Powered By Blogger

Friday, January 6, 2023

কবিতাঃ তুমি কি সৎসঙ্গী?

তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে তুমি কামুক নও, নও তুমি ক্রোধী।
সৎসঙ্গী লোভী নয়, মোহ করে না নষ্ট তার বোধি!
অহংকার তার চরিত্রকে করে না অলংকৃত
করে না পরশ্রীকাতরতা সৎসঙ্গীকে অহরহ বিব্রত।
তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে তুমি জানো বাক-ই ব্রহ্ম।
অস্তি-বৃদ্ধির পথে নিয়ে যায় না অস্তিত্বকে
যে বাক তা নেহাতই জেনো জঘন্য, মৃত্যু তুল্য!
আর ভাষা যদি হয় খাসা দূর করে মনের হতাশা;
থাকে যদি ভাষায় প্রাণ প্রাণে জাগে আশা-ভরসা!
তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে মিষ্টি তোমার কথা, মিষ্টি নিশ্চয়ই চাউনি
চলন তোমার মিষ্টি নিশ্চয়ই তুমি প্রভুর কথা ভোলনি!
তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে তুমি নও অকৃতজ্ঞ, নও অবিশ্বাসী।
রক্তে নেই তোমার বেইমানি আর নেমকহারামী!
তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে শ্রদ্ধা তোমার নয়নতারা, ভালোবাসা
তার জ্যোতি! সম্মান-ভক্তি-আস্থা হয় জীবনসাথী!
তুমি কি সৎসঙ্গী?
যদি হও তবে অন্তর মাঝে তোমার ভক্তির প্রদীপ জ্বলে
আলো হ'য়ে পড়ে ঝ'রে তার অনন্ত শক্তি! অফুরন্ত শক্তি!!
ভক্তিই শক্তি! শক্তিই ভক্তি!!
শক্তির আর এক নাম সৎসঙ্গী!!!!
( ৭ই জানুয়ারী ২০১৯ )

কবিতাঃ Forgive me! I am ashamed.

Dayal! Again & again i think so
That I am losing everything
Whenever I want to do your work
Whatever that may be high & low
Failure attack me with a big blow!
It seems all the time day & night
Something is happening wrong certainly
Behind the mission where i want to engage myself
Therefore I am being unable to fight.
Dayal! Whenever & whatever for you
Am going to do whole heartedly
'No & impossible' word every time
in disguise of devotees stand in front of me
And show their devotional colorful views!
Dayal! I can't understand
what is my wrong! And what is my fault!
Can't believe really
What mistake i have done
That has been bitter & tasteless
Butter without salt!
Dayal! Tell Me! What shall I do?
Guide me, What should I do?
I am helpless without you.
Everybody is correct, only I am wrong!
Except me, everyone is free from poisonous thorns!
Their action less talks
Are tremendous loud & strong!
Silent devotees always keep themselves
Aloof from truth and sing a supportive song!
Hey Dayal!
Those who are afraid to walk through the new path
To Unfold the new vision of the differences of
Between Unseen and Seen Living God
With the help of your age-appropriate new light,
Those who keep disbelief in your presence
And don't get hope to depend unto YOU,
To enter the new era of your new looks
To reveal the differences of Religion & Dharma
Those who can’t dream
And can’t create anything new
But want to hold the steering wheel
Without being qualified as the pilot
Evicting your true follower,
Real pilot is going to be suppressed by them!
DAYAL! I am a failure, forgive me, I am ashamed.
( ৭ই জানুয়ারী'২০২২)

