Powered By Blogger

Wednesday, February 25, 2015

ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে!!!!!!


প্রয়োজনের সময় যা অপরিহার্য প্রয়োজন মিটে যাওয়ার পর মুহুর্তে কেউ অপরিহার্য নয় এই বিকৃত, অবাস্তব, অবৈজ্ঞানিক দর্শন গ্রহণ করার ফল কি হয়েছিল তাকেউ অপরিহার্য নয়চার পর্বে তুলে ধরা হয়েছিল। কাহিনী গুলিতে বিশ্লেষণ করা হয়েছিল কেউ পরিহার্য নয়। সবাই সবার জায়গায় অপরিহার্য! রামায়নে রামের সেতু বন্ধনের সময় যে মহা কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছিল সেই সময় কাঠবিড়ালির ভূমিকা স্মরণীয়। কাঠবিড়ালি এসে প্রভু রামকে বলেছিল, আমায় সেতু বন্ধনের কর্মযজ্ঞে যোগদানের সুযোগ দাও। আমিও তোমার এই বিশাল কর্ম্মযজ্ঞে যুক্ত হতে চাই। প্রভু রাম এই কথা শুনে খুব খুশি হয়ে মিষ্টি হেসে তাকে কোলে তুলে নিয়ে বলেছিল তুমি এই ছোট্ট প্রাণী, তুমি কি সাহায্য করবে? তখন ছোট্ট কাঠবিড়ালি বলেছিল, আমি আমার এই ছোট্ট মুখে মাটি এনে এনে তোমার সেতু বন্ধনে সাহায্য করব। প্রভু রাম তার কথায় খুশি হয়ে তাকে এই বিশাল কর্ম্মযজ্ঞে সম্মানের সঙ্গে যথাযোগ্য সমান মর্যাদায় সামিল করে নিয়েছিল। কেউ যে জীবন যজ্ঞে, উন্নয়নের কর্ম্মযজ্ঞে পরিহার্য নয় সবাই যে অপরিহার্য তাঁর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন মর্যাদা পুরুষ রামচন্দ্র। পরমপুরুষ রামচন্দ্র তাঁর সুযোগ্য, বলিষ্ঠ, দক্ষ নেতৃত্বে সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায়, যোগদানে সেতু বন্ধনের মত কঠিন অসম্ভব কাজকে সম্ভব করে তুলেছিলেন।

তাই
আমরা যেন ভুলে না যায় সঠিক পথ দেখাবার জন্য দলে একজন অধিনায়কের প্রয়োজন হয় এটা যেমন চন্দ্র সুর্য্যের মত সত্য ঠিক তেমনি বাকী দশ জনের ঐকান্তিক সম্মিলিত জীবন মরণ এক করে যোগদান গৃহীত কোনো প্রচেষ্ঠাকে বাস্তবায়িত করে তোলে সেটাও চন্দ্র সূর্য্যের আলোর মত সত্য। তাই কেউ যখন আওয়াজ তোলেকেউ অপরিহার্য নয়তখন বুঝতে হবে হয় সে জীবন যুদ্ধে সেনাপতির বা সৈনিকের ভুমিকায় অপরিপক্ষ, অনভিজ্ঞ, অজ্ঞ, অদূরদর্শী, অযোগ্য অদক্ষ আর না-হয় সে নিজ স্বার্থসিদ্ধির জন্য দলের মধ্যে শকুনির ভূমিকা পালন করছে সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখে। আবার এটাও সত্যি কেউ কেউ সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কোনটা ভুল পদক্ষেপ আর কোনটা ঠিক সব বুঝেও নীরব থাকে, নির্লজ্জ তোল্লা দিতে থাকে শুধুমাত্র নিজের অবস্থান বজায় রাখার জন্য, কায়েমী স্বার্থকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য। আর একদল আছে খাদের কিনারায় এগিয়ে যাচ্ছে দল, এগিয়ে যাচ্ছে সংগঠন, এমনকি সর্বোচ্চ নেতৃত্ব এটা বোঝা সত্ত্বেও চুপ করে থাকে কিম্বা সবকথায় হ্যাঁ হ্যাঁ করতে থাকে শুধুমাত্র শোচনীয় পরিণতি দেখবার অপেক্ষায়। বর্তমানে তৃণমূল সমর্থক, নেতাদের প্রায় বলতে শুনি দলে একটাই পোষ্ট, বাকি সব ল্যাম্পপোষ্ট। এই বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ যেভাবে যে ইঙ্গিতে দলীয় নেতৃবৃন্দ, কর্ম্মী, সমর্থক অনুগামীরা ব্যক্ত করে তাতে অনেকগুলি দিক যেমন ব্যঙ্গ্যার্থ, তোয়াজ, অতিভক্তি বা অন্ধভক্তি ইত্যাদি দিক ভেসে ওঠে। সে যাই হোক না কেন এটা মনে রাখতে হবে, বুঝতে হবে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী মানুষটিকে উদ্দেশ্য রেএকটাই পোষ্ট বাকী সব ল্যাম্পপোষ্টএই কথা যারা বলেন তারা উপরে বর্ণিত কোন গোত্রের মধ্যে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে এটাও বুঝতে হবে তাঁর কোন দোষে সত্য কথা বলা থেকে বিরত থাকতে চায় তাঁর সহযোদ্ধারা। আর বুঝতে হবে সত্য কথা শোনার মত তাঁর অর্থাৎ সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারীর সৎ মজবুত মানসিকতা আছে কিনা।

