Powered By Blogger

Tuesday, February 18, 2014

রাজনীতি সত্যিই কি বিষ?




রাজনীতি সত্যিই কি বিষ!!!!!!!! ছেলে রাহুলকে লেখা মা সোনিয়ার চিঠি প্রমাণ করে আমরা সবাই রবীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্য! তাঁর গান "আমি জেনেশুনে বিষ করেছি পান" আজ আমাদের চলার প্রেরণা, চলার সাথী! তাই সাথীদের উদ্দেশ্যে বলবার জন্যই এই লেখা সাথী হাত বাড়ানা............ 

মানুষের মুখের ভাষা বলে দেয় রাজনীতি মানবজাতিকে কোথায় টেনে নাবিয়েছে! এই ভাষাতে আর যে কেঊ আসুক 'মানুষ' নিজের টানে আসে না আজকের বাংলা আর বাঙালী জীবনানন্দের "আবার আসিব ফিরে, ধানসিড়িটির তীরে, এই বাংলায়", সেই সোনালী রোদে ভরা আলো ঝলমলে বাংলা আর নির্মল ভালোবাসাময় বাঙ্গালী নয় কোথায় যে হারিয়ে গেল বাঙ্গালীর সেই আপন করে নেওয়া হৃদয়-মন! কোথায় গেল হারিয়ে সেই নম্র-সভ্য-ভদ্র-শালীনতায় ভরা ভাষা আর ব্যবহার! এই ভাষা প্রয়োগ, এই ভাষা ব্যবহার, এই ভাষার প্রশ্রয়, এই ভাষার প্রচার প্রমাণ করে দেয় একটা মানুষের অন্তর কতটা শূন্যতায় ভরা, কতটা যন্ত্রণায় আচ্ছন্ন, কতটা অন্ধকারে ঢাকা! এই অন্ধকারে মানুষের ছায়াও মানুষকে ত্যাগ করে চলে যায় এটা যেন ভুলে না যায় আর এই শূন্যতা, এই যন্ত্রণা, এই অন্ধকার অন্তঃসারশূন্য ফাঁপা ভাষার জন্ম দেয় আর এই ভাষা দিয়ে তৈরী লাল টুকটুকে গোল নিটোল মসৃণ কিন্তু কাটলে কাকের 'গু'-এর মত বীভৎস সাদা-কালোয় মেশানো 'মাকাল ফল'- মত কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ আমাদের বাংলা সাহিত্যকে পুষ্ট করে চলেছে অবিরাম গতিতে কোথায় চলেছি আমরা? বই মেলায় লোকের ভিড় দেখে কবি, সাহিত্যিক আর উদ্যেক্তারা তৃপ্ত! তৃপ্ত আর্থিক দৃষ্টিভঙ্গিতে সফলতার ছোয়ায়! কিন্তু তার প্রতিফলন? প্রতিনিয়ত তার প্রতিফলন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে! কি দেখতে পায়? সাধারণ মানুষের কথা না হয় বাদ দিলাম লেখাপড়াজানা শিক্ষিত(?) মানুষেরা প্রতিনিয়ত মাঠে-ময়দানে, স্কুলে-কলেজে, কলে-কারখানায়, পথে-ঘাটে, অফিসে-কাছাড়িতে, রেডিও-টিভিতে, স্থলে-জলে-অন্তরিক্ষে যেভাবে যে ভাষা প্রয়োগ করছে তা'তে শঙ্কিত 'তে হয় এই ভেবে যে বই মেলার সার্থকতা বজায় আছে তো? মানুষ আজকে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ইত্যাদি পড়ে তো? শঙ্কিত হতে হয় যে এই ভাষার দাপটে জীবনানন্দরা এই বাংলায় ফিরে আসবে কিভাবে? ফিরে আসার, নেবে আসার সেই মাটি, সেই বীজ কোথায়? আজ যে মাটি দূষিত! বীজ যে নষ্ট, পোকায় কাটা! আর এটা তো বিজ্ঞান যে দূষিত মাটিতে, নষ্ট বীজে দূষিত, নষ্ট চারাগাছ জন্মাবেই! বাংলার কৃষ্টি, বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার মাটি, বাংলার বীজ নষ্ট ' কিভাবে? প্রতিমুহুর্তে নারীদের ওপর পথেঘাটে যে নারকীয় অত্যাচার হয়ে চলেছে তার জন্য শুধু অত্যাচারী দায়ী? আমরা কি পরোক্ষে দায়ী নই? কোন নারীর প্রতি অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ বা সম্ভাষণ এবং তাকে প্রচারের মাধ্যমে সমর্থন বা প্রশ্রয় কি ধর্ষণকারীর সমান মানসিকতার পরিচয় দেয় না? কোনো পুরুষের প্রতি তুই-তোকারি সম্বোধন বা ছবির মাধ্যমে অসম্মান প্রদর্শন কি প্রমাণ করে না সেই তথাকথিত শিক্ষিত লোকের দ্বারা প্রচারিত ব্যঙ্গচিত্র পথ দেখিয়ে নিয়ে চলেছে পরবর্তী প্রজন্মকে? আজকের নতুন রক্ত কার থেকে শিখল সেই Tradition বয়ে নিয়ে যাওয়ার মহামন্ত্র? এই বাংলায় কে বা কারা আমদানি করল এই সংস্কৃতি? শতাব্দী বুড়ি কি জোয়ান সেই কথা তুলে তাকে অপমান করার অর্থ আকাশের দিকে মুখ তুলে থুথু ছেটালে নিজের গায়েই পড়ে, এটা ভুলে গেলে যে চলবে না! শতাব্দী নিজেই নিজের সম্বন্ধে অন্যদের থেকে বেশী ভালো জানে; জানে আজকের শতাব্দী আর কয়েক বছর আগের শতাব্দীর ভাবমূর্তি! তার ওপরই ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে মূল্যায়নের ব্যাপারটা জনসভার সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক টানা মানে বিশাল জনসভার উপস্থিতিকে অপমান করা আর 'মুকুল দেখে যা' বলে মনের কোণে উৎকট তৃপ্তি পাওয়া যেতে পারে কিন্তু বাংলা যে আর কোনদিনই গোটা ভারতের আগে ভাবতে পারবে না এটা বাংলার আকাশে স্থির নিশ্চিত হয়ে গেছে অনেকদিন আগেই! ভুলে যেন না যায় আজ আমি যে কৃষ্টিকে, যে সংস্কৃতিকে, যে ভাষাকে আমার চলার পথে সাথী করেছি, করছি সেই পথকেই মজবুত সেই বাঁধানো পথেই, দেখানো পথেই, সাজানো পথেই একদিন পা রাখবে আমার আত্মজ, আমার পরবর্তী প্রজন্ম! সেদিন যেন নীরব ব্যথা অশ্রু হয়ে নেবে না আসে চোখের কোলে!!!!!!!!!!!