শাহরুখ খান ও হ্যাপি নিউ ইয়ার ফিল্ম

দেশের সমস্ত প্রথম সারির ব্যক্তিত্বদের নিয়েই কারণে-অকারণে, নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতিত্যে আলোচনা বা সমালোচনা হয়েই চলেছে। আর এই চলা আবহমানকাল ধ’রে। দেশের প্রথম সারির নেতা, অভিনেতা, কবি, শিল্পী, গায়ক, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ইত্যাদি সম্মানীয় ব্যক্তিত্বদের বিশ্বাসযোগ্যতা আজ প্রশ্নের মুখে! বিশ্বাস আজ নিঃশ্বাস হারিয়ে শববাহকের কাঁধে আসীন। আর জেনে বুঝেই কিছু মানুষ এই সমস্ত ব্যক্তিত্বদের নিয়ে বিতর্কিত বা অন্যায় জেনেও প্রশংসাসূচক মন্তব্যে ব্যস্ত থাকে আর সেটা তাদের প্রচারে আসার কৌশল কিম্বা তাদের দয়া, কৃপার প্রতিদান। আর তাদের সেই কৌশল বা প্রতিদান নিভে যাবার আগে দপ করে জ্বলে ওঠার মত সাময়িক ব্যাপার মাত্র। সেদিকে তাকিয়ে সময় নষ্ট করার মত পর্যাপ্ত সময় সিরিয়াস আলোচকদের নেই। এর পরেও অজান্তে যদি সময় কিছু থেকে থাকে আলোচকদের, সময়ের স্রোতে জীবনের অভিজ্ঞতায় তাও তাদের ঝরে যাবে একদিন এ বিশ্বাস আমার আছে।
দেশ জুড়ে ঘটে চলা নানা ঘটনাবলী সম্পর্কে কেউ কেউ জনগণের ওপর সম্পুর্ণ দোষ চাপিয়ে দেয়। আর তা জেনে বুঝেই হোক বা না জেনেই হোক কিম্বা কৌশলেই ক’রে থাকে। একথা ঠিক যে জনগণ যদি সতর্ক থাকতো, জেগে না ঘুমাতো, চোখ কান খোলা রাখতো, যে যা বলছে তা যদি বোধবুদ্ধি দিয়ে বিচার করতো, নিজের বিবেককে যদি অনুসরণ করতো তাহ’লে জনগণের ওপর দোষ চাপাবার সুযোগ বোধকরি সুযোগসন্ধানী কৌশলী মানুষ বা জনগণের ওপর ক্ষিপ্ত অভিমানী মানুষ পেত না।

যাই হোক এই সমস্ত কৌশলী বা অভিমানী মানুষ দেশের নানাবিধ বিতর্কিত অসাধু ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেতাদের থেকেও বেশী দোষ দিয়েছেন জনগণের ওপর। এখন প্রশ্ন, আচ্ছা বলুনতো আপনি আমি কার কাছে কি আশা করেন বা করি? উদাহরণ স্বরুপ পশ্চিমবঙ্গে ৩৪বছরের একটানা বাম শাসনের যে ইতি হ’ল, পরিবর্তন হ’ল একটানা একটা ব্যবস্থার তার দাবীদার কে? জনগণ না-কি নেতৃত্ব? এই যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনাকে কেন্দ্র ক’রে ‘হোক কলরব’-এর জন্ম হ’ল এবং উপাচার্যের পদত্যাগের দাবীতে গণভোটের আয়োজন করা হ’ল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সমস্ত বিষয় সংঘটিত করার মূল কারিগর কে? যাদবপুরের ছাত্রবৃন্দ না-কি ছাত্র নেতৃত্ব? আবার যাদবপুরের ছাত্র আন্দোলনের প্রতিবাদে সংগঠিত ছাত্র আন্দোলনের জনক কে ছিল? প্রতিবাদী ছাত্র সমাজ না-কি নেতৃত্ব? এই যে সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে মিছিল পাল্টা মিছিলে অংশগ্রহণকারী মানুষের জমায়েতের পিছনে কার অবদান বেশী বা কম? অংশগ্রহণকারী সাধারণ বোকা বা লোভী মানুষ, বুদ্ধিজীবী নামধারী অদ্ভুত জীব নাকি মুশকিল আসান করে ওগো নেতৃত্ব!?

আসলে ভাঙাচোরা জীবনের অধিকারী বিক্ষিপ্ত জনগণ সবসময় পরিস্থিতির মুখাপেক্ষী। দেখুন পাঠক, শ্রোতা, দর্শক, কর্মী ইত্যাদি তৈরী করার দায়িত্ব কিন্তু লেখক, গায়ক, শিল্পী, পরিচালক ও নেতাদের। মাথা, কান, চোখ, মুখ সবার তৈরী থাকে না। ওটা জন্মগত ও ব্যতিক্রম। আর এই জন্মগত ও ব্যতিক্রমী প্রতিভা বা শক্তি নিয়ে যারা জন্মায় তারাই অনুকূল পরিবেশ তৈরী করে এবং সেই অনুকূল পরিবেশ বাকী সবার মাথা, কান, চোখ খুলে দিয়ে পাঠক, শ্রোতা, দর্শক, কর্মী ইত্যাদি তৈরী করে। যদিও এখন কার্বাইডের যুগ, গাছ পাকা আম জামের স্বাদ পাওয়া এখন দূর অস্ত! দই-এর স্বাদ এখন ঘোলে মেটানোর যুগ! গবেষণা এখন নেট থেকে কপি পেষ্টিং নির্ভর! বর্তমান লেখক, গায়ক, শিল্পী, পরিচালক ইত্যাদির কাছে ‘সাধনা’ এখন গরুর গাড়ীর যুগের ধারণা ও সময় নষ্টের বিষয়। অর্থ, মান, যশ ইত্যাদি লাভ এখন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সহজলভ্য বিষয়! সিনেমা, সিরিয়াল, গল্প, উপন্যাসে মুখ্য চরিত্রের নারীকে অগুন্তি পুরুষের অঙ্কশায়িনী করে তোলায় আজ সাহিত্য সৃষ্টির সেরা সময়, সিনেমা তৈরীর সেরা মুন্সিয়ানা, বুদ্ধিজীবীদের সেরা সম্পাদন, সেরা কৃতিত্ব, সেরা সম্পন্ন কাজ! পা ফাঁক করে বাহু উর্ধ্বে তুলে ভাঙ্গা গলায় উর্ধ্ব থেকে হাত কাঁপিয়ে কোমরের নীচে নাবিয়ে আনলেই এখন ক্লাসিক্যাল গানের গলার কাজ হ’য়ে যায়! এরাই এখন জিনিয়াস! মাষ্টার মাইন্ড! এদের মন্ত্রমুগ্ধের মত অনুসরণ করে ভাঙাচোরা আম জাম আদমি!

