Saturday, November 2, 2024

বিচিত্রা ৩৫

আমার প্রিয়জন।
বর্তমান কঠিন, ভবিষ্যত ভয়ঙ্কর! যা শুধরে নেবার শুধরে নাও নিজেকে এখনি। যদি ভবিষ্যত দেখতে চাও সুন্দর পজিটিভ পরিবেশ তৈরী করো গৃহে। এখনো সময় আছে, যদি বাঁচতে চাও ও বাঁচাতে চাও পরিবারকে তবে দয়ালের রঙে রাঙাও নিজেকে। চরণপূজা নয়, তাঁর চলনপূজায় মাতাল হ'ক পরাণ।

আমার প্রিয়জন।
অন্তত তোমরা ঠাকুরের বিষয়ে কপট হ'য়ো না। আর সাদা পোষাক ও কাঁধে কালো ব্যাগ ঝুলিয়ে কপট সৎসঙ্গী সেজো না, সৎসঙ্গী হওয়ার চেষ্টা ক'রো।

আমার প্রিয়জন।
সাবধান! মনে রেখো ঠাকুরের নিজের হাতে তৈরী 'সৎসঙ্গ" প্রতিষ্ঠান। তাই মূল স্রোত থেকে কখনও কোনও অবস্থায় স'রে যেও না। স'রে গিয়ে খালে, বিলে আটকে যেও না। দম বন্ধ হ'য়ে হাঁসফাঁস ক'রে মারা পড়বে। দয়াল ঠাকুরই তোমার এক ও একমাত্র আরাধ্য, ধ্যেয় আর কেউ নন। আচার্য হ'লেন তাঁরই জীবন্ত প্রতিভু, তাঁরই পতাকাবাহী, তাঁর ধামে নিয়ে যাবার এক ও একমাত্র নিখুঁত পথপ্রদর্শক। নকল 'সৎসঙ্গ' থেকে সাবধান! নকল থেকে আসলেতে মনটা মজাও।

আমার প্রিয়জন।

তোমার প্রিয়জন সম্পর্কে সাবধান হও, সতর্ক হও, মনোযোগী হও। জীবন বিধ্বংসী যা কিছু সব চুপিসারে নানাভাবে ঢুকে পড়েছে তোমার ঘরে তোমার প্রিয়জনকে, সন্তানকে ছোবল মারবে ব'লে। বাঁচাতে তুমি পারবে না। কেউ বাঁচাতে পারবে না। ঘরে বাইরে সব সবাই বিষে জর্জরিত, নীল! নিজে যদি মরতে চাও মরো। কিন্তু নিজের সন্তানকে যদি ভালোবেসে থাকো তাহ'লে তাকে দয়ালের চরণতলে বসিয়ে যাও। গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, মরেও শান্তি পাবে।
( লেখা ৩রা নভেম্বর'২০২২)

















No comments:

Post a Comment