হায় প্রেম!!!

হায় প্রেম!!!

হায় প্রেম! কি ভেবে হায় হ’য়ে.........
ভোরের নরম রোদ্দুর নোঙ্গর ফেলে দাঁড়ায়
তীব্রতা ছড়িয়ে মাঝগাঙ্গে সারা গায় ভরদুপুর!
দিন শেষে মন্দাকিনী তীরে দাঁড়ায় এসে
বিষন্নতাকে করে সাথী মদিরা প্রেমরোদ্দুর!

ভবঘুরে প্রেম সাথে সুবাস হীন ফুল!
ফুল তো নয় উন্মত্ত সুঠাম যৌবন!
প্রেম তো নয় উদ্দাম দখিনা বাতাস!
নিরুদ্বেগ বিচরণ চৌহদ্দি ডিঙ্গিয়ে
উৎকণ্ঠাকে ক'রে পদদলিত
অবলীলায় অবহেলায়!
ভাঙ্গাগড়াকে ক’রে খেলার সাথী!!

কল্পনার রঙ্গিন জাল জল্পনার অবসানে
মত্ত হয়ে ওঠে! কোনো কোণের ঝড়
পারে না সে মত্তঘুম ভাঙ্গাতে; পারে না
চন্দ্রালোকের জমাট প্রেম শীতলতায়!

প্রেম আসে যায়, নোঙ্গর ফেলে
জীবন পারাবারে বারবার!
ভেসে যায় সে প্রেম, বৃথা পারাপার,
বৃথা নোঙ্গর হায়!

প্রেমময় বিনা সে প্রেম

কভু কি জীবন পায়? 

Friday, February 7, 2014

THE PIONEER OF BENGAL




Mahasweta Devi is an eminent Indian Bengali writer, who has been studying and writing incessantly about the life and struggles faced by the tribal communities in the states like Bihar, West Bengal, Madhya Pradesh and Chhattisgarh. Her realization about the life and struggle of poor men inspire and invigorate us to think positive. She is our guide, hope, strength and dependence to see, to think, to know, to realize, to speak and to act positive for the betterment of humanity. She is mother of millions have & have not’s like her novel’s mother of “HAZAR CHURASHIR MA” Her today’s statement at the meeting arranged by Trinomool Congress at brigade parade ground about our chief minister, the heart of the people Miss Mamata Banerjee strike us amazingly. She addressed Miss Mamata Banerjee with very praiseworthy words and extolled & honored with a pioneer space. She has opened up and explored a new area.  She has declared in front of millions spectators that Mamata Banerjee is one & only suitable candidate for being our next prime minister! Our beloved Mahasweta Debi is a pioneer of Bengal who has helped to open up a new line of searching an indomitable, honest, strong, soft, unblemished, innocent, outspoken, patriot, pure in soul leader as well as our next prime minister.But the fact of astonishment that our beloved Maheshweta Debi shifts 180degree from her views sometimes! We have followed her twisted views many times. We do not expect such a misbalanced outlook from a foresighted person like her. Mamata Banerjee has been showing her gratitude unto our respected and beloved Maheshweta Debi in spite of being insulted many times even by having the label of 'FACIST'. Mamata banerjee had accepted all criticism of her with a smiling face.Never had she reacted against her saying! Because our Chief Minister has been addressed by several 'TITLES' by her political opponent from beginning of her political career. At last it is my desire that we are waiting for that golden brightrning morning when in spite of literate, educated people would be germinated and revealed gradually.    

নবনীর প্রশ্ন!!!!