যাইহ’ক কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, লেখক, গায়ক, শিক্ষাবিদ, অভিনেতা ইত্যাদি বুদ্ধিজীবীরা যেমন সুস্থ ও বলিষ্ট সমাজ গঠনে তাদের সামাজিক গুরুদায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না ঠিক তেমনি জনগণ হ’ল কুম্ভকর্ণ! এই কুম্ভকর্ণরুপী জনগণকে জাগাতে সম্মিলিত ঢাকঢোল এর আওয়াজের যে শক্তি সেই প্রচন্ড শক্তি স্বরুপ এই সমস্ত বিভিন্ন দিকের নেতৃত্বও ঘুমিয়ে থাকা, বৃত্তি প্রবৃত্তিতে ডুবে থাকা রিপু তাড়িত জনগণকে জাগাতে তাদের দায় দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না! আর নেতৃত্বের হাতে থাকে সেই রাজকন্যার গল্পের মত দু’টো জাদুকাঠি! সোনার কাঠি ও রুপোর কাঠি! একটার স্পর্শে রাজকন্যা জেগে ওঠে আর একটার স্পর্শে ঘুমিয়ে পড়ে। সবটাই নির্ভর ক’রে ঐ জাদুকরের ওপর। কখন রাজকন্যাকে জাগাবে আবার কখন রাজকন্যাকে ঘুম পাড়িয়ে দেবে সবটাই ঐ জাদুকরের ইচ্ছা ও জাদু ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। এখানে জনগণও ঐ রাজকন্যার মতো আর নেতা হ’ল জাদুকর! যেমন ধরুন মাকড়া কান্ডে যখন গোটা রাজ্য তোলপাড়, গোটা গ্রাম যখন শশ্মানে পরিণত হয়েছে তখন বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার শাহরুখ খান মত্ত রয়েছেন সেন্ট জেভিয়ার্সের তরুণ তাজা রক্তদের নিয়ে উন্মাদনার ফোয়ারা তুলে নিজের হ্যাপি নিউ ইয়ার ফিল্মের ব্যপক ব্যবসায়িক সাফল্যের সেলিব্রেশন অনুষ্টানে। কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের শহুরে আধুনিক তরুণ তাজা প্রাণ আদৌ অনুভব করলো না মাকড়া গ্রামের অকালে হারানো তরুণ তাজা প্রাণের অনুরণন! আর কলকাতায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ফুর্তিতে ব্যস্ত বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর শাহরুখ কিং খান!! সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্র সমাজ যেমন জনগণের মধ্যে পড়ে ঠিক তেমনি শাহরুখ কিং খান ‘বাংলার অ্যাম্বাসাডর’ হিসাবে অভিভাবকের জায়গা অধিকার ক’রে আছেন। অভিভাবক হিসাবে তাঁর কর্তব্য ও দায়িত্ব আম জনগণের চেয়ে হাজার লক্ষ কোটি গুণ বেশী এ-কথা যেন আমরা ভুলে না যায় আর ভুলেও সাধারণ ভাঙাচোরা আম জনতার সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলি!

পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থীদের আন্দোলন, নকশাল আন্দোলন থেকে শুরু ক’রে সাম্প্রতিক পরিবর্তনের আন্দোলন, যাদবপুরের ছাত্র আন্দোলন ও প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলন ইত্যাদি সব আন্দোলনের জোয়ারের পিছনের রহস্য ঐ সমুদ্রের বিশাল একটা ঢেউ-এর মতো এক বা একাধিক নেতৃত্ব! এই যে সম্প্রতি লোকসভা ভোটে দেশজুড়ে একাধিক আঞ্চলিক দলের ভিড়ের মাঝেও বহুদিন পর এককভাবে কোনও দলের সরকার গঠন হ’ল কেন্দ্রে তার পিছনেও সেই জনগণকে মন্ত্রমুগ্ধ করার কারিগর একজন নেতা! পৃথিবী জুড়ে এর অসংখ্য উদাহরণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। নেতৃত্ব দেওয়ার সহজাত গুণের অধিকারী নেতাদের কাছে জনগণকে জাগানো এবং ঘুম পাড়ানো হাতের ময়লা। তাই বৃত্তি প্রবৃত্তিতে ডুবে থাকা সরল সিধাসাধা বেকুব রিপু তাড়িত ভাঙাচোরা জনগণকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো মানে নেতাদের গা বাঁচিয়ে পালিয়ে যাবার জন্য safe passage তৈরী করে দেওয়া। দেশ ভাগ করা না করার মত জটিল বিষয়, দুর্বোধ্য অংক, স্পর্শকাতর ইস্যু আম চাষার দল জানবে, বুঝবে, চিন্তা করবে এবং এই কঠিন বিষয় নিয়ে নির্ভুল পজিটিভ সিদ্ধান্ত নেবে এ যদি সত্য হ’ত; এই ক্ষমতা যদি আম জনতার থাকতো; এই বোধ, এই বুদ্ধি, এই চেতনা, এই শিক্ষা যদি দেশের জনগণের থাকতো তাহ’লে তথাকথিত জ্ঞানী পন্ডিত মহান আত্মাসম্পন্ন নেতাদের স্থান হ’ত আস্তাকুড়ে আর ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ট আসন লাভ ক’রে নিত এতদিনে!

তাই ভাঙাচোরা আয়ারাম-গয়ারাম আম জনগণের ওপর সম্পুর্ণ দোষ চাপাবার আগে, জনগণকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবার আগে যারা সাধারণ সরল সিধেসাধা বোকা আম জনতাকে, জনতার বিশ্বাস, জনতার আশা-ভরসা-নির্ভরতাকে নিয়ে পিংপং বলের মতো লোফালুফির ভেলকি বাজী দেখায় সেই কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, গায়ক, লেখক, নেতা, অভিনেতা, পরিচালকরুপী বাজিকরদের বিচার, তাদের ভবিষ্যৎ না-হয় সর্ব্বশক্তিমান বলে যদি কেউ বা কিছু থেকে থাকে তাঁর ওপরে ছেড়ে দেওয়া গেল কিন্তু যারা বোকা হাবা জনগণকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে কথার ঝিকিমিকিতে সেইসমস্ত বহুরুপী বাজিকরদের পাশ কাটিয়ে চলে যাবার সুযোগ করে দেয় তাদের জন্য বেহেস্ত ব’লে যদি কিছু থেকে থাকে তার দরজা জন্মজন্মান্তরের জন্য বন্ধ কিন্তু খোলা আছে পরবর্তী ঘৃণ্য চরম যন্ত্রণাময় ভয়ংকর অন্ধকার জীবনের অন্তহীন পথচলা! এ কথা অতি সত্য। মানা, না মানা গৌণ, যার যার নিজের ব্যাপার; একান্তই ব্যক্তিগত।


(রচনা ৩০শে নভেম্বর' ২০১৪)

