Powered By Blogger

Sunday, January 7, 2024

প্রবন্ধঃ কোয়ান্টিটি ও কোয়ালিটি!

শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র হলেন The Greatest phenomenon of the world! কথাটা কেন বললাম? এর সত্যতা কোথায়? এর সত্যতা জানতে হ'লে ঠাকুরকে জানতে হবে, ঠাকুরের জীবন দর্শন সম্পর্কে গভীরভাবে অনুসন্ধান করতে হবে। ঠাকুরের বুকের গভীরতার কাছে লক্ষ সমুদ্রের সম্মিলিত গভীরতা তুচ্ছ হ'যে যায়! আর এই গভীরতা জ্ঞানের গভীরতা! তাই তাঁকে জানা বা বোঝা আমাদের মত সাধারণ মানুষের কাজ নয়। এই কাজ ঈশ্বরকোটি পুরুষের কাজ! কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের মত মানুষ তাঁর শেষ জীবনে যেখানে ঠাকুরের শ্রীহস্ত লিখিত একমাত্র গ্রন্থ 'সত্যানুসরণ' পড়তে পড়তে তিন তিনবার ব'লে উঠেছিলেন, এই লেখকের বয়স কত!? যেখানে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত বিজ্ঞানী ভারতের অন্যতম রত্ন সি বি রমনের বিজ্ঞান গবেষণার সহকারী ফিজিক্সে গোল্ড মেডেলিস্ট বিজ্ঞানী ও সমস্ত শাস্ত্রে শাস্ত্রজ পন্ডিত শ্রদ্ধেয় শ্রী কৃষ্ণপ্রসন্ন ভট্টাচার্য যিনি কেষ্টদা নামে পরিচিত সেই মহাপ্রাণ ভক্তকে ঠাকুর বলেছিলেন ভাঙাচোরা মানুষ; বলেছিলেন "কেষ্টদা আপনার মত একজন ভাঙাচোরা মানুষ নিয়ে আমি এত কান্ড করলেম যদি একটা গোটা মানুষ পেতাম তাহা'লে গোটা দুনিয়ার ঘেটি ধরে দেখিয়ে দিয়ে যেতাম কিন্তু তা আমার আর হ'লো না"; সেখানে আমাদের মত মানুষদের জায়গা কোথায় সামান্য একটুও যার বুদ্ধি আছে, একটুখানি হ'লেও যার চোখকান খোলা সেই বুঝতে পারবে। আমি যা বুঝি তা বলি, তা হ'লো কেষ্টদার মত মানুষ যদি ঠাকুরের কাছে ভাঙাচোরা মানুষ হয় তাহ'লে এটা বুঝতে হবে কেষ্টদা ভাঙাচোরা হ'লেও একটা ছোট্ট হ'ক আর বড় হ'ক একটা পার্টিকেল অর্থাৎ একটা ছোট্ট হ'লেও দানা বা টুকরো আর আমরা হলাম ডাস্ট, একেবারে গুঁড়ো পাউডার; সামান্য বসন্তের ফুরফুরে হওয়ায় কোথায় উড়ে যাবো তার ঠিক ঠিকানা নেই! তাই বলি ঠাকুরকে বোঝা আমাদের মত মানুষের কাজ নয়: এই কাজ ঈশ্বরকোটি পুরুষের কাজ! ঠাকুরকে বুঝতে হ'লে সর্বপ্রথমে শ্রীশ্রীবড়দাকে বুঝতে হবে, শ্রীশ্রীবড়দাকে বুঝতে হ'লে শ্রীশ্রীদাদাকে বুঝতে হবে, শ্রীশ্রীদাদাকে বুঝতে হ'লে শ্রীশ্রীবাবাইদাদাকে বুঝতে হবে আর শ্রীশ্রীবাবাইদাদাকে বুঝতে হ'লে শ্রীশ্রীঅবিনদাদাকে বুঝতে হবে! তবেই যদি শ্রীশ্রীঠাকুরকে বোঝা যায়! আর তাও তাঁর দয়া ছাড়া সম্ভব নয়!

যাই হ'ক, এরকম অনেক উদাহরণ আছে। তাই শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে জানতে হ'লে গভীর অধ্যয়নের ব্যাপার যা রত্নদের কাজ। কথায় আছে, রতনে রতন চেনে-------!

প্রশ্ন হচ্ছে, এই কথা কেন বললাম?
ফেসবুকে এখন শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে নিয়ে অনেক ছবি, লেখা বা উক্তি, বাণী দেখতে পাই। দেখতে পাই সেইসব লেখা, উক্তি বা বাণী কার তার উল্লেখ থাকে না। আবার ভক্তদের মধ্যেও দেখতে পাই পারস্পরিক ঝগড়া বিবাদ। এছাড়া আছে ঠাকুরকে নিয়ে নোংরা কুৎসিৎ সমালোচনা আর গালিগালাজ। এই গালিগালাজ যারা করে তাদের সম্পর্কে কিছু বলার নেই আমার; কারন এ হয়ে এসেছে সব যুগে, সব কালে। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। শুধু বলতে পারি রতনে যেমন রতন চেনে ঠিক তেমনি কথায় আছে, শুয়োরে চেনে কচু।
যাই হ'ক এবার আসি আসল কথায়।

ফেসবুকে একটা ঠাকুরের মানুষ হ'য়ে ওঠা সম্পর্কিত লেখা পড়লাম। এখনো পর্যন্ত সেই লেখাটা ৫৭ জন লাইক করেছেন কিন্ত অবাক লাগে এটা কার উক্তি কেউ একজনও জানতে চাইলেন না। এরকম বক্তার নাম বিহীন উক্তি প্রকাশে স্বাভাবিকভাবেই বক্তব্যের গুরুত্ব হারিয়ে যায়। যিনি লেখাটা পোস্ট করেছেন তার কাছে জানতে চেয়েছি এটা কার উক্তি তিনি জানেন কিনা? জানলে উল্লেখ করুন। আমি যতদূর জানি ঐ মহান উক্তি আচার্যদেব শ্রীশ্রীদাদার।
এছাড়া কত জন কত গুরুত্বপূর্ণ লেখা ফেসবুকে পোস্ট করে কিন্তু তা'তে কোনো মতের আদান প্রদান দেখতে পাই না! দেখতে পাই শুধু জয়গুরু আর জয়গুরু! অথচ ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র হলেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময়; The greatest phenomenon of the world!!!!!!!! ঠাকুরের আজ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি শিষ্য! আর ফেসবুক পারস্পরিক মত বিনিময় এবং গোটা বিশ্বের কাছে পৌঁছে যাওয়ার শক্তিশালী এক মাধ্যম! কিন্তু আশ্চর্য সেই শক্তিশালী মাধ্যমের সুযোগ নিতে আমরা অপারগ! আজ ঠাকুরের কোটি কোটি শিষ্য অথচ সেই বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময়ের বলে যাওয়া নানা বিষয় নিয়ে যখন কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করে বা লেখা প্রকাশ করে তখন সেখানে সেই কোটি কোটি শিষ্যদের মধ্যে থেকে শুধু ভেসে আসে জয়গুরু আর জয়গুরু! এতে কি ধ'রে নেওয়া যেতে পারে? কোয়ালিটির অভাব, কোয়ান্টিটির প্রাদুর্ভাব!? 

দুটোরই প্রয়োজন আছে।

এবার এমন কোনও বিষয় নেই যা ঠাকুর বলে যাননি বা তাঁর মতামত দিয়ে যাননি! যেখানে গোটা পৃথিবীর বলা শেষ সেখান থেকে 'সৎসঙ্গ'-এর শুরু! বিশ্বের সমস্ত বিস্ময়ের সম্মিলিত বলা শেষ হ'লে তারপর সেখান থেকে শুরু হবে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময়ের বলা! যেখানে যে যে বিস্ময় যে বিষয় সম্পর্কে কোনো কিছু বলে যেতে পারেননি বা কোনও ইঙ্গিত দিয়ে যেতে পারেননি বা অসম্পূর্ণ বলে গেছেন সেখানে সেই বিষয় সম্পর্কে আলোকবার্তা দিয়ে গেছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময় রক্ত মাংস সংকুল জীবন্ত ঈশ্বর পুরুষোত্তম শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র!!!!!! অথচ আমরা লক্ষ লক্ষ ফেসবুক ব্যবহারকারী ঠাকুরের অনুগামীরা জয়গুরু ছাড়া আর কিছু পারি না বা বলি না! আর যদি বলিও একে অপরকে গালাগালি করি, ভক্তির পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে একে অন্যের নিন্দা, কুৎসা ক'রে কুৎসিৎ মন্তব্য করি, ঠাকুরের বিরাট ভক্ত সেজে ঠাকুরের আত্মজদের বিরুদ্ধে বিদ্রুপ করি আর ঠাকুরের প্রিয় পরম আত্মজদের সম্পর্কে অকথ্য কুকথ্য সমালোচনা করে সারা বিশ্বের মানুষের কাছে ঠাকুরকে কালিমালিপ্ত করি আর প্রতিযোগিতা করি কে কত বড় ভক্ত! ঠাকুরকে ব্যবসার, আয়ের উপকরণ বানিয়ে সমস্ত কিছু লন্ডভন্ড ক'রে দিয়ে বোকা সরল সাধাসিধে মূর্খ বেকুব লেখাপড়া না জানা অক্ষর জ্ঞানহীন অশিক্ষিত ও তথাকথিত শিক্ষিত কিচ্ছু না করা ভক্তদের ধর্মভীরুতার ও আলগা ঠুনকো ভক্তির সুযোগ নিয়ে তাদের বোকা বানিয়ে ধান্দাবাজ লোভী কপট কিছু মানুষ সৎসঙ্গীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি ক'রে কায়েমী স্বার্থ বজায় রাখার জন্য মরিয়া হ'যে উঠেছি! সাধারণ ভক্ত এই অসাধারণ শয়তানদের চালাকি কোনোদিনই বুঝতে পারবে না ঠাকুরের জন্য হাতেকলমে কিছু না করার ও অতি ভক্তির কারণে। আর এক ধরণের ভক্ত আছে যারা তাত্ত্বিক আমেজে ডুবে থেকে ঠাকুর প্রেমের, ঠাকুর ভক্তির ফোয়ারা ছোটায়!!!!

