Powered By Blogger

Friday, February 3, 2023

প্রবন্ধঃ পরমপিতা রসুল ও আমরা!

প্রায় সময় দেখি কোরআনের দোহাই দিয়ে মানুষকে রসুল সম্পর্কে ভুল বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয় এবং সেই বার্তা অত্যন্ত উগ্রতার সঙ্গে পরিবেশন হয়। রসুল কি শুধু মুসলমানের জন্য এই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হ'য়েছিলেন? প্রভু মোহাম্মদ কি শুধু শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা ব'লে গেছিলেন যা কোরানে লিপিবদ্ধ হ'য়ে আছে সেই শান্তি কি শুধু ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য? রসুল তো স্বয়ং ঈশ্বর! মানুষের পৃথিবীতে মানুষ মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া জীবন্ত ঈশ্বর! তিনি কি শুধু মুসলমানদের ঈশ্বর!? তিনি কি শুধু মুসলমানদের আল্লা!? রসুল কিন্তু আনসিন গড বা অমূর্ত ভগবান নয়। হজরত মোহাম্মদ রসুল মানুষ রূপে বিশ্বব্রহ্মান্ডের সৃষ্টিকর্তা! সেই মানুষ ভগবান জীবন্ত ঈশ্বর-আল্লা বা গড রসুলের মানবজাতির জন্য উৎসর্গীকৃত মুখনিঃসৃত বাণী, কোরআনে লিপিবদ্ধ জীবনকথা যদি ভুল ও বিকৃতভাবে পরিবেষণ করা হয় আর সেই কর্মকাণ্ড যদি বাধাহীনভাবে নিশ্চিন্তে চলতে থাকে তাহ'লে মানুষের তথা সৃষ্টির শেষের সেদিন সমাগত। যাকে আমরা বলি ঘোর কলির চরম সর্বনাশা শেষ ক্ষণ! যার ছোট্ট ইঙ্গিত আমরা পেলাম একটা ছোট্ট পোকা ভয়ংকর করোনার আবির্ভাবে! তাই সাধু সাবধান!
আর, কোরআনের ভুল অপব্যাখ্যা ক'রে আসলে রসুলকেই অপমান করা হয় আর এই অপমানের ব্যাপারটা শিক্ষিত মুসলমানরা ভালোমতই জানেন তবুও তাদের মধ্যে এর বিরুদ্ধে কোনও বলিষ্ঠ প্রতিবাদের প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে কিন্তু বিশ্বজুড়ে আজ মুসলমান সমাজ রসুলের বিকৃতি, রসুলের অপমান, রসুলের ইজ্জৎ মুখ বুঝে সহ্য করে এটাই দুঃখের। তাই রসুলের অপব্যাখ্যা যখনই যেখানে হয় সেখানে তখনই এর প্রতিবাদে মুসলমান সমাজের শিক্ষিত, সচেতন, ধার্মিক, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ এবং সমস্ত সম্প্রদায়ের ধর্মপ্রাণ মানুষের সংগঠিত বিরোধ এবং প্রয়োজন ব্যতিরেকে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করা উচিত। কারণ রসুল এবং রসুল মুখনিঃসৃত কোরআন শুধু মুসুলমান সম্প্রদায়ের জন্য নয় এই সহজ কথাটা সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষকে বুঝতে হবে আর যেদিন এই শিক্ষায় শিক্ষিত হবে সব সম্প্রদায়ের মানুষ সেদিন প্রকৃত হবে প্রেরিতদের পূজা ও ধর্ম পালন আর সমস্ত সম্প্রদায়ের মধ্যে হবে প্রেমের বন্ধন; প্রতিষ্ঠিত হবে ধর্মরাষ্ট্র।
( ৪ই ফেব্রুয়ারী'২০২১)

Thursday, February 2, 2023

কবিতা: তবুও-----

আদর্শহীন জীবন আর শ্রদ্ধা-ভক্তিহীন প্রাণ
বলে, রুখে দিয়ে অকাল মরণ
এনে দেবে সমস্যা কন্টকিত জীবনে ত্রাণ!?
এও কি সম্ভব!?
সমাজ কো বদল ডালো হুঙ্কারে
ঝাড়তে গেছো সমাজের যত ঝুল
আর গেছো মানুষের শুধরাতে ভুল
কিন্তু মুখ ফিরিয়ে দেখোনি চেয়ে
নিজের ঘরের আনাচে কানাচে
জমে আছে যত নোংরা ধুলোবালিতে ভরা ঝুল
আর ভরে গেছে নিজের জীবনে জটিলতা পূর্ণ ভুল আর ভুল!
এ কেমন হুঙ্কার!?
রে রে রে রবে ডাকাতের মত সবে
গেছো ছুটে চুক্তির পতাকা হাতে
দিনেরাতে মুক্তি এনে দেবে বলে!
আসেনি কো মুক্তি, দিন শেষে ফুর্তির
ডঙ্কা বাজিয়ে গেছো রসাতলে।
ভাবখানা এমনি যায় যাক রজনী
মরিবো তো মরিবো ছলে-বলে-কৌশলে!
তবুও উড়াবো পতাকা ছলনার বলাকা হ'য়ে
যাবো উড়ে দিক থেকে দিগন্তে
স্থলে-জলে-নভোতলে!!!!!
(লেখা ৩রা ফেব্রুয়ারী' ২০২১)

