Powered By Blogger

Saturday, April 22, 2023

কবিতাঃ অবশেষে...............!


মাঝে মাঝে ভাবি, আমি কি সত্যিই বেঁচে আছি
নাকি জিন্দা একটা লাশ! পথ চলতে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ি
যেথায়, সেথায় কেন যে দেখি আশেপাশে কোথাও না কোথাও
দাঁড়িয়ে আছে যেন আমার অপেক্ষায় লম্বা একটা বাঁশ!!
তবে কি শেষের সেদিন সমাগত! যার মাচায় শুয়ে যেতে হবে
অন্তিমে তারই ইঙ্গিত আগেভাগে দিচ্ছে দেখা ক্রমাগত!?
এখনো যে অনেক কাজ বাকি!? যেতে বললেই যেতে হবে নাকি!?
আমিও হ'তে পারি ভীষ্ম! ভীষণ প্রতিজ্ঞা করছি আমি; করছি
আমি এগিয়ে চলার পথে ক্রমশঃ! পথে যেতে যেতে দেখা হ'লে পরে
বলবো তারে, বাঁশেরে; দেখা দিয়ে ওরে লাভ নেই মোরে, মিটবে না
তোর আশ! নির্লজ্জ্ব তিয়াস! 'ওরে, জীবন খুঁজে পাবি' ব'লে ডাকছে
আমায়, দ্যাখ চোখ মেলে তুই ডাকছে যে ঐ নব যুগের জিশাস!
বাঁশ বলে হেসে, খুক খুক করে কেশে; কিসের জোরে বলছো ভায়া
আর কিসের করো আশ? যদি নাই বা চাও যেতে কিংবা না পারি
তোরে নিতে মাথায় চড়িয়ে চৌরাস্তায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে
এটা রাখ তবে জেনে লেগে থাকবোই আমি তোর সামনে-পিছনে
যতই করিস না কেন লম্পঝম্প হাঁকডাক; করবি হাঁসফাঁস।
আমি মৃদু হেসে বলি, শোন তবে ওরে বাঁশ করালী!
অন্যেরে দিতে গিয়ে বাঁশ নিজেরে নিজেই অগ্নিজিহ্বায় জড়ালি!
আমাকে নাহয় যেতেই হবে আজ কিংবা কাল কিংবা যা ইচ্ছা
করেন আমার দয়াল কিন্তু কালফণী তোর মাথার 'পরে কি গ্যারান্টি
তুই দেখবি কাল সকাল? কারো না কারো সাথে নিশ্চিত তুই জড়াবি
আমাকে বাঁশ দেওয়ার আশ ছেড়ে তুই অগ্নি শিখায় প্রাণ হারাবি!
আর, দয়াল! ব'লে ডাক ছেড়ে আমি 'ডাকছে তোরে ত্বরা ক'রে
আয়না ওরে, হেথায় জীবন খুঁজে পাবি' ব'লে গলা ছেড়ে
গাইবো তাঁরই গান! দিনের শেষে বাঁশ অবশেষে
বাঁশি হ'য়ে জুড়াবে আমার ক্লান্ত শ্রান্ত পরাণ!!!!
(২২শে ২০১৯)