বিশ্বের সমস্ত বিস্ময়দের বলে যাওয়ার মধ্যে যেখানে যেখানে লখিন্দরের বাসর ঘরের সরু চুলের মত যে ছিদ্র আছে সেই ছিদ্র এবার ভরাট করে দিয়ে গেছেন তিনি, অসম্পূর্ণতা সম্পূর্ণ করে দিয়েছেন এবার ঠাকুর! এ বোঝে সে, প্রাণ বোঝে যার! কিছু না ক'রে পাওয়ার বুদ্ধি যাদের তাদের দিয়ে আর যাই হ'ক তাঁকে, তাঁর মিশনকে বোঝা যায় না, যাবেও না কোনওদিন, কোনও জন্মেও। তিনি কি দিয়ে গেছেন তা বোঝার জন্য আগামী পৃথিবী অপেক্ষা করছে। অপেক্ষা করছে নেতাজি, দেশবন্ধু ইত্যাদি কোয়ালিটি ম্যানদের নেবে আসার অপেক্ষায়!!!!!! কারণ কোয়ান্টিটির সঙ্গে সঙ্গে কোয়ালিটির অপেক্ষা করছে 'সৎসঙ্গ' তথা গোটা বিশ্ব!!!!!!!
( লেখা ৮ই জানুয়ারি, ২৩)

খোলা চিঠিঃ বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক বন্ধুকে খোলা চিঠি। (২)