Wednesday, February 1, 2023

কবিতাঃ ভয় কি?

ইষ্টও আছে আবার শয়তানও আছে; 
একই মাথায় দুটোই আছে! 
তাও কি আবার হয়? 
ভাঁওতা দিয়ে ভক্তির গাঁইতি মারো!
করছো নিজেই নিজের ক্ষয়!!

ইষ্টপ্রেমের অছিলায় অনিষ্টের সাথে
করেছো প্রেম, বেসেছো ভালো
তাই তো অন্যের ভালো কাজের মধ্যে
দেখতে পাও তুমি কালো।

ইষ্টরথের দড়ি ধ'রে মারছো 
তুমি বন্ধু হ্যাঁচকা টান!
সাবধান! বন্ধু সাবধান!!
নচেৎ হবেই হবে খানখান!!!

সামাল! বন্ধু সামাল!
ইষ্টনিষ্ঠার তুফান ছুটিয়ে 
ইষ্টকাজে দিচ্ছ বাধা, 
করছো তুমি কামাল। 
শেষের দিনে থাকবে না কেউ 
ধরবে না কেউ হাল!

ঠাকুর আমার ধ্যান, 
জেনো ঠাকুর আমার জ্ঞান, 
আমার ঠাকুর আছেন মাথে! 
আচার্যদেব যার সহায়, 
আছে বাবাইদাদার সায়!
ভয় কি আর তার থাকে?


মাথার ওপর আছে্ন দয়াল 
আমার আচার্যদেব সাথে; 
বাবাইদাদা রেখেছেন তাঁর হাত 
অধমের এই হাতে! 
ভয় কি বন্ধু আর দুর্যোগের এই রাতে!!
(লেখা ১লা ফেব্রুয়ারী'২০১৮)




প্রবন্ধঃ আমির খানের সিনেমাঃ PK

আমির খান, সলমন খান, শাহরুখ খান, নাসিরউদ্দিন খান, আরবাজ খান ইত্যাদি ভারতের বিখ্যাত খান ও আরও অন্যান্য বিখ্যাত সেলিব্রিটিরাই ভারতের সিনেমা, সংগীত ইত্যাদি প্রেমীদের হার্টথ্রব! তাঁরা যা বলেন, যা করেন তা কখনোই ভুল নয়, অন্তত ভারতের বিবিধের মাঝে মিলন মহান মাটিতে ভুল নয়; অন্য কোনও মাটিতে ভুল হ'তে পারে! ভারত এত অসহিষ্ণু দেশ যে সেই মাটিতে যা ইচ্ছা তাই করা যায়, যা ইচ্ছা তাই বলা যায়, যা ইচ্ছা তাই লেখা যায়!! এখানে এই অসহিষ্ণু দেশে কোনও ধর্মের কোনও বিধিনিষেধ নেই! সব ধর্মের সব স্বাধীনতা আছে এই মহান অসহিষ্ণু দেশে! নিন্দুকেরা সব ধর্মের সবরকম অসীম স্বাধীনতা নিয়ে অহেতুক সমালোচনা ও নিন্দা করে, মিথ্যে প্রচার ও কুৎসা করে এবং উচ্শৃঙ্খলতা ও বিশৃঙ্খলতার তকমা লাগিয়ে দেয় ধর্মীয় কর্মকান্ডে! এইসমস্ত স্বাধীন দেশ ও ধর্মপ্রেমীদের যা ইচ্ছা তাই লেখা, করা ও বলার যে সাংবিধানিক অধিকার সেই অধিকার ও সংবিধানের স্বাধীনতাকে হরণ ক'রে নিয়ে এই সীমাহীন সহিষ্ণু দেশকে পঙ্গু ক'রে অসহিষ্ণু ক'রে দিতে চায় এই সমস্ত দেশবিরোধী দেশপ্রেমী নিন্দুকদের দল!