Wednesday, January 4, 2023

কবিতাঃ শপথ।

অবিনের বীন বাজে রাত্রিদিন তোমরা কি পাও শুনতে?
আজ তোমার আমার প্রিয়তমের দিন জন্মদিন
এসো সবে মিলে করি কাজ, ঘৃণা, ভয় নেই লাজ
তাঁর হাতে রাখো হাত শুভ দিন আনতে।
দয়াল আমার রেত শরীরে করেন লীলা
জ্যান্ত তিনি নিরন্তর; পিতাপুত্রের চলছে লীলা
দেখবে যদি এসো সবাই দেওঘরে ছুটে সত্বর।
আমাদের আদরের শ্রীশ্রীবড়দা আর শ্রীশ্রীদাদা
আচার্যদেব শ্রীশ্রীবাবাইদাদা আর শ্রীশ্রীঅবিনদাদা
আচার্যপরম্পরায় আমাদের দেখান পথ
এক ও অদ্বিতীয় পরমপিতাকে মানতে
আর হাতে কলমে ক'রে করিয়ে শেখান তাঁরা
কেমন ক'রে তাঁদের হবে ভালবাসতে।
অবিনদাদা বলছে হেঁকে জনে জনে ডেকে ডেকে
কথার স্রোতে ভেসে সবাই
সময় নষ্ট আর ক'রো না ভাই
মনকে বাঁধো প্রভুর প্রেমের ডোরে
ডাষ্টবিনে ভরা মন থেকে তোরা
থাক দূরে স'রে স'রে।
মন মাঝারে শুধু থাকুক সদাই দয়াল প্রভুর ছবি
প্রেমের আধার দয়াল প্রভু আমার
হৃদমাঝারে থাকুক তোমার এই হ'ক তোমার হবি।
আলোময় রূপময় রসময় দয়াল যতসব তোমার ছলাকলা
আমার জীবন মাঝে পূর্ণ হ;ক তোমার যত স্বপ্ন ষোলোকলা।
অবিনদাদা ডাকছে তোমায়, ডাকছে আমায় বলছে কানেকানে
ঠাকুর ছাড়া তোর আর কিছু নেই তো?
ঠাকুর আছে তো মনে প্রাণে?
অবিনদাদা ডেকে বলছে আমায়, ওরে শোন প্রবি,
ঘরে ঘরে যেথায় যেদিকে তাকাই দেখি তো তাঁর ছবি?
বৃত্তি সুখের উল্লাসে মেতে উঠে সবে ভুলে না তো তাঁরে ভবি?
শয়নে স্বপনে জাগরণে ভেসে ওঠে তো তাঁর হাসিমাখা মুখ
আর অধরেতে বীজমন্ত্র? যদি তাই হয় রেখো না মনে সংশয়
যা চাইবে তাই-ই পাবে রেখো পবিত্র মন, আত্মা আর শরীর যন্ত্র।
ধূপের মতো ছড়িয়ে সুবাস জ্বলুক শরীর-মন-আত্মা
ছাই হ'য়ে পড়ুক ঝ'রে সেই ধূপ দয়ালের পায়
ধূপের সৌরভে হ'ক সুরভিত প্রেমময় পরমাত্মা।
প্রভু ছাড়া নির্ভরতা নেই তো আর কিছুতে?
গহীন আঁধারে গভীর ঘুমের মাঝে অবিনদাদা
ডেকে বলে আমায় নিভৃতে নিশুতি রাতে!
বলে, তুমি আর প্রভু মাঝে কেউ নেই কভু
আছে নাম অবিরাম পরাণ মাঝে আছে আরাম
জীবন মাঝে নেই দুঃখ, নেই কষ্ট, যদি থাকে শুধু
তমসার পার অচ্ছেদ্যবর্ণ মহান পুরুষ ইষ্টপ্রতীকে
আবির্ভূত অনুকূল প্রভু।
ছুটে পালাবে সব রোগ, শোক, গ্রহদোষ,
বুদ্ধিবিপর্যয় আর দরিদ্রতা;
তাঁর পরশে দুর হ'য়ে যাবে
শরীর মনের যত আবিলতা।
উঠবে নোতুন সূর্য কেটে যাবে মেঘ, দুর হবে আঁধার।
তাঁর হরষে জীবন উঠবে নির্মল হেসে আবার।
অবিনদাদার জন্মদিনে তাঁর আহবান চিনে
চলবো মোরা পথ আগামী দিনে করিলাম শপথ।
তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে একসঙ্গে সবাই মিলে
টানবো মোরা দয়াল প্রভুর রথ।
প্রবি।

প্রবন্ধঃ শ্যাম স্টীলের বিজ্ঞাপন ও আমরা!