হে বন্ধুবর! আপনাকে লেখা আমি আমার প্রথম চিঠিতে আপনাকে জানিয়েছিলাম আমার পরবর্তী চিঠিতে আমি আপনার তির্যক প্রশ্নের উত্তর দেবো।
আপনার প্রশ্ন ছিল ও আপনি জানতে চেয়েছিলেন জীবিত মানুষের জন্য অনুকূল কি বুজরুকি দেখাতে পারেন?
আপনার কুৎসামন্ডিত এই প্রশ্নের উত্তর এই চিঠিতে দিচ্ছি। আশা করি ধৈর্য্য ধ'রে অনুকূলের বুজরুকি পড়বেন।
এই প্রশ্নের উত্তরে বলি, তিনি সারা জীবন আপনার ভাষায় একটাই বুজরুকি দেখিয়েছেন তা হ'লোঃ
১) কোথাও না গিয়ে এক জায়গায় বসে আজ থেকে ১০০বছরের অধিক সময় পূর্বে তিনি সারা বিশ্বের প্রাজ্ঞ, বিদগ্ধ, জ্ঞানী, পন্ডিত, মহাপন্ডিতদের তাঁর কাছে সেই বিশ্বের সভ্য জগতের বাইরে অখ্যাত অজ্ঞাত অন্ধকারাচ্ছন অনুন্নত অসভ্য হিমাইতপুরের মাটিতে এবং মধ্যবয়সে (৫৪ বছর বয়স) দেওঘরের লাল মাটিতে টেনে এনেছিলেন; যেমন ফুলের সৌরভে মাতাল হ'য়ে ফুলের মধুর লোভে মৌমাছি ছুটে ছুটে আসে ফুলে ঠিক তেমনি! ফুল কখনো ছুটে যায় না মৌমাছির পিছনে, মৌমাছি ছুটে আসে ফুলের কাছে। ঠিক তেমনি তাঁর কাছে ছুটে ছুটে এসেছিল আর্ত, জিজ্ঞাসু, অর্থাথী ও দেশবিদেশের প্রথিতযশা জ্ঞানী-বিজ্ঞানী, বিদগ্ধ পন্ডিত, বিখ্যাত সাহিত্যিক, দার্শনিক, কবি, প্রাবন্ধিক, গায়ক, সুরকার, অভিনেতা, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, ম্যাজিশিয়ান, শিক্ষাবিদ, অধ্যাপক, গবেষক, দোর্দন্ডপ্রতাপ ব্রিটিশ ভারতের ও স্বাধীন ভারতের সরকারী ও প্রশাসনিক উচ্চপদাধিকারিবৃন্দ; এসেছিলেন বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সারা দেশবিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছিল সাধারণ-অসাধারণ, বিখ্যাত-অখ্যাত লক্ষ লক্ষ মানুষ ঠাকুরের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দেওঘরে! তিনি কোথাও ছুটে ছুটে যাননি। আর আজও তাঁর দেহ রাখার ৫৪বছর পরও বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে ছুটে আসছে দেওঘরের বুকে যার যার নিজ সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে। এই বুঝ্রুকি তিনি দেহ থাকাকালীন ও দেহ রাখার পরও জীবিত মানুষদের জন্য দেখিয়েছেন ও দেখিয়ে চলেছেন আজ দেহহীন ১৩৫বছর বয়সেও।। আজ প্রায় ১০কোটি মানুষের মাঝে পৌঁছে যাওয়ার লক্ষ্যে ছুটে চলেছে তাঁর বুঝ্রুকি!
শুধু আপনাকে যৌবনে ২০বছর বয়সে ও আজ আপনার এই মধ্য গগনে বুঝ্রুকি দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। কারণ ঐ তাঁর বলা " প্রকৃত জ্ঞানী যাঁরা তাঁরা পুরুষোত্তমকে দেখেই চিনতে পারেন। তাঁকে দেখেই তাঁরা ভাবেন-- 'দেখে যেমন মনে হয় চিনি উহারে'।
২) আচ্ছা The greatest magician of the world ভারতের যাদুকর সিনিয়র পি সি সরকারের ( প্রতুলচন্দ্র সরকার ) নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন? তিনি ধর্মগুরু সাঁইবাবার ( যিনি ঝাঁকড়া চুলের অধিকারী ছিলেন) বুঝ্রুকির পর্দা ব্যাঙ্গালোরে ফাঁস ক'রে দিয়েছিলেন জানেন তো? সেই পি সি সরকার আপনার বলা শ্রীশ্রীঠাকুরের বুজরুকি কেন ধরতে পারলেন না? কেন তিনি তাঁর সীমাবদ্ধ ক্ষমতায় শ্রীশ্রীঠাকুরের বুঝ্রুকি ধরতে এসে নিজেই তাঁর অন্তহীন অসীম রহস্যময় অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হ'য়ে, বিভোর হ'য়ে তাঁর কাছে নিজেকে সারেন্ডার ক'রে তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেন? কেন তিনি ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর ইন্দজাল সংক্রান্ত বিষয়ে গভীর আলোচনায় মগ্ন থাকতেন? শ্রীশ্রীঠাকুর আন্তর্জাতিক স্বনামধন্য বিখ্যাত জাদুকর পি সি সরকারকে ভুতের রাজা বলে ডাকতেন। তিনি যখনই আসতেন ঠাকুরের কাছে ঠাকুরকে ভুতের খেলা দেখাতেন। আর ঠাকুর খুব মজা করতেন ও আনন্দ করতেন। শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর নয়ন ভুলানো মিষ্টি মধুর হাসির তুফান তুলে চারপাশ মোহিত ক'রে হাসতে হাসতে বলতেন, দেখাবো নাকি সত্যিকারের ভুতের খেলা, দেখবেন নাকি ভুতের রাজা? মোহিত মুগ্ধ হ'য়ে চেয়ে থাকতো ঠাকুরের মিষ্টি হাসিতে ভরা প্রেমময় মধুর মুখচোখের দিকে অপলক দৃষ্টিতে বিশ্ববিখ্যাত যাদুকর শ্রদ্ধেয় পি সি সরকার!