নবনী তুমিতো খুব চালাক! তুমি যে প্রশ্ন করেছো "আমার ফ্রেন্ড লিস্টের মধ্যে যত ছেলে আছে তাঁদের সকলের উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্নঃ বলুন তো আমাদের মেয়েদেরকে কোন কথা বললে আমরা বেশী খুশী হ'ই?" 
এই প্রশ্নের কতটা গভীরতা আছে তা' বোধহয় তুমি নিজেই জানো না। হাল্কা ছলে একটা প্রশ্ন করলেও প্রশ্নের ভিতরে লুকিয়ে আছে অতি মূল্যবান মণিমুক্তো! তোমাকে সেই মণিমুক্তো তুলে এনে দিতে মন চাইলো বলে এই লেখাটা লিখতে বসলাম। কারণ তোমারও জানা দরকার তোমার অজান্তে তোমার প্রশ্নটা ছিল ভীষণ ভারী! 
যাই হোক, এই বয়সে এত বুদ্ধি মাথায়! তোমার নাম তো নবনী মানে ননী অর্থাৎ আদুরে দুলাল! তুমি মাখনের মত নরম তাই তুমি নবনী! কিন্তু তুমি জানো তো ননী দিয়ে যে পুতুল তৈরি হয় সে পুতুল একটু উষ্ণতায় গলে যায়! এমনই কোমল তুমি! দেখতে তুমি সুন্দর এটা ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছিল, আর সুন্দরীরা নাকি বোকা হয় এমন একটা কথা চালু আছে। তা' তুমি সেই চালু কথাকে ভেঙ্গে দিলে, মিথ্যা প্রমান করে দিলে। তোমার বয়সী, তোমার থেকে বড় অনেক বড় সব বন্ধুদের তুমি এক তীরে দু'পাখি মারার মত সব পাখিকে মেরে দিলে এমন একটা প্রশ্ন করে যে প্রশ্নের উত্তর সেই পৃথিবী বিখ্যাত জাদুকর পি,সি,সরকারের "WATER OF INDIA" ম্যাজিকের মত! নিশ্চয় পি,সি,সরকারের নাম শুনেছো? এই ম্যাজিকটা হচ্ছে একটা জল ভর্তি ঘটি মঞ্চের ওপর একটা কোণে টেবিলে রাখা থাকে। পি,সি,সরকার ম্যাজিক দেখানো শুরু করা থেকে শেষ পর্যন্ত মাঝে মাঝেই সেই জল ভর্তি ঘটি দর্শকের সামনে উপুর করে সব জল ঢেলে ফেলে দেয়। তারপর আবার সেই খালি ঘটিটা টেবিলের ওপর রেখে দেয়। এ-রকম ভাবে যখনই মাঝে মাঝে ঘটি ওল্টায় ঘটি থেকে অবিরাম জল পড়তে থাকে। জল শেষ হ'য়ে যায় আবার জল পড়ে। জল শেষ হয়েও শেষ হয় না। ছোট্ট ঘটি কিন্তু কি অদ্ভুত শো চলাকালীন এবং শো শেষ হওয়া পর্যন্ত টানা কয়েক ঘন্টা জল পড়তেই থাকে! পড়তেই থাকে! অর্থাৎ আদি ও অনন্তকাল, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত "Water of India" আপন গতিতে বয়ে চলেছে!!!!!!

ঠিক তেমনি তুমি যে প্রশ্ন করেছো তোমার পুরুষ বন্ধুদের, তোমার বন্ধুরা যে যতই তোমাদের মেয়েদের খুশি করার জন্য পৃথিবীর সমস্ত বই, পুস্তক,গ্রন্থ ঘেঁটে ভালো ভালো কথার মণি মুক্ত তুলে আনুক না কেন তবুও সেই "Water of India"-র অন্তহীন জলের মত তোমাদের খুশি করার অমুল্য মণি মুক্তও অন্তহীন! অন্তহীন সেই খুশি করার পথচলা, বয়ে চলা!!!!!!!!

কারণ তোমরা সৃষ্টিকর্তার "মুক্তা যেমন সুক্তির বুকে" ঠিক তেমনি তোমরা পুরুষের চোখে সেই অমুল্য সৃষ্টির মত!!!!!!!! এই প্রসঙ্গে একটা গানের কয়েক কলি মনে পড়ে গেল! তোমায় সেটা উপহার দিলাম। তোমার ননীর মত নরম আঁখি আর বুদ্ধি দিয়ে আমাকে বাধ্য করলে এই লেখা লিখতে!

 বর্ণে গন্ধে ছন্দে গীতিতে
হৃদয়ে দিয়েছো দোলা
রঙ্গেতে রাঙ্গিয়া রাঙ্গাইলে মোরে
এ-কি তব 'নবনী' খেলা!
তুমি যে ফাগুন, রঙ্গেরও আগুন
তুমি যে রসের ধারা!
তোমার মাধবী তোমার মদিরা
করে মোরে দিশাহারা!
মুক্তা যেমন সুক্তির বুকে
তেমনি আমাতে তুমি
আমার পরানে প্রেমের বিন্দু
তুমি শুধু তুমি!!!!!
তুমি শুধু তুমি!!!!!