কবিতাঃ কি পেলে আর কি হারালে..........।

একদিন তো যেতেই হবে চ'লে দারাপুত্র পরিবার
সব কিছু পেছনে ফেলে তবে কেন করো বৃথা দ্বন্দ্ব-কোন্দল;
সংসারে-সমাজে দশে মিলি কেন বাধাও গন্ডগোল!?
যেতে তো হবে চ'লে সকালে-বিকালে, রাতে কিম্বা প্রাতে
যেকোনও সময়ে আজ নয়তো কাল; সামনে দাঁড়িয়ে মহাকাল!
তবে কেন মরো ভিখিরীর মত হ'য়ে হাভাতে!?
টাকাকড়ি, জমিদারের জমিদারী আর ক্ষমতা লাভের লোভে
কলুর বলদ হ'য়ে টানছো ঘানি আর পড়ছো ফেটে রাগে-ক্ষোভে।
কি পাবে কখনো কি ভেবে দেখেছো? দেখেছো ভেবে কোথায় এর শেষ?
ক্ষমতার রাজা হয়েও ভিখিরীর মত দুঃখ কষ্ট যত, জ্বালা যন্ত্রনা অশেষ!
কখনো কি দেখেছো ভেবে 'কাল' তোমার জন্য কি নিয়ে অপেক্ষা করছে?
যাবে চলে যেদিন যাবার বেলায় দেখবে বিরাট এক শূন্যতা তোমায় গিলছে!
কাল কে দেখেছে? মহাকালের রূপ মহাকাল যদি নিজে না দেখায়
তবে কে দেখাবে আর কেমনে বা তুমি দেখবে? তুমি কি অর্জুন!?
ভাবীকাল ভারী হ'য়ে আসে জড়ায় আষ্টেপৃষ্টে সমস্যার অক্টোপাশে
শেষের সেদিন হ'য়ে ভয়ঙ্কর সামনে এসে দাঁড়ায় ছড়ায়ে বিষ নিঃশ্বাসে-প্রশ্বাসে!
তা কি দেখতে পাও? শুনতে কি পাও তাদের মারণ ধ্বনি হাউমাউখাউ!?
তবে কেন করো বৃথা মিথ্যা সুখের অন্বেষণ, করো কেন সময় অপচয়?
তীরে ফেলে রেখে চ'লে যেতে হবে খালি হাতে, যেতে হবে ফেলে যা কিছু সঞ্চয়!
তাই বলি, একদিন তো যেতেই হবে চ'লে
অহংকার, ক্ষমতা আর যা কিছু সব পিছনে রেখে ফেলে
যাবার আগে নাহয় বা একবার পিছন ফিরে দেখে নিলে
মানুষ হ'য়ে এসে এ সংসারে কিইবা তুমি পেলে আর কিইবা হারালে!
(লেখা ২২শে এপ্রিল'২০১৯)






Tuesday, April 18, 2023

সত্যি সত্যিই দিন বদলেছে!

 
(১) যে বাটি ছাঁট কাটের জন্য নরসুন্দররা হ্যাটা খেত, 
খেতে পেত না; সেই ছাঁটের দাম এখন একশো টাকা!!

(২) ছোটোবেলায় স্নান ক'রে চুল না আচঁড়ালে 
শুকিয়ে গেলে বলতো রাস্তার ছেলে!
এখন সেটা স্টাইল ঘরের ছেলের!!

(৩) সজারু দেখতে এখন আর যেতে হয় না চিড়িয়াখানায়। 
সজারুরা ঘোরে এখন মাথায় মাথায়!

(৪) ছোটোবেলায় মোজা ছাড়া জুতো পড়লে বলতো, শালা খোটুয়া!
এখন সেটা নবীন প্রজন্মের নবীন সংস্কৃতির সাথুয়া!

(৫) ছোটবেলায় ছিল ভাই সাথী, বন্ধু ছিল বোন, মাথার ছাতা ছিল বাবা,
আশ্রয় ছিল মায়ের আঁচল! নবীন প্রজন্মের সাথী মোবাইল কেবল!!

(৬) ছোটবেলায় দেখেছি হয় উন্নতি নয় দুর্নীতি!
এখন হাতে হাত রেখে পাশাপাশি হাঁটে দুই ভাই উন্নতি-দুর্নীতি!


(৭) ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে ভাঁড় মে যায় দেশ, 
ভাঁড় মে যায় সংস্কৃতি-সমাজ! 
ক্ষমতা দখলের শেষে গণতন্ত্রের নামে সহযোগিতার আশ্বাস!


(৮) ধর্মের নামে, ঈশ্বরের নামে সিঁটকায় নাক! 
বাড়িতে ও তারাপীঠে মায়ের প্রসাদ 'মাল' খেয়ে দেয় হাঁকডাক!! 


(৯) সুশীল সমাজ সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলতে ছিল অভ্যস্ত; 
আজ কথার জাগলারিতে সমাজ-দেশ ব্যতিব্যস্ত!


(১০) অসুরের সুরে পরিবর্তন নতুন কিছু নয়, 
সাক্ষী ইতিহাসের পাতায় পাতায় 
কিন্তু সুরের পূজারী আজ গায়ে অসুরের নামাবলী জড়ায়! 

(১১) আগে ডান হাত দিলে বাঁ হাত জানতে পারতো না;
এখন দেওয়ার আগে ঢাক পিটিয়ে গান গায়,
ম্যায়নে কিয়া না!!


(১২) আগে অন্যে পেটাতো;
এখন নিজের ঢাক নিজে পেটাও!
কিছু করলেও পেটাও আর না করলে আরো জোরসে পেটাও!!