হে মান্যবর সাহিত্যিক বন্ধু! শ্রীশ্রীঠাকুরের বুজরুকি যা আপনি পারলেন ধরতে তা কেন বিশ্ববিখ্যাত ম্যাজিশিয়ান পি সি সরকার ধরতে পারলেন না?
৩) কেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন স্বাধীনতা সংগ্রামী, রাজনীতিবিদ, ব্রিটিশ ভারতের বিশিষ্ট দুঁদে আইনজীবী ও সাংবাদিক শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের বুজরুকি ধরতে পারলেন না? কেন তিনি ৫৪ বছর বয়সে তাঁর থেকে ১৮বছরের ছোটো মাত্র ৩৬বছর বয়সের শ্রীশ্রীঠাকুরকে গুরুরূপে জীবনে গ্রহণ ক'রে তাঁর মন্ত্রশিষ্য হলেন? এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের আন্দোলনের সমস্ত ভুল পথ এবং সব কিছু থেকে সরে এসে সমস্ত মনপ্রাণ ঠাকুরে সঁপে দিয়েছিলেন?
যা আপনি সব বোগাস, বুজরুকি ব'লে ধরতে পারলেন কিন্তু দেশবন্ধুর মতো দুঁদে আইনজীবী, স্বাধীনতা সংগামী, তুখোড় রাজনীতিবিদ শ্রীশ্রীঠাকুরের বু্জ্রুকি কেন ধরতে পারলেন না?
৩) বিখ্যাত কবি হেমচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ( যিনি হেম কবি নামে বিখ্যাত ) যার লেখা বহু গান চারণকবি মুকুন্দদাস গাইতেন তিনি কেন ঠাকুরের বুজরুকি ধরতে না পেরে তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন, দীক্ষা নিয়েছিলেন? আর আপনি তাঁর কাছে ২০বছর বয়সে গিয়ে কিছুই না জেনে তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হ'য়ে পরে সব বুজরুকি ব'লে বুঝতে পেরে চলে এলেন কিন্তু হেমকবির মতো ঘোরোতর নাস্তিক, পাঁড় মাতাল, চরিত্রহীন মানুষ শ্রীশ্রীঠাকুরের চরিত্রের বুজরুকি ধরতে না পেরে উল্টে নিজের আমূল ঘৃণ্য চরিত্রের পরিবর্তন ঘটিয়ে শেষজীবন তাঁর পদপ্রান্তে কাটিয়ে দিলেন এক উন্নত মহাপুরুষে পরিবর্তিত হ'য়ে। কেন?
৪) বিজ্ঞানী কৃষ্ণপ্রসন্ন ভট্টাচার্য (কেমিষ্ট্রিতে গোল্ড মেডেলিষ্ট, নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত সি ভি রমনের সহকারী) ঘোরতর নাস্তিক কেন বিজ্ঞান সাধনা ছেড়ে দিয়ে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত বিজ্ঞানী সি ভি রামনের সহকারী পদে ইস্তফা দিয়ে, বিজ্ঞান সাধনার জন্য আমেরিকা সফর ত্যাগ ক'রে ঠাকুরের চরণ প্রান্তে এসে পড়ে রইলেন সারাজীবন? শ্রীশ্রীঠাকুরের সংস্পর্শে এসে তাঁর সাহায্যে, তাঁর দেখানো পথে বিজ্ঞান সাধনা ছাড়াও সমস্ত শাস্ত্রে অসাধারণ জ্ঞানী পন্ডিত হ'য়েও কেন তিনি ঠাকুরের বুজরুকি ধরতে পারলেন না? আর আপনি ধরতে পারলেন? আপনাকে নতমস্তকে প্রণাম।
৫) বিখ্যাত সুরকার বাপি লাহিড়ীর পিতা ও সুরকার শ্রী অপরেশ লাহিড়ী কেন সস্ত্রীক ঠাকুরের দীক্ষা নিয়েছিলেন? তিনি ঠাকুরের লেখা সৎসঙ্গের প্রার্থনায় অঙ্গীভূত বিখ্যাত গান 'জয় রাধে রাধে' গানের সুরকার ছিলেন। তিনি কেন ঠাকুরের বুজরুকি ধরতে পারলেন না? তাঁর মতো একজন গুণী লোক সস্ত্রীক চিরজীবন ঠাকুরের সান্নিধ্যে কাটিয়ে যা পারলেন না আপনি অনায়াসেই তা পারলেন? আশ্চর্য আপনার মানুষ চেনার ক্ষমতা!!!!!
আজ এই পর্যন্ত। এরপরে ধারাবাহিকভাবে আপনাকে ও আপনার মতো আরও পন্ডিত ব্যক্তিত্ব আছেন যারা ঠাকুরের বুজরুকি নিয়ে সোচ্চার সেই আপনাদের সকলকে সারা বিশ্বের বিখ্যাত বিখ্যাত মানুষ যারা ঠাকুরের চরণপ্রান্তে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাঁদের শ্রীশ্রীঠাকুরের বুজরুকি ধরতে না পারার সীমাহীন মূর্খতা নিয়ে সেই গবেষণালব্ধ আলোচনা এখানে করবো ও তাঁদের নাম প্রকাশ করবো আমার পরবর্তী চিঠিতে।
ইতি,
প্রকাশ বিশ্বাস
পশ্চিমবাংলা, ভারত।
ক্রমশঃ
( লেখা ৮ই জানুয়ারি, ২৩)