আর
এই চার বছরে বহুলব্যবহৃত বহুল প্রচারিতএকটাই পোষ্ট বাকী সব ল্যাম্পপোষ্টএই কথাটিকে যদি পজিটিভ দিক থেকে বিশ্লেষণ করা যায় তাহলে দেখা যাবে একটা পোষ্ট ঘিরে যে ল্যাম্পপোষ্টগুলি আছে সেই পোষ্টগুলিতে ল্যাম্প আছে বলেই তাদের ল্যাম্পপোষ্ট বলা হচ্ছে। আর সেই ল্যাম্পগুলি পোষ্টের চারপাশে জ্বলছে বলেই পোষ্ট অর্থাৎ সিংহাসন আলোয় আলোকিত হয়ে আছে। প্রথমে দেখতে হবে সেই ল্যাম্পগুলি জ্বলছে কিনা। যদি টিমটিম করে জ্বলে কিম্বা একেবারেই না জ্বলে, শুধুমাত্র শোভাবর্ধন করে তাহলে সেগুলির ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত 'পোষ্ট'কেই নিতে হবে। দ্রুত নিতে হবে। আরও বড় ক্ষতি, আরও বেশী অন্ধকার হওয়ার আগেই সঠিক নিখুঁত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অতি দ্রুত নিতে হবে। আর যদি ল্যাম্পগুলি জ্বলে, চতুর্দিকে আলো ছড়িয়ে অন্ধকার দূর করে নিজের জোরালো উপস্থিতিকে জানান দেয় প্রতিমুহূর্তে তাহলে তাদের সম্পর্কে আজ 'পোষ্ট'কে অতিমাত্রায় সচেতন যত্নশীল হতে হবে কারণ যে মুহূর্তে ল্যাম্পগুলি ফিউজ হয়ে যাবে অমনি গোটা সাম্রাজ্যকে নিয়ে ঘোর অন্ধকারে ডুবে যাবে স্বয়ং পোষ্ট বা সিংহাসন একথা সবাইকেই মনে রাখতে হবে। এতে সকলেরই ক্ষতি, সকলেরই লোকসান। অনেকে মনে করতে পারে কিম্বা কান ভারী করবার জন্য মনে করাতে পারে যে একটা দুটো ল্যাম্প নিভে গেলে কিছু হবে না তাহলে তাদেরও বলে দিতে চাই একটা কথা, আজ যা অর্থাৎনিভে যাওয়াএকটা দুটো দিয়ে শুরু কাল তা অতি দ্রুত অবধারিত নিশ্চিত সংখ্যাবৃদ্ধিতে ঘোর অন্ধকার ডেকে আনবে

তাই
দলের মধ্যে যারা ঢাক ঢোল পিটিয়ে প্রচার করে বেড়াচ্ছেকেউ অপরিহার্য নয়কিম্বাএকটাই পোষ্ট বাকি সব ল্যাম্পপোষ্টতাদের মাথায় রাখতে হবেপোষ্টে মৃত্যুকে বাজী রেখে লড়াই, সংগ্রাম-এর দিনগুলি, মনে রাখতে হবে তাঁর ইজ্জৎ, মান-সম্মান আর এর সঙ্গে আরও একটা বহুল প্রচারিত প্রবাদঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে’!!!!!!!!!!!!