শ্যাম স্টীল-এর বিজ্ঞাপন কি শেখায় আমাদের!? বর্তমান আধুনিক ভারতে আধুনিক-আধুনিকা স্বামীস্ত্রীর সম্পর্ক কি বার্তা পোঁছে দিচ্ছে বর্তমান আধুনিক যুবকযুবতীর কাছে!? ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলি ১৩০ কোটির গরীব দেশের কোটি কোটি গরীব ক্রিকেট প্রেমীর ধনী আইকন, বিয়ে করেছেন ধনী প্রেমিকা অনুষ্কা শর্মাকে ভারতের বাইরে ফ্রান্সের স্বর্গে!!!!বিয়ে করার জন্য স্বর্গের অবস্থান ভারতের মাটিতে ছিল না। ভারতের যুবসম্প্রদায়ের সেই ক্রিকেট আইকন ও তাঁর সুন্দরী অভিনেত্রী স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার যুগল বিজ্ঞাপন মজবুত ও শক্তির প্রতীক 'শ্যাম স্টীল' আমাদের কাছে আধুনিক ভারতের উন্নত সংস্কৃতির ধারক বাহক! স্বামীস্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক মধুর প্রেমময় এক মজবুত শক্তিশালী সম্পর্কের আধুনিক উদাহরণ ও আধুনিক বার্তা নিয়ে আসে বিবাহিত দম্পতিদের মাঝে এই বিজ্ঞাপন! কি আছে ঐ আধুনিক মনস্ক যুগল দম্পতির বিজ্ঞাপনে? শ্যাম স্টীল কোম্পানি মজবুতি ও শক্তির কি নিদর্শন রাখলেন তামাম ভারতবাসীর কাছে? আর, বহির্ভারতেই বা ভারতীয় সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে লালিত পালিত দম্পতির পারস্পরিক সম্পর্কের শ্রদ্ধা-ভালোবাসার সংস্কৃতির কি নমুনা তুলে ধরলেন শ্যাম স্টীল কোম্পনি ও আধুনিক ভারতের অতি আধুনিক এলিট যুগল দম্পতি!?
আধুনিকা স্ত্রী অনুষ্কা আধুনিক আইকন স্বামী বিরাট কোহলিকে লাথি মেরে ডেকে আধুনিক প্রেম- ভালবাসার সংষ্কৃতির শক্তি ও মজবুতির নমুনা দেখালেন; যে শক্তি ও মজবুতি আছে শ্যাম স্টীলের মধ্যে!!!!!!
এই স্টীল দিয়ে বাড়ি বানালে বাড়ি মজবুত হবে তো???????
সাবাস বিরাট কোহলি! সাবাস অনুষ্কা!! সাবাস শ্যাম স্টীল কোম্পানি, সাবাস!!!
হ্যাটস অফ!!!!
(লেখা ৪ই জানুয়ারী'২০১৯)

কবিতাঃ অন্ধেরা কাহাঁ!? চারোতরফ রোশনি!

