান্ডকে ঢেকে ফ্যালে, আগাছার ডালপালা বৃদ্ধি পেতে পেতে ঢেকে দেয় আকাশ বাতাস। আর তারই তলায় আশ্রয় নেওয়া মানুষ আগাছাতে আষ্টেপৃষ্টে বাঁধা প'ড়ে দমবন্ধ পরিবেশে বাঁচতে থাকে। কিন্তু তাই ব'লে ধর্মের নামে অধর্মও ধর্মের মিথ্যে মুখোশ প'ড়ে মানুষকে দীর্ঘ সময়ের জন্য মূর্খ বানিয়ে রাখতে পারে না। আর বংশপরম্পরায় কাউকে মূর্খ বানিয়ে রাখা যায় না। যদি তাই হ'তো মহামূর্খের ঘরে মহাপন্ডিতের জন্ম হ'তো না আর জন্মবিজ্ঞান ব'লে কিছু থাকতো না। বিশ্বজুড়ে যতসব ধর্মীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাজকর্ম মানুষকে Unseen God নির্ভর ক'রে তোলার জন্য এবং প্রফেটদের নিয়ে প্রফেটদের কপট অনুগামীদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে দলবাজি, গোষ্ঠীবাজি করার জন্য, ব্যক্তিস্বার্থে ক্ষমতার অলিন্দে থাকার উৎকট আকাঙ্খায় প্রফেটদের মূল কথাগুলিকে বিকৃত ব্যাখ্যা করার জন্য, সর্বোপরি সহজ, সরল, মূর্খ, অজ্ঞানী, অহংকারী, অসদাচারী, অলস, কিছু না ক'রে সস্তায় পাওয়ার অভিলাষী দুর্বল, ভীরু, সবজান্তা, কুসংস্কারাছন্ন সাধারণ মানুষের কারণে ধর্ম আজ তার গৌরব, মহিমা, স্বচ্ছতা, পবিত্রতা হারিয়ে কলঙ্কিত হয়েছে, দূষিত হয়েছে। অনেকেই 'শালা, ধোয়া তুলসী পাতা' ব'লে ব্যঙ্গ করে। তা' করতেই পারে। আমি বলি, তুলসী পাতা তুলসী পাতাই, তা' ধোয়া হ'ক আর নোংরা হ'ক। তুলসী পাতার গুণাবলী নষ্ট হয়না। ভালো ক'রে ধুয়ে পরিষ্কার ক'রে নিলেই তা আবার স্বমহিমায় ফিরে আসে। কিন্তু বিছুটি পাতা ভালো ক'রে ধুয়ে মুছে নিলে তার ঔজ্বল্য প্রাপ্ত হয় বটে, কিন্তু শত ধুলেও তা তুলসী পাতার গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য প্রাপ্ত হয় না। যেমন, শ্যাওড়া গাছ চন্দন গাছের পাশে জন্মালে সেই গাছ প্রকৃতিগত কারণেই চন্দন গাছের সুগন্ধি প্রাপ্ত হয় অনেকাংশে কিন্তু চন্দন গাছে পরিবত হয় না চন্দনের গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে।

তাই, যারা পন্ডিত, বিদ্বান, জ্ঞানী ও ক্ষমতাবান তারা যদি ধর্মের আগাছা সাফ করার ও তার ডালপালা কাটতে গিয়ে বা কাটার পরিবর্তে ধর্মের মূল অর্থকেই আঘাত ক'রে বসে, ধর্মের গোড়া কেটে নির্মূল করতে চায় তাদের জন্যই ধর্মের নামে অধর্মের ব্যবসায়ীরা সুযোগ পেয়ে যায় অধর্ম, অসত্যের ব্যবসায় ফুলে ফেঁপে ওঠার; কারণ তারা ভালোমতনই জানে সহজ, সরল, মূর্খ, অজ্ঞানী, অসদাচারী, অলস, কিছু না ক'রে সস্তায় পাওয়ার অভিলাষী দুর্বল, ভীরু, কুসংস্কারাছন্ন সাধারণ মানুষ তাদের প্রধান শক্তি। এইসমস্ত তথাকথিত পন্ডিত, জ্ঞানী, বিদ্বান সমাজ তাদের পৃষ্টপোষক। তারা সব কাগুজে বাঘ। এইসমস্ত তথাকথিত পন্ডিত, জ্ঞানী, বিদ্বানদের সমাজকে কলুষিত মুক্ত করার মিথ্যে কাগুজে হুঙ্কারকে সহজ, সরল, মূর্খ, অজ্ঞানী, অসদাচারী, অলস, কিছু না ক'রে সস্তায় পাওয়ার অভিলাষী দুর্বল, ভীরু, কুসংস্কারাছন্ন সাধারণ মানুষ কোনও মূল্যই দেয় না, পাত্তাই দেয় না। কারণ এরা নিজেরাই নিজেদের ঘরের মানুষকে সত্যের সন্ধান দিতে পারেননি কিংবা ঘরের লোকের কারও কারও দ্বারা প্রত্যাখ্যাত।