Tuesday, February 24, 2015

'কেউ অপরিহার্য নয়' (৪- প্রণব মুখার্জী )।

'কেউ অপরিহার্য নয়' এই বিকৃত, অবাস্তব, অবৈজ্ঞানিক দর্শন গ্রহণ করার ফল কি হয়েছিল তাঁর শেষ কিস্তি তুলে ধরা 'ল।

এই
একটা শেষ উদাহরণ দিলেইকেউ অপরিহার্য নয়এই বিষয়টার অভ্যন্তরে কতটা ভয়ংকর বিষ লুকিয়ে রয়েছে সেটা সহজেই ভেসে উঠবে। আর এই ভয়ংকর বিষাক্ত বিষ গোটা পৃথিবী জুড়ে তামাম বিশ্বের তাবৎ অনেক অনেক লেখাপড়াজানাওয়ালা মানুষের অতি উব্বর মস্তিষ্ককে নীল করে দিয়ে এক নীলাভ স্বপ্নসাগরে নিমজ্জিত করে রেখেছে। আর সেখান থেকে মাঝে মাঝে ভেসে উঠে এই সমস্ত প্রচুর লেখাপড়াজানাওয়ালা মানুষেরা আমাদের মত সাধারণ মানুষের মস্তিষ্কে উগরে দিচ্ছে আসমুদ্রহিমাচলব্যাপী যে জ্ঞান সেই জ্ঞানে নীল হয়ে যাচ্ছে আমাদের শরীর, মন আত্মা। আর আমরাও সেই নীলজ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে আউড়ে যাচ্ছি দিবারাত্রি সেই একই কথা সত্যজিৎ রায়েরহীরক রাজার দেশ’-এর মগজ ধোলাই যন্ত্রের product-এর মত।

যাই
হোক আমাদের দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম আমরা সবাই জানি। তিনি হলেন ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী। তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবন প্রায় ছয়দশক জুড়ে। এই এতগুলি বছরে তিনি বিভিন্ন সময়ে প্রতিরক্ষা, অর্থ, বিদেশ, রাজস্ব, জাহাজ-চলাচল, পরিবহন, যোগাযোগ এবং শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রকের মতো একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্যে দিয়ে তাঁর বিরল কৃতিত্বের প্রমাণ রেখেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর একজন বিশ্বস্ত সহকর্মীতে পরিণত হন। দলের দেশের সংকট মুহূর্তে তাঁর ভূমিকা আজ কিংবদন্তীতে পরিণত। তাঁর সমগ্র কর্মজীবনে তিনি নানা উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন মানুষের মুখে মুখে। কখনো তিনি দলের বা দেশের প্রয়োজনে এমনকি আন্তর্জাতিক ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সময়ে আধুনিক চাণক্য, কখনো বা সংকটত্রাতা বা Crisis Manager, আবার কখনো বা তথ্য সমৃদ্ধ অসাধারণ অদ্ভুত অনুপম অদ্বিতীয় স্মৃতিমান রাজনীতিবিদ হিসাবে দেশে বিদেশে পরিচিতি লাভ করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে ইন্দিরা গান্ধীর অভিষেকের পর থেকেই আপন যোগ্যতায় তিনি দেশের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ইন্দিরা গান্ধীর পর থেকেই কংগ্রেস দলের শাসনকালের সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি ছিলেন প্রধান পরামর্শদাতা। এমনকি দেশের সংকটমুহূর্তে অন্য দলের শাসনাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছেও তিনি Crisis Manager-এর ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই রকম একজন মানুষের ক্ষেত্রেও জুটেছিল সেই একই অভিশাপ। কি ঘটেছিল সেই সময়?