(১৩) ছোটবেলায় ইজ্জতের কাঙাল দেখেছি 
এখন ইজ্জৎ বিকিয়ে অন্যের ইজ্জৎ 
নষ্ট করার কাঙাল চরিত্র দেখছি।



(১৪) আগে সবাই সবার সঙ্গে যেচে কথা বলতো 
এখন সবাই অপেক্ষা করে অন্যে আগে বলুক 
ফলে সবাই থাকে একা-বোবা।


((১৫) আগে সরল মনে মানুষ আগেভাগে কথা বলতো 
এখন আগ বাড়িয়ে কথা বললেই ভাবে, 
নিশ্চয়ই কোনও ধান্দা আছে!

কবিতাঃ করোনা যম! ঘোর যম!!

করোনা গো করোনা! করো তুমি করুণা!
তোমার দয়ার নেই কোনও তুলনা!!
তোমার দয়ায় অভুক্ত আমাদের পেট
সাহায্যের দানে ভরিবে না জানি
তবুও এক আনি চার আনির মাঝে ভেট!
তুমি যখন ছিলে না তখন কি ছিল না
করোনা অন্যরূপে আমাদের মাঝে?
দুনিয়ার যত ভাইরাস করতে পারি আমরা নাশ
সেই ইমিউন পাওয়ার আমাদের আছে!
পেটে নেই ভাত আছে দুটো কঙ্কালসার হাত
বুক-পেট-পিঠ এক আকার হ'য়ে গেছে!
কিন্তু তোমারে বধিতে বিষ তীব্র দহন অহর্নিশ
আমাদের অদ্ভুত জীবেদের শরীরে আছে!
যা নেই উন্নত সভ্য বিশ্বত্রাস সৃষ্টিকারী শক্তিমান
আর যত সাহায্যকারী মহান আত্মাদের।
তুমি করেছো গ্রাস কাদের? যারা সভ্যতার
বাজায় ডঙ্কা, ওড়ায় টংকা তাদের, নয় আমাদের।
রোগে-শোকে মৃত্যু আমাদের জন্য নয় কিন্তু
গ্রহদোষ, বুদ্ধি বিপর্যয় সব বড় সভ্য লোকের তরে;
করোনা তোমার করুণায় ভরবে না পেট জানি
তবুও দুমুঠো অন্নের লোভে তোমার মুখপানে
চেয়ে রয় দুঃখকষ্ট, জ্বালাযন্ত্রণাকে সাথী ক'রে তারা
দারিদ্রতা, ঘোর দারিদ্রতা আর অনাহারে যারা মরে।
তাই তুমি আমাদের সাথী, আমাদের বন্ধু, পরমপ্রিয়জন
বাকি অবশিষ্ট সকলের তরে তুমি যম! ঘোর যম!!
(লেখা ১৮ই এপ্রিল'২০২০)

কবিতা/গানঃ গরীবের সাহারা।

গরীবের সাহারা
প্রভু তুমি ছাড়া
কেউ নেই আমার
আমি দিশাহারা।
গরীবের সাহারা!
মানুষে বিশ্বাস নেই
বিশ্বাসের নিঃশ্বাস নেই
প্রভু তুমি ছাড়া
আমি ঘরহারা।
আকাশে বাতাস নেই
বাতাসে প্রাণ নেই
(প্রভু) তুমি শুধু ছাড়া
আমি পথহারা।
বিশ্বাসের আঁধারে যৌবন হারায়,
যৌবন হারায়!
বিশ্বাসের আঁধারে যৌবন হারিয়ে
আমি নিঃস্ব হায়,
আজ আমি নিঃসহায়!
সরলতার প্রতিদানে
অকৃতজ্ঞতা আর বেইমানি
লভেছি যে হায়!
প্রভু! আমি বেকুব হায়!
প্রভু! তুমি কোথায়!!
গরীবের সাহারা!
প্রভু তুমি ছাড়া
গতি নেই আমার
আমি পথহারা।
গরীবের সাহারা!
আলো ধ'রে আমারে পার করো আঁধারে
আঁধারেতে তুমি ছাড়া আর কেহ নাই!
অসহায়ের সহায় আছো সাথে সদাই
বিশ্বাসের মত আর সিদ্ধি কিছু নাই!
গরীবের সাহারা প্রভু তুমি ছাড়া
কেউ নেই আমার আমি পথহারা।
গরীবের সাহারা!