দয়াল! মুঝে বাঁচাও! বাঁচাও দয়াল!
দয়া করো মুঝে!
তুম কাহাঁ হো দয়াল! তুম কাহাঁ হো?
চারোতরফ অন্ধেরা হি অন্ধেরা!
রোশনি কি থোরা সা ভি ঝলক নেহী হ্যাঁয়।
অন্ধেরি কি গলি মে কাহাঁ কাহাঁ
ফাঁস যাতা হু, ভুল কি ভুল্ভুলাইয়া মে
ঘিসটতে ঘিসটতে এক অঙ্গুলি য্যায়সা গলি মে
আটক যাতা হু, ফাঁস যাতা হু দয়াল!
না হ্যাঁয় গলি মে রোশনি, না হ্যায় হাওয়া!
না সামনে, না পিছে হ্যাঁয় কোই রাস্তা!
খালি চারোতরফ ভয় কি মহল। মৃত্যু কি ছবি!
দেশভর খালি হিংসা কা হোলি আউড় হোলি!
আউড় নেতাও কা বোলি আউড় বোলি!
ম্যায় শো নেহি পাতা হু, জাগ নেহি পাতা!
তুম কাহাঁ হো দয়াল? তুম কাহাঁ হো?
আও দয়াল! বাঁচাও মুঝে!
ম্যায় তুমে ভুলকর কভি অন্ধেরামে
নেহি আউড় ভটুঙ্গা! নেহি রহুঙ্গা দয়াল!
নেহি রহুঙ্গা!
দয়াল বোলে, কাহাঁ অন্ধেরা বেটা!?
চারোতরফ রোশনি হি রোশনি!
তু বেটা রোশনিসে দূর কিউ হ্যাঁয়?
ভুল কা ভুল্ভুলাইয়া মে কিউ হ্যাঁয়?
রোশনিকে সামনে আ!
সাচ কা সামনা কর!
রোশনিসে মু ফিরাকে অন্ধেরাকে তরফ
দেখ রহে হো আউড় ডর সে চিল্লা রহে হো
অন্ধেরা!? অন্ধেরা!!? অন্ধেরা!!!?
ভুল কি ভুল্ভুলাইয়া কি ঘুলঘুলি মে
ডুবা রহা হো আউড় বোল রহা হো কি
সব ভুল!? ভুল!!? ভুল!!!?
তেরা সামনে রোশনি, পিছে রোশনি,
দাঁয়ে বাঁয়ে সব জাগা মে রোশনি!
চারোতরপ আলো জ্বল রহা হ্যাঁয়,
তুম রোশনিকো পিঠ মত দিখাও,
উহ অন্ধেরা তুমারা হি অন্ধেরা!
তুমারা নিজি শরীর কা অন্ধেরা!
অন্ধেরা বোলকে কুছ নেহি হ্যাঁয়!
তুমারা আঁখ দিখায় নেহি দে রহা হ্যায় রোশনিকো!
পিলা হো গ্যায়া তুমারা আঁখ।
মু ঘুমা বেটা মুঝে দেখ!
সাচ আউড় ঝুটা কা অন্তর ক্যা হ্যায়
শিখ ক্যা হ্যাঁয় আসলি আউড় ভেখ!
ডর কিস বাত কি!? ম্যায় তো সামনে হি হু!
তু মুঝে দেখ নেহি পা রহা হ্যাঁয়,
মুঝে অনুভব কর নেহি পা রহা হ্যাঁয়
ইয়ে সমস্যা তুমারা হি হ্যাঁয়!
ম্যায় তুমারা হি সামনে হু!
হাঁ! সামনে হু। চিন্তা মত কর!
ম্যায় সব দেখ রহা হু!
শয়তান কা হাত ছোড়,
বৃত্তি-প্রবৃত্তি কা সাথ ছোড়,
বেঈমানি, নামকহারামি ছোড়,
মেরা হাত পাকড় আউড় বিশোয়াস কে সাথ বোল,
শির উচা করকে বোল,
সিনা চিড় চিড় কর বোল,
আসমান কো ফাড় ফাড় কে বোল
একবার, মাত্র একবার বোল
বিশোয়াসকে সাথ বোল,
আপনে আপ কো পুরা সমর্পিত করতে
হুয়ে বোল, পুরা নির্ভর কর আউড় বোল,
হে পরমপিতা! তুমে ছোড়কর আউড় কভি
ম্যায় অন্ধেরামে নেহি ভটুঙ্গা, নেহি যাউঙ্গা!
তুমে বিনা যাঁহা যাউ, যিসকে পাস যাউ,
ওহি স্থান ভুল, ওহিমে অন্ধেরা!
ওহি আদমী ভুল! ভুল!! ভুল!!!
এক ও অদ্বিতীয় হে পরমপিতা!
তুমিহি সত্য! তুমিহি ঠিক!! তুমিহি রোশনি!!!
তুমিহি সম্পূর্ণ! তুমিহি সর্বজ্ঞ!!
তুমসে হি শুরু, তুমসে হি শেষ!
আ যা বেটা মেরা হাত পাকড়
আউড় চল সহি দিশা মে
যাঁহা রোশনি হ্যাঁয়! আনন্দ হ্যাঁয়!
আনন্দ কা মহল হ্যাঁয়!
মজা হ্যাঁয়! বিন্দাস ফুর্তি হ্যাঁয়!
বিশোয়াস কর মুঝে আউড় মেরা হাত পাকড়!
আউড় যো ম্যায় বোলু উহ কর,
নিঃসঙ্কোচ হো কর কর,
বিশোয়াসকে সাথ কর,
ম্যায় লে যাউঙ্গা উহ ধাম মে
যাঁহা মনুষ্য অমর হো যাতা হ্যাঁয়।
( লেখা ৪ই জানুয়ারী'২০২২)

Tuesday, January 3, 2023

মাভৈ! ডর কিস বাত কি!?