তাই তসলিমা নাসরিনের কথা এইখানে এই সহিষ্ণু দেশে বুদ্ধিজীবীদের কাছে হ'য়ে যাবে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি! এই উস্কানি মেনে নেওয়া যায় না। তসলিমা নাসরিনকে মনে রাখতে হবে সে হিন্দু নয়, সে মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষ তাই তাকে বুঝে কথা বলতে হবে, ভেবে কথা বলতে হবে, যা ইচ্ছা তাই আবেগ নির্ভর অতি সত্য কথা বলা চলবে না, চলবে না হিন্দু ধর্মের দেবদেবীদের প্রতি অযাচিত প্রদম, ভক্তি, ভালোবাসা! কেন বাবা! তুমি মুসলিম তুমি তোমার আল্লা নিয়ে থাকো না কেন!? কেন তুমি মুসলিম ও মুসলিম ধর্মের পক্ষে কথা না ব'লে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের পক্ষে এবং হিন্দু দেবদেবীদের নিয়ে ঠাট্টা মস্করা করার বিরুদ্ধে প্রাণপাত করো, প্রতিবাদ করো!? কেন হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের এবং হিন্দু দেবদেবীদের মান-সম্মান-ইজ্জৎ রক্ষা করার জন্য কোনও রাখোয়ালা নেই!? নেই কোনও বলিষ্ঠ প্রতিবাদী!?
ক্রমশঃ
May be an image of 1 person

প্রবন্ধঃ প্রশ্ন ও উত্তর

আমার ফ্রেন্ড লিস্টের মধ্যে যত ছেলে আছে তাঁদের সকলের উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্নঃ
বলুন তো আমাদের মেয়েদেরকে কে কোন কথা বললে আমরা বেশি খুশি হৈ!----নবনী।

নবনীর প্রশ্নটা ছোট্ট হ'লেও গভীর! তাই প্রশ্নটা, সঙ্গে নবনীকে পাঠানো উত্তরটা নবনীর প্রশ্নের গভীরতার জন্য নবনীর উদ্দেশ্যে উপহার হিসাবে আমার Timeline-এ Post করলাম!!!!!!!!!!!
তুমিতো খুব চালাক! এই বয়সে এত বুদ্ধি মাথায়! তোমার নাম তো নবনী মানে ননী অর্থাৎ আদুরে দুলাল! তুমি মাখনের মত নরম তাই তুমি নবনী! কিন্তু তুমি জানো তো ননী দিয়ে যে পুতুল তৈরি হয় সে পুতুল একটু উষ্ণতায় গলে যায়! এমনই কোমল তুমি! দেখতে তুমি সুন্দর এটা ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছিল, আর সুন্দরীরা নাকি বোকা হয় এমন একটা কথা চালু আছে। তা' তুমি সেই চালু কথাকে ভেঙ্গে দিলে, মিথ্যা প্রমান করে দিলে। তোমার বয়সী, তোমার থেকে বড় অনেক বড় সব বন্ধুদের তুমি এক তীরে দু'পাখি মারার মত সব পাখিকে মেরে দিলে এমন একটা প্রশ্ন করে যে প্রশ্নের উত্তর সেই পৃথিবী বিখ্যাত জাদুকর পি,সি,সরকারের "WATER OF INDIA" ম্যাজিকের মত! নিশ্চয় পি,সি,সরকারের নাম শুনেছো? এই ম্যাজিকটা হচ্ছে একটা জল ভর্তি ঘটি মঞ্চের ওপর একটা কোণে টেবিলে রাখা থাকে। পি,সি,সরকার ম্যাজিক দেখানো শুরু করা থেকে শেষ পর্যন্ত মাঝে মাঝেই সেই জল ভর্তি ঘটি দর্শকের সামনে উপুর করে সব জল ঢেলে ফেলে দেয়। তারপর আবার সেই খালি ঘটিটা টেবিলের ওপর রেখে দেয়। এ-রকম ভাবে যখনই মাঝে মাঝে ঘটি ওল্টায় ঘটি থেকে অবিরাম জল পড়তে থাকে। জল শেষ হ'য়ে যায় আবার জল পড়ে। জল শেষ হয়েও শেষ হয় না। ছোট্ট ঘটি কিন্তু কি অদ্ভুত শো চলাকালীন এবং শো শেষ হওয়া পর্যন্ত টানা কয়েক ঘন্টা জল পড়তেই থাকে! পড়তেই থাকে! অর্থাৎ আদি ও অনন্তকাল, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত "Water of India" আপন গতিতে বয়ে চলেছে!!!!!!
ঠিক তেমনি তুমি যে প্রশ্ন করেছো তোমার পুরুষ বন্ধুদের, তোমার বন্ধুরা যে যতই তোমাদের মেয়েদের খুশি করার জন্য পৃথিবীর সমস্ত বই, পুস্তক,গ্রন্থ ঘেঁটে ভালো ভালো কথার মণি মুক্ত তুলে আনুক না কেন তবুও সেই "Water of India"-র অন্তহীন জলের মত তোমাদের খুশি করার অমুল্য মণি মুক্তও অন্তহীন! অন্তহীন সেই খুশি করার পথচলা, বয়ে চলা!!!!!!!!
কারণ তোমরা সৃষ্টিকর্তার "মুক্তা যেমন সুক্তির বুকে" ঠিক তেমনি তোমরা পুরুষের চোখে সেই অমুল্য সৃষ্টির মত!!!!!!!! এই প্রসঙ্গে একটা গানের কয়েক কলি মনে পড়ে গেল! তোমায় সেটা উপহার দিলাম। তোমার ননীর মত নরম আঁখি আর বুদ্ধি দিয়ে আমাকে বাধ্য করলে এই লেখা লিখতে!
বর্ণে গন্ধে ছন্দে গীতিতে
হৃদয়ে দিয়েছো দোলা
রঙ্গেতে রাঙ্গিয়া রাঙ্গাইলে মোরে
এ-কি তব 'নবনী' খেলা!
তুমি যে ফাগুন, রঙ্গেরও আগুন
তুমি যে রসের ধারা!
তোমার মাধবী তোমার মদিরা
করে মোরে দিশাহারা!
মুক্তা যেমন সুক্তির বুকে
তেমনি আমাতে তুমি
আমার পরানে প্রেমের বিন্দু
তুমি শুধু তুমি!!!!!
তুমি শুধু তুমি!!!!!
এটা ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে সমর্পিত বিখ্যাত গান! সব লাইন, কথা একই আছে শুধু 'হরি'-র জায়গায় 'নবনী' লেখা। তোমাকে বা তোমাদের এই লেখাটা উপহার দিলাম। কারণ তোমরাই যে সেই সব দেবতার সম্মিলিত শক্তির মুর্ত রুপ মহামায়া! সর্ব্ব শক্তিমান ঈশ্বরের মুর্ত রুপ!
(১লা ফেব্রুয়ারী'২০১৪)