তাই, ধর্ম চিরন্তন সত্য, যেমন, সত্য চিরন্তন। আর ধর্ম ও সত্যের অবস্থান ঈশ্বরের বুকে, তার নাভিমূলে, তারা ঈশ্বরের অংশ।---প্রবি।





Saturday, January 6, 2024

কৃষক আন্দোলন

কৃষক আন্দোলন নিয়ে দেশ তোলপাড়! যেন মনে হচ্ছে দেশের বর্তমান সরকার বিরাট কবর খুঁড়ে তা'তে দেশের কৃষকদের জ্যান্ত সমাধি দেওয়ার গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে! আর সেই গোপন মারণ ষড়যন্ত্রের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে দেশের সমস্ত সুধী সমাজের প্রাণ কেঁদে উঠেছে, জেগে উঠেছে বিবেক! সমস্ত সৎ মানুষ ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠে সামিল হয়েছে এই সরকারের মারণ যজ্ঞের বিরুদ্ধে জীবনমরণ আন্দোলনে প্রাণ সঁপে দিয়ে আত্মাহুতি দিতে!!!!!!
আচ্ছা, সরকার কৃষক মারণ যজ্ঞের আয়োজন নাহয় সত্যি সত্যিই করেছে কিন্তু সরকার বিরোধী কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সব দল, সব সাধু, সেনা আর সমস্ত বর্গের সমস্ত মানুষ আজ ধোয়া তুলসীপাতা হ'য়ে গেছে!? এই আন্দোলনে যুক্ত বিরোধী দলের নেতা নেত্রীরা একদিন দেশের ও রাজ্যে রাজ্যে সরকারে দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য, কৃষক, সেনা ও আম জনতার মঙ্গল সাধনের জন্যে নেতৃত্ব দেয়নি!? উন্নতি হয়েছিল কি!?!?!? কোনও কেলেঙ্কারি, কোনও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়নি!? আজ তারা সব সাধু!? কিছুদিন আগেও আমরা এই সরকার বিরোধী নানা আন্দোলন দেখেছি! আজ সব চুপ!!
প্রেক্ষাপট পালটে যাচ্ছে পলকে পলকে!!!

এইজন্যেই বোধহয় বিশ্বকবি লিখেছিলেন,
"বাবু কহে হেসে, বেটা সাধুবেশে পাকা চোর অতিশয়।'
আমি শুনে হাসি আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে--
তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে!"
(লেখা ৭ই জানুয়ারি, ২০২১)






কবিতাঃ তুমি কি সৎসঙ্গী?

তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে তুমি কামুক নও, নও তুমি ক্রোধী।
সৎসঙ্গী লোভী নয়, মোহ করে না নষ্ট তার বোধি!
অহংকার তার চরিত্রকে করে না অলংকৃত
করে না পরশ্রীকাতরতা সৎসঙ্গীকে অহরহ বিব্রত।

তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে তুমি জানো বাক-ই ব্রহ্ম।
অস্তি-বৃদ্ধির পথে নিয়ে যায় না অস্তিত্বকে
যে বাক তা নেহাতই জেনো জঘন্য, মৃত্যু তুল্য!
আর ভাষা যদি হয় খাসা দূর করে মনের হতাশা;
থাকে যদি ভাষায় প্রাণ প্রাণে জাগে আশা-ভরসা!

তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে মিষ্টি তোমার কথা, মিষ্টি নিশ্চয়ই চাউনি
চলন তোমার মিষ্টি নিশ্চয়ই তুমি প্রভুর কথা ভোলনি!

তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে তুমি নও অকৃতজ্ঞ, নও অবিশ্বাসী।
রক্তে নেই তোমার বেইমানি আর নেমকহারামী!

তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে শ্রদ্ধা তোমার নয়নতারা, ভালোবাসা
তার জ্যোতি! সম্মান-ভক্তি-আস্থা হয় জীবনসাথী!

তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে অন্তর মাঝে তোমার ভক্তির প্রদীপ জ্বলে
আলো হ'য়ে পড়ে ঝ'রে তার অনন্ত শক্তি! অফুরন্ত শক্তি!!
ভক্তিই শক্তি! শক্তিই ভক্তি!!
শক্তির আর এক নাম সৎসঙ্গী!!!!
( লেখা ৭ই জানুয়ারি, ২০১৯)

কবিতাঃ -------অন্তিমেও তুমি!

মায়ের ছিলাম আমি পরে আমার এলো বউ
বৌ-এর হলো ছেলে-মেয়ে পরে তাদের হবে কেউ!
ছেলের বৌ-এর ছেলে হবে, মেয়ে হবে,
মেয়ের হবে তেমনি, চলবে পরম্পরা! তবে
প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমার রইলো কে বা কারা!?
তবে বলি! বলি, শোনো তোমরা!
যখন আমার ছিল মা তখন ছিল না আমার বউ;
যখন এলো আমার বউ, তখন ছেলে মেয়ে সাথে
ছিল না আমার কেউ! বউ দিল আমায় পিতার স্বাদ
পড়লো মনে আমার বাবার মুখ! আমার বাবার কথা!
বুঝলাম সেদিন বাবা ডাকের আনন্দ আর বাবার
বুকের ব্যথা! শেষের দিনে কবে কবে ফিরে পেলাম মাকে
ঘুমের মাঝে হাত ধ'রে বউ যখন আমায় ডাকে!
যতন ক'রে খাওয়ায় আমায় আর ধমক দিয়ে বলে:
দেখবে সেদিন যেদিন থাকবো না আর যাবো আমি চলে!
কাজের ঝোঁকে যখন ছেলে বিদেশ বিভুঁই যায়
একলা ঘরে হাঁপিয়ে উঠি বাবা হ'য়ে ব'লে উঠি:
ওরে যাসনে বাবা! 'বাবা' ঘরে ফিরে আয়!
ঘরে ফিরে আয়! মেয়ে আমার যাবে চলে
পরের ঘরে যেদিন, 'মা' ব"লে উঠবে কেঁদে অন্তরাত্মা সেদিন!
এমনিভাবেই বেলা গেল আধাঁর ঘরে একলা আমি রই
মা-বাবারা আসে ফিরে ফিরে সংসার মাঝে রাখে ঘিরে
প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা নিরবচ্ছিন্ন কেউ নই!
পরমাত্মা তোমার অংশ আমি, জীবাত্মা হ'য়ে নামি;
জন্মের প্রথম দিনে তুমিই ছিলে, অন্তিমেও তুমি!
নিরবচ্ছিন্ন শুধু তুমি! প্রভু শুধু তুমি!!

( লেখা ৭ই জানুয়ারি, ২০১৯)

PABNA SATSANG STATION



PABNA SATSANG SATION!

OUR BELOVED PRIME MINISTER OF BANGLADESH SRIMOTI SHEKH HASHINAJI OUR (SATSANGI'S) EARNEST REQUEST TO YOU PLEASE THE NEW "PABNA RAILWAY STATION'S NAME SHOULD BE CHANGED.

INSTEAD OF "PABNA RAILWAY STATION" STATION NAME SHOULD BE "PABNA SATSANG STATION" IN THE NAME OF THE GREATEST PHENOMENON OF THE WORLD SRISRITHAKUR ANUKUL CHANDRA'S ONE & ONLY WORLD FAMOUS ORGANISATION 'SATSANG'.

KINDLY LOOK INTO THE MATTER SERIOUSLY AS WELL AS WHOLE HEARTEDLY! PABNA HIMAITPUR IS THAKUR'S HOLY BIRTH PLACE! THAKUR ANUKUL CHANDRA WAS A GREATEST SUPREME SOUL OF THE WORLD WHO WAS BORN TO THE HOLY FIELD OF THE HIMAITPUR VILLAGE OF PABNA DISTRICT IN THE HOLY BANGLADESH!!!

SO, PLEASE PRIME MINISTER HASINAJI TAKE INTO CONSIDERATION
OUR (SATSANGI) EARNEST PRAYER. JOYGURU.

