সীতা নাকি জনক কন্যা নন, রাবণ কন্যা। নিজের ভাইয়ের বৌ রম্ভার সঙ্গে বলপূর্বক মিলনের ফসল সীতা। আবার পূর্বজন্মে সীতা নাকি বেদবতী নামক ঋষিকন্যা ছিলেন। রাবণ তাঁকে ধর্ষণ করতে চাইলে সীতা যজ্ঞের আগুনে প্রাণত্যাগ করেন এবং অভিশাপ দেন রাবণকে পরের জন্মে তাঁর কন্যা হ'য়ে জন্মগ্রহণ করবেন এবং মৃত্যুর কারণ হবেন। পরের জন্মে সীতা জন্ম নিলে স্বামীর প্রাণ সংশয়ের কারণে মাতা মন্দোদরী ভয়ে সমুদ্রে সীতাকে ভাসিয়ে দেন এবং ধরিত্রী মাকে দান করেন। জনক রাজা সীতাকে পান এবং পালন করেন। বিভিন্ন রামায়ণে সীতাকে বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।
বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টির সৃষ্টিকর্তা পুরুষোত্তম পরমপিতা শ্রীশ্রীরামচন্দ্রের ঘরণী মা লক্ষ্মী সীতার এমন অদ্ভুত অদ্ভুত কাহিনী হিন্দুধর্মের ধর্মগ্রন্থে।এইজন্যেই বোধহয় আজ হিন্দু ধর্মের এই করুণ অবস্থা। তাই বলা হয় বাল্মিকি রামায়ণ বাদে বাকীগুলি বালখিল্য রামায়ণ।
( লেখা ২রা ফেব্রুয়ারী'২০২৫)।

No comments:
Post a Comment