কবিতার বইঃ জীবন খুঁজে পাবি।



'৫ই জানুয়ারি ভালোবাসার দিন, জীবন খুঁজে পাওয়ার দিন, ঘরে ফেরার দিন।'

জীবনে হতাশাগ্রস্থ, ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, ক্ষতবিক্ষত, জীবন যুদ্ধে পরাজিত, প্রকৃত জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষকে আবার জীবনের সন্ধান দিয়ে নিজের ঘরে ফিরিয়ে দিতে এবং চতুর্দিকের বিষাক্ত পরিবেশের হাত থেকে ঘরে ঘরে ছোট্ট শিশুদের বাঁচাতে এবং তাদের প্রকৃত আনন্দময় জীবনের পথ দেখাতে এক ও একমাত্র আধার শ্রীশ্রীআচার্যদেবের আশীর্বাদপূত 'বাসুদেব কুটুম্বকম ফাউন্ডেশন'
আজ ৫ই জানুয়ারি পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীঅবিনদাদার শুভ জন্মদিন।

আজকের দিন 'ভালোবাসার দিন, জীবন খুঁজে পাওয়ার দিন, ঘরে ফেরার দিন' হিসেবে ঘোষণা ক'রে প্রকাশক 'বাসুদেব কুটুম্বকম' প্রকাশ করতে চলেছে ই-বুক 'জীবন খুঁজে পাবি' কবিতার বই।
আসুন দেখে নিই ভিডিওতে 'জীবন খুঁজে পাবি'-র এক ঝলক।
প্রকাশক V. K. FOUNDATION-এর VIDEO 'জীবন খুঁজে পাবি' দেখার অনুরোধ রইলো।
https://www.youtube.com/watch?v=iwGz_wriQ_Q&t=136s

কবিতাঃ স্বাগত নববর্ষ ২০২৪

হে মন!
এসো শপথ নিই প্রতিজ্ঞা করি নববর্ষে
আনন্দ সাগরে ভাসাইবো জীবন নৌকা
বাঁচিব-বাড়িব মিলেমিশে দয়ালের স্পর্শে।
দয়ালের স্পর্শে ফুল হ'য়ে ফুটিবো আমি
ঝরিবো প্রভুর চরণতলে; সুঘ্রানে ভরিয়া
তুলিবো আকাশ বাতাস নামের ঝঙ্কার তুলে।
করিলাম শপথ খুঁজে নিলাম পথ এই নববর্ষে
যাবো ভালোবাসা ছড়াইয়া ছড়াইয়া দুয়ারে দুয়ারে
ঘুরিয়া ঘুরিয়া হাসি আনন্দে উদ্বেলিত বক্ষে।

হে মন,
চলো ফিরে যাই প্রভুর নিকেতন
দয়ালের প্রাণে লাগে ব্যথা এমন কথা,
পায় কষ্ট, দুঃখ এমন ব্যবহার, আচরণ
আজি নববর্ষে নিলাম শপথ করিবো না অযথা।
পুরাতন বছর শেষে প্রবেশিনু যখন নোতুন বর্ষে
বিস্ময় জাগে প্রাণে আরও একটি বছর
দিয়েছে দয়া করি দয়াল তাঁরই কাজেরই তরে;
শপথ করিলাম এইক্ষণে মনেমনে আজি হ'তে
এ জীবন করিলাম সমর্পণ আজি এ পূণ্যপ্রভাতে
হে দয়াময় প্রভু আমার তোমারি চরণতলে।
তোমার সেবার দিও অধিকার, দিও শক্তি, দিও ভক্তি
দিও প্রেম, ভালোবাসা, দিও অপার তোমাতে আসক্তি
করিতে পারি যেন তোমারি সেবা পরাণ খুলে।
হে দয়াল! রাখো তোমার ঐ রাতুল চরণযুগল
রাখো দয়া করি প্রভু এই অধমের বুকে।

.

প্রবন্ধঃ অবতারীদের মূল ধর্মগ্রন্থ।

২০২৩ সালের শেষ দিনে শেষের মুহূর্তে সমস্ত সম্প্রদায়ের সমস্ত মতের সমস্ত ধর্মপ্রাণ, ইষ্টপ্রাণ মানুষদের উদ্দেশ্যে বলা কিছু কথাঃ
আর, কিছুক্ষণ পরেই বিদায় নেবে অনেক সুখদুঃখের স্মৃতি ২০২৩ সাল।