এটা ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে সমর্পিত বিখ্যাত গান! সব লাইন, কথা একই আছে শুধু 'হরি'-র জায়গায় 'নবনী' লেখা। তোমাকে বা তোমাদের এই লেখাটা উপহার দিলাম। কারণ তোমরাই যে সেই সব দেবতার সম্মিলিত শক্তির মুর্ত রুপ মহামায়া! সর্ব্ব শক্তিমান ঈশ্বরের মুর্ত রুপ!


Thursday, February 6, 2014

আলু কেচ্ছা!!




কদিন আগে আলু নিয়ে তুলকালাম হ’য়ে গেল। দুর্গা পুজোর সময় থেকে শুরু ক’রে ভাইফোঁটা ছাড়িয়ে আরও কিছুদিন পর্যন্ত বাজার থেকে হঠাৎ আলু পি সি সরকারের ম্যাজিকের মত ভ্যানিশ হ’য়ে গেল! যদিও দেশজুড়ে ম্যাজিশিয়ানদের ম্যাজিক দেখতে দেখতে মানুষ শরীরে-মনে আজ ক্লান্ত-বিধস্ত। ম্যাজিকে আর নতুনত্ব নেই। গা সওয়া হয়ে গেছে শক্তিমান সাধারণ মানুষদের। আবার কখনওবা এই সাধারণ মানুষেরাই অদ্ভুত ভাবে এই গা সয়ে যাওয়া ম্যাজিকের গিলি গিলি হোকাস ফোকাসে অভিভূত!! কখন যে এই শক্তিমান সাধারণ মানুষেরা কি রিয়াক্ট করবে তাই এঁরা নিজেরাই জানে না। যাইহোক, হিমঘরে প্রচুর আলু। আলুর কোন আকাল নেই, তবুও গরীবের অন্যতম প্রধান নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মধ্যে আলু বাজার থেকে উধাও! আলু দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও আমার রাজ্যে আলুর আকাল এবং অন্যতম আমজনতার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য হওয়া সত্ত্বেও আলু সরকারের Essential Commodities Act-এর আওতায় পড়ে না। আলু ভীষণ চালু! তাই সাধারণের প্রধান নিত্যপ্রয়োজনিয় পণ্যদ্রব্য হওয়া সত্ত্বেও সে ধরা দিয়েও ধরা দেয় না।ঠিক এ’রকম অবস্থায় এক লজ্জাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম একদিন। বেড়িয়েছিলাম ‘বাপ’-এর সেমিনার সম্পর্কিত প্রোগ্রাম তৈরির সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য। ‘বাপ’ মানে  বিশ্ব আর্য় পরিষদ’। ইংরেজিতে ‘WAP” মানে World Aryan Parishad’। পথে দাঁড়িয়েছিলাম একসময়ের কুখ্যাত হ্যাবলা আজকের বিখ্যাত ক্যাবলার চায়ের দোকানে একটু দম নিতে। চায়ের দোকানের পাশে রাস্তার ধারে দেখলাম একটা ছোটোখটো জটলা।বাচ্চারা ভিড় ক’রে আছে। সেখানে এলাকার দশাসই চেহারার মজাদার লালু ভালুকের খেলা দেখাচ্ছে। এলাকায় সবাই ওকে ওর ওই দশাসই চেহারা আর পাগলাটে স্বভাবের জন্য পাগলা দাশু ব’লে ডাকে। একটু খ্যাপাটে সরল স্বভাবের লালুকে তার মজার ব্যবহারের জন্য সবাই ভালবাসে। বাচ্চারা ওর খুব প্রিয়। এক জায়গায় অনেক বাচ্চা দেখলেই ডেকে ডেকে খেলা দেখায় সে। পয়সার কথা ভেবে ও খেলা দেখায় না। এতেই ওর আনন্দ! অ-নে-ক অ-নে-কদূর পর্যন্ত লোক লালুকে চেনে। হ্যাবলা আমায় দেখে হন্তদন্ত হ’য়ে দোকান থেকে বেরিয়ে এসে চোখ কপালে তুলে  বলল, ‘আরে, দাদা যে!!!