মাভৈ! ডর কিস বাত কি!?
দয়াল হ্যাঁয় না! আচারিয় হ্যাঁয় না!!
করোনার তৃতীয় ঢেউ ওমিক্রন নিয়ে শুরু হ'য়ে গেছে আবার ভয়ের বিউগল বাজানো। বিউগল বাজাচ্ছে সরকার, বাজাচ্ছে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী, সংবাদ মাধ্যম, বিউগল বাজাচ্ছে আম জনতা। চতুর্দিকে শুধু গেল গেল শেষ হ'য়ে গেল রব। হ্যাঁ, এটা তো নিশ্চয়ই সত্যি, সত্যি, সত্যি তিন সত্যি যে ভয়ংকর এক সর্বনাশের পথের দিকে মানুষ তথা পৃথিবী চুপিচুপি এগিয়ে চলেছে ফল্গুধারার মতো মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করবে ব'লে। মাঝমাঝেই সর্বনাশ তার শরীর প্রদর্শন করবে ব'লে সামনে এসে উলঙ্গ হ'য়ে দাঁড়াচ্ছে। আর তাকে আরও উলংগ ক'রে সামনে পিছনে, উপরে নীচে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখাচ্ছে সব স্তরের সব বিজ্ঞ মানুষের দল। ভয় দেখাও কিন্তু ভয়ের হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার উপায় দেখাবার কোনও পদক্ষেপ নেই, নেই কোনও প্রোগ্রাম। শাসনের দন্ড তুলে নাও হাতে কিন্তু নিজেদের প্রয়োজনের বেলায় সেই দন্ড লুকিয়ে ফেল, শিথিল করো শাসন। উশৃঙ্খলতা ও না-মানা, না-শোনা আমাদের মজ্জাগত, মজ্জাগত ''আমাদের ইচ্ছেটা আমাদেরই, ইচ্ছের ডানা মেলে উড়বোই'' দর্শন! তা সে ডানা কেটে জটায়ুর মতো পড়ে থাকি পথেঘাটে, নালা-নর্দমায় যেখানেই হ'ক তবুও আমরা উড়বো, উড়বো অটল অটুট হ'য়ে!
আর, কেউ নেই সামনে পিছনে বাঁচার পথ দেখাবার। সমাজের সবক্ষেত্রের সব সমাজপতিরা আজ অসহায়। যদি তাঁরা কিছু করতে চায়, বিগত দিনগুলোর ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত অজ্ঞতা সম্ভূত ভুল, ভুল, ভুল হাজার হাজার ভুল তাদের আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধ'রে রাখে। চেষ্টা নেই, ইচ্ছে নেই সেই ভুলগুলিকে স্বীকার করার ও শুধরে নেবার। খুব ভয়ংকর, ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে আগামীদিনগুলিতে আমাদের জন্যে।
যাক, বহুদিন থেকে সমাজের ছবিটা প্রকৃত বোঝার চেষ্টা করছি। চেষ্টা করছি পরম দয়ালের চোখ দিয়ে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, ওমিক্রণ! ওমিক্রণের তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে, আরও ব্যপকভাবে পড়তে চলেছে মানব সভ্যতার ওপর। কখন যে রোগের ভয়াবহতা রাতারাতি বাড়ে আর কখন যে কমে যায় তা ভাবতে গিয়ে মাথা গুলিয়ে যায়, ভেবে আকুল হ'য়ে অসুস্থ হ'য়ে পড়ি। আর ঠিক সেইসময় যখন আমার দয়াল প্রভুর দীক্ষিত গুরুভাইয়েরা এই করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে যখন তাদের পোষ্টে সাবধানতা অবলম্বনের নামে ব্যপক প্রচারের মাধ্যমে আরও ভয়ের পরিবেশ গড়ে তোলে, তুলতে সাহায্য করে তখন ভাবি, তাহ'লে কার কাছে গেলে শুনবো, 'মাভৈ! ডর কিস বাত কি!? দয়াল হ্যাঁয় না! আচারিয় হ্যাঁয় না!'
সমস্ত গুরুভাইবোনদের উদ্দেশ্যে শুধু বলতে পারি, আপনারা একবার পূজ্যপাদ শ্রীদাদার শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের সান্ধ্য সৎসঙ্গ শেষে পরমপূজ্যপাদ বর্তমান শ্রীশ্রীআচার্দেবের বলা কথাগুলি আসুন শুনি, বারবার শুনি।
আচার্যদেব বললেন, "সত্তা সচ্ছিদানন্দময়! তিনি বলেছেন (ঠাকুর)।
আর এই আনন্দ নিয়েই আমাদের থাকতে হবে। আর তাঁকে নিয়েই আনন্দে ভরপুর হ'য়ে থাকতে হবে। তাই যে যেখানেই থাকেন সেখানে গিয়ে নিজের মতো ক'রে প্রোটেকশানে থাকেন যেরকমভাবে থাকা যায় সমাজের মধ্যে। সবাইকে সচকিত করবেন কেননা করোনার তৃতীয় ওয়েভ বেকায়দায় নাও ফেলতে পারে তাও সাবধানে থাকা দরকার।"
তাই, আসুন আচার্যদেবের কথা শুনি, বারবার শুনি আর তাঁর বলা কথা অনুসরণ ক'রে নিজেদের আনন্দে রাখি ও ভয়মুক্ত থাকি। কেননা তিনি বাকসিদ্ধ পুরুষ! তাঁর কথা প্রতিমুহুর্তে স্মরণ ক'রে গয়ে উঠি,
নাই নাই ভয়, হবেই হবে জয়। দূর হবে ঘোর অন্ধকার।
দূর হবে রোগ ভয়, দূর হবে মৃত্যুভয় সহায় দয়াল আমার!
--------প্রবি।
( ৩রা জানুয়ারী' ২০২২ )