আমার একান্ত উপলব্ধি আপনাদের কাছে জানিয়ে এই বছরকে বিদায় দেবো।

আমাদের মূল সমস্যা হচ্ছে মূল থেকে ডালপালায় ঘোরাঘুরি করার অভ্যাস। যেমন কথায় আছে খাজনার চেয়ে বাজনা বেশী; ঠিক তেমনি পৃথিবী জুড়ে বিশেষ ক'রে ধর্মজগতে গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়লদের ধর্ম সংক্রান্ত বিকৃত তথ্য ও তত্ত্ব নিয়ে মাতামাতি হয় বেশী। আর তা'তে গা ভাসায় সব ধর্মেই চিলে কান নিয়ে গেছে শুনেই কানে হাত না দিয়েই চিলের পিছনে বনবাদাড় ভেদ ক'রে ছুটে যাওয়া মানুষের দল। এটা একধরণের মানসিক ব্যাধি। বিকৃত মানসিকতাসম্পন্ন মানুষ বিকৃত জিনিসের প্রতি রুচি দেখায়। এই বিকৃতি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আছে কম-বেশী। আমরা কেউই কোনও সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ প্রফেটদের ব'লে যাওয়া গ্রন্থ পড়িনি ও পড়িনা। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে। তবে তাঁরা আজ ধর্মজগতে গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়লদের দাপটে প্রায় ousted হ'য়ে পিছনের সারিতে অবস্থানরত। আর যদিও পড়ে থাকি তাহ'লে পড়েছি মূল গ্রন্থ বাদ দিয়ে প্রফেট অনুগামী পন্ডিতদের প্রফেটের বলা কথার ব্যাখ্যা নতুবা অনুবাদ। যুগাবতারদের বলা গীতা, ত্রিপিটক, বাইবেল, কোরাণ, চৈতন্য চরিতামৃত, রামকৃষ্ণ কথামৃত সর্বশেষ অবতারী শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সত্যানুসরণ গ্রন্থ, তাঁর ২৪হাজার বাণী ও কথোপকথন সমৃদ্ধ বহু বিভিন্ন গ্রন্থ বিশেষ ক'রে 'ইসলাম প্রসঙ্গে' ইত্যাদি গ্রন্থ কেউই পড়িনি ও পড়িনা। আমরা মূল পড়ার চেষ্টা করি না, মূল জানার চেষ্টা করি না, কিন্তু ডালপালাতে ভীষণ উৎসাহী। বিতর্কিত এবং যে কথা সভ্য জগতের অতি সাধারণ জ্ঞান সম্পন্ন একজন মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয় না, যুক্তিহীন ব'লে মনে হয়, মনের মধ্যে ঘৃণা উদ্রেক করে সেই কথা প্রফেটদের কথা ব'লে চালিয়ে দিয়ে যখন মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় আর তা'কে গ্রহণ করে সেই সেই সম্প্রদায়ের মানুষ অন্ধভাবে তখন বোঝা যায় একজন মানুষ বায়োলজিক্যালি কতটা ডিফেক্ট হ'লে এটা সম্ভব হ'তে পারে। মানুষ জন্মায় তার বৈশিষ্ট্য নিয়ে। তাই যখন বিশ্বজুড়ে প্রফেটদের নাম দিয়ে মিথ্যাচার হয় আর তা প্রচার করা হয় তখন বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মানুষ পরিচালিত হয়। প্রজনন বিজ্ঞানে গলদ থাকলে শত কৃষ্টি-সংস্কৃতির ছোঁয়াও কিছু করতে পারে না মানুষের। আর, তাই প্রফেটদের বার বার আসতে হয় যুগ অনুযায়ী ও তাঁর কথা, বাণী যখন ভুল ব্যাখ্যায় বিকৃতিতে রঙ্গিন হ'য়ে ওঠে, ম্লান হ'য়ে যায় স্বার্থান্বেষীদের চক্রান্তে তখন তাঁকে আবার আসতে হয় দূষিত হাওয়া থেকে তাঁর সন্তানদের বাঁচাতে, তাঁর সৃষ্টিকে রক্ষা করতে। তাঁর এই পথে যে বা যারাই বাধাস্বরূপ হ'য়ে দাঁড়াবে তাঁরা কালের নিয়মেই বিধাতার বিধানেই দয়ালের ভয়াল রূপের কাছে ধ্বংস হ'য়ে যাবে, দক্ষের যজ্ঞের অবস্থা হবে।

তাই প্রতিটি সম্প্রদায়ের প্রতিটি অবতারীর প্রকৃত অনুগামীদের উচিত তাঁর নিজ নিজ প্রফেটদের বলা কথা, বাণীগুলি গভীরভাবে অধ্যায়ন করা, অনুধাবন করা, একটা পরস্পরের মধ্যে মেলবন্ধন খুঁজে বার করা ও তা প্রচার ক'রে সমস্ত সম্প্রদায়ের সহজ সরল ঈশ্বর বিশ্বাসী সুস্থ, সৎ ও অস্তিত্ববাদে বিশ্বাসী সমস্ত মানুষের মাঝে তুলে ধরা। যাতে বিশ্বজুড়ে চক্রান্তকারী ধর্মাত্মাদের দ্বারা ধর্ম ও প্রফেটদের বাণীগুলিকে ভুল ব্যাখা ক'রে নিজ নিজ ধর্মের মানুষদের বিভ্রান্ত করার বিরুদ্ধে ঘুম ভাঙ্গিয়ে বিভ্রান্তকারীদের সচকিত ও সতর্ক ক'রে তোলা যায় এবং বিশ্বজুড়ে সবাইকে স্ব স্ব ধর্মমতে অবস্থান ক'রেই কোনওরকম কনভার্সানের ফাঁদে পা না দিয়ে, conversion বা ধর্মান্তর প্রথাকে চূর্ণ ক'রে এক ও অদ্বিতীয় সৃষ্টিকর্তার নোতুন রূপের চরণতলে আনা যায়। যা ক'রে চলেছে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র প্রতিষ্ঠিত 'সৎসঙ্গ'।