কবিতাঃ কেন বন্ধু তুমি এমন!?

হে কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক!
তোমরা কার জন্যে কবিতা লেখো?
ছবি আঁক, ছবি তৈরি করো কার জন্যে?
গল্প, উপন্যাসে কাদের জীবন প্রতিচ্ছবি হ'য়ে
পড়ে ঝ'রে? সেই সৃষ্টি কাকে উৎসর্গ করো তোমরা?
কার জন্যে বুদ্ধিকে জীবিকা ক'রে পেট চালাও?
জীবিকার জন্য বুদ্ধি নাকি বুদ্ধির জন্য জীবিকা?
মানুষের জন্য তোমার সৃষ্টি নাকি সৃষ্টির জন্য মানুষকে,
মানুষের দুঃখকষ্টকে হাতিয়ার ক'রে ব্যবহার?
কার জন্যে তোমার জীবন, তোমার শক্তি,
তোমার প্রজ্ঞা, তোমার বিদ্যা বুদ্ধিকে করো পায়ে সমর্পণ?
হে অভিনেতা! হে অভিনেত্রী! তুমি অভিনয় করো কেন?
অভিনয় ক'রে মানুষকে আনন্দ দান করো,
আনন্দ পাও, সত্য চেনাও তাই তো?
বিনিময়ে অর্থ-মান-যশ সবই পাও
তবুও সব মানুষ ছেড়ে বিশেষ গন্ডির
নির্দিষ্ট কিছু মানুষের হ'য়ে যাও কেন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে?
নাকি মিথ্যার বেসাতি ক'রে মাঠে ময়দানে
অভিনয় জীবনকে হাতিয়ার ক'রে লোক ঠকাও?
কিসের আশায়? আর কি পাবে ব'লে? আর কি চাও?
কি পাওনি? সবই তো পেয়েছো এই স্বল্প পরিসরের জীবনে!
কি পাওয়া বাকী আছে আর তোমার?
হে ধার্মিক! তুমি কি করো?
মানুষের বাঁচা-বাড়ার কথা বলো?
প্রকৃত বাঁচা-বাড়ার কথা ব'লে পথ দেখাও?
নাকি মানুষকে ধর্মের নামে অধর্মের ফাঁদে
ফেলে সর্বস্বান্ত ক'রে তোলো শরীরে-মনে-আত্মায়?
সাধু সেজে অসাধু কাজের প্রোমটিং ক'রে বেড়াও?
হে গায়ক! হে গায়িকা! বিশেষ সময়ে বিশেষ দলে
তোমরা শুধু বসন্তের কোকিল হ'য়ে না গেয়ে, না নেচে
চির বসন্তের দেশে যাও না কেন চ'লে?
গাও না কেন হেসেহেসে নেচেনেচে চির বসন্তের
কোকিল হ'য়ে মিলেমিশে দলেদলে
সবাইকে নিয়ে গলে!?
কিসের লোভে? কিসের ভোগে? কি পাবে ব'লে
যে মানুষের ভালোবাসায় স্বর্গবাসী হ'লে
সেই মানুষেরে তুমি নরকে দিলে ফেলে!?
কেন!? কেন!?!? কেন!?!?!?
কেন বন্ধু তুমি এমন!?
(১৮ই এপ্রেইল'২০২১)

Tuesday, April 11, 2023

চিঠিঃ Abm Ashanullah

Abm Ashanullah দাদা, (১১ই এপ্রিল,২০১৬)