১৯৮৪
সালের ৩১শে অক্টোবর তাঁর নিজের দেহরক্ষীর হাতে ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর ইন্দিরা গান্ধীর প্রিয় বিশ্বস্ত নির্ভরশীল সহকর্মী বহু বিশেষনে বিশেষিত প্রণব মুখার্জীর উত্থানের পারা দ্রুতগতিতে নেবে আসতে শুরু করে। চরম দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার হন প্রাজ্ঞ চতুর দূরদর্শী প্রখর বাস্তববোধসম্পন্ন প্রণব মুখার্জী। ১৯৮৪সালে অপারেশন ব্লু স্টারের প্রতিক্রিয়ায় আততায়ীর হাতে ইন্দিরা গান্ধী নিহত হলে জাতীয় কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ রাজীবকেই দেশের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করে। ১৯৮৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেস সংসদের ৫৪২টি আসনের ৪১১টিতে জয়লাভ করে। এই জয় ছিল ভারতীয় সংসদে কংগ্রেসের সর্বকালের রেকর্ড। এই সময় রাজনীতিতে সম্পুর্ণ নতুন অনভিজ্ঞ রাজীব গান্ধী প্রণব মুখার্জীকে নিজের ক্যাবিনেটে স্থান দেননি। কিছুকালের জন্য তাঁকে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। (১৯৮৯ সালে কংগ্রেসকে পরাজিত করে নতুন জোটে সরকার গঠিত হয়, প্রধানমন্ত্রী হন বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং। পরবর্তী সময়ে ভিপিসিং পদত্যাগ করলে কংগ্রেসের সমর্থনে চন্দ্রশেখর নাইডু প্রধানমন্ত্রী হন।) আবার ১৯৯২ সালে দশম লোকসভা নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে অল্পদিনের মধ্যে অভিজ্ঞ হয়ে ওঠার কারণে রাজীব গান্ধী দল দেশ চালানোর ক্ষেত্রে দলের মধ্যে প্রণব মুখার্জীর মত প্রাজ্ঞ নেতার অভাব অনুভব করেন দল, দেশ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্কে সমন্বয় রক্ষার জন্য তাঁর উপস্থিতির অপরিসীম গুরুত্ব উপলব্ধি করেন এবং পুনরায় প্রণব মুখার্জীকে দলে ফিরিয়ে নেন এবং নির্বাচনের গুরুত্বপুর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেন। ১৯৯২ সালের ২১ মে জনসভায় রাজীব গান্ধী এলটিটি জঙ্গী সংগঠনের আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান। পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী পি. ভি. নরসিমা রাও প্রণব মুখার্জীকে পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান নিযুক্ত করলে তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবনের পুনরুজ্জীবন ঘটে। রাওয়ের মন্ত্রিসভায় পরে তিনি ক্যাবিনেট মন্ত্রীরূপেও যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৯৫-৯৬ সালে তিনি রাওয়ের মন্ত্রিসভায় বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কারে ভূষিত হন

২০০৪
সালে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট কেন্দ্রে সরকার গঠন করে। এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী পদের দাবীদার হিসাবে দলের মধ্যে প্রণব মুখার্জ্জীই ছিলেন একমাত্র বরিষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসাবে অভিজ্ঞ, দক্ষ, যোগ্য, প্রাজ্ঞ, চতুর, দূরদর্শী কিন্তু তাঁকে বঞ্চিত করে মনমোহন সিংহ-কে প্রধানমন্ত্রী করা হয় আর প্রণব মুখোপাধ্যায় লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতার দায়িত্ব পান।

এই
১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর থেকে ১৯৯২ সালের দশম লোকসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত এক দুঃসময় প্রণব মুখার্জীকে ঘিরে ধরেছিল। দল থেকে বহিষ্কৃত দেশের এক সময়ের দ্বিতীয় ব্যক্তি ইন্দিরা গাব্ধীর প্রিয় ভরসারস্থল, সংকটত্রাতা বা Crisis Manager, আধুনিক চাণক্য, স্মৃতিমান রাজনীতিবিদ প্রণব মুখার্জী সম্পর্কে তখন দলের মধ্যে ঘুরপাক খেয়েছিল একটাই কথাকেউ অপরিহার্য নয়’, ‘কেউ অপরিহার্য নয়’ 'কেউ অপরিহার্য নয়'!!!!!!!!!!!!!!!!

আর
আজ কংগ্রেস দলের একসময়ের সেই পরিহার্য বঞ্চিত ব্যক্তি বহু রাজনৈতিক দুর্গম পথ পার হয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি। আজ কি তিনি অপরিহার্য দলের কাছে তথা দেশের কাছে? রাষ্ট্রপতি মেয়াদ শেষে তিনি কি অপরিহার্য থেকে যাবেন কংগ্রেস দল তথা দেশের কাছে? তাঁর অবর্তমানে আমরা সবাই শোনার অপেক্ষায় রইলাম সেই আশ্চর্য্য উক্তিঃ “......... এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল দেশের তথা দশের। দেশ............... এক অপরিহার্য ব্যক্তি ব্যক্তিত্বকে”!!!!!!!!