আসুন, সমস্ত ধর্মমতের প্রকৃত অনুগামী ইষ্টপ্রাণ যারা তাঁরা এক ও অদ্বিতীয় সৃষ্টিকর্তা, পরমপিতা, পুরুষোত্তম, জীবন্ত ঈশ্বর, সদগুরু রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, যীশু, মোহাম্মদ, মহাপ্রভু, রামকৃষ্ণ ও শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র নাম্নী প্রফেটদের মুখনিঃসৃত বাণীসমূহের ধর্মগ্রন্থ পড়ি ও পড়াবার অভ্যাস করি। কথাপ্রসঙ্গে ব'লে রাখি। অবতারী শ্রীশ্রীরামচন্দ্রের কথা বা বাণী লিপিবদ্ধ আকারে পাওয়া না গেলেও শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের বলা তাঁর অর্থাৎ শ্রীশ্রীরামচন্দ্রের র্সমগ্র জীবনটাই বাণী।

আসুন, বর্তমান শেষ অবতারী শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ব'লে যাওয়া আহ্বান, নিজে বাঁচি ও অন্যকে বাঁচায় এবং মরবো না, মারবো না, পারলে মৃত্যুকে অবলুপ্ত করবো এই শপথ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে পুরুষোত্তমদের গ্রন্থরাজি পড়ার আহ্বান জানিয়ে ২০২৩ কে বিদায় জানায়। জয়গুরু।

All reactions:

স্বাগত ২০২৪

নোতুন বছর আসছে বন্ধু আজ বাদে কাল পরশু
প্রভুর কোলে দাও বসিয়ে তোমার কোলের শিশু।
ভুল ক'রো না বন্ধু তুমি বছর শুরুর দিনে
রাত বারোটায় জ্বালিও প্রদীপ তোমার শিশুর হাতে।
প্রার্থনা ক'রো প্রভুর কাছে তোমার শিশুর তরে
থাকে যেন দয়াল প্রভু শিশুর জীবন জুড়ে।
ঝড় ঝঞ্ঝা যতই আসুক ভয় পাবে না তা'তে;
যীশু রূপে তোমার শিশু জেনো আছে তোমার ঘরে।---প্রবি।
(লেখা ২৯শে ডিসেম্বর.২৪)


কবিতাঃ খুঁজে নাও প্রেমের খনি



"ঋত্বিক করার পর ঠাকুর দাদা (শ্রীশ্রী দাদা) আমায় একটা ঋত্বিক বই দিয়েছিলেন। সেই বইয়ে 'শোন ঋত্বিক ' বলে একটা বানীতে বলেছেন, যে দীক্ষিত হল তার সবরকম খোঁজ খবর নেওয়ার কথা। আপনারা যাদের দীক্ষা দিলেন তাদের সবরকম খবর রাখেন। অন্তত ১০০ জনের খবর রাখেন। সপ্তাহে একবার করে জিজ্ঞাসা করেন--কী রে কেমন আছিস?"
~পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীঅবিনদাদা।

খুঁজে নাও প্রেমের খনি।

ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কেটেছে বহুদিন
----- এবার ফিরিয়ে দে তোর সুদ সহ ঋণ।
দেওঘরের দেবঘর থেকে কি নিদেশ আসে ভেসে!
প্রতিধ্বনিত হ'য়ে ফেরে গ্রামেগঞ্জে, শহরেবন্দরে,
স্থলে, জলে, আকাশে বাতাসে।
উদোম হ'য়ে ছুটছো তুমি বৃত্তি স্বার্থের টানে
দয়াল প্রভু আছেন চেয়ে তোমার মুখপানে।
ফেরো তুমি, ফেরাও তোমার মুখ
দুঃখ জ্বালা ঘুচে যাবে আনন্দকে খুঁজে পাবে
কপট চাতুরী মাঝে পাবে না তুমি সুখ।
যজমান যেথায় থাকে দুঃখে, থাকে অবসাদে
সেথায় তুমি থাকবে না কিন্তু আনন্দ প্রসাদে।
যতই তুমি দয়ালের নামে মারো লম্ফ ঝম্প
দয়ালের মুখ রইবে গম্ভীর, হবে মলিন,
যদি না জাগে যজমানের জীবনে উন্নয়নের কম্প।
শোনো ঐ আহ্বান! ভালোবাসার মহাসিন্ধুর
ওপার থেকে ভেসে আসা আহ্বান ধ্বনি!
অবিনের বিন বাজে রাত্রদিন ছুটে এসো,
ছুটে এসো ত্বরা করি, খুঁজে নাও প্রেমের খনি। ---প্রবি।

(লেখা ৫ই জানুয়ারি, ২৪)


.