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এক টানে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন ৪৫বছর আগের যন্ত্রণাবিদ্ধ অথচ আনন্দঘন দিনগুলিতে আর এঁকে দিলেন নির্মল স্মৃতিবিজড়িত মুক্তির লড়াইয়ের ছবিটা। চোখের সামনে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি নিজের যৌবনটা!!!!!!!!!! কত আশা নিয়ে, কত স্বপ্ন নিয়ে এই বাংলায় কত লড়াইয়ের ময়দানে সেই যৌবন থেকে হাঁপর টেনে চললাম, দেখলাম সব সব মিথ্যে, বুজরুকী। আজ এই বেলা শেষে যখন পশ্চিমে সুর্য ঢলতে চলেছে ঠিক সেই মুহুর্তে মনে হ'ল এই শ্লোগানগুলি যেন পিপাসায় ক্লান্ত, বিধ্বস্ত প্রাণে এক ফোটা ঠান্ডা জল, এক ঝলক স্নিগ্ধ দখিনা বাতাস। এই স্লোগানগুলি এই বাংলায়ও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আউড়াতে আউড়াতে মনে হয় কে যেন কানের মধ্যে ঢেলে দিছে তপ্ত সীসা। এরই মাঝে আপনার স্মৃতি রোমন্থন আমার প্রাণে এনে দিল বেঁচে থাকার আশ্বাস। সেদিনের সেই উত্তাল দিনগুলিতে বাংলার মাঠে ঘাটে আকাশে বাতাসে আছড়ে পড়া শ্লোগানগুলি দেখে মনে হ'ল বহুদিন পর বুক ভরে যেন টেনে নিলাম পরিশুদ্ধ অক্সিজেন আর গেয়ে উঠলো বুকের ভেতর থেকে অচিন পাখি------
আঃ! আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।
আমি বাঙালি, তুমি বাঙালি, দুজনে কত কাছাকাছি।
তুমি কে? আমি কে? বাঙালি বাঙালি!
বাংলা আমার প্রাণ, বাংলা আমার গান,
হে বন্ধু! বাংলা গানে পরাণ আমার জাগালি।
এখানে নেই হিন্দু, নেই মুসলমান, নেই বৌদ্ধ, খ্রিস্টান
আছে শুধু বাঙালি তুমি আমি এক মন এক প্রাণ।
জাগো জাগো বাঙালি জাগো, জাগো অখন্ড বাংলা
তোমার বন্ধু আমারও বন্ধু, এ-কথা বন্ধু রেখো মনে
বঙ্গবন্ধু নয়তো সে কারও একেলা।
আপনাকে আরও একবার আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ শেয়ার করে দিলাম আপনার পোষ্টটা আমার Timeline-এ।


Abm Ashanullah (১০ই এপ্রিল, ২০১৬)
আমরা কি জানি?
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় (১৯৬৮-১৯৭১) রাজপথ মুখরিত আমাদের (নিউক্লিয়াস অনুমোদিত) জ্বালাময়ী স্লোগানগুলো কি কি ছিল, যা ঘুমন্ত বাঙালিকে স্বাধীনতার পথে জাগিয়ে তোলে প্রবলভাবে?
সুত্রঃ আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি থেকে।
নোটঃ আমার সমসাময়িক কালের ভাই-বন্ধুদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, আমার ভুল হলে সংশোধন করবেন এবং বাদ পড়লে যোগ করবেন।
স্লোগানগুলো ছিল-
১। জেলের তালা ভাঙ্গবো - শেখ মুজিবকে আনবো
২। ভোটের বাক্সে লাথি মারো - বাংলাদেশ স্বাধীন করো
৩। লড়াই লড়াই লড়াই চাই-লড়াই করে বাঁচতে চাই
৪। জয় বাংলা
৫। জাগো জাগো - বাঙালী জাগো
৬। তুমি কে আমি কে - বাঙালি বাঙালি
৭। তোমার আমার ঠিকানা- পদ্মা মেঘনা যমুনা
৮। তোমার দেশ আমার দেশ- বাংলাদেশ বাংলাদেশ
৯। জিন্না মিঞার পাকিস্তান- আজিমপুরের গোরস্থান
১০। জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও- পাকিস্তানের পতাকা
১১। ঘরে ঘরে উড়িয়ে দাও- স্বাধীন বাংলার পতাকা
১২। ভুট্টোর মুখে লাথি মারো - বাংলাদেশ স্বাধীন কর
১৩। বাঁশের লাঠি তৈরী কর - বাংলাদেশ স্বাধীন করো
১৪। বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো - বাংলাদেশ স্বাধীন করো
১৫। বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো-সোনার বাংলা মুক্ত করো
১৬। কৃষক-শ্রমিক অস্ত্র ধরো- বাংলাদেশ স্বাধীন করো
১৭। মা-বোনেরা অস্ত্র ধরো- বাংলাদেশ স্বাধীন করো
১৮। পাঞ্জাব না বাংলা - বাংলা-বাংলা
১৯। পিন্ডি না ঢাকা- ঢাকা ঢাকা
২০। তোমার নেতা আমার নেতা – শেখ মুজিব শেখ মুজিব
২১। এক নেতা এক দেশ- বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ
২২। বঙ্গবন্ধুর পথ ধরো - বাংলাদেশ স্বাধীন করো













 eactions