কবিতাঃ পদচিহ্ন

আজকাল মাঝে মাঝে মনে হয়, কে যেন ডাকছে!
মন তা জানতে চায় না, চায় না সে ডাক শুনতে।
তবুও কেন জানি মনে হয় দ্রুত ছুটে আসে সে সময়
মনে জাগে বড় ভয় পারি না তা কেন জানি গুনতে!
যদি সত্যি আসে সে সময় মেনে নিতেই হবে তা
এছাড়া নেই পথ ভিন্ন! খেদ আর আফসোস,
শেষে রেখে যেতে পারলাম না কোনও পদচিহ্ন!!

কবিতাঃ জীবন ও মৃত্যু!

নিজের জন্য বাঁচাকে মৃত্যু বলে,
আর অন্যের জন্য বাঁচাকে জীবন বলে।
কোনটা তুমি চাও বন্ধু? জ্যান্ত মরা হ'য়ে বেঁচে থাকা
নাকি মরার পরেও মানুষের মাঝে বেঁচে থাকা!? কোনটা?
তোমার চারপাশে তুমি দেখছো যাদের তা' মরা মানুষের মিছিল!
প্রাণময় দেহ তো নয়, যেন শবদেহ! বরফ ঠান্ডা মুষ্টিবদ্ধ হাত শিথিল!
মিছিলের ছবিটা যেন অদ্ভুত উল্টো! যেদিকে তাকাই দেখি
মাথা মাটিতে রেখে হেঁটে চলে শরীর উপরে সারি সারি পা দুটো!
তারই মাঝে তুমিও কি একজন নও!? নই কি আমিও!?
কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী, গায়ক-নায়ক, নেতা-অভিনেতা সাথে
নয় কি দিনে-রাতে হাটে-মাঠে-ঘাটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোমিও!!!
ঐ উল্টো অদ্ভুত মিছিলে মুষ্টিবদ্ধ হাত উর্ধে তুলে
যেমন হাঁটা উচিত তেমন হাঁটবে নাকি বন্ধু? যেমন হেঁটেছিল
তোমার পূর্বপুরুষ আর্য ঋষি ঝড়কে ক'রে নিয়ে সাথী!
যদি থাকো রাজি রাখো বাজি ভীমবেগে হবে তুমি পার
বাধার যত পাহাড় আর খেতে হবে সারি সারি পায়ের লাথি।
(লেখা ১লা ফেব্রুয়ারী' ২০১৯)