(লেখা ৭ই জানুয়ারি, ২০১৯)

All re

Thursday, January 4, 2024

বাবামায়েদের উদ্দেশ্যে (২)

এই ছোট্ট মিষ্টি শিশুটিকে দেখছেন? আপনার ছোট্ট শিশুর মতন না? তবে তফাৎ কোথায়?

এমন দেবতুল্য সন্তান কোন বাবামা চায় না? সবার ঘরে ঘরে সব বাবামায়ের কোল এমন দেবতার মতো সুসন্তানে ভরিয়ে দাও দয়াল! বাবামায়েদের কাছে অনুরোধ সন্তান শিশু অবস্থায় থাকতে থাকতেই সময় থাকতে নিজেদের চিন্তাভাবনা, জীবনযাপন পরিবর্তন ক'রে ফেলুন। আপনার শিশু সন্তানকে এমন দেবসন্তান হওয়ার সুযোগ ও পরিবেশ দিন। নয়তো শেষের সেদিন ভয়ংকর! আপনাদের দেখে শিখবে শিশু মন যা কিছু ভাল মন্দ। আপনাদের অবচেতন মনের মধ্যে চলতে থাকা বৃত্তি-প্রবৃত্তির, রিপু তাড়িত চলনের, ভুল আচার আচরণের ছাপ পড়ে যাবে শিশুর নরম কচি মন মস্তিষ্কের ওপর।
তাই বাবামায়েরা সাবধান! উদাসীনভাবে হেলায়ফেলায় জীবন কাটাবার আর সময় ও পরিস্থিতি নেই এই জ্বলন্ত সত্য বাবামায়েরা যত তাড়াতাড়া পারবেন বুঝে নিন। নতুবা আপনার আজকের শিশুর ভবিষ্যৎ জীবন যদি প্রতিষ্ঠিত না হয়, যদি মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় তখন বাবামা হিসেবে আপনাদের আফশোসের আর কিছু থাকবে না। ছেলের ব্যর্থ, অপ্রতিষ্ঠিত, বিপদগ্রস্থ, রোগগ্রস্থ অস্থির যন্ত্রণাময় অন্ধকারময় ভয়াবহ জীবন দেখে ব্যথায় জর্জরিত জীবনে চোখের জল ফেলা ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না। আর সেদিন আপনার আজকের শিশু সন্তান হতাশা আর ব্যররথতার জ্বালায় জর্জরিত হ'য়ে হয় অবসাদগ্রস্থ জীবন কাটাবে, নির্মম সত্য আত্মহত্যার দিকে ছুটে যাবে নতুবা অন্ধকারাচ্ছন্ন যন্ত্রণাময় এক জীবনের অধিকারী হবে। আর সেদিন কিন্তু তার ক্ষতবিক্ষত জীবনের জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে আপনাদের আজকের ফুলের মতো সুন্দর প্রচুর সম্ভাবনাময় শিশু ভবিষ্যতের সেদিনের অসুন্দর ব্যবহারের অধিকারী ব্যার্থতার প্রতীক 'র' বিশু হ'য়ে।

তাই একবার খোঁজ নিয়ে দেখুন এই ছোট্ট শিশুর আজকের ২৪বছরের জীবন কি রকম! আর ভেবে দেখুন আর আদর্শবান ইষ্টপ্রাণ জীবনের অধিকারী ক'রে তুলুন আপনার সন্তানকে পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে। কথায় আছে কাঁচায় না নুইলে বাঁশ, পাকায় ক'রে ঠাসঠাস। আমার অপ্রিয় সত্য কথাগুলি ভালো লাগলে গ্রহণ করবেন আর ভালো না লাগলে বর্জন করুন কিন্তু রাগ করবেন না আমার ব্যক্তিগত স্বার্থহীন কথায়। স্বার্থ আমার, শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণী।

শ্রীশ্রীঠাকুরে কথায়,
"পড়শিরা তোর নিপাত যাবে
তুই বেঁচে সুখ খাবি বুঝি?
যা ছুটে যা তাদের বাঁচা
তারাই যে তোর বাঁচার পুজি।"-----এই-ই আমার এক ও একমাত্র স্বার্থ যাতে আমার দয়াল ঠাকুর খুশী হন।

(লেখা ৪ই জানুয়ারী, ২০২৩)