বাচ্চারা ওর খুব প্রিয়। এক জায়গায় অনেক বাচ্চা দেখলেই ডেকে ডেকে খেলা দেখায় সে। পয়সার কথা ভেবে ও খেলা দেখায় না। এতেই ওর আনন্দ! অ-নে-ক অ-নে-কদূর পর্যন্ত লোক লালুকে চেনে। হ্যাবলা আমায় দেখে হন্তদন্ত হ’য়ে দোকান থেকে বেরিয়ে এসে চোখ কপালে তুলে  বলল, ‘আরে, দাদা যে!!! আসুন, আসুন! ক-ত-দি-ন পর আপনাকে দেখলাম! ভগবানের দেখা পায় রোজ রোজ কিন্তু আপনার.........’ ব’লেই মুচকি হেসে চোখ মেরে আমাকে হাত ধ’রে টান মারলো। আমি কিছু বলার আগেই সে অদ্ভুত মুখভঙ্গি ক’রে সুর ক’রে টেনে টেনে বলল, ‘হুঁ-উ-উ, আজ বাড়ির জন্য স্পেশাল একটা মাহাঙ্গা আইটেম বানিয়েছি। আজ আর ভগবান টগবান নয়, আপনাকে খাওয়াব এই সময়ের হাইটেক আইটেম’! বলেই হ্যা হ্যা ক’রে সরল এক হাসি হাসতে হাসতে কি একটা ইঙ্গিত ক’রে হাত ধ’রে টেনে বসালো সামনে পেতে রাখা বেঞ্চিতে। কিসের ইঙ্গিত বুঝতে চেষ্টা করলাম। দোকানের ভেতরে তাকালাম। দেখলাম টেবিলের এককোণে ব’সে একমনে কাগজ পড়ছে এক সময়ের ট্রেড ইঊনিয়ন লিডার ভগবান প্রসাদ দাম। হ্যাবলার কথাগুলি কানে গেছে কিনা জানি না। তবে দেখে মনে হ’ল যেন খবরের সমুদ্রে ডুব মেরেছে। সত্যি-মিথ্যে কিনা জানি না আর যাচাই করারও কোন ইচ্ছে নেই। শুধু মুখটা তোলেনি, এই যা’ বাঁচোয়া! এইসব ইয়ার্কি বা খ্যাপানো-ট্যাপানোর মধ্যে আমার জড়ানোর একদম ইচ্ছে নেই। একসময়ে কারখানায় পোষ্টার পড়ত, ‘পৃথিবীতে দুটি নাম, ভিয়েতনাম আর ভগবান দাম’!!! এরপর হ্যাবলা সামনে যেটা হাজির করল তা’ হ’ল দু’প্লেট গরম গরম মশালা মাখানো মাখা মাখা আলুর দম। একটা ডিমের মত বড় বড় গোটা গোটা কালচে লা-ল টকটকে মশালার কাই ভর্তি আলুর দম, আর একটা ছোটো ছোটো গোটা গোটা মশালা মাখানো আলুর উপরে ছড়ানো ধনেপাতা কুচি, সঙ্গে ছেটানো ঝুড়িভাজা আর কালচে ঘন তেঁতুল জল। দেখেই জিভে জল এসে গেল। কিন্তু লজ্জাও করছিল। ‘এটা স্পেশাল আইটেম! শুধু বাড়ির জন্য। বাড়িতে একটা অনুষ্ঠান আছে আজ সন্ধ্যেবেলা। এটা আম জনতার জন্য নয়’। মুখ কাঁচুমাচু ক’রে অপরাধীর মত হাত জোড় ক’রে কথাগুলি এক নিশ্বাসে ব’লে থামল হ্যাবলা। কথাটা শুনে একটু লজ্জা লজ্জা করছিল সবার সামনে খেতে। লজ্জা করলে কি হবে, সামনে দম আলুর রুপ আর রঙ দেখে ভেতরে আর তর সইছিল না। যাইহোক সঙ্গে ছিল যারা তারাও হ’ল সাথী। এমন সময় যে মজার ঘটনা ঘটল তা’ মনে ক’রে এবার তা’ ছড়া আকারে প্রকাশ করলাম!!!!!!!!!

খাচ্ছিলাম আমি দম আলু,
ডুগডুগির তালে নেচে নেচে
দেখছিল আমায় ভালু।
আলুর রুপ আর 'ম' 'ম' গন্ধ!
নাচের তালে হারায় সে ছন্দ।
তাই না দেখে চোখ রাঙ্গিয়ে
চমকালো আমায় লালু!
জ্যাকসনি কায়দায়
ঘুরে বলল আমায়,
কি খাচ্ছো? আলু?
দেখি, দেখি তোমার তালু।
হাতের দিকে তাকিয়ে এক পলক,
আকাশ পানে তাকালো একঝলক!
তারপর বলল চেঁচিয়ে লালু,
'আবে-এ-এ, শালা হাবলু-উ-উ
জানিস সোনার চেয়ে দামী আলু'?
আর বাবুর হাত?
যেন গরম ভাত!
শা-আ-ল-লা পাক্কা লা-ল-লু!
কি যে করি, ভেবে না পাই
কোনখানে যে মুই লুকায়!?
সামনে দেখে হোর্ডিং
'ভাগ, মিলখা ভাগ' হেডিং
মন বলে, 'ওরে-এ-এ পা-আ-লু,
শালা পালু!!
মাগগি গন্ডার বাজারে
ফোকটে খেতে গিয়ে আলু
ল্যাজেগোবরে হয়ে আমি 
হ'লাম আলুথালু!!!




Tuesday, February 4, 2014

The individual must. So that the nation may live.



Photo-r CAPTION monta tene nilo photo-ta share korar jonno. CAPTION-ta Moner moddhye jonmo dilo onek proshner. Tai share korar lobh samlate parlam na.

PRATYAY Valo laglo Shyam Benegal-er moto "BOSE THE GREATEST FORGOTTEN HERO" lekhoni. Jak ajker generation-er young-r Shyam Benegaler moto pandittyo nei dekhe aro bhalo laglo. Onek Onek ashirbad O dhonnobad janai "NETAJI THE GREATEST FORGOTTEN PATRIOT" lekhar jonno!!!!! Ei caption-er modhye diye onek kichhu na bola katha bola hoye gachhe. Sotti-i 'NETAJI R PATRIOT'-er pashe onno kono shabdho onoojjol O bemanan lage shudhu noi mone hoi kothai jeno ektu khamti roye galo. Kothai jeno mone hoi otoboro himalaya somo vari manush, bola valo debotar khettre bektitto prokashe "BOSE BA HERO" shabddho proyog boro sosta O halka ba tuchchho-tachhchhillo somo mone hoi. Jodio ami kokhonoi bolte chaina oi monovab thekei ei shobddho proyog. Jemon tumi kon monovab theke "NETAJI R PATRIOT" likhechho jani na. Shudhu porar por moner moddhye je vab elo tai likhchi mattro. Aavumi pronam R dariye pronam-er majhe jototuku gap thik tototuku gap ba fak roye galo shroddha somman prodorshoner khettre. 'NETAJI BA PATRIOT' bolte na parar khettre hoito ekta sukkho ohomika ba patla ego kaj kore thake lekhapora jana manusher khettre. R tomar lekhar moddhye jeta kaj korechhe setar reflection holo sorolata ba simplicity. O.K. Lot of THANKS for this simple mentality. Keep it up.


The individual must. So that the nation may live